উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


অলসতা-গাফলতি আর অকর্মন্যতার সাথে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক স্মরণ করা বা উচ্চারণ করা মাকরূহ


অলসতা-গাফলতি আর অকর্মন্যতার সাথে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক স্মরণ করা বা উচ্চারণ করা মাকরূহ । অত্যন্ত আদবের সাথে উনার লক্বব মুবারক নিয়ে সম্বোধন করতে হবে। কুরআন শরীফে আল্লাহপাক তিনি হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



বিপদে পড়লে কেন নিজ শায়েখকে স্মরণ করা হয়!


হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি একদা নদীর ওপারে যাওয়ার জন্য মনস্থির করলেন!নদীর ওপারে যাওয়ার কোনো উপকরণ না পেয়ে তিনি পা হেঁটে নদী পার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন! ওনার সাথে একজন ওনার মুরীদ ছিল! সে সময় তার মুরিদ তাকে বললেন, হুজুর কিভাবে পায়ে



উলামায়ে সূ’রা বন্য প্রানীদের থেকেও অধম


একবার এক রাখাল তার বকরী চড়াচ্ছিল। এমন সময় হঠাৎ জঙ্গল হতে একটি বাঘ বাহির হয়ে আসল। রাখাল তার বকরী এবং বাঘের মাঝখানে ছিল। তখন বাঘটি তার লেজের উপর বসে রাখালকে বলল, তুমি কি মহান আল্লাহপাক উনাকে ভয় কর না? তুমি আমার



আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টির প্রতি দয়া প্রকাশ করাকে পছন্দ করেন


  জলিলুর ক্বদর রসূল, হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে একদিন মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, হে হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম! আপনি কি জানেন, আমি কবে আপনাকে খাছভাবে কবুল করেছি? তিনি বললেন, ইয়া বারে ইলাহী! আমার তা জানা নেই। মহান আল্লাহ



মসজিদের মাইক অন্য কোন কাজে ব্যবহার করা যাবে কিনা?


  মসজিদের মাইক দিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত আযান দেয়া হয়।ঐ মাইক দিয়ে মসজিদ হতে কোন প্রকার প্রচার যেমন – হারানো বা প্রাপ্তি সংবাদ, মানুষ মারা গেলে তার প্রচার, জানাযার আহবান, এ সমস্ত কাজে মসজিদের মাইক ব্যবহার করা যাবে কিনা? উত্তর হচ্ছে, মসজিদের



অধিকাংশের অনুসরণ বন্ধ করুন, অল্পসংখ্যক-ই নাজাতপ্রাপ্ত


কুরআন শরীফ ,হাদীস শরীফ সম্পর্কে অজ্ঞতার কারনেই মুসলমানরা এখন গোমরাহ হচ্ছে । জামায়াত, তাবলীগী, ওহাবী, খারিজী, জাকের পার্টি, জাকির নালায়েক,চর্মনাই, দেওবন্দ , কাদীয়ানী আরো যত বাতিল ফিরকার অনুসারীরা আছে, এরা কেন গোমরাহ জানেন? কারণ এরা অধিকাংশদের অনুসারী। কম লোক হলে না-হক্ব,



কসম


  আমি মায়ের বদলে মাসি কিনতে পারবো না। আমি হীরার বদলে কাচ কুড়াতে পারবো না। আমি দাদীকে দিদা বলতে পারবো না। আমি পানির বদলে জলপান করতে পারবো না। … আমি শেরে বাঙলার বদলে মহাত্মা গান্ধীকে নিতে পারবো না। আমি ভাসানীর বদলে



হক্কানী ওলী-আল্লাহগণ সবার কাছ থেকে হাদিয়া গ্রহণ করেন না


  গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর আব্দুল ক্বাদির জ্বিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে একবার বাগদাদের এক খলীফা ইউসুফ বিন মনছুর তার এক মন্ত্রীর দ্বারা কিছু স্বর্ণমুদ্রা হাদিয়া করলে হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, তোমার স্বর্ণমুদ্রা হারাম। আমি এটা গ্রহণ



হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পছন্দের কুনিয়াত মুবারক ‘আবুল ক্বাসিম’


বুখারী শরীফে এসেছে, “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন, একদিন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বাজারে ছিলেন।এমন সময় এক ব্যক্তি ‘হে আবুল ক্বাসিম’ বলে ডাক দিলো। তখন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি



রূহের জগতের একমাত্র ইবাদত, সুবহানাল্লাহ্


সাইয়্যিদ হযরত গিয়াসুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি (খাজা সাব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আব্বাজান)তিনি জানান, সুবহানাল্লাহ যিকির আলমে আরওয়াহ (রূহের জগতে) সকল ইনসানের জন্য নির্দ্ধারিত ছিলো।এই যিকিরই ওই জগতের একমাত্র ইবাদত হিসেবে নির্দ্ধারিত রয়েছে। এ ইবাদতের উপর নির্ভর করেই বান্দাগণ দুনিয়ায় নিজ মর্যাদা-মর্তবা লাভ



লাইলাতুল রগ্বায়িব এমনই এক রাত যা শবে বরাত ও শবে ক্বদরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ


হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, পবিত্র লাইলাতুল রগ্বায়িব এমনই এক রাত যা শবে বরাত ও শবে ক্বদরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। সুবহানাল্লাহ কেননা এই রাতে আল্লাহ পাক-উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারই সম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম-উনার



হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার নজীরবিহীন মুহব্বত


উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি উনার আব্বাজান ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এত মুহব্বত করতেন; যা মানুষের ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। তার একটি উদাহরণ… যখন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার সাক্ষাতে চলে