হিন্দু মুশরিকদের কথিত দেব-দেবীর মূর্তি নদীতে ফেলার কারণে নদীর পবিত্রতা ও বরকত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাই নদীতে মূর্তি ডোবানো নিষিদ্ধ করতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি বাংলার যমীনকে নিয়ামতে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। সেই অবারিত নিয়ামতের ধারায় বাংলার যমীনের উপর প্রবাহিত করেছেন অনেক নদীনালা। সুবহানাল্লাহ! তা এতোটা যে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচয় লাভ করেছে। এসব নদীর বরকতে আমরা মিঠা পানির প্রাচুর্যতা লাভ করেছি, অসংখ্য মৎস্য-রাজি লাভ করেছি, যার ফলে আমরা নিজ দেশের আমিষের চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত মৎস্যসম্পদ বিদেশে রফতানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা লাভ করতে পারছি। এছাড়াও নদী তীরবর্তী অঞ্চলগুলো বাণিজ্য কেন্দ্র ও নগরে পরিণত হয়েছে। অধিক নদীনালা থাকায় আমরা নৌপথে কম খরচে যাতায়াত ও পণ্যদ্রব্য স্থানান্তরের সুবিধা পাচ্ছি, যা আমাদের জীবনযাত্রাকে আনেক সহজ ও সাশ্রয়ী করে তুলেছে।

বলাবাহুল্য, এই বরকতপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ নদীসমূহ দিনের পর দিন তার জৌলুস হারাচ্ছে, নদীগুলো মরে যাচ্ছে, নাব্যতা হারাচ্ছে, নদীর মৎস্যরাজি বিলুপ্ত হচ্ছে। এসবের নেপথ্যের অন্যতম কারণ হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে শিরককারী সম্প্রদায় তথা হিন্দু মুশরিকরা তাদের কথিত দেব-দেবীদের মূর্তি নদী গর্ভে ডুবিয়ে দিচ্ছে। এই অভিশপ্ত সম্প্রদায়ের এহেন কর্মকা-ের ফলে নদীগুলোর বরকত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদেশের মানুষ নদীর নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তাই দেশের নদী বাঁচাতে, নদীর সুফল ভোগ করতে, নদীর বরকত ধরে রাখতে হলে অবশ্যই নদীতে অভিশপ্ত মূর্তি ডোবানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। আইন প্রণয়ন করতে হবে এবং এ আইন অমান্য করলে দৃষ্টান্তমূলক জরিমানা আদায়সহ কঠিন শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে