দারুল উলুম দেওবন্দ মুসলমান, না দারুল উলুম হিন্দু?দেওবন্দীরা হিন্দু হয়ে গেছে পাপাত্মা গান্ধীর সময়েই।


ইন্টারনেটে দেওবন্দীদের গরু কুরবানীর সর্বপ্রথম বিরোধিতার খবরটি ২০০৪ সালের, প্রায় দশবছর আগের। এখন বিষয়টি গতানুগতিক হয়ে গিয়েছে, প্রতিবছরই কুরবানীর সময়ে দেওবন্দ থেকে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া দেয়া হয়। সেখান থেকে একে একে সেসবের সংবাদ ও সূত্র তুলে ধরা হচ্ছে।
(দ্য হিন্দুর খবর, ২০০৪ সালের)

http://www.hindu.com/2004/02/02/stories/2004020204261100.htm

নয়াদিল্লি, ফেব্রুয়ারি ১ তারিখ: দারুল উলুম দেওবন্দ, ভারতের মুসলমানদের কথিত শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় সংগঠন, আজ গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া জারি করেছে।
মৌলভী জাফরুল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির পক্ষ থেকে সাফাই গাওয়া হয়েছে যে, পবিত্র ঈদুল আযহাতে মুসলমানরা গরু ছাড়া অন্য যে কোন হালাল পশু যবেহ করতে পারে। (নাউযুবিল্লাহ!)
বিজেপি এবং আরএসএস-এর মতো বেশ কয়েকটি উগ্র হিন্দু মৌলবাদী সংগঠন তারা এই ফতওয়াকে স্বাগতম জানিয়েছে এবং বলেছে যে, এটা মুসলমান ও হিন্দুদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন সৃষ্টিকারী কার্যকরী একটি পদক্ষেপ।
আরএসএস-এর মুখপাত্র রাম মাধব এ প্রসঙ্গে বলেছে, এই ফতওয়া গরু যবেহ ইস্যুর শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু সমাধা করবে এবং দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুনিশ্চিত করবে।
বিজেপি মুখপাত্র, মুখতার আব্বাস নাকভী বলে দারুল উলুমের এই ফতওয়া দুই সম্প্রদায়ের ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক আরো বৃহদাকারে ত্বরান্বিত করবে।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর মৌলভী মেহমুদ মদনী বলেছে যে, তার সংগঠন এক বছর আগেই এই সমাধান সম্পর্কে অবহিত করেছিল। ইউনিভার্সাল এসোসিয়েশন অফ স্পিরিচুয়াল অ্যাওয়ারনেস এর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি এন.কে শর্মা দারুল উলুম-এর এই সাহসী (!!!) পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর, ২০০৪ সালের

দেওবন্দের আহবান, “গরু কুরবানী নিষিদ্ধের হুকুমকে সম্মান জানান।”
সাহরানপুর : মুসলমানদের ধর্র্মীয় জ্ঞানচর্চার কথিত পীঠস্থান দারুল উলুম গত রোববার মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভারতের বুকে গরু কুরবানী না দেয়ার জন্য আহবান জানিয়েছে, যেখানে ভারতে গরু কুরবানী দেয়া নিষিদ্ধ। (নাউযুবিল্লাহ)
সাহরানপুর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, দারুল উলুমের ফতওয়া বিভাগের প্রধান মুফতী হাবীবুর রহমান ফতওয়া দেয় “যদিও শরীয়তের দৃষ্টিতে গরু কুরবানী করা নিষিদ্ধ(!), তথাপি দেশে গরু কুরবানী নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে ভেড়া, ছাগল, এবং উট কুরবানী দেয়ার জন্য উপদেশ দেয়া যাচ্ছে। দেশের আইন কোনভাবেই ভঙ্গ করা যাবে না এবং দেশ এবং রাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি পরিপূর্ণভাবে বজায় থাকতে হবে।”

************
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর, ২০০৮ সালের

”গরুর গোশত খাওয়া অনৈসলামিক যদি সেখানে রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা থাকে।”
লক্ষ্মৌ/নয়াদিল্লি : গত জুমুয়াবার, দারুল উলুম, দেওবন্দ ফতওয়া ইস্যু করেছে, “মুসলমানদের অবশ্যই গরু কুরবানী থেকে, গরুর গোশত খাওয়া থেকে অথবা গোপনে গরু বিক্রি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।”
দারুল উলুমের ফতওয়া বিভাগের প্রধান মোফতে হাবীবুর রহমান ফতওয়া দেয়, “গোশত ভোজনকারীরা বিকল্প হিসেবে মহিষের গোশত, ছাগলের গোশত, মুরগি এবং মাছ বেছে নিতে পারে। আইনত যদি নিষিদ্ধ থাকে তবে শরীয়ত কখনোই গরুর গোশত খাওয়াকে সমর্থন করে না।” (নাঊযুবিল্লাহ)
উল্লেখ্য, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩ প্রত্যেক বছরেই দেওবন্দ গরু কুরবানীর বিরোধিতা করেছে।

দারুল উলুম দেওবন্দের ফতওয়া, “হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে ঈদে গরু কুরবানী পরিহার করুন।”

http://khabar.ibnlive.in.com/news/109892/13

बकौल अशरफ उस्मानी दारूल उलूम हमेशा से ही गौहत्या के खिलाफ रहा है और समय समय पर इसके बारे में फतवे भी जारी किए गए हैं। सबसे पहला फतवा स्वतंत्रता आंदोलन के दौरान महात्मा गांधी के अनुरोध पर दारूल उलूम द्वारा जारी किया गया था।
(খবরটি হিন্দিতে, গুগল ট্রান্সলেটে এরকম আসে)
“আশরাফ ওসমানী বলেছে, দারুল উলুম সবসময়েই গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ছিল এবং টাইম টু টাইম, বারবার গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া ইস্যু করেছে। সর্বপ্রথম দারুল উলুম, মালউন পাপাত্মা গান্ধীর নির্দেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে ফতওয়া দেয়।” (নাঊযুবিল্লাহ মিন যালিক)