হ্যাকিং আপডেট: ইন্ডিয়ার প্রায় ৫০,০০০ সাইটে এবং প্রায় ১৫০০০ মেইল একাউন্টে আঘাত


গত ২৫শে জানুয়ারী ২০১২তে বাংলাদেশ ব্লাকহ্যাট হ্যাকারস ভারত-বাংলাদেশ সীমানায় বি. এস.ফের বাংলাদেশী হত্যার প্রতিবাদে ভারতের মহারাষ্ট্র পুলিশের সাইট হ্যাক করে। এরই প্রতিশোধ নিতে ইন্ডিশেলর (ইন্ডিয়ান হ্যাকার গ্রুপ) নেতৃতে ৫০টির বেশি ভারতীয় হ্যাকার গ্রুপ বাংলাদেশের সাইবার জগতে হামলা করে এবং তারা বাংলদেশের সাইবার জগত শেষ করে দেবার অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।
গত ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০১২তে তারা প্রথম হামলা চালায় বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারী সাইটে।
এই হামলার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্লাকহ্যাট হ্যাকারস প্রতিরোধ গড়ে তোলে, পাল্টা হামলা চালায়। কিন্তু গত ১০শে ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ান হ্যাকারদের পক্ষ থেকে সাইবার ওয়ারের ঘোষনা আসলে। বাংলাদেশ ব্লাকহ্যাট হ্যাকারস, বাংলাদেশ সাইবার আর্মি, বাংলাদেশ সাইবার ঈগল এবং এক্সপ্লোরার সাইবার আর্মি এক সাথে কাজ শুরু করে বাংলাদেশের পক্ষে। ।
মুলত, এই সময় থেকে শুরু হয় বাংলাদেশ ও ভারতের সাইবার ওয়ার। ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে পাকিস্তান ভিত্তিক দ্যা হ্যাকার আর্মি গ্রুপের নেতৃতে ৬টি পাকিস্তানি হ্যাকার গ্রুপ এক্ততা প্রকাশ করে ভারতের সাইবার স্পেসে হামলা চালায়।
১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে হ্যাকার জগতে আলোচনা চলতে থাকে বাংলাদেশ ও ভারতের সাইবার ওয়ার নিয়ে। এদিন সকালে হ্যাকার জগতের বিখ্যাত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার ও অন্যান্যমসের সমর্থন পেয়ে বাংলাদেশ ব্লাকহ্যাট হ্যাকারস, বাংলাদেশ সাইবার আর্মি, বাংলাদেশ সাইবার ঈগল এবং এক্সপ্লোরার সাইবার আর্মি একের পর এক ধারাবাহিক আক্রমণ চালায় ভারতের সাইবার স্পেসে। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশী হ্যাকার (আনুমানিক ১২০০-১৫০০ বলে জানা যায়) এসময় এক্ততা প্রকাশ করে বড় ধরনের আঘাতহানে ভারতের সাইবার জগতে। যা কিনা সাইবার জগতের ইতিহাসে বিরল। এছাড়াও এই সাইবার ওয়ারে সর্বস্তরের বাংলাদেশীদের অগণিত সমর্থন ছিল দেখার মত, এদিন মুলত ফেসবুক, ওয়েব সাইট, ব্লগগুলোতে প্রচুর সমর্থন পায় বাংলাদেশী হ্যাকাররা।
১২ ফেব্রুয়ারি রাতে সাইবার ওয়ার রুপ নেয় বিশ্ব সাইবার যুদ্ধেঃ বাংলাদেশী হ্যাকাররা তাদের হামলার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে অপারেশন ইন্ডিয়াঃ ফেজ-২ নামে নতুন মিশণ শুরু করে। নূতন এই মিশনে বাংলাদেশী হ্যাকারদের সকল কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার ও অন্যান্যমস। এ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েনাম, সোদি-আরব,মিসর, লিবিয়ার বেশ কিছু হ্যাকার গ্রুপ যোগ দিয়ে বাংলাদেশের সাথে সমান তালে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের সাইবার জগতে।
পাকিস্তানও তাদের সাড়াশি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে ভারতের হ্যাকারদের সাথে এক্ততা প্রকাশ করে বাংলাদেশের সাইবার জগতে আঘাত হেনেছে ইসরাইল ও রাশিয়ার হ্যাকার গ্রুপগুলো।
সাইবার ওয়ারের শুরু থেকে নজর ছিল, চীনা হ্যাকার গ্রুপগুলোর। রাশিয়া উপস্থিতি জানতে পেরে, রাতে পৃথকভাবে তারা হামলা করে ইন্ডিয়ার সাইবার জগতে। ।
ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার হ্যাকার গ্রুপ গুলো রাশিয়ার সাইবার জগতে হামলা করছে ১৩ই ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে।
লিবিয়া, সোদি-আরব, তুর্কি হ্যাকার গ্রুপ গুলোও একইদিন আগে আঘাত হেনেছে ইসরাইলি সাইবার জগতে।
১৩ই ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই বাংলাদেশী হ্যকারদের পাল্লা ভারি হতে শুরু করে, এদিন দুপুর ১২.০০ টার পর থেকেই ট্রেনিংয়ে থাকা বাঙ্গালী হ্যাকাররা যোগ দেয়।
এছাড়াও এদিন সকাল থেকেই তরুণদের উপচে পড়া ভীর লক্ষ্য করা যায়, বছর ধরে জিমিয়ে থাকা সাইবার ক্যাফেতে। ক্যাফেগুলো ঘুরে জানা গেছে, এখান থেকেও পরিচালিত হচ্ছে সাইবার অ্যাটাক। এ সকল তরুণ মুলত নিজেদের উদ্যোগে অপারেশন ইন্ডিয়াঃ ফেজ-২ নামে মিশণ যোগ দেয়, এরা প্রফেশনাল হ্যাকার নয়।
১৩ই ফেব্রুয়ারি ই প্রথম বাংলাদেশের সাধারন মানুষ জানতে পারে মিডিয়া সুত্রে, এদিন প্রথম বিভিন্ন বাংলাদেশী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় বাংলাদেশ ও ভারতের সাইবার ওয়ারে খবর।
১৩ই ফেব্রুয়ারি রাত ৯.৩০ দিকে হটাৎ বন্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশী হ্যাকারদের কর্মকাণ্ড, কিন্তু ১০.৩০-১১.০০ মাঝামাঝি সময় থেকে আবার শুরু হয় ইন্ডিয়া সাইবার জগতে হামলা। মুলত এসময় থেকে সংগটিত হামলা শুরু হয়, যার ফলে ইন্ডিয়ার সাইবার জগতে অনেক বড় রকমের ধ্বংস নামে। বাংলাদেশী হ্যাকাররা DDOSS operating হামলা চালায়, এসময় তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল ইন্ডিয়ান সরকারী সাইটগুলো। বাংলাদেশী হ্যাকারদের DDOSS হামলার ফলে একে একে ডাউন হয়ে যায় ইন্ডিয়ান সরকারী সার্ভার গুলো। এই রাতেই বিশ্ব গণমাধ্যমের নজরে আসে বাংলদেশের সাইবার অ্যাটাক।
১৪ই ফেব্রুয়ারি সকল বিশ্ব গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের প্রকাশ পায় বিষয়টি।
১৪ই ফেব্রুয়ারি সকালে হটাৎ ইন্ডিয়া সাইবার অ্যাটাকে পরিবর্তন আনে, ইন্ডিয়ান হ্যাকাররা চীনা সাইট হ্যাক করে বাংলাদেশী ব্যানার ট্যাগ করতে শুরু করে, যেন চীনা হ্যাকার গোস্টী নজর বাংলাদেশের উপর পড়ে যা কিনা সাইবার জগতে “ফ্লস ফ্লাগ অপারেশন” নামে পরিচিত।
এদিন রাতে হটাৎ করে, বাংলাদেশের সাথে এক্ততা প্রকাশ করে, ইসরাইলের সাইবার জগতে হামলে পড়ে, মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ানক হ্যাকার গ্রুপ মুসলিম লিবারেশন সাইবার আর্মি।
১৫ই ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বাংলাদেশ-ভারত সাইবার জগতে,
১৫ই তারিখ সকালে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী পর্যায়ে মীটিং বসছে এই সাইবার ওয়ার নিয়ে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরঃ
বাংলাদেশ ব্লাকহ্যাট হ্যাকারসঃ ১৮০০০+ ইন্ডিয়ান সাইটে আঘাত হেনেছে, যার মাঝে ১০০০+ সরকারী সাইট আছে ।
বাংলাদেশ সাইবার আর্মিঃ ৫০০০+ ইন্ডিয়ান সাইটে আঘাত হেনেছে, যার মাঝে ১০০+ সরকারী সাইট আছে ।
এক্সপ্লোরার সাইবার আর্মিঃ ৪৫০০+ ইন্ডিয়ান সাইটে আঘাত হেনেছে।
বাংলাদেশ সাইবার ঈগলঃ ৩০০০+ ইন্ডিয়ান সাইটে আঘাত হেনেছে ।
এছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে ৬০০০+ ইন্ডিয়ান সাইটে আঘাত হেনেছে বাংলাদেশী হ্যাকাররা।
এছাড়া ১৫০০০ মত ফেসবুক, টুঁইটার, জিমেইল ইন্ডিয়ান একাউণট হ্যাক করেছে বাংলাদেশীরা।
ইন্দনেশিয়ার হ্যাকাররা গ্রুপ গুলো ২০০০+ ইন্ডিয়ান সাইটে আঘাত হেনেছে ।
পাকিস্তানের হ্যাকাররা গ্রুপ গুলো ১০০০০+ ইন্ডিয়ান সাইটে আঘাত হেনেছে ।

আর ভারত মাত্র  বাংলাদেশের ২৫০০+ সাইটে আঘাত হেনেছে, যার মাঝে ১০০+ সরকারী সাইট আছে।


Views All Time
55
Views Today
184
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+