উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


আত্মহত্যা মহাপাপ , মুক্তির একমাত্র পথ আত্মহত্যা নয় !


*স্বামী-স্ত্রীর একটু আনমন হলে দৌড়ে যায় ফাসি দিতে। এ নিয়ে ৪ বার হলো কোশেশ, প্রতিবারই হায়াতের জোড়ে বেচেঁ গেছে। এবার জিব প্রায় বের হয়েই গিয়েছিল , সৌভাগ্যক্রমে এবারও বেচেঁ গেছে। বলা হয়ে থাকে , কোন ব্যক্তি যদি জিদের বশে বারবার ফাসিঁর



হযরত জাফর সাদিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে এক নাস্তিকের কথোপকথন !


এক নাস্তিক নাবিকের সাথে হযরত ইমাম জাফর সাদিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিতর্ক হয়েছিল। সে নাবিক বলতো যে আল্লাহ বলতে কিছু নেই (নাউযুবিল্লাহ)। হযরত ইমাম জাফর সাদিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি তো জাহাজ চালক,সমুদ্রে কি কখনো তুফানের সম্মুখীন



ইসলাম প্রচারের নামে অশ্লীলতা প্রচার করছেন না তো ?


কিছু কিছু মানুষের টাইমলাইনে ঢুকলে আপনি ভয় পেয়ে যাবেন। পুড়ো টাইমলাইন ইসলামীক পোস্ট সমৃদ্ধ, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মশহূর ঘটনায় পরিপূর্ণ, প্রতিটি ঘটনার সাথে সাথে রয়েছে উনাদের কাল্পনিক ছবিও। ছবি দেখে বুঝার উপায় নেই, পোস্টের মাধ্যমে কি ইসলাম প্রচার হচ্ছে নাকি



আল্লাহর তরবারী কখনই পরাজিত হতে পারে না!


ইন্তেকালের কিছুদিন পূর্বে, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আানহু উনার সাথে এক পুরনো বন্ধু দেখা করতে আসেন। বন্ধুটি উনার শয্যার পাশে বসেন। হযরত খালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আানহু জিজ্ঞেস করলেন- “আপনি কি আমার পায়ে এমন এক বিঘত পরিমাণ কোন খালি জায়গা



মুসলিম সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, ‍যিনি কখনো কোন যুদ্ধে পরাজিত হন নি


হযরত খালিদ বিন ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন মুসলিম ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এক মহান সেনাপতি। যিনি রণক্ষেত্রে নিজের শক্তি ও মেধার দ্বারা বাতিলের শক্তি মূলোৎপাটন করে তাওহীদের পতাকাকে বুলন্দ করেছিলেন। হযরত খালিদ ইবন ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ( ৫৯২–৬৪২) তিনি ছিলেন



ভারতের সম্রাট চেরামান পেরুমল যে কারণে ইসলাম গ্রহন করেছিলেন !


ভারতের কেরালা প্রদেশের তৎকালীন ২৬ বছরের সম্রাট চেরামান পেরুমল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলােইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক আকাশে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হবার মুজিযা শরীফটি স্বচক্ষে দেখেছিলেন। মালাবারে আগত আরব বনিকদের থেকে তিনি নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খবর পান এবং মক্কা শরীফের



জানেন কি? আইয়্যামিল্লাহ দিনগুলো পালনকারীকে আল্লাহপাক কুদরতীভাবে বিপদ থেকে হেফাজত করে থাকেন


আল্লাহপাক সব কিছুর একচ্ছত্র অধিপতি, মালিক। তারপরেও কিছু দিন, কাল, স্থান, মাস, বছর এবং বিষয়কে মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজের জন্য খাছ করেছেন এবং আইয়্যামিল্লাহ পালনকারী ব্যক্তিকে আল্লাহপাক অবশ্যই সমস্ত বিপদ থেকে কুদরতিভাবে হেফাজত করে থাকেন। সেদিন রাতে মামা আর আমি



হেদায়াত এমন একটি পবিত্র নিয়ামত যা, না চাইলে কাউকে দেয়া হয় না


  হেদায়াত এমন একটি পবিত্র নিয়ামত যা, না চাইলে কাউকে দেয়া হয় না।যারা সৎ পথের সন্ধানের চেষ্টা করবে, তাদেরকে সৎ পথের সন্ধান দেয়াই আল্লাহপাকের নীতি। হেদায়েত চায় নি বা ছিল না বলেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুজিযা শরীফ



তোমরা হীনবল হয়ো না , চিন্তিত হয়ো না, তোমারাই জয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।


৯২ হিজরী সনের আন্দুলুস (বর্তমান স্পেন) বিজয়ী তারেক বিন যিয়াদের কথা কে না জানে?   লেইনপোল নামক এক ঐতিহাসিক লিখেছে, আঠার দিনের লড়াই মুসলমানদের আটশত বছরের স্পেনের রাজত্ব প্রদান করেছিল। মুসলমানরা যুদ্ধ বিদ্যা ও বীরত্বে নজীরবিহীন ছিল। তাদের বিজয়ের কারন মূলতঃ



আমল করেই জান্নাতে যেতে চান? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ !


এক ব্যক্তি ২০ বছর একস্থানে নামায পড়ে কিছুদিন আগে জানতে পারলো তার বাসায় ক্বিবলা নির্ধারণ ভুল ।এক্ষেত্রে তার ২০ বছরের আমলের বদলা কি হবে ? এক্ষেত্রে তার কি-বা উপায় থাকতে পারে আল্লাহর রহমতের উপর নির্ভর ব্যতিত? অথচ মানুষ আমল করেই জান্নাতে



তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী-২


একবার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে সদকায়ে ফিতরের মালামাল হেফাজতের জন্য নিয়োজিত করেছিলেন। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু , উনি দিনরাত সেই মাল হেফাজত করতে লাগলেন। এক রাতে এক চোর এসলো এবং



দান ছদকা করলে হায়াত বৃদ্ধি পায় !


একবার হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে উপস্থিত হয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! অমুক সাহাবী উনার হায়াত মুবারক আর একদিন আছে, অত:পর হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি