MNURUNNABI -blog


***হক কথা জানা এবং প্রকাশ করা আমার নিয়ত* দুনিয়াটা রং তামাশার জায়গা নয় * এখান থেকে ইবরত- নসিহত গ্রহণ করতে হবে * এর জন্য উত্তম অসিলা হচ্ছে মামদুহ মুর্শিদ কিবলা আলাইহিসালাম সালাম উনার পাক কদম মুবাররকে শক্ত ভাবে ধুরে রাখা***


 


রমাদ্বান শরীফকে কেন্দ্র করে টেলিভিশনে ইসলামী প্রোগ্রামের নামে মিথ্যা প্রচারণা বন্ধ করুন


রমাদ্বান শরীফ মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি লাভের মাস। গুনাহ থেকে মুক্তি লাভের মাস। অথচ এই রমাদ্বান শরীফকে কেন্দ্র করে হারাম টিভি চ্যানেলে অর্থাৎ শয়তানের বাক্সে বসে তথাকথিত মাওলানা তথা



হারাম কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমেই রোযার পূর্ণতা সাধন হবে


হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “যে ব্যক্তি রোযা রেখেও অশ্লীল কথা ও কাজ পরিত্যাগ করলো না, তার পানাহার থেকে বিরত থাকার কোনো প্রয়োজন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আদৌ নেই।” অত্যন্ত আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান যামানায় রোযা রেখে অনেকের ইচ্ছা থাকা



মাহে রমাদ্বান শরীফ-এ ইফতারী করা এবং করানোর ফযীলত প্রসঙ্গে


ইফতার অবশ্যই হালাল খাদ্য দিয়ে করতে হবে। খুরমা বা পানি দিয়ে ইফতার করা উত্তম। এ সম্পর্কে হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “তোমাদের কেউ যখন



কোন মাসের প্রতিটি রাত বান্দা-বান্দির জন্য ক্ষমা প্রাপ্তির এক বিশেষ সওগাত?


হাদীছ শরীফ-এ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “হালাকি বা ধ্বংস ওই ব্যক্তির জন্য যে রমাদ্বান শরীফ-এর মাস পেলো অথচ সে গুনাহখতা ক্ষমা করতে পারলো না।” (মুসনাদে আহমদ) এখন বান্দা-বান্দি তো হরহামেশাই গুনাহ করে থাকে। কিন্তু এই



২০ রাকায়াত তারাবীহর নামায অস্বীকারকারীরা ইহুদী-মুশরিকদের এজেন্ট বৈ কিছুই নয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা মায়িদার ৮২ নম্বর আয়াত শরীফ-এ ইহুদী ও মুশরিকদেরকে মুসলমানগণের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ইহুদী ও খ্রিস্টানরা সর্বদাই চেয়েছে ও চাচ্ছে যে, মুসলমানগণ তাদের মুসলমানিত্ব ছেড়ে পর্যায়ক্রমে কুফরী গ্রহণ করে কাফির হয়ে যাক। নাঊযুবিল্লাহ! তাদের



পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এর নিয়ামত এবং মুত্তাক্বী হবার পূর্বশর্ত প্রসঙ্গে


পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “রোযা একমাত্র আমার জন্যই রাখা হয় এবং আমিই তার প্রতিদান দিব।” হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “রমাদ্বান



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার মাস




পবিত্র রমাদ্বান শরীফ-এর তাক্বওয়া বিনষ্টের প্রধানতম মাধ্যম হলো টেলিভিশন চ্যানেল


একজন সাধারণ লোককে যখন প্রশ্ন করা হয়, সিনেমা হলে সিনেমা দেখার সময় যদি দেখেন আপনার পার্শ্বে আপনার মসজিদের ইমাম সাহেবও খোশ মেজাজে হারাম সিনেমা দেখছেন, এরপর হতে তার পিছনে নামায পড়ার ক্ষেত্রে আপনার কোনো আপত্তি থাকবে কি-না? এমন প্রশ্নে অধিকাংশ লোকই



………..সরকারকে বলছি! যদি ভালো চান, তবে রমাদ্বান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখুন


বাজারে পণ্যদ্রব্যের দাম প্রতিনিয়ত হু হু করে বাড়ছে। দেখার বা নিয়ন্ত্রণ করার কেউ নেই। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, দেশে কোনো সরকার নেই। কারণ, ব্যবসায়ীরা যখন ইচ্ছা তখন যে কোনো পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। অর্থাৎ ব্যবসায়ীদের ইচ্ছে মতো চলছে বাজার। ফলে নাভিশ্বাস উঠছে



রমাদ্বান শরীফকে তাযীম-তাকরীম সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত


রমাদ্বান শরীফ-এর বুযুর্গী সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত হয়েছে, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার মাস রমাদ্বান শরীফকে সম্মান করলো মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে নাযাত দিয়ে সম্মানিত করবেন।” সুবহানাল্লাহ! এক ইহুদী মহিলা রমাদ্বান শরীফকে তাযীম-তাকরীম করার



বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর মাঝে উপস্থিত একটি মহান মাস মাহে রমাদ্বান শরীফ


বৎসরের স্বাভাবিক পরিক্রমায় মহান রব্বূল ইজ্জত মহান আল্লাহ পাক উনার মেহেরবানীতে উনারই হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতের মাঝে উপস্থিত হয়েছে পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ। মাহে রমাদ্বান শরীফ-এ ৩০ দিন ছাওম পালন করার মাধ্যমে উম্মাহ পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ