উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


স্রষ্টার কোন সৃষ্টি অযথা, নিষ্প্রোয়জনীয়, উদ্দেশ্যবিহীন নয়!


হযরত মুসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি একদিন আল্লাহপাক উনাকে প্রশ্ন করলেন… “হে আল্লাহপাক! যদি ৪টি জিনিস হতো আর ৪টি জিনিস না হত তবে খুব ভাল হত, ১) যদি জীবন হত, মৃত্যু না হত । ২) যদি জান্নাত হত জাহান্নাম না হত।



পাথরের চেয়ে ভারী কি? আকাশের চেয়ে উচু কী?


একদিন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাহাবিদের জিজ্ঞেস করলেন, ১.পাথরের চেয়ে ভারী কি? ২.আকাশের চেয়ে উচু কী? ৩.আগুনের চেয়ে গরম কী? ৪.বরফের চেয়ে ঠান্ডা কী? হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ বললেন, এ সম্পর্কে আমরা জানি না, এ বিষয়ে



এক বেদুইনের ইসলাম গ্রহন!


এক বেদু্ঈন তার কাপড়ের আস্তিত্বের ভিতরে কিছু লুকিয়ে হুযুর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খেদমতে হাজির হলো এবং বললো, হে মুহাম্মদ! যদি আপনি বলতে পারেন যে আমার আস্তিনের ভিতর কি আছে, তাহলে আমি স্বীকার করবো যে আপনি সত্যিকার নবী। হুযুর পাক



কাফির ব্যতিত, সৃষ্টিকুলের সবাই জানেন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আল্লাহর রসূল


বনী নজারের বাগানে এক পাগলা উট কোথা হতে এসে আশ্রয় নিল। বাগানে কেউ গেলে, সেই উট তাকেই কামড় দেয়ার জন্য দৌড়ে আসতো। লোকেরা বড় সমস্যায় পড়ল এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খেদমত মুবারকে এসে সমস্ত ঘটনা আরয করলো।



শিয়ারা মুসলমান দাবী করলেও ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে তারা মুসলমান নয়!


কারবালার ময়দানে যখন হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম তিনি ইয়াযীদ বাহিনীকে অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে বুঝাতে চাইলেন যে,   জুলুম অত্যাচার থেকে বিরত থাকো, আমার রক্ত দ্বারা তোমাদের হাত রন্জিত করো না।আমি তোমাদের কোন ক্ষতি করিনি।আমি তো কূফাবাসীর আহবানে এসেছি। তারা যখন



সাপের ডিম


বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কোন এক জায়গায় যাচ্ছিলেন। ঘটনাক্রমে উনার পা একটি বিষাক্ত সাপের ডিমের উপর পড়ে। এতে ডিমটি ফেটে যায় এবং এর বিষ ক্রিয়ায় হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চোখ একেবারে ঘোলা



সুলতান সালাহুদ্দী আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কবরের পাশে সতেরো বছর কাটিয়েছে যে ব্যক্তি


সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনিতে সাইফুল্লাহ নামক এক ব্যক্তি পাওয়া যায়, যার সম্পর্কে বলা হয়- কেউ যদি সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আনুগত্য করে থাকে, সে হলো সাইফুল্লাহ। লোকটি সুলতানের ওফাতের পর সতেরো বছর জীবিত ছিলেন।



বুদ্ধিমতি বৃদ্ধা


এক মাওলানা এক বৃদ্ধাকে চরকায় সূতা কাটতে দেখে বললেন, বুড়ি! সাড়া জীবন কি শুধু চরকা ঘুরাতে রইলে, নাকি খোদাকেও জানার জন্য কিছু করলে? বৃদ্ধা উত্তর দিল, বেটা! এ চরকার মধ্যে আমি খোদাকে জানতে পেরেছি। মাওলানা সাহেব বললেন কি আশ্চর্য! তাহলে বলেন



বেধর্মী মহিলা নাজাতপ্রাপ্ত হওয়ার কারন!


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মক্কা শরীফ বিজয়ের পর মক্কা মুয়াজ্জমার এক বিধর্মী মহিলার ঘরের দেয়ালে ঠেস দিয়ে উনার কোন এক খাদিমের সাথে কথা বলছিলেন। সেই বিধর্মী মহিলা ঠেস দেওয়া দেখে , সে হিংসা ও বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে ঘরের



ইবলিশের পৌত্র


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জ্বীন , ইনসান সহ সকলের রাসূল। উনার দরবার জ্বীন ও ইনসান সকলের জন্য উম্মুক্ত ছিল। হযরত উমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্নিত, একদিন আমরা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে তাহামার



হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে কোন কিছুই গোপন নেই


তাবুকের যুদ্ধে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উষ্ট্রী হারিয়ে গিয়েছিল। এক মুনাফিক এক সাহাবীকে বললো, তোমাদের মুহাম্মদ তো নবী দাবী করে এবং তোমাদেরকে আসমানের কথা শুনায়। অথচ উনার উষ্ট্রীর হদিস উনার কাছে নেই। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



প্রতিটি ময়দানে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিজয়ের রহস্য!


হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তলোয়ার) হিসেবে খ্যাত ছিলেন। তিনি যে কোন যুদ্ধে যাবার সময় নিজ টুপি নিশ্চয়ই মাথায় রাখতেন এবং সব সময় জয়ী হয়ে ফিরতেন। কোন সময় পরাজয়ের মুখ দেখেন নি। একবার ইয়ারমুকের যুদ্ধে যখন যুদ্ধের