উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


এরপরও কি বলবে মহিলাদের মসজিদে যাওয়া নিষিদ্ধ না?


একবার হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মসজিদে বসা ছিলেন এমন সময় মুযাইনা গোত্রের জনৈকা মহিলা সুন্দর পোশাকে সজ্জিতা হয়ে অহঙ্কারী চালে মসজিদে এসে উপস্থিত হলেন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



ইতিকাফের ফজীলত ও গুরুত্ব


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি রমাদ্বান শরীফ মাসেই ই’তিকাফ করেছেন। এক রমাদ্বান শর‌্যীফ মাসে বিশেষ কোন কারণে ই’তিকাফ করতে না পারায় পরবর্তী রমাদ্বান শরীফ মাসে ২০ দিন ই’তিকাফ করেন। এমনকি উনার বিছাল শরীফ গ্রহণ করার



হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত-ই ঈমানের মূল


১৫ রমাদ্বান শরীফ আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার বিলাদত শরীফ দিবস। হাদীস শরীফে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সম্মানিত হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, (১). তিনি শহীদী



বদর জিহাদে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহমে গইব ও মুজিযা শরীফ বহিঃপ্রকাশ


১৭ রমাদ্বান ঐতিহাসিক বদর জিহাদ, *বদর যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার একদিন আগে বদর প্রান্তরে পৌঁছেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জমিনে হাত মুবারক মেরে মেরে ইরশাদ করেছেন,এখানেই অমুক ব্যক্তি ধরাশায়ী হবে।এখানে এখানে অমুক অমুক ব্যক্তি ধরাশায়ী হবে। সাহাবী হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু



যারা ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা তরক করে তাদের যাকাত দেওয়া যাবে না


ফাসিক লোককে যাকাত দেয়া যাবে কি? ফাসিক কাকে বলে? যে ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা তরক করে সে ফাসিক। নামায, রোযা আদায় করে না, বেপর্দা হয়, খেলাধুলা, গান-বাজনা করে, ছবি তোলে, টিভি দেখে, বিড়ি সিগারেট খায়, পাপ কাজ করে অর্থাৎ হারাম কাজে



“তোমরা গিরগিট হত্যা করো যদিও তা পবিত্র কা’বা ঘরের অভ্যন্তরে থাকে” কিন্তু এর কারন কি?


গিরগিটি পরোক্ষভাবে মূর্তির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকায় , মুসলমানদের জন্য গিরগিটি বা কাকলাস এক নিঃশ্বাসে মারার নির্দেশ রয়েছে। সাধারনত মক্কা শরীফে রক্তপাত করা হারাম, কিন্তু হযরত ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমা উনারা উনাদের ছহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেন, “তোমরা গিরগিট হত্যা



সম্রাট হযরত আড়ঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহি ও সম্রাট শাহজাহানের নামে ঐতিহাসিকদের মিথ্যাচারিতার জবাব


অনেকে সম্রাট শাহজাহনের ছেলে হযরত আড়ঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহিকে পিতাকে বন্দী করার অপবাদ দিয়ে থাকে এবং সম্রাট শাহজাহানকে ঐশ্বর্যবিলাস, স্থাপত্য প্রীতি বিশেষ করে তাজমহল নির্মান কে অপব্যয় বলে অপব্যাখ্যা দিয়ে অপবাদ দিয়ে থাকে । মূলত পিছনের ইতিহাস ভিন্ন।যা এক শ্রেনীর কুচক্রী সব



সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবনে জামানার মুজাদ্দিদের প্রভাব


হাদীছ শরীফে  আছে, “আল্লাহ পাক প্রত্যেক হিজরী শতাব্দীর শুরুতে এই উম্মতের জন্য এরূপ লোক প্রেরণ করবেন, যিনি দ্বীনের সংস্কার করবেন।” বলা হয় , যদি সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবনের গতি একাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ বা  মুজাদ্দিদে আলফে সানী রহমতুল্লাহি আলাইহি পরিবর্তন না করতেন



মুজাদ্দিদে আলফে সানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট সম্রাট জাহাঙ্গীরের বায়াত গ্রহন


আকবরের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর সিংহাসন লাভ করেন। জীবনের প্রথমাবস্থায় তার চরিত্র, চেহারায়, পোশাক-পরিচ্ছেদ পুরোপুরি ইসলাম বিরোধী ছিল। তার শাসনামলে একবার একাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ বা  মুজাদ্দিদ আলফে সানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে কারাগারে বন্দী করেছিলেন। সে সময় আশফজাহ নামক এক ব্যক্তির



সম্রাট হুমায়ূন ছিলেন পরহেজগার মুসলমান, বিশিষ্ট বীর ও নিরপেক্ষ শাসক


সম্রাট বাবরের পুত্র হুমায়ুন, একবার বিধবা হিন্দু রাণী কর্ণবর্তী তার শিশু পুত্রকে নিয়ে রাজ্য সামলাতে পারছিল না। ঠিক সেই সময় তাকে আক্রমণ করার প্রস্তুতি চলছিল। রাণী তখন কয়েক গাছি সূতোর বৃত্তাকার, যাকে রাখী বলা হয়, পাঠিয়েছিল সম্রাট হুমায়ুনকে আর লিখে পাঠিয়েছিল,



সাম্প্রদায়িক কবি রবীন্দ্রনাথ


কিছু মানুষ বাঙ্গালিত্ব টিকিয়ে রাখতে অনায়েশে মুসলমানিত্ব ভুলে যায়। যারা রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি বলে জেনে ও মেনে তৃপ্তি বোধ করে ।তারা তার চরিত্রিক ও পারিবারিক সত্যতা কোনভাবেই মানতে চায় না। রবীন্দ্রনাথ মানেই নাকি বাঙ্গালীত্ব। অথচ ভারতবর্ষের অনেক ঐতিহাসিকগণ রবীন্দ্রনাথের ইতিহাসের অঙ্গহানি না



উদারতা ও কৃতজ্ঞতা ছিল সম্রাট হুমায়ূনের চরিত্রগত গুন


বাবরের পুত্র সম্রাট হুমায়ুন একবার সম্রাট হুমায়ুন যুদ্ধক্ষেত্র থেকে খরস্রোত নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। ফলে প্রাণ বাচাঁনো দায় হয়েছিল।সেই সময় এক ভিস্তিওয়ালা তারঁ ছাগল- চামড়ার ভিস্তিটি উনাকে সাঁতার কেটে পৌঁছে দিয়ে উনার রক্ষায় সাহায্যে করেছিলেন। হুমায়ুন বলেছিলেন , ‘আমি যদি দিল্লির সিংহাসন