মানুষ -blog


...


 


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে জানা এবং স্বীয় আল-আওলাদ, পরিবার-পরিজন,


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ عَـلِـىِّ بْنِ اَبِـىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَدِّبُوْا اَوْلَادَكُمْ عَلـٰى ثَلَاثِ خِصَالٍ حُبِّ نَـبِـيِّكُـمْ وَحُبِّ اَهْلِ بَيْتِهٖ وَقِرَاءَةِ الْقُرْاٰنِ. অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ



সারাবিশ্বে যারা একই দিনে পবিত্র রোযা-ঈদসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করার কথা বলে- তাদের কথা সম্পূর্ণ ভুল; ভূগোলের সামান্যতম জ্ঞানও


সারাবিশ্বে যারা একদিনে রোযা রাখা এবং একদিনে ঈদ করার কথা বলে থাকে, সামান্যতম ভৌগোলিক জ্ঞানও তাদের নেই। কেননা, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের পার্থক্য হচ্ছে ১২ ঘণ্টা। পৃথিবীর এক প্রান্তে যখন দিন, তখন অন্য প্রান্তে রাত। কাজেই সেখানে তখন



পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধে তীব্র প্রতিবাদ করতে হবে


পবিত্র কুরবানী হলো মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হওয়ার বড় এক মাধ্যম। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম ও কিছু ইসলাম বিদ্বেষী দুষ্টচক্র কুরবানী নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করে। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট থেকে মুসলমানদেরকে দূরে রাখতে চায় এবং ঈমানহীন করতে চায়। তারা মানুষকে



সহজে কবুল হওয়ার জন্য পবিত্র কুরবানীর একটি নাম অবশ্যই


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারকে দেয়া আবশ্যক পবিত্র কুরবানী একটি ওয়াজিব ইবাদত। প্রত্যেক ছহিবে নিছাবের উপর পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার রক্ত-গোশত



আয় আল্লাহ পাক! আপনি তাদের ধ্বংস করে দিন


আয় আল্লাহ পাক, যে সকল ইহুদী বশংবদ ওহাবী-সালাফী, ধর্মব্যবসায়ী মালানা, উলামায়ে সূ’রা নূর নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে, উনার পবিত্র রওযা শরীফ নিয়ে, উনার সংশ্লিষ্ট পবিত্র বিষয় নিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, চক্রান্ত করছে,



খনিজ সম্পদের ইজারা বিদেশী বিজাতীয় মুনাফাখোরদের নিকট দেয়ার প্রতিবাদ জানাই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অবারিত রহমতের ধনভা-ার বিরাজ করছে আমাদের এই সোনার বাংলায়। বিশেষ করে খনিজ সম্পদের মজুদ এখানে ব্যাপক। এসব খনিজ সম্পদগুলো যথাযথ পদ্ধতিতে উত্তোলন করে দেশের জনসাধারণের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানী করা যায়। সরকারি-বেসরকারি অনেক



ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলোই সম্ভ্রমহরণসহ তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের প্রধান কারণ


সংস্কৃতি একটি দেশ ও জাতির পরিচয় বহন করে। ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত আমাদের বাংলাদেশ সারা বিশ্বের বুকে ইসলামী দেশ হিসেবে তারকার মতো জ্বাজল্যমান। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয় যে, এমন একটি মুসলিম দেশে (জাতিগতভাবে মুসলমানদের দ্বিতীয় প্রধান শত্রু) বিধর্মীদের অপসংস্কৃতিতে ছেয়ে গেছে।



সম্প্রতি ক্রাইস্টচার্চে ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্প্রতি ক্রাইস্টচার্চে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে


মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে আসতে চায়, তবে তাদের ‘টাইম-নলেজ-মানি’ এই তিনটি বিষয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। যতদিন এগুলো অমুসলিমদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ততদিন মুসলমানরা কিছুই করতে পারবে না, তাদেরকে অমুসলিমদের নিয়ন্ত্রণ স্বীকার করে নিতে হবে। যদি মুসলমানরা চায়, ফের



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘য়াহ্ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নসবনামাহ মুবারক


উম্মুল মু’মিনীন উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘য়াহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পিতা হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত জাহ্শ আলাইহিস সালাম। তিনি ছিলেন বনূ আসাদ গোত্রের। তিনি উনার মহাসম্মানিত পিতা আলাইহিস সালাম উনার দিক থেকে ১০ম পুরুষ হয়ে ১১তম পুরুষে যেয়ে



আহ! কত ভয়ানক শাস্তির স্থান জাহান্নাম! 


বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যখন সম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার রাতে ভ্রমন করানো হলো তখন উনার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জাহান্নামের



স্কুল-কলেজের বর্তমান শিক্ষাপদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ‘মুসলিম’ পরিচয়ে আঘাত করছে 


প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অমুসলিম শিক্ষকদের গড় হার ৫৮ ভাগেরও বেশি। কোনো কোনো বিদ্যালয়ের ৮৫ ভাগ শিক্ষকই বিধর্মী। অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের ইসলাম শিক্ষা বই পড়ায় বিধর্মী শিক্ষক। একটি শিশু কোমল মন নিয়ে যখন শিক্ষালাভ শুরু করে, তখন তার শিক্ষকের বা



যামানার মুজাদ্দিদ তথা মুজাদ্দিদ যামান উনাকে চেনা ও জানা ফরয 


  মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি যুগে যুগে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠিয়েছেন। হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শুরু হয়েছে ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরামগণ এবং ওলীআল্লাহগণ অর্থাৎ মুজাদ্দিদগণ উনাদের যুগ। ধারাবাহিকভাবে মহান আল্লাহ পাক প্রত্যেক