উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


উসমানী সাম্রাজ্যের সামাজিক শিষ্টাচার


  বাকির খাতা পরিশোধ =========== উসমানি সুলতানদের সুদীর্ঘ শাসনামলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক সচ্ছলতা ছিল। বড় বড় শহরের ধনী ও বিত্তবান মানুষের সংখ্যা ছিল অনেক। সমাজের উচ্চবিত্তের লোকেরা সাধ্যেমতো গরিব ও অসহায় শ্রেনীর মানুষের পাশে দাড়াতেন। অনেক বিত্তবান ব্যক্তি গোপনে বিভিন্ন



উসমানী সম্রাজ্যের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


খেলাফতে রাশেদা, খেলাফতে উমাইয়া, আব্বাসীদের পর উসমানী খেলাফত ব্যবস্থার উত্থান। সুদীর্ঘ ৬২৪ বছর ধরে টিকে ছিল এই খেলাফত ব্যবস্থা। পৃথিবীর ইতিহাসে উসমানী সম্রাজ্যের মত সুবিস্তৃত পরিধি ও দীর্ঘমেয়াদী ইসলামী খেলাফত মুসলিমদের ভাগ্যে জোটে নি। উসমানী সম্রাজ্যের সোনালী যুগে যত দূর পর্যন্ত



উসমানীয় সুলতানদের স্বভাব চরিত্র


সাম্রাজ্য শাসন ও নানা ধরনের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি বিদ্রোহ দমন এবং নতুন নতুন রাজ্য জয়ের সামরিক নেতৃত্ব দিতেন ওসমান সুলতানরা। ফলে দিনরাত তাদের সময় কাটতে ভীষণ ব্যস্ততায়। রাজা-মহারাজা, সুলতানদের জীবনে এটি স্বাভাবিক নিয়ম। তবে মানুষ হিসেবে প্রত্যেকে ভালোলাগা থাকে ওসমানী



বাল্য বিবাহের বিরোধীরা কি জানে? মেয়ে দ্বারা যদি কোন পাপ কাজ হয় তাহলে পিতাকে শাস্তি পেতে হবে….


একজন কন্যাকে পিতা ১২ বছর বয়সের মধ্যে বিবাহ না দিলে সে মেয়ে দ্বারা যদি কোন পাপ কাজ হয় তাহলে পিতাকে শাস্তি পেতে হবে। হাদীছ শারীফে বর্ণিত আছে, حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيُّ، أنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبْدُوسٍ، نا عُثْمَانُ بْنُ



সানকি ইয়াদিম (ধরো আমি খেয়েছি) মসজিদ !


জামে সানকি ইয়াদিম। বাংলায় ‘ধরো আমি খেয়েছি’ মসজিদ। এমন অদ্ভুত নামের এই মসজিদটি ইস্তাম্বুল শহরের ফাতেহ এলাকায় অবস্থিত। উসমানী শাসনামলে ১৭ শতকে ইস্তাম্বুল শহরের ফাতেহ এলাকায় বাস করতেন এক হতদরিদ্র মুসলমান। উনার নাম খায়রুদ্দিন আফেন্দী। পথে-ঘাটে ঘুরে বেড়াতেন তিনি।মাঝে মধ্যে বাজারের



উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদিজা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মামাতো ভাই হযরত অাবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সম্পর্কে


  হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা উনার মামাতো ভাই। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু তিনি ছিলেন জন্মান্ধ।ইসলামের একেবারে সূচনার দিনগুলোতে নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুরাইশী



সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও ফযীলত !


একটি সুন্নত পালনে যদি ১০০ শহীদের সওয়াব পাওয়া যায়, তাহলে সুন্নত উনার গুরুত্ব, মর্যাদা, ফযীলত কতটুকু নিচের ওয়াকিয়াটি পড়ে আমাদের ফিকির করা উচিত! হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা উনার



খাবার গ্রহণের পূর্বে ও পরের সুন্নত সমূহ


খাবার গ্রহণের পূর্বে ,পরে এবং মাঝে অনেক সুন্নত রয়েছে, অনেকগুলো থেকে কিছু সংখ্যক সুন্নত তরীকার নিচে দেয়া হলো…   ১) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাবার গ্রহণের পূর্বে দুই হাত মুবারক ধৌত করতেন বর্তমানে আমরা এক হাত ধৌত করি।



শিশুদের মুহব্বতের তরীকা


“কোন এক সময় এক বেদুঈন রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এসে বললো, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি শিশুদের চুমু দেন? আমি তো কখনো শিশুদের চুমু দেই না।’ জবাবে খাইরুল আলম, হাবীবাল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু



ভূল সংশোধন ও ক্ষমা চাওয়ার তরীকা


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কারো সম্পর্কে খারাপ কিছু জানতে পারলে নির্দিষ্ট করে তার সমালোচনা করতেন না বরং এভাবে বলতেন, “লোকদের কি হল যে তারা এমন এমন কুকর্ম করে”। -(তিরমিযী শরীফ, আবু দাউদ শরীফ) কেউ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করা যেমন সুন্নত আবার রোগ হলে চিকিৎসা করানোও সুন্নত !


একদা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি আল্লাহ পাকের নিকট জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমার রব! রোগ কার পক্ষ থেকে? আল্লাহপাক বললেন, হে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম! রোগ আমার পক্ষ থেকে। আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, ঔষধ তার পক্ষ হতে? এরশাদ হল, ঔষধও আমার



পবিত্র কুরআনের মাঝে ৫৪০ টি রুকুই জীবন্ত প্রমাণ যে, তারাবীর নামায ২০ রাকাত


১৪০০ বছর ধরে চলে আসা একটি সুন্নত হলো তারাবীহ নামায আর এই তারাবীহ নামাযের ২০ রাকাত, তা ১০০% কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। বিস্তারিত অনেক দলিল থাকার পরও ছোট একটি চমকপ্রদ দলিল জেনে নিন পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে। যাদ্বরুন মানুষরূপী শয়তানদের থেকে