নিছারুদ্দীন -blog


...


 


মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট বাইয়াত হওয়ার আবশ্যকতা


আমরা জানি, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যিনি সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ঈমানদার হয়েছেন, মুসলমান হয়েছেন, হিদায়েত লাভ করেছেন, ছাহাবী হয়েছেন।



উপজাতিগুলোকে যেভাবে উস্কানি দিচ্ছে এনজিওগুলো


পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি গোষ্ঠীগুলো উস্কে দেয়ার মূলে কাজ করছে বিদেশী কিছু সংস্থা, যেমন- জাতিসংঘ (ইহুদীসংঘ), ইউএনডিপি, কারিতাস, কেয়ার, আশা, সিসিডিবি’সহ আরো কিছু বিদেশী এনজিও। এরাই কুটবুদ্ধি ও কুপরামর্শ দিয়ে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে ক্ষেপিয়ে রাখছে। এই উস্কে দেয়ার পেছনে উপজাতিদের মুলো দেখানো হয়-



“আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি যাই করেন না কেনো, কোনো কিছুই উনার ক্ষতি করতে পারবে


উনার নাম মুবারক উছমান। কুনিয়াত আবূ আমর। লক্বব মুবারক যুন্ নূরাইন। তিনি আমুল ফিলের ৬ বৎসর পর বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি আখিরী রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ৬ বছরের ছোট ছিলেন। তিনি অত্যন্ত



মুসলমানদের উচিত- মূর্তিপূজারীদের দোকানপাট, হোটেল থেকে কোনকিছুই ক্রয় না করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিক তথা মূর্তিপূজারীরা নাপাক বা অপবিত্র।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে- মুশরিকরা তথা মূর্তিপূজারীরা নাপাক বা অপবিত্র। যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্য নাপাক



ইমামুম মিন আইম্মাতিল মুসলিমীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আ’শির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


মুবারক নাম ও পরিচিতি: প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইমামুম মিন আইম্মাতিল মুসলিমীন, যিকরান কাশিফ ইসরারিল ইমতিনাহী, মাহবুবে তরীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আ’শির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আহলে বাইত শরীফ উনার দশম ইমাম। উনার মূল নাম মুবারক



উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মাধ্যম দিয়ে নূরে


উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মাধ্যম দিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নসবনামা মুবারক (সম্মানিত বংশ মুবারক) জারি থাকবে। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ



বেনযীর ছদক্বায়ে জারিয়াহর অতুলনীয়া মালিকা


প্রত্যেক সন্তানের গড়ে উঠা, বেড়ে উঠায় মায়ের অবদান সর্বাধিক। মায়ের তত্ত্বাবধানে শিশু বিশুদ্ধ ভাষা শিখে, গ্রহণ করে আদর্শ মুয়ামিলাতের দীক্ষা। মাতৃ মমতা সন্তানের হাতেখড়ির যোগান দেয়। সন্তানের শিক্ষা-দীক্ষায় মাতৃ তদারকি আশ্চর্য সাফল্য এনে দেয়। আদর্শ মানব হিসেবে সন্তানের আত্মপ্রকাশ মায়ের অক্লান্ত



বিভিন্ন অজুহাত তুলে পবিত্র মসজিদ উচ্ছেদ বা ভেঙ্গে ফেলা একটি গভীর ষড়যন্ত্র ॥ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা মুসলমানদের জন্য


বর্তমানে ইহুদী-খ্রিস্টান, কাফির-মুশরিক ও তাদের এজেন্ট মুনাফিক্বরা একাত্ম হয়েছে পৃথিবীর বুক থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত মুসলমান উনাদের নাম নিশানা মুছে দেয়ার জন্য। না‘ঊযুবিল্লাহ! তাই তারা তাদের সে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য একের পর এক সর্বঘৃণ্য ও সর্বনিকৃষ্ট ষড়যন্ত্র করে



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল ‘আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি জলীলুল ক্বদর নবী ও রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, لَيْسَ الذَّكَرُ كَالْأُنْثَى অর্থ: “তিনি এমন একজন সম্মানিতা মহিলা যে, উনার সমকক্ষ



পহেলা বৈশাখে নয় বরং পবিত্র শবে বরাত শরীফ উপলক্ষ্যে বোনাস দেয়া আবশ্যক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন বেমেছাল সুমহান শান মুবারক সমূহ উনাদের মধ্যে একটি অন্যতম বিশেষ সম্মানিত শান মুবারক বা মর্যাদা মুবারক-মর্তবা ও আমল মুবারক হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত শরীফ। যা বিশ্বাস ও আমল করা প্রত্যেক



মুখে স্বীকার না করলেও মুসলিম খলীফাদের বিষয়গুলো চুরি করেই চলছে বিধর্মী শাসকগুলো


কিছুদিন আগে দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছিলো, “হযরত ফারূক্বে আ’যম উমর বিন খত্তাব আলাইহিস সালাম উনার শাসনব্যাবস্থা আমাকে দারুনভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি জনসাধারণের উন্নতির লক্ষ্যে উনার সেই মহান শাসনব্যবস্থা অনুসরণ করার চেষ্টা করব।” বলাবাহুল্য, শুধু কেজরিওয়াল নয় সারা বিশ্বের সমস্ত শাসকদের



বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলিম সন্তানরা কি শিখছে? “আধুনিকতার নামে বেহায়াপানা নয় কি?”


বর্তমান সমাজে শিক্ষা ব্যবস্থাকে এতটাই বাড়াবাড়ি পর্যায়ে নেয়া হয়েছে যে, বেপর্দা-বেহায়াপানাকে শিক্ষার অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ এটা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার এই অবনতির মূল কারণ হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকগুলো। যেখানে শালীনতার কোন প্রকাশ