পরশমণি -blog


...


পরশমণি
 


বিজাতী-বিধর্মীদের পূজা-পার্বণের সময় এদের মানবতা কোথায় থাকে?


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগই হচ্ছে মুসলমান। এ কারণে এদেশের সংবিধানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতি সবমিলে রয়েছে মাত্র ২ ভাগ। ওদের যে কোনো কল্পিত ধর্মীয় উৎসবের সময় দেখা যায় সরকার স্বয়ং



পবিত্র আশূরা শরীফ উনার হাক্বীক্বী ফযীলত জানতে হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে আসুন


কতই না উত্তম একটা ফযীলতের দিন আমাদের সামনে তাশরীফ আনছেন; যে দিনটির উপমা ওই দিনই। আর তা হচ্ছে- পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ; যা আশূরা শরীফ নামে খ্যাত। জগদ্বিখ্যাত মুহাদ্দিছ হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি



আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল মহানুভবতা


সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র খিলাফতকাল। তখন ইরানের একটি প্রদেশের শাসক ছিলেন হযরত হরমুজান রহমতুল্লাহি আলাইহি (তিনি তখনো পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেননি)। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে হযরত হরমুজান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিকে যেমন অত্যাচারী, অপরদিকে ঘোর ইসলাম বিরোধী



‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা


একটি মহল কয়েক বছর যাবৎ অপপ্রচার করছে, পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়। নাউযুবিল্লাহ! তারা যানজট এড়াতে হাটগুলোকে ঢাকার বাইরে নিয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! প্রকৃতপক্ষে ‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। কারণ সারা বছর তো গরুর



অনুসরণীয় চার মাযহাব উনাদের ফতওয়া মুতাবিক সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ



সুমহান ১৪ই যিলক্বদ শরীফ: পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قل لا اسئلكم عليه اجرا الا الـمودة فى القربى অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতদেরকে বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান বা



সর্বপ্রকার নেক কাজে তিনিই ছিলেন অগ্রগামী


আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান-ছদকা করার জন্য নির্দেশ করলেন। সে সময় আমার পর্যাপ্ত সম্পদ ছিলো। তখন আমি ভাবলাম, হাদিয়ার



পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও হযরত আউলিয়ায় কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ উনাদের আলোকে পবিত্র ছলাত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا



উচ্চ শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে কাট্টা নাস্তিকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা। এখনো কি এই কুফরী শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের সময় হলো না।


অনার্স প্রথমবর্ষের রশিদুল ইসলাম শেখ ও মাহবুবুর রহমানের লেখা ‘লোক প্রশাসন ও বাংলাদেশ’ বইয়ের ১৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়, “মাওসেতুং-এর যোগ্য নেতৃত্বের গুণে দুর্দশা পীড়িত চীন আজ মহাচীনে পরিণত হয়েছে।” এই লজ্জা আমরা কোথায় রাখি! এই নাস্তিক মাওসেতুং লংমার্চ করে উইঘুরিস্থানের



আধুনিক তুরস্কের কথিত প্রতিষ্ঠাতা কাট্টা কাফির ও নাস্তিক কামাল পাশা লা’নতুল্লাহি আলাইহি ছিলো ইহুদীদের গোলাম


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের শত্রু হিসেবে প্রথমত পাবে ইহুদীদের। অতঃপর মুশরিকদের।” অভিশপ্ত জাতি ইহুদীরা ক্বিয়ামত পর্যন্ত ছলেবলে কৌশলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি সাধন করার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে



পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদু ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু


একমাত্র খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা দায়িমীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ অর্থ: “নিশ্চয় খালিক্ব মালিক



মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক, বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্রবর্তিত দিবসসমূহ পালন করা হারাম। যে পালন করবে, সে মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে


সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি “আইয়্যামুল্লাহ” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত দিবসসমূহ পালন করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। বিপরতী পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বিজাতিদের প্রবর্তিত ও পালিত দিবসসমূহ পালন করতে নিষেধ