উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদিজা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মামাতো ভাই হযরত অাবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সম্পর্কে


  হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা উনার মামাতো ভাই। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু তিনি ছিলেন জন্মান্ধ।ইসলামের একেবারে সূচনার দিনগুলোতে নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুরাইশী



সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও ফযীলত !


একটি সুন্নত পালনে যদি ১০০ শহীদের সওয়াব পাওয়া যায়, তাহলে সুন্নত উনার গুরুত্ব, মর্যাদা, ফযীলত কতটুকু নিচের ওয়াকিয়াটি পড়ে আমাদের ফিকির করা উচিত! হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা উনার



খাবার গ্রহণের পূর্বে ও পরের সুন্নত সমূহ


খাবার গ্রহণের পূর্বে ,পরে এবং মাঝে অনেক সুন্নত রয়েছে, অনেকগুলো থেকে কিছু সংখ্যক সুন্নত তরীকার নিচে দেয়া হলো…   ১) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাবার গ্রহণের পূর্বে দুই হাত মুবারক ধৌত করতেন বর্তমানে আমরা এক হাত ধৌত করি।



শিশুদের মুহব্বতের তরীকা


“কোন এক সময় এক বেদুঈন রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এসে বললো, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি শিশুদের চুমু দেন? আমি তো কখনো শিশুদের চুমু দেই না।’ জবাবে খাইরুল আলম, হাবীবাল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু



ভূল সংশোধন ও ক্ষমা চাওয়ার তরীকা


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কারো সম্পর্কে খারাপ কিছু জানতে পারলে নির্দিষ্ট করে তার সমালোচনা করতেন না বরং এভাবে বলতেন, “লোকদের কি হল যে তারা এমন এমন কুকর্ম করে”। -(তিরমিযী শরীফ, আবু দাউদ শরীফ) কেউ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



সুস্বাস্থ্যের জন্য দোয়া করা যেমন সুন্নত আবার রোগ হলে চিকিৎসা করানোও সুন্নত !


একদা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি আল্লাহ পাকের নিকট জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমার রব! রোগ কার পক্ষ থেকে? আল্লাহপাক বললেন, হে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম! রোগ আমার পক্ষ থেকে। আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, ঔষধ তার পক্ষ হতে? এরশাদ হল, ঔষধও আমার



পবিত্র কুরআনের মাঝে ৫৪০ টি রুকুই জীবন্ত প্রমাণ যে, তারাবীর নামায ২০ রাকাত


১৪০০ বছর ধরে চলে আসা একটি সুন্নত হলো তারাবীহ নামায আর এই তারাবীহ নামাযের ২০ রাকাত, তা ১০০% কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত। বিস্তারিত অনেক দলিল থাকার পরও ছোট একটি চমকপ্রদ দলিল জেনে নিন পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে। যাদ্বরুন মানুষরূপী শয়তানদের থেকে



গোসলের ফরয এবং সুন্নত তরীকা !


গোসলের ফরয তিনটি —————————— গোসলের মধ্যে তিনটি ফরয রয়েছে। যদি কোন একটি বাদ বা অসম্পূর্ণ থেকে যায় তবে তার শরীর পাক হবে না বরং নাপাক-ই থেকে যাবে। *গড়গড়ার সাথে কুলি করা (যদি সে রোযাদার না হয়)। *নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি



হাসি ও কান্নার সুন্নাত তরীকা


হাসির সুন্নত তরীকা ———————————– *হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র অভ্যাস ছিল যখন হাসি দিতেন মুচকি হাসি দিতেন, কোন রকম আওয়াজ হত না। (মাদারিজুন্নবুওয়াত) *তিনি কারো সাথে সাক্ষাৎ করতে প্রফুল্ল বদনে মুচকি হাসতে হাসতে সাক্ষাৎ দিতেন, যার প্রভাব



ঘুমানোর পূর্বে সুন্নতসমূহ !


ঘুমানোর পূর্বে সুন্নতসমূহ, ১)ওযু অবস্থায় ঘুমানো ২)শয়নের পূর্বে কাপড় দ্বারা বিছানা ঝেড়ে নেয়া ৩)কাপড় পরিবর্তন করা ৪)শয়নের পূর্বে বিসমিল্লাহ বলে নিম্নের কাজগুলো করা *ঘরের দরজা বন্ধ করা *বাতি নিভিয়ে দেয়া *খাদ্যদ্রব্যের পাত্রের ‍মুখ ঢেকে রাখা, পাত্রের ঢাকনা না থাকলে একটি কাঠি



উম্মাতের শ্রেষ্ঠতম কোনো ব্যক্তির বড় থেকে বড় কোনো নেক আমলও সর্বনিম্ন সাহাবীর ছোট হতে ছোট কোনো আমলের সমতুল্য হতে


সুলতান মাহমূদ গজনবী উনার আয়াজ নামে প্রিয় এক গোলাম ছিল, আয়াজের ছেলের নাম ছিল মুহম্মদ।তাকে তিনি নাম ধরেই ডাকতেন। একদিন হাম্মামখানায় ‘হে আয়াজের ছেলে পানি নিয়ে এসো’ বলে ডাক দিলেন।এতে আয়াজ আরজ করলেন , হযুর কি গোস্তাখি হলো যে ছেলের নাম



চুলে তেল দেয়া, আচঁড়ানো, সিথি করা, আয়না দেখা প্রত্যেকটি-ই সুন্নত !


মাথার চুলে তেল দেয়া, আচঁড়ানো এবং সিথি করা প্রত্যেকটি-ই সুন্নত। তেলের মধ্যে যয়তুনের তেল ব্যবহার করা খাস সুন্নত। আর পুরুষ হোক মহিলা হোক প্রত্যেকের জন্যই মাথার মধ্য দিয়ে এবং ডান দিক দিয়ে মাথা আচঁড়ানো সুন্নত। উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা আলাইহাস