উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


জানেন কি? আইয়্যামিল্লাহ দিনগুলো পালনকারীকে আল্লাহপাক কুদরতীভাবে বিপদ থেকে হেফাজত করে থাকেন


আল্লাহপাক সব কিছুর একচ্ছত্র অধিপতি, মালিক। তারপরেও কিছু দিন, কাল, স্থান, মাস, বছর এবং বিষয়কে মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজের জন্য খাছ করেছেন এবং আইয়্যামিল্লাহ পালনকারী ব্যক্তিকে আল্লাহপাক অবশ্যই সমস্ত বিপদ থেকে কুদরতিভাবে হেফাজত করে থাকেন। সেদিন রাতে মামা আর আমি



হেদায়াত এমন একটি পবিত্র নিয়ামত যা, না চাইলে কাউকে দেয়া হয় না


  হেদায়াত এমন একটি পবিত্র নিয়ামত যা, না চাইলে কাউকে দেয়া হয় না।যারা সৎ পথের সন্ধানের চেষ্টা করবে, তাদেরকে সৎ পথের সন্ধান দেয়াই আল্লাহপাকের নীতি। হেদায়েত চায় নি বা ছিল না বলেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুজিযা শরীফ



তোমরা হীনবল হয়ো না , চিন্তিত হয়ো না, তোমারাই জয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।


৯২ হিজরী সনের আন্দুলুস (বর্তমান স্পেন) বিজয়ী তারেক বিন যিয়াদের কথা কে না জানে?   লেইনপোল নামক এক ঐতিহাসিক লিখেছে, আঠার দিনের লড়াই মুসলমানদের আটশত বছরের স্পেনের রাজত্ব প্রদান করেছিল। মুসলমানরা যুদ্ধ বিদ্যা ও বীরত্বে নজীরবিহীন ছিল। তাদের বিজয়ের কারন মূলতঃ



আমল করেই জান্নাতে যেতে চান? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ !


এক ব্যক্তি ২০ বছর একস্থানে নামায পড়ে কিছুদিন আগে জানতে পারলো তার বাসায় ক্বিবলা নির্ধারণ ভুল ।এক্ষেত্রে তার ২০ বছরের আমলের বদলা কি হবে ? এক্ষেত্রে তার কি-বা উপায় থাকতে পারে আল্লাহর রহমতের উপর নির্ভর ব্যতিত? অথচ মানুষ আমল করেই জান্নাতে



তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী-২


একবার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে সদকায়ে ফিতরের মালামাল হেফাজতের জন্য নিয়োজিত করেছিলেন। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু , উনি দিনরাত সেই মাল হেফাজত করতে লাগলেন। এক রাতে এক চোর এসলো এবং



দান ছদকা করলে হায়াত বৃদ্ধি পায় !


একবার হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে উপস্থিত হয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! অমুক সাহাবী উনার হায়াত মুবারক আর একদিন আছে, অত:পর হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



যে আমলে সম্পদ ও হায়াত বৃদ্ধি পায়, বালা-মুসিবত কেটে যায় !


হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কোন একদিন বাহির থেকে ঘরে আসলে হযরত ফাতেমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বললেন, আমি এ সূতাগুলো কেটেছি। আপনি এগুলো বাজারে নিয়ে বিক্রি করে আটা কিনে আনুন, যেন হযরত হাসান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত হোসাইন রদ্বিয়াল্লাহু



যে আমলে সম্পদ ও হায়াত বৃদ্ধি পায়


এক ব্যক্তির ঘরের পাশে ছিল একটি গাছ। সেই গাছে ছিল একটি পাখি। পাখিটি যখনই ডিম দিত তখনই লোকটি তা নিয়ে খেয়ে ফেলত। লোকটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে একদিন পাখিটি হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার কাছে নালিশ করল। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম লোকটিকে



কখন জাগবে জাতির যুবকেরা !


থার্টি ফার্স্ট নাইটে সুলতান সালাহুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কথা খুব মনে পড়েছিলো । তিনি বলেছিলেন, ‘যে জাতির যুবকেরা সজাগ হয়ে যায়, কোন শক্তি তাদেরকে পরাজিত করতে পারে না’। গত রাতের প্রেক্ষাপটে মনে হলো, যে জাতির সন্তানেরা জেগে ঘুমায় , তারা আদৌ



সেদিন কতদূর (?) যেদিন খ্রিষ্টানদের ভয়ে নিজ ঘরে কানে-কানে কথা বলবে মুসলমান !


ইতিহাসের পুণরাবৃত্তি, সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি যখন কার্ক অবরোধ করে রেখেছিলেন সে সময়ের কথা, সুলতানের কমান্ডোদের শাহদাত বরণের ঘটনা বেড়ে গেছে অনেক। আক্রমণকারী দলের সদস্য যদি থাকে ১০ জন, তো ফিরে আসে ৩/৪ জন।খ্রিষ্টানরা এমন ব্যবস্থা করেছে , যা



সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদের পিছনে কুরআন শরীফের অবদান অনিস্বীকার্য !


সবার জানা যে হিন্দুদের সতীদাহ প্রথা রহিত করেছে রাজা রামমোহন রায় কিন্তু যা অজানা, এই ভয়াবহ প্রথা উচ্ছেদের পিছনে মুসলমানদের কুরআন শরীফের অবদান, যা অস্বীকার্য। রাজা রামমোহনকে তার পিতা পাটনায় পাঠিয়েছিল , ফার্সীতে পান্ডিত্য অর্জনের জন্য । যদিও তখন ভারতবর্ষে ইংরেজদের



কেমন ছিলেন শের-ই-মহীশূর ?


পরদিন বিকাল ৪ টার কাছাকাছি সময়,    যখন সুলতানের লাশ কেল্লা থেকে বাইরে আনা হলো সেরিংগাপটমের (বর্তমান কর্ণাটক) নারী পুরুষ, শিশু , বৃদ্ধ, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে তাদের আশ্রয়স্থল থেকে বেরিয়ে জানাযায় শরীক হলো। মানুষের অন্তর থেকে ইংরেজদের ভয় চলে গেল ,