সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

এখন পত্র লেখেন কেন??


ঢাকা, নভেম্বর ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে মনমোহন সিংকে খালেদা জিয়ার চিঠি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিএনপির আমলেই এ প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তখন তারা নীরব ছিল।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হাসিনা বৃহস্পতিবার বিরোধী দলীয় নেতার উদ্দেশে বলেন, “এখন পত্র লিখছেন। কিন্তু যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন টিপাইমুখের সমস্যা শুরু হয়, তখন প্রতিবাদ করেননি কেন?

রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগের এক জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। জনসভায় হাসিনার দেওয়া বক্তব্য বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি স¤প্রচার করে।

“বর্তমান সরকারই টিপাইমুখ সমস্যার সমাধান করবে।” উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হতে দেওয়া হবে না।”

বরাক নদীর ওপর টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের আগে যৌথ জরিপের দাবি জানিয়ে সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে খালেদা জিয়া চিঠি পাঠিয়েছেন বলে বুধবার জানান দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

টিপাইমুখে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য গত ২২ অক্টোবর কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার সঙ্গে বিনিয়োগ চুক্তি করে মণিপুর রাজ্য সরকার। তবে বিষয়টি গণমাধ্যমে আসে গত ১৯ নভেম্বর।

চুক্তির খবর প্রকাশের পর বাংলাদেশে এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর আগে ভারত টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর ২০০৮-২০০৯ সালে বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিপাইমুখে বাঁধ হলে বাংলাদেশে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে।

মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাঁধ নির্মাণ করে ১৫০০ মেগাওয়াটের টিপাইমুখ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বরাক নদীর পানি প্রত্যাহার করা হবে না। ফলে এতে বাংলাদেশের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাবও পড়বে না।

নয়া দিল্লির বক্তব্যের পর মঙ্গলবারই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিন্ন নদীর ওপর কিছু করতে হলে তা আগেই ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জানার অধিকার রয়েছে। নয়া দিল্লির এ ধরনের পদক্ষেপে ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ থেকে যায়।

এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং প্রতিশ্র“তি দিয়েছিলেন, বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো পদক্ষেপ টিপাইমুখে নেওয়া হবে না।

যুদ্ধাপরাধ

খালেদা জিয়া একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের রক্ষায় নেমেছেন অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চান, তাদের রক্ষা করতে চান কিসের আশায়?”

“এই যুদ্ধাপরাধীরাই বাংলা ভাইয়ের জন্ম দিয়ে দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো” মন্তব্য করে তিনি বলেন, “বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই।”

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির সাত শীর্ষ নেতা আটক রয়েছেন। এদের মধ্যে জামায়াতের নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর অপরাধের বিচার চলছে।

আটক ওই নেতাদের মুক্তি দাবি করে খালেদা স¤প্রতি বলেছেন, তারা যুদ্ধাপরাধী নন।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

  1. “বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই।”

  2. জামাতি গুলো শুধু যুদ্ধাপরাধীয় নয় বরং তারা রাজাকারও বটে এই নরু পশু গুলোর বিচার চায় ১৫ কোটি মানুষ তাদের বিচার করতে হবে । Announce

  3. মদীনার পথে says:

    হাসিনা বৃহস্পতিবার বিরোধী দলীয় নেতার উদ্দেশে বলেন, “এখন পত্র লিখছেন। কিন্তু যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন টিপাইমুখের সমস্যা শুরু হয়, তখন প্রতিবাদ করেননি কেন?”<<<একেই বলে গনতন্ত্রের গনধোকা Announce

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে