মানুষ -blog


...


 


আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ২৭শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত বিনতু যিন


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমাকে মুহব্বত করার কারণে।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র



বিশিষ্ট মুহাদ্দিছ হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ অনুষ্ঠান পালন করার বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ


পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অস্বীকারকারীরা বলে থাকে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কি এই অনুষ্ঠান পালন করা বিষয়ে কোনো হাদীছ শরীফ এনেছেন? আর জন্মদিন পালন করা খিস্টানদের কালচার। আপনারা কেন তা পালন করেন? নাউযুবিল্লাহ! মজার কথা



সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবমাননাকারীদের প্রতি বিখ্যাত কয়েকজন খলীফা


আমীরে শো’বাহ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ফায়ছালা: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জানতে পারলেন যে, বনু হানিফার এক মসজিদে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রিসালাত মুবারক অস্বীকারকারী ও



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তরতীব


সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম ওয়া ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তরতীব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই দ্বীনি ইলম অর্জন


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয।” সুবহানাল্লাহ! ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ



আজ ঐতিহাসিক তাৎপর্যমন্ডিত আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ ঐতিহাসিক তাৎপর্যমন্ডিত আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদুনা



নতুন বছর শুরু হোক তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে নিষ্পাপ হয়ে হালাল ও সন্তুষ্টিপূর্ণ পবিত্র শতভাগ সুন্নতী জীবনে পদার্পণের মাধ্যমে


আমরা বিগত বছরে কতটুকু নেক আমল করতে পেরেছি? কতটুকু সুন্নত মুবারক আমল করতে পেরেছি? কতটুকু গুনাহ মাফ করাতে পেরেছি? কতটুকু ঈমানদার-মুসলমান হতে পেরেছি? কতটুকু ইখলাছ হাছিল করেছি? কতটুকু তাক্বওয়া হাছিল, মুহব্বত-মারিফত হাছিল করতে পেরেছি? এটা গভীরভাবে চিন্তা ও ফিকির করতে হবে।



পানি পান করা পবিত্র সুন্নত মুবারক; যা নিয়মিত ও পরিমিত পানে ৮০% রোগমুক্তিসহ অনেক উপকারীতার কারণ


পানি পান করাও পবিত্র সুন্নত মুবারক। যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে। তবে পানি পান করার সুন্নতী তরতীব জেনে নেয়া একান্ত আবশ্যক। পানি পান করার সুন্নতী তরতীব হলো:- * কাঠের পেয়ালাতে পানি পান করা। * ডান হাতে পানি পান



মহল্লায় মহল্লায় পূজামন্ডপ হয়, কিন্তু কুরবানীর হাট মহল্লায় মহল্লায় হতে বাধা!!


বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রতিবারই পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায়, মোড়ে-মোড়ে পূজামন্ডপ বসাতে দেখা যায়। সংখ্যালঘুরা পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায় পূজামন্ডপ বসাতে পারে তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমানদের সুবিধার্থে কেন প্রতিটি এলাকায় কুরবানীর হাট বসানো হবে না? মুসলমানদের জন্য প্রতিটি এলাকা, পাড়া-মহল্লা সবখানইে কুরবানীর হাট বসাতে



অনলাইনে-অফলাইনে কুরবানী নিয়ে মনগড়া, শরীয়তবিরোধী কথা প্রচার করা হচ্ছে কথিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরবানী করার বিষয়টি মূর্খতাসূচক, যা কাট্টা কুফরী


অসুখ-বিসুখের মিথ্যা অজুহাতে পরিকল্পিতভাবে ইসলামবিরোধী কার্যক্রম চলছে! অনলাইনে-অফলাইনে কুরবানী নিয়ে মনগড়া, শরীয়তবিরোধী কথা প্রচার করা হচ্ছে কথিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুরবানী করার বিষয়টি মূর্খতাসূচক, যা কাট্টা কুফরী সম্প্রতি কিছু চরম গুমরাহ ও জাহিলরা “মহামারীকালে কীভাবে কুরবানী করবেন” -এ কথা বলে বিভ্রান্তিকর ও



শিক্ষানীতির পরিবর্তন ছাড়া মুসলমানদের অধিকার কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক



পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ দিনটিও ‘আইয়্যামিল্লাহ’ উনার অন্তর্ভুক্ত অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


ايام الله (আইয়্যামিল্লাহ) অর্থ মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُم بِأَيَّامِ اللَّـهِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ অর্থ: “তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহের