al-adil -blog


...


 


‘মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়া’ প্রচলিত এ কথাটি শুদ্ধ নয় 


‘মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে’ প্রচলিত এ বক্তব্যটি অশুদ্ধ ও ভুল। যেমন মৃত্যু শয্যায় মুমূর্ষ কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে বলা হয়ে থাকে যে, ওমুক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এভাবে বলাটা আদৌ শুদ্ধ নয়। কেননা পাঞ্জা লড়ার বিষয়টি সাধারণত সমশক্তি সম্পন্নদের



সুমহান বরকতময় ও মহাপবিত্র ৫ই শা’বান শরীফ: ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত


পবিত্র ৫ই শা’বান শরীফ কুল-কায়িনাতের জন্য একটি সুমহান বরকতপূর্ণ দিন। যা সুমহান ঈদের দিনও বটে। কারণ এ দিনেই দুনিয়ার বুকে তাশরীফ মুবারক এনেছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, পবিত্র আহলে



খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবুল্লাহ, হুজ্জাতুল ইসলাম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ছহিবু সুলত্বানিন নাছীর, কুতুবুল আলম, গাউসূল আ’যম, জাব্বারিউল আউওয়াল,


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, قُلْ بِفَضْلِ اللَّـهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ: “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ



মঙ্গল ভ্রমণের চূড়ান্ত তালিকায় পাকিস্তানি নাগরিক


মঙ্গলগ্রহে ভ্রমণ করার জন্য ১,০০০ ব্যক্তির চূড়ান্ত তালিকায় একজন পাকিস্তানি নাগরিক ঠাঁই পেয়েছেন। দু’লাখ প্রার্থীর মধ্য থেকে ১,০০০ ব্যক্তির এ সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে। ৬০ বছর বয়সী রেজিনাল্ড ফোল্ডস নামের এ ব্যক্তি এক সময় পাকিস্তান বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার পাইলট ছিলো। ১৯৯২



মুসলমানদের পয়সার প্রতি লোভ না করে, রবীন্দ্র-আদর্শ পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অনুসরণ করতে রেজওয়ানা বন্যা’র প্রতি পরামর্শ


সম্প্রতি ২৩শে মার্চ (২০১৫) লন্ডনের এক অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি রবীন্দ্রসংগীত গায়িকা রেজওয়ানা বন্যা আহবান জানিয়েছে, যেন প্রবাসী বাঙালি মুসলমানরা তাদের অর্থ মাদরাসায় না প্রদান করে তার প্রতিষ্ঠান ‘সুরিধারা’য় দান করে দেয়। রেজওয়ানা বন্যা মুসলমানদের অর্থের প্রতি লোভ করছে কেন? সে



পাহাড়ে আদি বাসিন্দা বাঙালিরাই, ভিনদেশী সন্ত্রাসী উপজাতিরা নয়।


পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান লোকসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই বাঙালি এবং বাকি অর্ধেক বিভিন্ন মঙ্গোলীয় গোষ্ঠীভুক্ত উপজাতীয় শ্রেণীভুক্ত। পার্বত্য চট্টগ্রামের কুকি জাতি বহির্ভূত অন্য সকল উপজাতীয় গোষ্ঠীই এখানে তুলনামূলকভাবে নতুন বসতি স্থাপনকারী। এখানকার জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ম্রো, খ্যাং, পাংখো এবং কুকিরা মূল ‘কুকি’ উপজাতির ধারাভুক্ত।



বাঙালি মুসলমানরা কী জানে, তারা ৭১’এ কাদেরকে হারিয়েছিল?


মার্চ মাসকে বলা হয় স্বাধীনতার মাস। এই স্বাধীনতার মাসে যদি জিজ্ঞেস করা হয় যে, একাত্তরে এদেশের মানুষ কাদেরকে হারিয়েছিল, তা অনেকের কাছেই ধৃষ্টতাজনক হিসেবে সাব্যস্ত হবে। কিন্তু বাঘ যে কতো বিশাল ও ভয়ঙ্কর, সে সম্পর্কে ধারণা না থাকলে বাঘ শিকারের রোমাঞ্চই



ইয়াহুদী বংশদ্ভূত সউদী বাদশার নীরবতা তথা বোবা শয়তানের ভূমিকা পালন ও গোপনে উস্কানির কারণেই আজ পবিত্র ইসলাম ও মুসলিম


সমগ্র বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ উনাদের একমাত্র প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে পবিত্র মদীনা শরীফ ও পবিত্র মক্কা শরীফ তথা সউদী আরব। আর সউদী আরবের যিনি আমীর হবেন তিনিই হবেন গোটা মুসলিম বিশ্বের অভিভাবক। কোন মুসলমান ব্যক্তি বা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ যদি ইয়াহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিকদের দ্বারা



পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার তর্জ-তরীক্বা


সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম ওয়া ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তর্জ-তরীক্বা সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!



এর চেয়ে বড় অপরাধ আর কি হতে পারে?


আম মানুষকে যখন বলা হয়- কাফির-মুশরিক, নাস্তিক তথা সকল অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা, তাদের সাথে মেলামেশা করা মুসলমানদের ঈমান, আমল, আক্বীদার জন্য ক্ষতির কারণ; তারা আমাদের শত্রু। তখন খুব স্বাভাবিক একটি প্রশ্ন আসে সাধারণ মানুষদের থেকে। তারা বলে থাকে- তাদের অপরাধ



৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এ দেশের পাঠ্যবইয়ে কুফরী শিক্ষা কেন? সরকার কি এদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইসলামবিদ্বেষী ও কাফির বানাতে


আমাদের দেশের এনসিটিবি (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড) কর্তৃক প্রকাশিত ও ভারত থেকে মুদ্রণকৃত বইগুলোতে প্রকাশ্যে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে কটাক্ষ করে অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক কুফরী, শিরকীমূলক বক্তব্য ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। যা চরম পর্যায়ের দুঃসাহসিকতা। রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের এদেশের



মুখে মুখে সবাই হক্ব চায়। কাজে কর্মে চায় কয়জনে?


মুখে মুখে সবাই হক্ব চায়। কাজে কর্মে চায় কয়জনে? সত্যিই যদি আপনি হক্ব চান? তাহলে আজই বেপর্দা, ছবি, টিভি, সিনেমা, গানবাদ্য, হরতাল, লংমার্চ, ভোট, নির্বাচন, তন্ত্র-মন্ত্র, সুদ, ঘুষ, যিনা, ব্যভিচার, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মিথ্যাচার ইত্যাদিসহ সর্বপ্রকার হারাম কাজ থেকে বিরত থাকুন।