উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


যে আমলে সম্পদ ও হায়াত বৃদ্ধি পায়, বালা-মুসিবত কেটে যায় !


হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কোন একদিন বাহির থেকে ঘরে আসলে হযরত ফাতেমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বললেন, আমি এ সূতাগুলো কেটেছি। আপনি এগুলো বাজারে নিয়ে বিক্রি করে আটা কিনে আনুন, যেন হযরত হাসান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত হোসাইন রদ্বিয়াল্লাহু



যে আমলে সম্পদ ও হায়াত বৃদ্ধি পায়


এক ব্যক্তির ঘরের পাশে ছিল একটি গাছ। সেই গাছে ছিল একটি পাখি। পাখিটি যখনই ডিম দিত তখনই লোকটি তা নিয়ে খেয়ে ফেলত। লোকটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে একদিন পাখিটি হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার কাছে নালিশ করল। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম লোকটিকে



কখন জাগবে জাতির যুবকেরা !


থার্টি ফার্স্ট নাইটে সুলতান সালাহুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কথা খুব মনে পড়েছিলো । তিনি বলেছিলেন, ‘যে জাতির যুবকেরা সজাগ হয়ে যায়, কোন শক্তি তাদেরকে পরাজিত করতে পারে না’। গত রাতের প্রেক্ষাপটে মনে হলো, যে জাতির সন্তানেরা জেগে ঘুমায় , তারা আদৌ



সেদিন কতদূর (?) যেদিন খ্রিষ্টানদের ভয়ে নিজ ঘরে কানে-কানে কথা বলবে মুসলমান !


ইতিহাসের পুণরাবৃত্তি, সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি যখন কার্ক অবরোধ করে রেখেছিলেন সে সময়ের কথা, সুলতানের কমান্ডোদের শাহদাত বরণের ঘটনা বেড়ে গেছে অনেক। আক্রমণকারী দলের সদস্য যদি থাকে ১০ জন, তো ফিরে আসে ৩/৪ জন।খ্রিষ্টানরা এমন ব্যবস্থা করেছে , যা



সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদের পিছনে কুরআন শরীফের অবদান অনিস্বীকার্য !


সবার জানা যে হিন্দুদের সতীদাহ প্রথা রহিত করেছে রাজা রামমোহন রায় কিন্তু যা অজানা, এই ভয়াবহ প্রথা উচ্ছেদের পিছনে মুসলমানদের কুরআন শরীফের অবদান, যা অস্বীকার্য। রাজা রামমোহনকে তার পিতা পাটনায় পাঠিয়েছিল , ফার্সীতে পান্ডিত্য অর্জনের জন্য । যদিও তখন ভারতবর্ষে ইংরেজদের



কেমন ছিলেন শের-ই-মহীশূর ?


পরদিন বিকাল ৪ টার কাছাকাছি সময়,    যখন সুলতানের লাশ কেল্লা থেকে বাইরে আনা হলো সেরিংগাপটমের (বর্তমান কর্ণাটক) নারী পুরুষ, শিশু , বৃদ্ধ, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে তাদের আশ্রয়স্থল থেকে বেরিয়ে জানাযায় শরীক হলো। মানুষের অন্তর থেকে ইংরেজদের ভয় চলে গেল ,



হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহি শহীদ হওয়ার পরবর্তী প্রেক্ষাপট – ২


মধ্যরাত্রির কাছাকাছি সময়ে  ইংরেজ অফিসারদের হুকুমে সব লাশ আলাদা করা হলো। কয়েকটা লাশ সরানো পর এক ইংরেজ সিপাহী একটি লাশের বাহু ধরে টানবার চেষ্টা করলে তার হাতে একটা শক্ত চাপ অনুুভূত হয়। তার সাথে সাথেই লাশের মাথা থেকে পাগড়ি খুলে পড়লো



হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহি শহীদ হওয়ার পরবর্তী প্রেক্ষাপট!


সূর্যাস্তের প্রায় তিন ঘন্টা পর সেরিংগাপটমের শহর, কেল্লা ও মহলের উপর ইংরেজদের পূর্ণ অধিকার কায়েম হলো। শহরের চার দেওয়ালের ভিতরে মহীশূরের বারো হাজার যোদ্ধার লাশ ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানী ও মীর নিযাম আলীর সিপাহীদের বিজয় অসম্পূর্ণ। সুলতানের সন্ধানে তারা



বাঙ্গালীর করুন এক ইতিহাস যা সৃষ্টির সহায়ক ছিলো জাতির কিছু গাদ্দার


  ফতেহ আলী টিপু যখন যখমী হলেন তখন উনার কিছু বিশ্বস্ত সেনাপতি পরামর্শ দিচ্ছিলেন স্থান ত্যাগ করার জন্য কিন্তু উনি প্রজাদের রেখে চলে যেতে রাজি হলেন না, উনার দেহের খুন ঝড়ছিলো সেরিংগাপটেম এর মাটিতে এবং সিনার যখম নিয়ে তিনি অনুভব করছিলেন



মুসলমান ব্যতীত , পৃথিবীর সব জাতি সম্প্রদায়িক!


  মুর্শিদাবাদের কথা বলতেই মনে পড়ে মুসলমান মুর্শিদকুলি খাঁর নাম।  তিনি মুসলমান , কিন্তু তিনি মুসলমান ছিলেন বলেই উনার অপরাধ ছিলো না, বরং উনার বড় অপরাধ ছিলো তিনি বাক্ষ্মনের সন্তান হয়েও ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। হিন্দু মুসলমান ভালবাসার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত ‘শেঠ’



হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিদায়ের দিন ইবলিশ খুশি হয়েছিল’, কথাটি কতটুকু কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ সম্মত?


  কথাটি মোটেও কুরআন শরীফ সুন্নাহ শরীফ সম্মত নয়। কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ উম্মতদের জন্য কল্যাণকর। কেননা আল্লাহপাক প্রত্যক নবী, প্রত্যক রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে দুনিয়ার পাঠিয়েছেন।



বাঙ্গালি জাতির শ্রেষ্ঠ গাদ্দার মীর জাফর


নবাব সিরাজদ্দৌলা নিয়ে পড়া শেষ না হতেই দেখলাম , উনার নামে মিথ্যাচার ।মানুষ কিভাবে পারে ছয়কে নয় বলে প্রচার করতে(?)। আমাদের জনা থাকা উচিত, নবাব সিরাজদ্দৌলার শাসনকাল ছিল অল্প সময়।তার পলাশীপ্রান্তে পরাজয়ের পরই ইংরেজরা ভারতবর্ষে প্রায় দু’শ বছর শাসন করেছিল।ছোটকালে সোস্যাল