বায়েজিদ -blog


...


 


মহাপবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার বেমেছাল খুছুছিয়ত: মহিলাদের জন্য বিশেষ তা’লীম মুবারক এবং শতভাগ পর্দার ব্যবস্থাসহ বালিকা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা


মহিলাগণের তা’লীম দেয়ার সুন্নত জারি হয়েছে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ও হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের কাছ থেকে। পরবর্তীতে অনেক মহিলা ছাহাবী রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনারাও তা’লীম দেয়ার সুন্নত জারি রেখেছেন। ইতিহাসে ঘাটলে অনেক আল্লাহওয়ালীগণ উনাদের নাম



পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার যে কোন বিষয়ে কার ফতওয়া সঠিক ও গ্রহন করা ফরয ও কার ফতওয়া গ্রহন করা


পবিত্র ক্বুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার আলোকে দুই জনের ফতওয়ার সাথে বিপরীত বা পরস্পর বিরোধী হলে, তাদের দুই জনের বাহ্যিক আমলকে যাঁচাই করা ও তল্লাশী করা ফরয। তা হলো:- ১। প্রথমেই তাদের দুই জনের, কে ফাসিক ও কে মুত্তাক্বী এটা



পুরুষদের ন্যায় মহিলাদেরও দ্বীনী তা’লীম গ্রহণ করা ফরযে আইনের অন্তর্ভুক্ত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম অর্জন করা ফরয।” বর্তমানে দেখা যায়, দেশে-বিদেশে পুরুষরা বাইয়াত গ্রহণ করে, যিকির-ফিকির করে আমল করে। কিন্তু মেয়েদেরকে কিতাবাদি পড়তে বা যিকির-ফিকির করতে খুব একটা দেখা যায় না। বরং



লাইলাতিন নিছফি মিন শা’বান তথা পবিত্র শবে বরাত উনার দলীল ভিত্তিক পর্যালোচনা


১৪ই শা’বান দিবাগত রাতটি হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত বা বরাতের রাত্র। কিন্তু অনেকে বলে থাকে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ এর কোথাও শবে বরাত বলে কোনো শব্দ নেই। শবে বরাত বিরোধীদের এরূপ জিহালতপূর্ণ বক্তব্যের জবাবে বলতে হয় যে, শবে বরাত শব্দ



স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক


বনী মুছত্বলিক্বের জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ মিথ্যা অপবাদ রটনা করে মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলূল (যার মূল নাম:



প্রসঙ্গ: মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম


  নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন আখিরী নবী ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। উনার আনুষ্ঠানিক সম্মানিত নুবুওওয়াতী ও সম্মানিত রিসালাতী শান মুবারক প্রকাশের পর অতীতের সম্মানিত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি ওহী মুবারক



সখী বা দানশীল হওয়া পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্যতম শিক্ষা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সখী বা দানশীল ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু যদিও সে ব্যক্তি ফাসিক হয়। আর বখীল বা কৃপণ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু যদিও সে ব্যক্তি আবেদ হয়।” (লুগাতুল হাদীছ) হযরত নবী



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক মজলিস হচ্ছে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তা’লীমী মজলিসের হাক্বীক্বী


যিকির-ফিকির, রিয়াযত-মাশাক্কাত করে কখনো মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা যাওজাহ হওয়া সম্ভব নয়। এই বিষয়টি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কর্তৃক মনোনীত।



সবজি উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু পর্যাপ্ত হিমাগারের অভাবে সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। সরকারের উচিত খাদ্য সঙ্কট নিরসনে সারা


আমাদের দেশে প্রতি বছর বিশেষ করে শীত মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি উৎপাদন হয় যা দেশের প্রয়োজনের অধিক। কিন্তু কৃষকরা পর্যাপ্ত হিমাগারের অভাবে খাদ্য-দ্রব্য সংরক্ষণ করতে পারছেন না। উদাহরণস্বরূপ ২০১৪ সালে বগুড়াতে প্রতি কেজি ১ টমেটো টাকা দামে বিক্রি হয়। সিলেটে আলো



সম্মানিত কারবালা শরীফ উনার নির্জন প্রান্তরে সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া


৬১ হিজরী সনের ১০ মুহররমুল হারাম শরীফ তারিখে সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত পরিবার মুবারকসহ সম্মানিত কারবালা শরীফ উনার নির্জন প্রান্তরে সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! মূলত,



আপনি যখন নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করবেন, তখন আপনাকে কিছু বিষয় ভাবতেই হবে


হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন আপনি নিজেকে একজন মুসলমান বলে দাবি করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে- আপনি কেন সৃষ্টি হলেন? আপনাকে কেন সৃষ্টি করা হলো? আপনার নিজের প্রতি কি দায়িত্ব? আপনার স্বজাতির প্রতি আপনার কি দায়িত্ব? আপনাকে আরো



বছর বছর ধরেই চলছে ভারতে মুসলিম নিধনের দাঙ্গা


কয়েকদিন পরপরই হিন্দু সন্ত্রাসীরা তুচ্ছ অজুহাত তুলে মুসলমানদের নির্মমভাবে শহীদ করে! ভারতে মুসলমান নিধনকারী দাঙ্গা শুধু আজকে নয়, বহু পূর্ব থেকেই হিন্দুরা জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। ১৯৬১-এর অক্টোবরে আলিগড় মুসলিম নিধনে দাঙ্গা। ১৯৬২-তে মধ্য-প্রদেশের জাবালপুরে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা। ১৯৬৪-তে মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্দিতে