উসওয়াতুন হাসানাহ -blog


...


 


সুলতান সালাহুদ্দী আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কবরের পাশে সতেরো বছর কাটিয়েছে যে ব্যক্তি


সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনিতে সাইফুল্লাহ নামক এক ব্যক্তি পাওয়া যায়, যার সম্পর্কে বলা হয়- কেউ যদি সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আনুগত্য করে থাকে, সে হলো সাইফুল্লাহ। লোকটি সুলতানের ওফাতের পর সতেরো বছর জীবিত ছিলেন।



বুদ্ধিমতি বৃদ্ধা


এক মাওলানা এক বৃদ্ধাকে চরকায় সূতা কাটতে দেখে বললেন, বুড়ি! সাড়া জীবন কি শুধু চরকা ঘুরাতে রইলে, নাকি খোদাকেও জানার জন্য কিছু করলে? বৃদ্ধা উত্তর দিল, বেটা! এ চরকার মধ্যে আমি খোদাকে জানতে পেরেছি। মাওলানা সাহেব বললেন কি আশ্চর্য! তাহলে বলেন



বেধর্মী মহিলা নাজাতপ্রাপ্ত হওয়ার কারন!


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মক্কা শরীফ বিজয়ের পর মক্কা মুয়াজ্জমার এক বিধর্মী মহিলার ঘরের দেয়ালে ঠেস দিয়ে উনার কোন এক খাদিমের সাথে কথা বলছিলেন। সেই বিধর্মী মহিলা ঠেস দেওয়া দেখে , সে হিংসা ও বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে ঘরের



ইবলিশের পৌত্র


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জ্বীন , ইনসান সহ সকলের রাসূল। উনার দরবার জ্বীন ও ইনসান সকলের জন্য উম্মুক্ত ছিল। হযরত উমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্নিত, একদিন আমরা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে তাহামার



হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে কোন কিছুই গোপন নেই


তাবুকের যুদ্ধে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উষ্ট্রী হারিয়ে গিয়েছিল। এক মুনাফিক এক সাহাবীকে বললো, তোমাদের মুহাম্মদ তো নবী দাবী করে এবং তোমাদেরকে আসমানের কথা শুনায়। অথচ উনার উষ্ট্রীর হদিস উনার কাছে নেই। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



প্রতিটি ময়দানে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিজয়ের রহস্য!


হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তলোয়ার) হিসেবে খ্যাত ছিলেন। তিনি যে কোন যুদ্ধে যাবার সময় নিজ টুপি নিশ্চয়ই মাথায় রাখতেন এবং সব সময় জয়ী হয়ে ফিরতেন। কোন সময় পরাজয়ের মুখ দেখেন নি। একবার ইয়ারমুকের যুদ্ধে যখন যুদ্ধের



চুল মুবারকের কামালিয়াত !


  হুযুর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দু’টি চুল মুবারক হযরত ছিদ্দিকে আকবর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি পেয়ে ছিলেন। তিনি মুবারক চুল দু’টি তাবারুক হিসেবে ঘরে নিয়ে এলেন এবং যথাযথ সম্মানের সাথে যত্ন সহকারে ঘরের ভিতরে কোন এক জায়গায় রেখে দিলেন।



আফ্রিকার রাজা জার্জিসের কণ্যার ইসলাম গ্রহন!


হযরত উসমান যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনার শাসনকালে নীল ভূমধ্যসাগর তীরের ‘তারাবেলাস’ নগরী মুসলমানদের করতলগত হয়। কাফির রাজা জার্জিসের প্রধান নগরী ছিল এ এলাকা। সে সময় হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে সেনাপতি



সাহিত্য সম্রাট নামে খ্যাত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত মুসলিম বিদ্বেষী


মুসলমান হিন্দু সকলেই আজ একমত যে বঙ্কিমচন্দ্র হচ্ছে সাহিত্য সম্রাট, আমরাও তেমন পড়েছি। ইংরেজরা তাকে CIE(companion of the indian empire) উপাধিতে ভূষিত করেছে। তার অন্যান্য উপাধির মধ্যে ঋষিও একটি (মানে যে নিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক, বর্ণ-ধর্ম নির্বিশেষে পরোপকারী ইত্যাদি) । চলুন দেখি তার



‘ছেলে ঘুমালো পাড়া জুড়ালো , বর্গী এলো দেশে’ -কারা এই বর্গী?


শিবাজী নামক ভারতীয় জাতীয় বীরের নামের সাথে কম বেশি সবাই পরিচিত। শিবাজী কেবল মারাঠা জাতির গৌরব নয়, বরং ভারতীয়দের চোখে শ্রদ্ধীয় , তাই জাতীয় বীর।শিবাজীর সাধারণ ইতিহাসে মনে হয় সে আর্দশ বীর, বিরাট যোদ্ধা, সুকৌশলী এবং হযরত আড়ঙ্গজেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার



কেমন ছিলেন সম্রাট আড়ঙ্গজেবের কণ্যা জেবুন্নেসা ?


মহীয়সী মুসলিম নারীদের নিয়ে ইতিহাস সব সময়ই তামাশা করেছে। পৃথিবীর অনেক নারী যারা বিশেষ কারনে জীবনে বিয়ে করেননি, উনাদেরকে নিয়ে অনেকে উপন্যাস লিখেছে। আর উপন্যাসে চিরকুমারী মুসলিম নারীদের চরিত্রহীনা না লিখলেই নয়! এই আঘাত থেকে বাদ যায় নি হযরত আড়ঙ্গজেব(আলমগীর) রহমতুল্লাহি



অান্জুমানে মফিদুল ইসলাম আদৌ কি মানুষের লাশ দাফন করে ?


লোমহর্ষক একটি তথ্য, তথ্যটি মোটেই অনির্ভরশীল নয়। জরিপ মতে, আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম নামক স্বনামধন্য সংগঠনটি প্রতি বছর নিজ দ্বায়িতে বেওয়ারিশ লাশ দাফন করছে প্রায় ১৬০০০। এ দায়িত্ব পালন করতে প্রতিদিন সাহায্য করছে ঢাকা মেডিকেল ও স্যার সলিমুল্লাহ ডিগ্রী কলেজ হাসপাতালের ডোম