৬ ই রজবুল হারাম শরীফ সুমহান বিছলী শান মুবারক উনার দিবস


هذ ا حبيب الله مات في حب الله

হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
উনার FB_IMG_1460342284585 । ৬ ই রজবুল হারাম শরীফ ।
জন্ম ১১৪১
কুরাশান (আধুনিক আফগানিস্তানে) বা এসফাহন (আধুনিক ইরানে)
মৃত্যু ১২৩৬
খেতাব غریب نواز গরিব নেওয়াজ،سلطان الہند সুলতান-উল-হিন্দ (ভারতের সম্রাট) শেখ, খলিফা
দ্বাদশ শতাব্দীর শেষদিক ও ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রথমদিক
পূর্বসূরী উসমান হারুনী
উত্তরসূরী কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী
ধর্মীয় জীবন
সুলতান-উল-হিন্দ, খাজা[১] মইনুদ্দিন চিশতী (উর্দু/معین الدین چشتی) (ফার্সি: چشتی‎‎,উর্দু: چشتی‎‎ – Čištī) (আরবি: ششتى‎‎ – চিশতী) হলেন চিশতীয় ধারার ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত সুফি সাধক। উনি ১১৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন ও ১২৩৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। উনি গরিবে নেওয়াজ (غریب نواز) নামেও পরিচিত। হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উপমহাদেশে প্রথম এই ধারা প্রতিষ্ঠিত ও পরিচিত করেন। তিনি ভারতে চিশতী ধারার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক ধারা বা সিলসিলা এমনভাবে পরিচিত করেন ;পরবর্তীতে তাঁর অনুসারীরা যেমন, বখতিয়ার কাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি , বাবা ফরিদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি, নাজিমদ্দিন আউলিয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহি (প্রত্যেকে ক্রমানুযায়ী মুরীদ) আরো অনেকে ভারতের ইতিহাসে সুফি ধারাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।
হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
৫৩৬ হিজরী/১১৪১ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব পারস্যের সিসটান রাজ্যের চিশতীতে জন্মগ্রহণ করেন।[৩] তিনি পারস্যে বেড়ে উঠেন। পনেরো বছর বয়সে উনার পিতা-মাতা বিছাল লাভ করেন।

সুফি দীক্ষা
হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বোখারা থেকে নিশাপুরে আসেন। সেখানে চিশতীয়া তরীকার অপর প্রসিদ্ধ সুফি সাধক খাজা উসমান হারুনী রহমাতুল্লাহি আলাইহি নিকট বায়াত গ্রহণ করেন। উনার খিদমতে ২০ বছর একাগ্রভাবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে উসমান হারুনী তাকে খিলাফত প্রদান করেন।

সফর :
হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
বহু দেশ ভ্রমণ করেন। তৎকালীন বিভিন্ন জ্ঞানী, গুণী, পন্ডিত, দার্শনিকসহ অসংখ্য সুফি সাধকের সাথে সাক্ষাত করেন বলে নানা গ্রন্থে তথ্য পাওয়া যায়। তিনি ইরাকের বাগদাদে আবদুল কাদির জিলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি সাহচর্যে ৫৭ দিন অবস্থান করেন।

ধর্ম প্রচার
হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারে কিংবদন্তিতুল্য একজন ঐতিহাসিক সুফি ব্যক্তিত্ব। তিনি স্বীয় পীর উসমান হারুনী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার নির্দেশে ভারতে আগমন করে মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দেন এবং তারই মাধ্যমে বহু লোক ইসলাম গ্রহণ করেন।
উনার বিখ্যাত একটি গ্রন্থ হল “আনিসুল আরওয়াহ”।

খেলাফত প্রদান
উনি কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাকে খিলাফতের দায়িত্ব অর্পন করে সিলসিলার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন।

বিছাল শরীফ : ৬ ই রজবুল হারাম শরীফ ।
তিনি কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ৬৩৩ হিজরীর ৫ রজব দিবাগত রাত অর্থাৎ ৬ রজব সূর্যোদয়ের সময় বিছাল শরীফ লাভ করেন।

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে