হিন্দু কাকের কা কা


ঠিক বুঝলাম না , বাদশা আওরংগজেবের সময় নাকি গরু যবেহ নিষেধ ছিল আর সেই আইন এখন চাচ্ছে কথিত হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা। তাও বাংলাদেশে।

তাহলেতো মুসলমানদেরকে আবারও এই উপমহাদেশের শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে হবে যেখানে হিন্দুরা মুসলমানদের পা চেটে চেটে ধন্য হত।
এই ভুঁই ফোড় দলের আরও দাবি হচ্ছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নাকি নজিরবিহীন নিপীড়ন চলছে এবং তাদের বেদখল হয়ে যাওয়া সম্পত্তির মধ্যে চার ভাগের তিন ভাগ দখল করে নিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এরা আরও বলে সম্পত্তি দখলের প্রবণতা শুরু হয় ১৯৭২ সাল থেকেই। সে সময় রমনা কালী মন্দির দখল করে পার্ক বানানো হয়েছিল। সেই মন্দির উদ্ধার করতে ৩০ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে।
৩০ বছর পর যখন তাদের কালি মন্দির উদ্ধার হবার পরে এবং খোদ পার্ক তাদের মন্দীরের উঠোনে ঢুকে যাবার পরেও ও তারা বলে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নাকি নজিরবিহীন নিপীড়ন চলছে ? আরে তোদের গলাবাজিই প্রমান করে তোরা এখন কত ভাল আছিস।
এরা আরও বলেছে ,”বাংলাদেশে যেভাবে গো-হত্যা চলছে এটা মেনে নেয়া যায় না। ”
কিভাবে গো হত্যা বেশী হচ্ছে বুঝলাম না। কুরবানীর ঈদ কি একটার জায়গা দুইটা হয়ে গেলো নাকি? তবে বেশী যবেহ হলে অবশ্যই বেশী ছুড়ি লাগে। তবে তা আরও শান দিয়ে রাখা দরকার তোদের গলা ফেলানোর জন্য।
মল চক্রবর্তী বলে, বিএনপি’র লোকেরা জিয়াউর রহমানকে শহীদ বলে থাকে। কিন্তু জিয়া তো কোনো যুদ্ধে শহীদ হননি। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের অধিকার হরণ করেছেন। সুতরাং তাকে কিছুতেই শহীদ বলা যায় না।
জিয়াউর রহমানকে তোদের যা মন চায় বল, সমস্যা নাই। কিন্তু হঠাত আদিবাসীদের জন্য দরদ?
পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সকল বাঙালিকে প্রত্যাহারের দাবি ?? বুঝলাম প্রত্যাহার করতে হবে। কিন্তু বাঙ্গালী যদি হিন্দু আর খ্রিষ্টান হয়? তাহলেও?
গরু যবেহ–নির্যাতন–জমি দখল–আদিবাসী অধিকার– বাঙ্গালী প্রত্যাহার
ঠিক করে বল, কোনটার নেপথ্যে কোনটা?
আর কত টাকা দিয়েছে তোদের ? আর কে দিল? কইয়া লা । মাইরের আগে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে