হিন্দুদের পূর্বপুরুষরাও একসময় মুসলমান ছিলো


কিছু অজ্ঞ মূর্খ আছে যারা বলে মুসলমানরা আগে অন্য ধর্মের ছিলো। এসব যবন মূর্খের বক্তব্যের জবাবে বলতে হয়- মুসলমানগণ নয়, বরং হিন্দুরাই কোনো একসময় মুসলমান ছিলো। পরবর্তীতে তারা মুসলিম জাতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উপজাতিদের মতো পৃথক হয়ে মনগড়া ধর্ম পালন শুরু করেছে, যার প্রমাণ তাদের গ্রন্থ ‘অথর্ব বেদ’-এর মধ্যেই আছে।
মূলত, দ্বীন ইসলাম কোনো নতুন দ্বীন নয়। সর্বপ্রথম মানুষ হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে প্রথম নবী ও রাসূল। সুতরাং দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন সর্বপ্রথম ও একমাত্র মনোনিত দ্বীন, যা শুরু থেকেই ছিলো। পরবর্তীতে ১ লক্ষ ২৪ হাজার মতান্তরে ২ লক্ষ ২৪ হাজার নবী রাসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যমে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম জারি ছিলো এবং আছে। তবে মাঝে মধ্যে ঐ সমস্ত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের উম্মতদের মধ্যে থেকে অনেকে কুফরী-শিরকী করে মূল ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো, অসভ্য জীবনযাপন করতো (বর্তমান সময়ের উপজাতিদের মত)। তাদের মধ্যে থেকেই বিভিন্ন মনগড়া কথিত ধর্মের উৎপত্তি ঘটে। ঐ সকল বিচ্ছিন্ন উপজাতিদের মধ্যে থেকেই কথিত হিন্দু ধর্মের উৎপত্তি। তবে হিন্দুরা যে কোনো এক সময় কোনো মুসলিম সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলো তার দলিল পাওয়া যায় তাদের অথর্ব বেদে। সেখানে স্পষ্টভাবেই আখিরী নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের কথা উল্লেখ রয়েছে এবং তিনি যে বাহন হিসেবে উটে চড়বেন, এটাও সেখানে উল্লেখ আছে। এজন্যই দেখা যায়, পূর্ববর্তী হিন্দুরা নবীজী উনার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে উটের গোশত ও দুধ খেতো না এবং উটেও চড়তো না। যেটা এখনও ব্রাহ্মণ হিন্দুদের ক্ষেত্রে বলবৎ আছে। (সূত্র: বেদ-পুরাণে আল্লাহ ও হযরত মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ধর্মাচার্য অধ্যাপক ড. বেদপ্রকাশ উপাধ্যায়, ইসলামী সাহিত্য প্রকাশনালয়)
তাই উগ্র হিন্দুদের কথা মতে ‘ঘর ওয়াপসি’ (ঘরে ফেরা) যদি করতে হয়, তবে হিন্দুদেরকেই দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করতে হবে।
আমরা সমস্ত হিন্দুদেরকে আহবান করছি- তোদের পূর্বপুরুষরা দ্বীনদার সভ্য মুসলমান ছিলো। তাই পবিত্র কলেমা শরীফ পাঠ করে তোরা আবার ঈমানের পথে ফেরত আয়।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে