উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী, আল্লাহপাক উনাকে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ সমস্ত ইলম উনাকে হাদিয়া করেছেন।এটাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা। ইলমে গইব সংশ্লিষ্ট কতক ঘটনা দেওয়া হলো, বদরের যুদ্ধে আল্লাহ তাআলা যখন মুসলমানগণকে জয়যুক্ত করলেন



শাক দিয়ে মাছ ঢাকা না গেলেও, চেষ্টা কিন্তু ঠিক-ই অব্যাহত আছে !


ইতিহাস বিকৃতি নতুন কিছু নয়, বেধর্মীরা কিছু পারুক না পারুক মুসলানদের বীরত্বগাথাঁ ইতিহাস খুব ভালো বিকৃত করতে পারে , এর প্রমান মিলে অন-লাইন ইউটিউবে।   “যদি তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো তাহলে কাপড় পড়ার অধিকার পাবে”। হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহির এই



শাহী সংবর্ধনা


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ গ্রহনের সময় হযরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম উপস্থিত হলেন এবং আরয করতে লাগলেন, ইয়া রাসুলল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আজ আসমানসমূহে আপনার সংবর্ধনার প্রস্তুতি চলছে। আল্লাহপাক জাহান্নামের ফেরেশতা হযরত মালেক আলাইহিস সালামকে এ



হক্বানী পীরের নিকট বাইয়াত গ্রহন ফরয- ২


  বাইয়াত ও পীরের বিরোধীতা করতে গিয়ে আজকাল মানুষ আল্লাহপাকের ওলীদেরকে বুযূর্গ ব্যক্তি বলে। এ পর্যন্ত কোন কামেল বুজুর্গ ব্যাক্তি পাওয়া যাবেনা যিনি শায়েখ ছাড়া কামিলিয়াত অর্জন করেছেন অর্থ্যাৎ বুযূর্গ ব্যক্তিগণও ওলী আল্লাহ হওয়ার আগে প্রত্যেকেই অন্য কোন ওলী আল্লাহর নিকট



আটকে পড়া জাহাজ


জনৈক বক্তা তার বক্তব্যে বলেছে যে, ‘না’রায়ে রিসালাত-ইয়া রসূলাল্লাহ’ বলা কুফরী। তার কথায় এলাকাবাসী দ্বিধাদ্বন্ধে পড়েছে। ‘না’রায়ে রিসালাত-ইয়া রসূলাল্লাহ’ বলে ধ্বনি দেয়ার ব্যাপারে শরীয়তের কি হুকুম ? মূলতঃ ‘না’রায়ে রিসালাত , ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ বলে ধ্বনি দেয়ার উদ্দেশ্য



মুসলমানরা যখন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে, তখন তাদের উপর জালেম শাসক চাপিয়ে দেওয়া হবে


বাগদাদ দখলের পর হালাকু খাঁর মেয়ে বাগদাদ ঘুরতে বের হল। পথিমধ্যে সে দেখল একদল লোক একজন লোককে ঘিরে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হালাকু খাঁর কন্যা কৌতুহলী হয়ে লোকটি সম্পর্কে জানার জন্য লোক পাঠালো। খবর নিয়ে জানা গেল লোকটি একজন আলেম। অতঃপর



স্রষ্টার কোন সৃষ্টি অযথা, নিষ্প্রোয়জনীয়, উদ্দেশ্যবিহীন নয়!


হযরত মুসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি একদিন আল্লাহপাক উনাকে প্রশ্ন করলেন… “হে আল্লাহপাক! যদি ৪টি জিনিস হতো আর ৪টি জিনিস না হত তবে খুব ভাল হত, ১) যদি জীবন হত, মৃত্যু না হত । ২) যদি জান্নাত হত জাহান্নাম না হত।



পাথরের চেয়ে ভারী কি? আকাশের চেয়ে উচু কী?


একদিন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাহাবিদের জিজ্ঞেস করলেন, ১.পাথরের চেয়ে ভারী কি? ২.আকাশের চেয়ে উচু কী? ৩.আগুনের চেয়ে গরম কী? ৪.বরফের চেয়ে ঠান্ডা কী? হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ বললেন, এ সম্পর্কে আমরা জানি না, এ বিষয়ে



এক বেদুইনের ইসলাম গ্রহন!


এক বেদু্ঈন তার কাপড়ের আস্তিত্বের ভিতরে কিছু লুকিয়ে হুযুর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খেদমতে হাজির হলো এবং বললো, হে মুহাম্মদ! যদি আপনি বলতে পারেন যে আমার আস্তিনের ভিতর কি আছে, তাহলে আমি স্বীকার করবো যে আপনি সত্যিকার নবী। হুযুর পাক



কাফির ব্যতিত, সৃষ্টিকুলের সবাই জানেন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আল্লাহর রসূল


বনী নজারের বাগানে এক পাগলা উট কোথা হতে এসে আশ্রয় নিল। বাগানে কেউ গেলে, সেই উট তাকেই কামড় দেয়ার জন্য দৌড়ে আসতো। লোকেরা বড় সমস্যায় পড়ল এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খেদমত মুবারকে এসে সমস্ত ঘটনা আরয করলো।



শিয়ারা মুসলমান দাবী করলেও ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে তারা মুসলমান নয়!


কারবালার ময়দানে যখন হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম তিনি ইয়াযীদ বাহিনীকে অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে বুঝাতে চাইলেন যে,   জুলুম অত্যাচার থেকে বিরত থাকো, আমার রক্ত দ্বারা তোমাদের হাত রন্জিত করো না।আমি তোমাদের কোন ক্ষতি করিনি।আমি তো কূফাবাসীর আহবানে এসেছি। তারা যখন



সাপের ডিম


বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কোন এক জায়গায় যাচ্ছিলেন। ঘটনাক্রমে উনার পা একটি বিষাক্ত সাপের ডিমের উপর পড়ে। এতে ডিমটি ফেটে যায় এবং এর বিষ ক্রিয়ায় হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চোখ একেবারে ঘোলা