balakot_5 -blog


...


 


পানির জন্য ভারতের দরকার নেই, নদী ড্রেজিংয়েই পর্যাপ্ত পানির যোগান দেয়া সম্ভব


বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে ভারত কৃত্রিম বাঁধ সৃষ্টি করে আমাদের নদীগুলো বালুচরে পরিণত করছে। এর ফলে আমাদের ফসল-ফলাদী ব্যাপকভাবে খরায় আক্রান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আসলে পানির জন্য ভারতের দ্বারস্থ হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের নদীগুলো ১০০-১৫০ হাত গভীর করা



ইবনু রসূলিল্লাহ, আশবাহুল খলক্বি বিরসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, আল মুবাশ্শির, আল আবাররু, আল আজওয়াদ সাইয়্যিদুনা হযরত ছালিছ আলাইহিস


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক: ইবনু রসূলিল্লাহ, আশবাহুল খলক্বি বিরসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছে, তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, মহাসম্মানিত আবনা’ (ছেলে) আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!



কার টাকা কার জন্য খরচ হচ্ছে?


এদেশের ৯৮ ভাগ জনগণ মুসলমান। এদেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরে মুসলমানদের টাকায়। এদেশের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে মুসলমানদের শ্রমের ঘাম মিশে আছে। অথচ আফসুস! আজ মুসলমানদের এই টাকাগুলোই খরচ হচ্ছে অমুসলিম, বিধর্মীদের জন্য, তাদের ধর্ম পালনের জন্য। নাউযুবিল্লাহ! প্রতিবছর পূজাম-পে কোটি কোটি টাকা



আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বায়তুল মালের জাররা পরিমাণও নিজ আত্মীয়দের জন্য খরচ


মহান ব্যক্তিত্ব পৃথিবী বারবার পায় না, যখন পায় তখন এ ধরণী উদ্বেলিত হয়; আলোড়িত হয় মানুষের অন্তর, রঙিন হয় উনাদের আলোকে সমস্ত হতভাগ্য মানুষের জীবনধারা। সময়ের প্রান্তে-সীমান্তে পৃথিবী খুঁজে ফেরে সেসব সোনালি মানুষকে। যেগুলো এখন মহা আশ্চর্যজনক ইতিহাস। তেমনি একদল মানুষ



ভারতীয় লুটেরা আরদালী (সৈন্য) বাহিনীর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লুটপাটের ইতিহাস


১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের



কলকাতাভিত্তিক ইসলামবিদ্বেষী প্রকাশনা শিল্প, পত্র-পত্রিকা ও মিডিয়াকে ফরমালিন দিয়ে তাজা রেখেছে কিন্তু এদেশের মুসলমানরাই!


“একবার নীরদ চৌধুরী তথাকথিত বাংলাদেশ লেখার কারণে ‘দেশ’ পত্রিকা এখানে বন্ধ হয়ে যায়। এতে সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পাক্ষিকে পরিণত হয়। এখন যদি ‘দেশ’ আমরা বাংলাদেশে ঢুকতে না দেই, তবে তা মাসিক হবে।” সাহিত্যিক আহমদ ছফা তার একটি সাক্ষাৎকারে কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘দেশ’



‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা সে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে এ মুবারক দিনটি ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে পালন করে আসছেন। পবিত্র কালামুল্লাহ



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে খুশি প্রকাশ না করা।


বাংলাদেশে দেখা গেছে- রবি ঠাকুরকে নিয়ে নানা ধরনের অনুষ্ঠান করতে, এর মধ্যে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানও হয়েছে। শুধু ঠাকুর নয়, বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক তাদের নিয়েও বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। লক্ষ্য করা গেছে, জীবিত অনেক লেখক, সাংবাদিক, চিত্রকর তাদের জন্মদিন, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ, গ্রন্থ



গলায় ছবিযুক্ত আইডি কার্ড ঝুলিয়ে নামায পড়ার ব্যাপারে সাবধান


পড়াশোনা থেকে শুরু করে চাকরি, ব্যবসা প্রতিটি ক্ষেত্রেই আইডি কার্ড এখন এক অপরিহার্য বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এখনকার আইডি কার্ডের প্রধান বিষয় হলো ছবি। ছবি উঠানো হারাম কিন্তু অন্য কোনো উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই তুলতে হচ্ছে এ ছবি। তবে লক্ষ্য



বিনা কারণে কিছুই ঘটে না এই ধরায়


মহান আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব মালিক রব উনার প্রিয় বান্দা ওলীআল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা ভক্তগণের পানির উপর ফু মুবারক দিয়া থাকেন। ভক্তবৃন্দ সেই পানি পান করে রোগ-ব্যাধি থেকে উপশম পেয়ে থাকে। সুবহানাল্লাহ! কেউ এই বিষয়টি অলৌকিক কিছু মনে করে। কেউ এর



যে ইসলামী অনুশাসনের সুফলে বাংলাদেশ এইডসমুক্ত বলে গৌরব করতো; আজ তা হারানো বিষয়।


সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সব সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি



সুখী হতে চান, চাহিদার ঘোড়ায় লাগাম দিন


যত পাই তত চাই, এটা মনুষ্য স্বভাব। মানুষ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণীর এমন স্বভাব নেই। এই স্বভাবের কারণে মানুষ পৃথিবীতে সুখী হতে পারছে না। তার পাওয়া চাওয়া থেকে দূরেই থেকে যাচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে হতাশা আর এই হতাশা জন্ম দিচ্ছে বিশ্বময় অশান্তি।