উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহি শহীদ হওয়ার পরবর্তী প্রেক্ষাপট – ২


মধ্যরাত্রির কাছাকাছি সময়ে  ইংরেজ অফিসারদের হুকুমে সব লাশ আলাদা করা হলো। কয়েকটা লাশ সরানো পর এক ইংরেজ সিপাহী একটি লাশের বাহু ধরে টানবার চেষ্টা করলে তার হাতে একটা শক্ত চাপ অনুুভূত হয়। তার সাথে সাথেই লাশের মাথা থেকে পাগড়ি খুলে পড়লো



হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহি শহীদ হওয়ার পরবর্তী প্রেক্ষাপট!


সূর্যাস্তের প্রায় তিন ঘন্টা পর সেরিংগাপটমের শহর, কেল্লা ও মহলের উপর ইংরেজদের পূর্ণ অধিকার কায়েম হলো। শহরের চার দেওয়ালের ভিতরে মহীশূরের বারো হাজার যোদ্ধার লাশ ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানী ও মীর নিযাম আলীর সিপাহীদের বিজয় অসম্পূর্ণ। সুলতানের সন্ধানে তারা



বাঙ্গালীর করুন এক ইতিহাস যা সৃষ্টির সহায়ক ছিলো জাতির কিছু গাদ্দার


  ফতেহ আলী টিপু যখন যখমী হলেন তখন উনার কিছু বিশ্বস্ত সেনাপতি পরামর্শ দিচ্ছিলেন স্থান ত্যাগ করার জন্য কিন্তু উনি প্রজাদের রেখে চলে যেতে রাজি হলেন না, উনার দেহের খুন ঝড়ছিলো সেরিংগাপটেম এর মাটিতে এবং সিনার যখম নিয়ে তিনি অনুভব করছিলেন



মুসলমান ব্যতীত , পৃথিবীর সব জাতি সম্প্রদায়িক!


  মুর্শিদাবাদের কথা বলতেই মনে পড়ে মুসলমান মুর্শিদকুলি খাঁর নাম।  তিনি মুসলমান , কিন্তু তিনি মুসলমান ছিলেন বলেই উনার অপরাধ ছিলো না, বরং উনার বড় অপরাধ ছিলো তিনি বাক্ষ্মনের সন্তান হয়েও ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। হিন্দু মুসলমান ভালবাসার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত ‘শেঠ’



হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিদায়ের দিন ইবলিশ খুশি হয়েছিল’, কথাটি কতটুকু কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ সম্মত?


  কথাটি মোটেও কুরআন শরীফ সুন্নাহ শরীফ সম্মত নয়। কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ উম্মতদের জন্য কল্যাণকর। কেননা আল্লাহপাক প্রত্যক নবী, প্রত্যক রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে দুনিয়ার পাঠিয়েছেন।



বাঙ্গালি জাতির শ্রেষ্ঠ গাদ্দার মীর জাফর


নবাব সিরাজদ্দৌলা নিয়ে পড়া শেষ না হতেই দেখলাম , উনার নামে মিথ্যাচার ।মানুষ কিভাবে পারে ছয়কে নয় বলে প্রচার করতে(?)। আমাদের জনা থাকা উচিত, নবাব সিরাজদ্দৌলার শাসনকাল ছিল অল্প সময়।তার পলাশীপ্রান্তে পরাজয়ের পরই ইংরেজরা ভারতবর্ষে প্রায় দু’শ বছর শাসন করেছিল।ছোটকালে সোস্যাল



তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী, আল্লাহপাক উনাকে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ সমস্ত ইলম উনাকে হাদিয়া করেছেন।এটাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা। ইলমে গইব সংশ্লিষ্ট কতক ঘটনা দেওয়া হলো, বদরের যুদ্ধে আল্লাহ তাআলা যখন মুসলমানগণকে জয়যুক্ত করলেন



শাক দিয়ে মাছ ঢাকা না গেলেও, চেষ্টা কিন্তু ঠিক-ই অব্যাহত আছে !


ইতিহাস বিকৃতি নতুন কিছু নয়, বেধর্মীরা কিছু পারুক না পারুক মুসলানদের বীরত্বগাথাঁ ইতিহাস খুব ভালো বিকৃত করতে পারে , এর প্রমান মিলে অন-লাইন ইউটিউবে।   “যদি তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো তাহলে কাপড় পড়ার অধিকার পাবে”। হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহির এই



শাহী সংবর্ধনা


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ গ্রহনের সময় হযরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম উপস্থিত হলেন এবং আরয করতে লাগলেন, ইয়া রাসুলল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আজ আসমানসমূহে আপনার সংবর্ধনার প্রস্তুতি চলছে। আল্লাহপাক জাহান্নামের ফেরেশতা হযরত মালেক আলাইহিস সালামকে এ



হক্বানী পীরের নিকট বাইয়াত গ্রহন ফরয- ২


  বাইয়াত ও পীরের বিরোধীতা করতে গিয়ে আজকাল মানুষ আল্লাহপাকের ওলীদেরকে বুযূর্গ ব্যক্তি বলে। এ পর্যন্ত কোন কামেল বুজুর্গ ব্যাক্তি পাওয়া যাবেনা যিনি শায়েখ ছাড়া কামিলিয়াত অর্জন করেছেন অর্থ্যাৎ বুযূর্গ ব্যক্তিগণও ওলী আল্লাহ হওয়ার আগে প্রত্যেকেই অন্য কোন ওলী আল্লাহর নিকট



আটকে পড়া জাহাজ


জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে বলেছে যে, ‘না’রায়ে রিসালাত-ইয়া রসূলাল্লাহ’ বলা কুফরী। তার কথায় এলাকাবাসী দ্বিধাদ্বন্ধে পড়েছে। ‘না’রায়ে রিসালাত-ইয়া রসূলাল্লাহ’ বলে ধ্বনি দেয়ার ব্যাপারে শরীয়তের কি হুকুম ? মূলতঃ ‘না’রায়ে রিসালাত , ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ বলে ধ্বনি দেয়ার উদ্দেশ্য



মুসলমানরা যখন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে, তখন তাদের উপর জালেম শাসক চাপিয়ে দেওয়া হবে


বাগদাদ দখলের পর হালাকু খাঁর মেয়ে বাগদাদ ঘুরতে বের হল। পথিমধ্যে সে দেখল একদল লোক একজন লোককে ঘিরে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হালাকু খাঁর কন্যা কৌতুহলী হয়ে লোকটি সম্পর্কে জানার জন্য লোক পাঠালো। খবর নিয়ে জানা গেল লোকটি একজন আলেম। অতঃপর