হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নিষিদ্ধ করতে হবে: ওলামা লীগ


হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নিষিদ্ধ করতে হবে: ওলামা লীগশীর্ষ নিউজ, ঢাকা: হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওলামা লীদের সভাপতি পীরজাদা পীর আখতার হোসেন বুখারী, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ক্বাজী মাওলানা আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সহসভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুস সাত্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবীবুল্লাহ রুপগঞ্জী ও দফতর সম্পাদক মাওলানা শওকত আলী শেখ এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে ওলামা লীগ নেতারা বলেন, হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র ভারত বিশ্বের শীর্ষ গরুর গোশত রপ্তানিকারক দেশ। সাম্প্রদায়িক সংগঠন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কর্তৃক সেখানে গরু গোশত ব্যবসা বন্ধ করার কথা না বলে এদেশে গরু জবাই নিষিদ্ধের কথা বলা মানে চরম সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়া। এ সাম্প্রদায়িক সংগঠন ধর্মের নামে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার হরণে লিপ্ত। তারা কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী। তারা দেশে পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও ভারতের আরএসএস, শিবসেনা, বজরং এর মতো জঙ্গি সংগঠনগুলোর মতবাদ ছড়াতে এদেশীয় মৌলবাদী হিন্দু সংগঠনগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা করছে। এরা দেশে সরকারকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সংগঠন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশে মুসলমান ও ইসলাম ধর্মের বিষোদগার করতেই ১৯৮৮ সালের জুন মাসে জন্ম হয়। সুরঞ্জিতের নেতৃত্বেই তাদের সাম্প্রদায়িক কার্যক্রম শুরু হয়। অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগে সাম্প্রদায়িক সুরঞ্জিত সম্পূর্ণই বেমানান। তাও আবার উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য। অথচ তার সম্পূর্ণ কার্যক্রম ইসলাম বিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে। তার নেতৃত্বেই বর্তমানে সাম্প্রদায়িক সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তারই কিছু চিত্র দেখা গেছে।

তারা আরও বলেন, এ সাম্প্রদায়িক সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যাচার করে বলেছে, রমনা কালীমন্দির দখল করে নাকি পার্ক বানানো হয়েছে। অথচ ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে মুসলমানদের বদন্যতায় হিন্দুরা অতি ক্ষুদ্রপরিসরে একটি মন্দির তৈরী করেছিলো। মূলত মোঘল বাদশাহ’র পৃষ্ঠপোষকতায়, মোঘল সেনাপতি মান সিংহের সহযোগিতা শাহবাজ মসজিদের উত্তর দিকে হরিচরণ গিরি অতিক্ষুদ্র পরিসরে ভিত্তি স্থাপন করেছিলো ‘কৃপা সিদ্ধির আখড়া’ যা পরবর্তীতে ‘ভদ্রাকালী বাড়ি’ এবং পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয় ‘রমনা কালী মন্দির’ হিসেবে। তারা মুসলমানদের অবদান অস্বীকার করতে চায়।

তাই এ সাম্প্রদায়িক সংগঠন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে। উগ্রবাদী-মৌলবাদী হিন্দুদের সাম্প্রদায়িক উস্কানিসহ সব ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।

শীর্ষ নিউজ/বিজ্ঞপ্তি/জেএ

– See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2016/02/28/118418#sthash.medA60BI.dpuf

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+