সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

এএইচ খান -blog


বলার মতো কিছু নেই


এএইচ খান
 


সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস পালনের আয়োজন না করে বিধর্মীদের জন্ম-মৃত্যু


বর্তমান আরবী মাস হচ্ছে পবিত্র জুমাদাল উখরা শরীফ মাস। যে মাসে আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া অর্থাৎ হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে সর্বশ্রেষ্ঠ বান্দা ও উম্মত। যিনি সারা বিশ্বব্যাপী সকলের জন্য অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি খলীফাতু রসূলিল্লাহ



দাড়ি কামানো পুরুষের মুখমণ্ডলেই বেশি রোগ-জীবাণু থাকে


বিবিসি’র এক অনুষ্ঠান, “ট্রাস্ট মি, আই অ্যাম এ ডক্টর” সম্প্রতি একটি বিষয় নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছিল। তার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা বলছে, ক্লিন শেভড পুরুষের চেয়ে দাড়িওয়ালাদের মুখে রোগ-জীবানু বেশি, এমন কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। যারা দাড়ি রাখেন, তারা এর মধ্যে নানা রোগ-জীবাণু বহন



১ অপারেটরের সিম রাখা যাবে সর্বোচ্চ ৫টি সিম কিনতে লাগবে সেটের আইএমইআই


একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে এক অপারেটরের সর্বোচ্চ ৫টি মোবাইল সিম রাখা যাবে। অবৈধ সিমের মাধ্যমে সন্ত্রাস বন্ধে এমন বিধি নিষেধ আসছে। এছাড়াও আসছে জানুয়ারি থেকেই নতুন সিম কিনতে মোবাইল ফোন সেটের স্বতন্ত্র নম্বর (আইএমইআই) লাগবে। আঙুলের ছাপ মিলিয়ে সিম নিবন্ধন



তাজমহল হিন্দু মন্দির ছিল এমন কোনো প্রমাণ নেই -ভারতের সংস্কৃতিমন্ত্রী


কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী মহেশ শর্মা বলেছে, তাজমহল হিন্দু মন্দির ছিল সরকার এরকম কোনো প্রমাণ পায়নি। গত ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযিম (সোমবার) ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় এ কথা জানায় মহেশ শর্মা। প্রসঙ্গত, তাজমহলকে হিন্দু মন্দির ঘোষণা এবং সেখানে হিন্দুদের পুজো করার অনুমতি দেয়ার দাবিতে



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধী কওমী ঘরোনার ধর্মব্যবসায়ী মুফতে আব্দুশ শয়তানের মৃত্যুর পর লাশ বিকৃতি


কিছুদিন আগে মারা গেছে কওমী ঘরোনার ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’ মুফতে আব্দুশ শয়তান (বসুন্ধরা)। মারা যাওয়ার পর পরই এ ধর্মব্যবসায়ীর লাশের আকৃতি বিকৃত ঘটেছে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা। নাউযুবিল্লাহ! উল্লেখ্য, মুফতে আব্দুশ শয়তান (বসুন্ধরা) শুরু থেকেই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করতো।



ঝাড়খণ্ডে গরু জবাই সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে ‘হিন্দু হেল্পলাইন’ চালু


ভারতে গরুর জবাইকে কেন্দ্র করে তীব্র বিবাদের মধ্যে এবার বিজেপি শাসিত ঝাড়খণ্ড রাজ্যে হিন্দু ডানপন্থীদের পক্ষ থেকে ‘হিন্দু হেল্পলাইন’ খোলার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে গরু জবাই এবং গরুর গোশতের ব্যবসার ওপর নজর রাখা হবে। গতকাল ‘আজতক’ নিউজ চ্যানেল এবং অন্যান্য



ওলামা লীগের আয়োজিত মানববন্ধনে সন্ত্রাসবাদী জামাত-জোটের এজেন্ট হেলালীর লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র ক্যাডারদের হামলার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ


কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী সাঈদী, সাকা চৌধুরী ও মইজ্যা রাজাকারের ফাঁসি বাস্তবায়ন দাবিতে ও এদেশে মার্কিনি ষড়যন্ত্রে আইএস সৃষ্টি করার পাঁয়তারার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং গয়েশ্বর মার্কা উগ্রবাদী মৌলবাদী জামাত-জোটের এজেন্ট হিন্দুদের সাবোটাজ সম্পর্কে সতর্ককরণসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে- ওলামা লীগের আয়োজিত মানববন্ধনে সন্ত্রাসবাদী জামাত-জোটের



সাইয়্যিদুল কাওনাইন, সাইয়্যিদুন নাস, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম উনার মুহব্বত মুবারক কায়িনাতের সকলের


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাই না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়। তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। আর দেয়ার চিন্তা করাটাও কুফরী। তবে তোমরা



সত্যিকারের মুসলমান উনাদের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা উনার মুবারক নিয়ামতই যথেষ্ট


আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১৮ তারিখ শাহাদাত মুবারক গ্রহণ করেন। উনার শাসনকালে নীল ভূমধ্যসাগর তীরের ‘তারাবেলাস’ নগরী মুসলমানদের করতলগত হয়। পরাক্রমশালী কাফির রাজা জার্জিসের প্রধান নগরী ছিল এ এলাকা। আমীরুল মু’মিনীন,



আত্মহত্যায় শীর্ষে ভারত!


বর্তমান যুগে অবসাদ যুব সম্প্রদায়ের মানসিক অসুস্থতার অন্যতম প্রধান কারণ। এই অবসাদের শুধুমাত্র মানসিক অসুস্থতা নয় কারণ হয়ে উঠছে শারীরিক অসুস্থতারও। এই অবসাদ কিন্তু আরো এক ভয়ঙ্কর পরিণতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মানসিক অবসাদের ফলে মারাত্মক হারে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। এই মুহূর্তে



শতকরা মাত্র প্রায় ১.৫ ভাগ হিন্দুদের দুর্গাপূজায় লক্ষ লক্ষ টাকা সরকারি অনুদান থাকলেও ৯৮ ভাগ মুসলমানগণের পবিত্র কুরবানীতে সরকারি


বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ ৯৯ ভাগ মন্ত্রী হলো মুসলমান। সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ৯৯ ভাগ মুসলমান। আর অধিবাসীদের শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান। এতো মুসলমান থাকা সত্ত্বেও মুসলমানগণের প্রতি সুনজর নেই বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। অথচ মুসলমানগণের চিরশত্রু, ম্লেচ্ছ, যবন, অস্পৃশ্য হিন্দুদের



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা, পিতা-মাতা, উস্তাদ অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীনদার পরহেযগার ব্যক্তি উনাদের ক্বদমবুছী বা


উল্লেখ্য, ক্বদমবুছীর সাথে সালামের মূলতঃ কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা এদু’টি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রথা। সালাম দেয়ার এক হুকুম, আর ক্বদমবুছী করার অন্য হুকুম। সালাম দেয়া নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত, যা উম্মতে