উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


যেভাবে কানে-কানে কথা বলার সদকার হুকুম বাতিল হয়ে যায়!/১৩ ই রজবুল হারাম শরীফ ঈদে মীলাদে হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু


হযর‍ত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম বলেন, “আমিই সে ব্যক্তি যে কানাকানি কথা বলার জন্য হুযুর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে একটি দিরহাম দিতে গেলে আল্লাহপাক উনার পক্ষ থেকে এ হাদিয়া দেয়ার হুকুম বাতিল হয়ে যায়। ” ইসলামের প্রথম যুগে মানুষেরা



১ লা রজবুল হারাম শরীফ হযরত আবু রসূলিনা ও উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নিসবাতুল আযীম শরীফ


সময়টি ছিল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের ৮ মাস ১২ দিন পূর্বে মহাসম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ উনার পহেলা তারিখ লাইলাতুল জুমুয়াহ শরীফ। এই মহাসম্মাণিত দিনে সাইয়্যিদুনা হযরত যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম ও



৬ ই রজবুল হারাম শরীফ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


সম্রাট আলমগীর (আড়ঙ্গজেব) রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফ জিয়ারত করতে গেলেন৷ সেখানে তিনি দরবার শরীফে ফরিয়াদ রত এক অন্ধকে দেখতে পেলেন। অন্ধ ব্যক্তিটি আরজ করছেন, “ইয়া খাজা মুঝে আঁখ দে দো” অর্থ্যাৎ “ওহে



হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট আইয়্যামিল্লাহ শরীফ পালনের ফযীলত !


হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ রাত্রি মুবারকগুলোর ফযীলত কতটুকু? কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, শবে বরাত ও শবে ক্বদরের রাতে খাছ রহমত বর্ষিত হয়। উক্ত খাছ রহমত হরিণের উপর পরলে মৃগনাভী পয়দা হয়, মাছের উপর পরলে আম্বর পয়দা



২১ শে জুমাদাল উখরা শরীফ ঈদে মীলাদে সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুল আউয়াল হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম !


হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী সম্মানিত বয়স মুবারক ২৯ বৎসর পার হয়ে ৩০ বৎসর চলতেছিলো। আর উম্মুল মু’মিনীন আল উলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক চলছিলেন ৪৪ বৎসর পার হয়ে ৪৫ বৎসর । নুবুওওয়াত



মিসওয়াকের উপকারীতা ও সুন্নতী তরতীব


মিসওয়াকের উপকারিতা ================= মিসওয়াক করে নামায পড়া মিসওয়াক বিহীন নামাযের চেয়ে ৭৫ গুন বেশী সওয়াব পাওয়া যায়। মিসওয়াকের ৭২ টি উপকারিতা রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে ছোট ফায়দা হচ্ছে মউতের সময় কলেমা শরীফ নসীব হওয়া। মিসওয়াককারীর সাথে ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ মুছাফাহা করে।



ইসলামী লেবাস ও আধুনিক বিজ্ঞান


সাদা কাপড় সাধারণত সর্বপ্রকার আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে থাকে। তীব্র গরম মওসুমে সাদা লেবাস গরম হয়ে যায় না।কেননা তা গরমকে অাকর্ষণ করে না। অপরদিকে তীব্র শীতের মওসুমে ঠান্ডার কারণে তা শীতলও হয়ে যায় না। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের দিন আল্লাহপাক উনার খুশি প্রকাশ!


হাবীবুুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সময় তথা জন্ম গ্রহনের সময়, মহান আল্লাহপাক কতটা খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, তা কারো পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।তবে হাদীস শরীফে সামাণ্যই এসেছে। যেমন, হযরত জিবরীল



সাহাবীগণ উনারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন হিজরত মুবারক করে মদীনা শরীফ পৌছলেন, তখন মদিনা শরীফের আনসার সাহাবীগণ খুশি হয়ে ‘ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা মিন সানিয়াতিল বিদা’ এই ক্বাসিদা শরীফটি সমুচ্চস্বরে পাঠ করে নবীজী



পহেলা রবিউল আউয়াল শরীফ, সম্মাণিত হিজরত মুবারক দিবস


মুসলিম জাতির মাঝে কে আছে যে হযরত আবু আইয়ূব আল-আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নাম জানে না? উনার সুনাম, খ্যাতি, মর্যাদা, মর্তবা আল্লাহপাক এবং উনার রাসূল শাহীদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমুন্নত করেছেন সমগ্র বিশ্বে। উনার মর্যাদা, খ্যাতি বৃদ্ধির অন্যতম কারন,



অভিশপ্ত ইয়াজীদ লানতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে পূর্ব হতেই হযরত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ অবগত ছিলেন


কারবালা প্রান্তরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনা ও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিস মিন আহলে বাইতি রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শহীদকারী ইয়াজীদ লানতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে পূর্ব হতেই হযরত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ অবগত ছিলেন… ***হযরত আদম শফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম একটি রেওয়ায়েতে বর্ণিত



নামাযে যতটুকু খুশু-খুজু প্রয়োজন !


বান্দা নামাজ পড়ে অথচ তা থেকে তার জন্য ছয় ভাগে এক ও দশ ভাগের এক অংশও লিখিত হয় না। কেবল ততটুকুই লেখা হয়,যতটুকু সে বুঝে শুনে পড়ে। -নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যে ব্যক্তি খুশু সহকারে নামাজ