হুজুগে মুসলমান, হাক্বীকতে ছু-মোল্লাদের অনুসারী!


কাফির-মুশরিকদের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ইউরোপ-আমেরিকায় আগামীকাল ঈদ। আমি কি করে জানি? কারন তাদের চ্যালা মোল্লারা চাঁদ দেখার এক সপ্তাহ, কোন কোন ক্ষেত্রে এক মাস আগে পত্র-পত্রিকায় ঈদের তারিখ ঘোষণা করে দিয়েছে। এভাবে এক সপ্তাহ বা এক মাস আগে ঘোষণা দিয়ে মুসলমানের ঈদ হতে পারে না। কারন হিজরী মাস চাঁদ দেখেই গননা করতে হবে। এ বিষয়ে পবিত্র হাদিস শরীফে স্পষ্ট বর্নিত আছে, “তোমরা চাঁদ দেখে রমাদ্বান শরীফ-এর রোযা রাখো এবং চাঁদ দেখেই রোযা শেষ করো তথা ঈদ পালন করো। আর যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় তোমরা চাঁদ দেখতে না পাও তবে শা’বান মাস ত্রিশ দিনে পূর্ন করো। [বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ]

এইসব মোল্লাদের সাথে যারা হুজুগে তাল মিলাবে তারা কিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে?
১। ফরয রোযা হারাবে। কাফির হবারও সম্ভাবনা আছে। (নিশ্চয়ই মাসকে আগ-পিছ করা কুফরীকে বৃদ্ধি করে দেয়। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৭)
২। ঈদের রাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ইবাদত হারাবে (৫ রাতে নিশ্চিতভাবে দুয়া কবুল হয়। তন্মধ্যে ঈদুল ফিতরের রাত একটি।)
৩। স্পষ্ট হাদিস শরীফ অমান্যকারী হিসেবে গণ্য হবে ( “কিয়ামতের দিন পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ব্যতীত, কোনো আদম সন্তান এক কদমও সরাতে পারবে না “ তন্মধ্যে একটি হলো, ইলম অনুযায়ী কতটুকু আমল করা হয়েছে? মানে- যা জেনেছ তা কতটুকু মেনেছ? পবিত্র তিরমিযী শরীফ)
৪। বাতিল ৭২ ফিরক্বার অনুসারী হবে (আখেরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, “আখেরী যামানায় আমার উম্মতের মধ্যে ৭৩ টি দল হবে। তন্মধ্যে ৭২ টি বাতিল ফিরক্বা, একটি জান্নাতী।”Wink

যারা মূর্খতার কারণে এই সব মোল্লাদের অনুসরণ করে অতঃপর অজুহাত দেয়, “আল্লাহ পাকতো সর্বোচ্চ দয়াশীল ও ক্ষমাশীল। ২/১ টা রোযা এদিক ওদিক হলে মাফ করে দিবেন।”
তাদের জন্যঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক সর্বোচ্চ দয়াশীল ও ক্ষমাশীল। তবে সবচেয়ে কঠিন শাস্তিদাতাও তিনিই। জাহান্নাম তিনিই বানিয়ে রেখেছেন। আর যারা প্রকাশ্যে নাফরমানী করে তারা যদি জান্নাতে যায় তবে ওই জাহান্নামগুলো কাদের জন্য?
এবার আসি একটা সোজা হিসাবে, আপনি মাগরিবের নামায কখন পড়েন? আর ফজরের? মাগরিব হচ্ছে সূর্যাস্তের পর আর ফজর সুবহি সাদিকের পর। এখন কেউ যদি সূর্যাস্তের আগে মাগরিবের নামায আর সুবহি সাদিকের আগে ফজরের নামাজ আদায় করে তার নামায কি হবে? হওয়ার কথা না। কারন আল্লাহ পাক ওয়াক্ত নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তাই সময়ের আগে রোযা/ঈদ পালন করলে কোনটাই হবে না।

আল্লাহ পাক মানুষকে বুঝার তৌফিক দিন এই দুয়া ছাড়া আপাতত কিছু করতে পারছি না।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে