মুহম্মদ আকরাম হোসাইন -blog


...


 


আপনি কি জানেন হিন্দুদের পূজায় পরিপূর্ণ পহেলা বৈশাখ?


পহেলা বৈশাখ পালন হিন্দুদের পূজাসমূহঃ (১) হিন্দুদের ঘটপূজা! (২) হিন্দুদের গণেশ পূজা! (৩) হিন্দুদের সিদ্ধেশ্বরী পূজা! (৪) হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা! (৫) হিন্দুদের ঘোড়ামেলা! (৬) হিন্দুদের চড়ক বা নীল পূজা বা শিবের উপাসনা ও সংশ্লিষ্ট মেলা! (এজন্য বৈশাখী মেলায় চড়ক গাছ নামক



শিক্ষানীতি-২০১০ এর প্রতিবাদ লিপি


  বড় করে দেখতে এখানে ক্লিক করুন



পহেলা রজবুল হারাম শরীফ মহান দোয়া কবুলে রাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন। “বান্দাগন আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে আমার নিকট আরজু কর, অবশ্যই আমি তোমাদের সমস্ত দোয়াই কবুল করবো” সুবহানাল্লাহ। ১লা রজব দোয়া কবুলের রাত, এই রাতে বান্দা যে দোয়াই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট করবে, মহান



সমস্ত ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্টা করতে হবে


সমস্ত ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্টা করতে হবে



পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কিছু অপ্রিয় সত্য কথা


১) অনেকে দাবি করে, পহেলা বৈশাখের বাঙালী সংস্কৃতির অংশ। অথচ এটা সৃষ্টি করেছে মঙ্গলীয় বংশোদ্ভূত বাদশাহ আকবর, যার ভাষা ছিলো ফার্সী। ২) পহেলা বৈশাখ হাজার বছরের ঐতিহ্য নয়, এর সৃষ্টি মাত্র ৪২৯ বছর আগে। ৩) পহেলা বৈশাখ বা বছরের প্রথম দিন



সম্মানিত ইসলামের দৃষ্টিতে মিলাদ শরীফের গুরুত্ব


হযরত আবু দারদা (রাঃ) বর্ণনা করেন, “একদা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) হযরত আবু আমের আনসারী (রাঃ) এর গৃহে প্রবেশ করে দেখতে পেলেন যে, হযরত আবু আমের আনসারী (রাঃ) তাঁর নিজ সন্তানাদি সহ অন্যান্য আত্মীয় স্বজনকে একত্রিত করে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর মিলাদ শরীফ (জন্মবৃত্তান্ত)



ওলি-আওলিয়াগনের সোহবতে আসলে জান্নাত নিশ্চিত হয়


হাদিস শরীফে হযরত আবু ছাইদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- “ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরমান, তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে এক লোক ছিল। সে ৯৯ ব্যক্তিকে হত্যা করার পর জিজ্ঞাসা করলো, এ পৃথিবীতে সর্বাধিক জ্ঞানী ব্যক্তি কে?



মাহে রজবুল হারাম মাস উনার ফযীলত


“শাহরু আছম,, রজব মাস উনার একটি নাম হচ্ছে (বধির) কানে শুনে না।কিতাবে এসেছে প্রত্যেকটি মাস শেষ হলে আল্লাহপাক উনার নিকট পেশ করা হয় বান্দার ভাল মন্দ আমলের খবর নেওয়ার জন্য। আল্লাহপাক যখন জিজ্ঞেস করে হে রজব লোকেরা তোমাকে সম্মান করেছে? রজব



হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী শিক্ষানীতি মানিনা-মানবোনা


যে শিক্ষানীতি (২০১০) এর আলোকে প্রণীত হয়েছে হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস সেই শিক্ষানীতিটিই এখন ‘আইন’ হিসেবে জারি করে চিরস্থায়ী করার ব্যবস্থা করছে সরকারের অন্তরালে আরেক হিন্দুত্বাবাদী ছায়া সরকার। এজন্য সেই ষড়যন্ত্রমূলক শিক্ষানীতিটিই এখন ‘শিক্ষা আইন-২০১৬’ হিসেবে প্রণয়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রত্যেক



কামিল মুর্শিদের নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা ফরয




১লা মাহে রজবুল হারাম শরীফ দোয়া কবুলের রাত্রি


রজব মাসের প্রায় বিশটি নাম রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম একটি নাম হচ্ছে ‘আছব্ব’ অর্থাৎ প্রচন্ত উচ্ছ্বাস। কেননা, এ মাসে তওবাকারীদের প্রতি আল্লাহ্ পাক-এর প্রচুর রহমত নাযিল হয় এবং আরো নাযিল হয় ইবাদতগুজার বান্দাদের প্রতি কবুলিয়তের নূর, ফয়েয ও বরকত। তত্ত্ববিদগণের মতে, তিন



“পহেলা বৈশাখ নিষিদ্ধ”


আবার আসছে পহেলা বৈশাখ ঈমানের বারোটা বাজাতে, ইলিশ পান্তা আর লাল পাড়ে মুসলিমকে কাফের সাজাতে। মুসলমান কভু পারে না যেতে নাপাক কাফেরের পুজায়, কোনও কাফেরকেও পাবেনা কভু পবিত্র ঈদগাঁয়। “পহেলা বৈশাখ নিষিদ্ধ” বলো সব মুসলিম স্বমস্বরে, বেহায়াপনা-নোংরামি রুখো দেশ জুড়ে ও