নিছারুদ্দীন -blog


...


 


পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী যেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলো


পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী যেন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলো। এ প্রসঙ্গে কিতাবে বর্ণিত আছে, وَقَالَ حضرت عُمَرُ عليه السلام مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدَ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ اَحْيَا الاِسْلامَ. অর্থ: সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “যে



এত সুন্দর নামায! সুবহানাল্লাহ!


আজ থেকে অনেক বছর আগের কথা, আনুমানিক ১৯৯৫/১৯৯৬ খৃঃ সনে হবে। পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ সংলগ্ন রাস্তাটি হচ্ছে ৫নং সার্কুলার রোড নামে পরিচিত। এ রোডের সাথে ঘেঁষে ছিল তিন তলা বিশিষ্ট মার্কেট। মাঝ বরাবর সুন্নতী জামে মসজিদ গেইট এবং রাস্তার বিপরীত



বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই বিধর্মীরা ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকদের ইতিহাসকে বিকৃত করে থাকে


“মহোদয়গণ, এখানে ঐ ছবির সামনে দাঁড়িয়ে (দেয়ালে টাঙ্গানো শিবাজির ছবি দেখিয়ে) আমরা কি তার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারি না।… আমি জানি শিবাজি বার বার বঙ্গদেশে হামলা করেছিল (হাস্য), তার বাহিনী আমাদের সম্পদ লুট করেছে, আমাদের মন্দির ও গৃহদেবতা পর্যন্ত



পাক রাজাকার বনাম হিন্দুস্তানী রাজাকার


‘রাজাকার’ শব্দটি অর্থের দিক দিয়ে খারাপ নয়। রাজাকার অর্থ সাহায্যকারী। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা পাক বাহিনীকে মুক্তযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি হওয়া সত্ত্বেও সাহায্য করেছে তাদের দেশবাসী রাজাকার হিসেবে চেনে। এই রাজাকাররা অনেকেই মানবতাবিরোধী কাজে লিপ্ত ছিলো। তাইতো স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরে হলেও



মূর্তি, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভারের পিছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ না করে, সে টাকা দুর্গতদের জন্য খরচ করুন


প্রাপ্ত তথ্যমতে, ঢাকায় নির্মিতব্য মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এরমধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক ঋণ সংস্থা জাইকা দিবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা। বাকিটা বাংলাদেশ সরকার বহন করবে। অন্যান্য ফ্লাইওভার নির্মাণেও ব্যয় হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা।



মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট বাইয়াত হওয়ার আবশ্যকতা


আমরা জানি, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যিনি সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ঈমানদার হয়েছেন, মুসলমান হয়েছেন, হিদায়েত লাভ করেছেন, ছাহাবী হয়েছেন।



উপজাতিগুলোকে যেভাবে উস্কানি দিচ্ছে এনজিওগুলো


পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি গোষ্ঠীগুলো উস্কে দেয়ার মূলে কাজ করছে বিদেশী কিছু সংস্থা, যেমন- জাতিসংঘ (ইহুদীসংঘ), ইউএনডিপি, কারিতাস, কেয়ার, আশা, সিসিডিবি’সহ আরো কিছু বিদেশী এনজিও। এরাই কুটবুদ্ধি ও কুপরামর্শ দিয়ে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে ক্ষেপিয়ে রাখছে। এই উস্কে দেয়ার পেছনে উপজাতিদের মুলো দেখানো হয়-



“আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি যাই করেন না কেনো, কোনো কিছুই উনার ক্ষতি করতে পারবে


উনার নাম মুবারক উছমান। কুনিয়াত আবূ আমর। লক্বব মুবারক যুন্ নূরাইন। তিনি আমুল ফিলের ৬ বৎসর পর বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি আখিরী রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ৬ বছরের ছোট ছিলেন। তিনি অত্যন্ত



মুসলমানদের উচিত- মূর্তিপূজারীদের দোকানপাট, হোটেল থেকে কোনকিছুই ক্রয় না করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিক তথা মূর্তিপূজারীরা নাপাক বা অপবিত্র।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে- মুশরিকরা তথা মূর্তিপূজারীরা নাপাক বা অপবিত্র। যবন, মেøচ্ছ, অস্পৃশ্য নাপাক



ইমামুম মিন আইম্মাতিল মুসলিমীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আ’শির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


মুবারক নাম ও পরিচিতি: প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইমামুম মিন আইম্মাতিল মুসলিমীন, যিকরান কাশিফ ইসরারিল ইমতিনাহী, মাহবুবে তরীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আ’শির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আহলে বাইত শরীফ উনার দশম ইমাম। উনার মূল নাম মুবারক



উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মাধ্যম দিয়ে নূরে


উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনাদের মাধ্যম দিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নসবনামা মুবারক (সম্মানিত বংশ মুবারক) জারি থাকবে। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ



বেনযীর ছদক্বায়ে জারিয়াহর অতুলনীয়া মালিকা


প্রত্যেক সন্তানের গড়ে উঠা, বেড়ে উঠায় মায়ের অবদান সর্বাধিক। মায়ের তত্ত্বাবধানে শিশু বিশুদ্ধ ভাষা শিখে, গ্রহণ করে আদর্শ মুয়ামিলাতের দীক্ষা। মাতৃ মমতা সন্তানের হাতেখড়ির যোগান দেয়। সন্তানের শিক্ষা-দীক্ষায় মাতৃ তদারকি আশ্চর্য সাফল্য এনে দেয়। আদর্শ মানব হিসেবে সন্তানের আত্মপ্রকাশ মায়ের অক্লান্ত