উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?


অনেকে চন্দ্র অথবা সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী মা কোন কিছু কাটলে বা ছিঁড়লে বাচ্চা ঠোঁট কাটা জন্মাবে, কোন কিছু ভাঙলে বা বাঁকা করলে সন্তান বিকলাঙ্গ হয়ে জন্মাবে ইত্যাদি ইত্যাদি বলে ধারণা করে । কিন্তু সম্মানীত দ্বীন ইসলাম বলে, সূর্য গ্রহন ও চন্দ্র



হক্বানী পীরের নিকট প্রত্যেকের বাইয়াত হওয়া ফরয


    হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওফাত গ্রহনের পর যমীন আল্লাহপাক উনার দরবারে আরজ করলো, ‘হে খোদা ! কিয়ামত পর্যন্ত কি আমাকে এরূপই থাকতে হবে যে , আমার উপর আর কোন নবী চলা-ফেরা করবে না?” আল্লাহপাক বললেন, ‘শীঘ্রই



স্পেনে মুসলমানদের আগমন ও বিজয়


মুসলমানগণ সব সময়ই বেশি সংখ্যকের উপর সংখ্যায় অল্প হয়েও জয় লাভ করেছেন। এ কারনেই কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফে অধিকাংশের অনুসরন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।   ৯২ হিজরী সনের আন্দুলুস (বর্তমান স্পেন) বিজয়ী তারেক বিন যিয়াদের কথা কে না জানে? তিনি



যে ব্যক্তি মিথ্যা আরোপ করে, সে-ই ব্যর্থ হয়


যে ব্যক্তি দুনিয়া বা দুনিয়াবী কোন বিষয় বস্তুর প্রতি মনোনিবেশ করে মহান আল্লাহপাক তিনি তাকে দুনিয়ার সাথে ছেড়ে দেন।   একদা আমি (ইমাম জা’ফর ইবনে হাসান বলেন) হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে স্বপ্নে দেখলাম। আমি উনাকে জিজ্ঞেস করলাম ,



দ্বীন ইসলাম ক্ষতিগ্রস্থ করতে জালেম শাসকের অবদান


হান্টার দিয়ে পিটানো, কুকুর লেলিয়ে কামড়ানো, পানির সেলে মুখ পর্যন্ত ডুবিয়ে দিনের পর দিন বসিয়ে রাখা, আগুনের সেলে জ্বালানো পুরাণো, , জবাইকৃত পশুর মত উল্টো লটকিয়ে রাখা, দিনের পর দিন অভুক্ত রাখা , উলঙ্গ রাখা, প্রকৃতিক কর্ম সারতে না দেওয়া ,



মুজাদ্দিদে আলফে সানী খেতাব


  এক হাজার দশ হিজরীর দশম রবিউল আউয়াল জুমার দিনে সুবহে সাদেক এর সময় যখন তিনি হলকায় উপবিষ্ট ছিলেন তখন দেখলেন যে হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‍তিনি অতি সুন্দর ও মুল্যবান একটি পোশাক নিয়ে এসে উনাকে (হযরত মুজাদ্দিদে



সেদিন মৃত্যুকে সাদা দুম্বা রূপে জবাই করা হবে!


হাশরের দিন শেষ বিচারের পরে আল্লাহপাক জান্নাতীদেরকে জান্নাতে দেবেন আর জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে দেবেন।তখন আল্লাহপাক উনি জান্নাতী ও জাহান্নামীদেরকে ডাক দিয়ে বলবেন, তোমরা এই দিকে দেখো। তখন জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে একটা সাদা দুম্বাকে দেখিয়ে আল্লাহপাক বলবেন, এই দুম্বাটা হচ্ছে মরণ।তখন সেই



হিংসা নামক মুহলিকাত


হিংসা মানুষকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যায় হিংসুক না বুঝলেও পাশের মানুষগুলো ঠিক বুঝে। তাছাড়া হিংসুক মুখে যতই ভাল বলে প্রকাশ করুক না কেন, দু’দিন আগে আর পরে ঠিকই হিংসুক বলে পরিচিতি লাভ করে। মূলত হিংসা, অহংকার সমস্ত নেক আমলকে নষ্ট



এরপরও কি বলবে মহিলাদের মসজিদে যাওয়া নিষিদ্ধ না?


একবার হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মসজিদে বসা ছিলেন এমন সময় মুযাইনা গোত্রের জনৈকা মহিলা সুন্দর পোশাকে সজ্জিতা হয়ে অহঙ্কারী চালে মসজিদে এসে উপস্থিত হলেন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



ইতিকাফের ফজীলত ও গুরুত্ব


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি রমাদ্বান শরীফ মাসেই ই’তিকাফ করেছেন। এক রমাদ্বান শর‌্যীফ মাসে বিশেষ কোন কারণে ই’তিকাফ করতে না পারায় পরবর্তী রমাদ্বান শরীফ মাসে ২০ দিন ই’তিকাফ করেন। এমনকি উনার বিছাল শরীফ গ্রহণ করার



হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত-ই ঈমানের মূল


১৫ রমাদ্বান শরীফ আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম উনার বিলাদত শরীফ দিবস। হাদীস শরীফে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সম্মানিত হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত মুবারকে ইন্তেকাল করবেন, (১). তিনি শহীদী



বদর জিহাদে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহমে গইব ও মুজিযা শরীফ বহিঃপ্রকাশ


১৭ রমাদ্বান ঐতিহাসিক বদর জিহাদ, *বদর যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার একদিন আগে বদর প্রান্তরে পৌঁছেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জমিনে হাত মুবারক মেরে মেরে ইরশাদ করেছেন,এখানেই অমুক ব্যক্তি ধরাশায়ী হবে।এখানে এখানে অমুক অমুক ব্যক্তি ধরাশায়ী হবে। সাহাবী হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু