২১ আর ১৮ বছরের নিচের ছেলে-মেয়েদের ঢালাওভাবে শিশু বলা অযৌক্তিক


বর্তমান সমাজে যে নারীরা লাঞ্ছিত হচ্ছে, সম্ভ্রমহানির, শিকার হচ্ছে, টিজিংয়ের শিকার হচ্ছে, ব্ল্যাক মেইলের শিকার হচ্ছে তাদের বয়স কত? তাদের বয়স কি ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪ …. ইত্যাদি। সেটা কিন্তু নয়। অথচ তাদের বয়স ১০ থেকে শুরু করে ১৮ বছরের মধ্যেই ঘটে থাকে। আর এসব জঘন্য ঘটনা কেন ঘটে থাকে? বা এর উত্তরণই বা কি? সেটা কি কথিত নারীবাদীরা একবারও ভেবে দেখেছে? তারা কি এই ১০ থেকে ১৬ বছর বয়সের মেয়েদের সম্মান রক্ষা করতে পারছে বা রক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা করেছে?

মূলত তাদের মাথা ঠিক নেই। এরা পাগল ও অথর্ব। তাই তারা ইহুদী-নাছারাদের বানানো বুলি আওড়িয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরোধিতা করে থাকে।

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে ছেলের বিয়ে করার ও মেয়েকে বিয়ে দেয়ার জন্য কোনো বয়স নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। অর্থাৎ ৫, ১০, ১৫ ইত্যাদি বছরের কমে অথবা ৪০, ৬০, ৮০ ইত্যাদি বছরের চেয়ে বেশি বয়সে বিয়ে করা যাবে না- এমন কোনো শর্ত-শারায়িত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে বর্ণনা করা হয়নি। আর একারণেই অনেকে বাল্যবিবাহ করেছেন। এমনকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও বাল্যবিবাহ করেছেন বলে তার জীবনীতে উল্লেখ আছে।
১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের পিছনে কথিত যে যুক্তি দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ধোঁকাপূর্ণ ও প্রতারণামূলক। ব্রিটিশরা তথা ইহুদী-খ্রিস্টানরা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিদ্বেষবশতই এ আইন করেছে। কারণ এ বিষয় এমন নয় যে, ব্রিটিশরা মেয়েদের ১৮ বছরের নিচে এবং ছেলেদের ২১ বছরের নিচে অবস্থান সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করছে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে