মানুষ -blog


...


 


পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বিরোধীরা কিতাব থেকে দলীল মুছে ফেলছে!!


হাফিজে হাদীছ হযরত আবু নুয়াইম আসবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘দালায়েলুন নবুওওয়াত’ কিতাব থেকে “নিয়ামত” শব্দ বাদ দিয়ে ভয়ানক তাহরীফ করলো ওহাবীরা। মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে বিষয়টা গোড়া থেকে আবার আলোচনা করা প্রয়োজন। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক



যারা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহান শান মুবারক উনার খিলাফ কথা লিখেছে, বলেছে, লিখবে,


যারা ফেইসবুক, ব্লগ, পত্র-পত্রিকা বা কিতাবাদির মাধ্যমে সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহান শান মুবারক উনার খিলাফ কথা লিখেছে, বলেছে, লিখবে, বলবে এবং এদেরকে যারা সমর্থন ও সহযোগিতা করেছে ও করবে তারাও



কোনো মুসলমান কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারে না


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনাতে ইরশাদ মুবারক করেন- إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ অর্থ : “নিশ্চয় মু’মিনগণ উনারা সকলেই ভাই ভাই।” (পবিত্র সূরা হুজুরাত : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০) আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



নববর্ষ উপলক্ষে ভালো খাওয়া ও ভালো পরা বিদয়াত ও কুফরী; পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনেই ভালো খাওয়া ও ভালো


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে নওরোজ বা যে কোন নববর্ষ পালন করা হারাম ও বিদয়াত।” কাজেই, নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেজি হোক, আরবী হোক ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা; যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব। উল্লেখ্য,



মুসলমানদের বিয়ে-শাদীতে দেনমোহর ‘মোহরে যাহরায়ী’ হওয়া উচিত


মুসলমানদের বিয়েতে দেনমোহর ধার্য করা ফরয। বিয়ের পর সেই দেনমোহর পরিশোধ করে দেয়াও ফরয। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়ম অনুযায়ী এটা একজন স্ত্রীর হক্ব। কিন্তু এখন দেখা যায়- মুসলমানের বিয়েতে দেনমোহর কার থেকে কে বেশি ধার্য করবে- এটার প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে



বিধর্মীরা যতটুকু সভ্যতা পেয়েছে তা মুসলিম শাসনামলে, বর্বরোচিত সতীদাহ প্রথাও বন্ধ করেছিলেন মুসলিম শাসকগণ


একথা সবারই জানা রয়েছে, একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে জানা এবং স্বীয় আল-আওলাদ, পরিবার-পরিজন,


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ عَـلِـىِّ بْنِ اَبِـىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَدِّبُوْا اَوْلَادَكُمْ عَلـٰى ثَلَاثِ خِصَالٍ حُبِّ نَـبِـيِّكُـمْ وَحُبِّ اَهْلِ بَيْتِهٖ وَقِرَاءَةِ الْقُرْاٰنِ. অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ



সারাবিশ্বে যারা একই দিনে পবিত্র রোযা-ঈদসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করার কথা বলে- তাদের কথা সম্পূর্ণ ভুল; ভূগোলের সামান্যতম জ্ঞানও


সারাবিশ্বে যারা একদিনে রোযা রাখা এবং একদিনে ঈদ করার কথা বলে থাকে, সামান্যতম ভৌগোলিক জ্ঞানও তাদের নেই। কেননা, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের পার্থক্য হচ্ছে ১২ ঘণ্টা। পৃথিবীর এক প্রান্তে যখন দিন, তখন অন্য প্রান্তে রাত। কাজেই সেখানে তখন



পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধে তীব্র প্রতিবাদ করতে হবে


পবিত্র কুরবানী হলো মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হওয়ার বড় এক মাধ্যম। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম ও কিছু ইসলাম বিদ্বেষী দুষ্টচক্র কুরবানী নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করে। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট থেকে মুসলমানদেরকে দূরে রাখতে চায় এবং ঈমানহীন করতে চায়। তারা মানুষকে



সহজে কবুল হওয়ার জন্য পবিত্র কুরবানীর একটি নাম অবশ্যই


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারকে দেয়া আবশ্যক পবিত্র কুরবানী একটি ওয়াজিব ইবাদত। প্রত্যেক ছহিবে নিছাবের উপর পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পবিত্র কুরবানী উনার রক্ত-গোশত



আয় আল্লাহ পাক! আপনি তাদের ধ্বংস করে দিন


আয় আল্লাহ পাক, যে সকল ইহুদী বশংবদ ওহাবী-সালাফী, ধর্মব্যবসায়ী মালানা, উলামায়ে সূ’রা নূর নবীজি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে, উনার পবিত্র রওযা শরীফ নিয়ে, উনার সংশ্লিষ্ট পবিত্র বিষয় নিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে, চক্রান্ত করছে,



খনিজ সম্পদের ইজারা বিদেশী বিজাতীয় মুনাফাখোরদের নিকট দেয়ার প্রতিবাদ জানাই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অবারিত রহমতের ধনভা-ার বিরাজ করছে আমাদের এই সোনার বাংলায়। বিশেষ করে খনিজ সম্পদের মজুদ এখানে ব্যাপক। এসব খনিজ সম্পদগুলো যথাযথ পদ্ধতিতে উত্তোলন করে দেশের জনসাধারণের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানী করা যায়। সরকারি-বেসরকারি অনেক