হেফাজতীরা মুলত কাফির


হেফাজতীরা ইসলাম দ্বীন ইসলাম উনার নামে “লংমার্চ” করে এটাকে “হিজরত” উনার সাথে তুলনা করে জায়িয বানানো অপচেষ্টা করেছে। (নাউযুবিল্লাহ) অথচ লংমার্চ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কোনো আমল নয় বরং কাট্টা ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক মাওসেতুং এর পলায়ন নীতি। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত সম্মানিত দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম।” মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আল ইমরান শরীফ উনার ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে, তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” (মুসনাদে আহমদ শরীফ)

তারা আরো বলেছে যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনারা “লংমার্চ” করেছেন। (নাউযুবিল্লাহ) আক্বাইদে নাসাঈ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “হালালকে হারাম বা হারামকে হালাল বলা কুফরী।” নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ” যে ব্যক্তি আমার নাম মুবারক এ  মিথ্যা বললো, সে যেন দুনিয়ায় থাকতে আমার তার স্থান জাহান্নামে নির্ধারন করে নিল।”

হেফাজতীরা কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ উনাদের খিলাফ আমল করে, হারাম লংমার্চকে দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে জায়িয বলে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনাদের শান মুবারক-এ তোহমত দেয়ার কারণে কাফির হয়ে গেছে।

 

গত ২৩ জুমাদাল উখরা তারিখে হেফাজতীরা বায়তুল মোকারম চত্বরে পবিত্র কুরআন শরীফ সহ বিভিন্ন ইসলামী বইয়ের ৮২টি দোকান পুড়িয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিয়েছে, স্বর্ণের দোকান লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করেছে, রোড ডিভাইডার উপড়ে ফেলেছে এবং রাস্তার সমস্ত গাছ করাত দিয়ে কর্তন করেছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে ফেলেছে, প্রচুর গাড়ী পুড়িয়েছে। হেফাজতীদের সন্ত্রাসী  তাণ্ডবে শুধু পল্টনের হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ২০ কোটি টাকার মত। হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মুসলমান ঐ ব্যক্তি যার হাত ও যবান থেকে মুসলমান (মানুষ) নিরাপদ।” তাহলে যারা মানুষের এত ক্ষতি করলো তারা কি করে মুসলমান থাকতে পারে না? আর যারা মুসলমান থাকতে পারলো না তারা তো অবশ্যই কাফির।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+