৯৭% মুসলমানদের দেশে একের পর এক নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননা আমরা আর কত সহ্য করবো? এবার ঢাবিতেও………


এবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার সম্পর্কে কটূক্তির ধৃষ্টতা দেখালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথিত এক শিক্ষক। ওই শিক্ষকের নাম লুকনা ইয়াসমিন। সে ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার নামের পরে সাল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলা হাস্যকর ও নিপীড়ন বলে সে মন্তব্য করেছে ( নাউযুবিল্লাহ )—এমন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। পৃথিবীর বৃহত্ ধর্মের শীর্ষ ব্যক্তি সম্পর্কে ওর এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা। এ মন্তব্যের পর থেকে ইতিহাস বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ইসলামী সভ্যতা (ইসলামিক সিভিলাইজেশন) নামেক কোর্সের সহকারী অধ্যাপক লুকনা ইয়াসমিন। গত ২২ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটায় ওই কোর্সের বায়োগ্রাফি অব মুহাম্মদ নাম অধ্যায়টি পড়ানোর কথা ছিল। এসময় সে বললো, এ অধ্যয়ের অসংখ্য বার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার নাম মুবারক আসবে। তবে আমি বার বার সাল্লেল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলতে পারবো না। বার বার নামের শেষে একই কথা বলা হাস্যকর ও লজ্জা জনক ( নাউযুবিল্লাহ)। লুকনা আরও বলে, একজন মানুষের নামের পরে স: বলা বদ্ধমূল ধারণা। আমি অনেক খ্রিস্টান পণ্ডিতের বই পড়েছি। কিন্তু কোথাও এমন কিছু পাইনি।
ওই শিক্ষক বলে, তিনি তো মহান ব্যক্তি। তার জন্য আমরা দরুদ পড়লেই কি না পড়লেই কী। এসময় ক্লাসে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা “যে নবীর নাম শুনে দরুদ পড়বেনা ধ্বংস তার জন্য” এমন একটি হাদিসের বাণী উল্লেখ করেন। হাদিসের প্রতি উত্তরে শিক্ষক বলে যে, এটি একটি নিপীড়ন (নাউযুবিল্লাহ)। উনার মতো মহান ব্যক্তি এমন কামনা করতে পারে না। তার এসব মন্তব্যে ক্লাসে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরী হয়। শিক্ষার্থীরা তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তা প্রত্যাহার করতে বলেন। পরে সে কোন চুপিসারে ক্লাস ছেড়ে চলে যায়।
এ বিষয়ে লুকনা ইয়াসমিনকে জিজ্ঞাস করা হলে সে জানায়, ওই দিন ক্লাসে আমাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির কারণে এমনটি হয়েছে। তবে পরবর্তী ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। এ বিষয়ে আমার মনে হয় আর বেশি দূর অগ্রসর হওয়া উচিত নয়।
কথিত এত ধর্ম প্রবর্তক থাকতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি কেন এত বিদ্বেষ? এতেই কি প্রমাণিত হয় না যে, একমাত্র তিনি হক্ব। আর উনার শানের যারা অবমাননা করবে তাদের দুনিয়া ও আখিরাতে কি পরিস্থিতির সম্মুক্ষিন হতে হবে এই নালায়েক, মুরতাদ, যবনরা কি একটু চিন্তুা করে দেখেছে?
আমি এই নালায়েক, মুরতাদ লুকনা ইয়াসমিনের দৃষ্ট্রান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
সূত্র : আমার দেশ 26.09.2012
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+