মুহম্মদ আকরাম হোসাইন -blog


...


 


শবে বরাত আপনি কেন ঢাকা রাজারবাগ দরবার শরীফে পালন করবেন?


সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত উনার রাত। সম্মানিত শবে বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নিশ্চয় আমি বরকতময় রজনীতে (শবে বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ



মধ্য শাবান বা শবে বরাতে দিনে রোজা রাখার বিশুদ্ধ হাদীছ শরীফ


عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، – رضى الله عنهما – أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُ أَوْ لآخَرَ ‏”‏ أَصُمْتَ مِنْ سَرَرِ شَعْبَانَ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ فَإِذَا أَفْطَرْتَ فَصُمْ يَوْمَيْنِ অর্থ :হযরত ইমরান ইবনু হুসায়ন রদ্বিয়াল্লাহু



ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হলেন সর্বসম্মতিক্রমে


পবিত্র ‘তাফসীরে তাবারী শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুবুওওয়াত প্রকাশের দশ বছর পূর্বে ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র



কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ ‘পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ অর্থাৎ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে


আমরা ছোটবেলায় দেখেছি অনেক উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে মুসলমানগণ উনাদের শ্রেষ্ঠ ঈদ, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো। স্কুল, কলেজে পবিত্র মীলাদ মাহফিলের জন্য বার্ষিক হাদিয়া নেয়া হতো এবং অনেক উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি পালন হতো। ইদানিং দেখি কেউ আর



মুবারক হো! সুমহান ১৪ই যিলক্বদ শরীফ; মুবারক হো! বিলাদতে শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম


ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক!! ঈদ মুবারক!!! ঈদে বিলাদতে শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম উপলক্ষে কুল-কায়িনাতবাসীকে জানাই ঈদ মুবারক। আজ সুমহান ১৪ই যিলক্বদ শরীফ। শাফিউল উমাম, কুতুবুল আলম, মাহিউল বিদয়াত, মুহইস সুন্নাহ, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ-উনার সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সুমহান



ভূমি কমিশন আইন: পার্বত্যাঞ্চল থেকে বাঙালী উচ্ছেদের হাতিয়ার


পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিরা নতুন করে তাদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার আন্দোলনে নেমেছে। নানা বিষয়ে ভিন্ন মত থাকলেও বাঙালিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে একত্রিত হয়ে আন্দোলনের যৌথ কর্মসূচিও দিয়েছে। ফলে যেকোন সময় পার্বত্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা



টয়লেট থাকলেও মাঠে ছুটছে ভারতীয়রা


স্বচ্ছ ভারত অভিযানের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। প্রত্যেক বাড়িতে শৌচাগার থাকতেই হবে এটাই এখন সরকারের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। তবে একটা কথা আছে না ‘আ মরি স্বভাব তো কখনো যাবে না’, এই মাঠে ঘাটে মলত্যাগের স্বভাবটাই কিছুতেই পরিবর্তন করা



হক্ব দল চেনার সহজ উপায়


হক্ব চেনা,হক্বের উপর ইস্তেকামত থাকা ও বাতিল ভণ্ডদের থেকে সাবধান থাকা সকলের জন্য ফরযে আইন বর্তমানে আমরা আখেরী যামানায় অবস্থান করছি, এই যামানাটা কঠিন ফেৎনার যুগ। এই যামানায় ঈমান ধরে রাখা এতো কঠিন হবে যে হাতের উপর আগুনের কুন্ড রাখার চেয়েও



মুসলমানদের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হচ্ছেঃ বেশি বেশি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করা এবং উনার


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথম সূরা মুবারক উনার নাম হচ্ছেন পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ। এই পবিত্র সূরা উনাকে বলা হয় ‘উম্মুল কুরআন’। নাযিল হওয়ার ধারাবাহিকতায় এ পবিত্র সূরা শরীফ পঞ্চম হলেও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথমে অবস্থান হয় এই পবিত্র সূরা’



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক-ই পবিত্র ঈমান উনার মূল


পবিত্র হাদীছ শরীফ হচ্ছেন- সমস্ত ইলিম উনার জামে’ বা সমষ্টি। কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সৃষ্টির শুধু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত ইলিম হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!!! আর উম্মুল হাদীছ



পিস টিভিতে যাকাত দেওয়া যাবে কি?


যাকাত প্রদানের খাত শরীয়তের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট। আল্লাহ তাআলা আট প্রকারের ব্যক্তিদের যাকাত দেয়ার কথা ইরশাদ মুবারক করেছেন ” যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায় কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদে হক এবং তা দাস-মুক্তির জন্যে-ঋণ গ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর



বিশ্বচোর মালউন ভারত


১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের