পরশমণি -blog


...


 


যারা পর্দা বা বোরকার বিরুদ্ধে বলবে, তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে মুসলমান থাকবে না; বরং মুরতাদ, গুমরাহ ও


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে পর্দা বা বোরকা ফরয করেছেন। পর্দা বা বোরকা মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাদের সম্মান এবং



নেট বা জালি টুপি সুন্নত নয়; বরং বিদয়াত। তাই এ টুপি পরিহার করা আবশ্যক


চার টুকরা বিশিষ্ট সুতি কাপড়ের সাদা গোল টুপি পরা খাছ সুন্নত। ছিদ্রওয়ালা (নেটের) টুপি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জীবনে কখনো পরিধান করেননি। অতএব, তা সুন্নত উনার খিলাফ। সাথে সাথে স্পষ্ট বিদয়াতের অন্তর্ভুক্ত। আজকাল অনেক নামধারী



আল্লাহওয়ালা হওয়ার মধ্যেই রয়েছে সমস্ত ফযীলত ও বুযুর্গী


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ইতায়াত বা অনুসরণ কর, উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ কর এবং যাঁরা



হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের সম্মানিত বিলায়েত মুবারক হচ্ছে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার স্থলবর্তী সম্মানিত নিয়ামত


‘আওলিয়া’ শব্দটি ‘ওলী’ শব্দের বহুবচন। আরবী উচ্চারণ اَوْلِيَاءُ (আউলিয়াউ) শব্দটি হচ্ছে বহুবচন আর একবচন হচ্ছে وَلِـىٌّ (ওয়ালিয়্যুন) শব্দটি। অর্থ : বন্ধু, অভিভাবক, সাহায্যকারী, মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত বা প্রিয় বান্দা। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে وَلِـىٌّ



সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ও পবিত্র মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ সর্বত্র জারী করার গুরুত্ব ও ফযীলত


পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার লুগাতী বা আভিধানিক অর্থ বিলাদত (জন্ম) শরীফ উনার সময়। আর ইছতিলাহী বা ব্যবহারিক অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি



যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ তারা কস্মিনকালেও মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না। যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ



নববর্ষসহ সকল অপসংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকগুলোই চরম ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক


বাংলাদেশে প্রথম পহেলা বৈশাখ পালিত হয় ‘ছায়ানটের’ মাধ্যমে। ১৯৬৪ সনে খুবই সল্প পরিসরে, যার মূলে ছিল কিছু রবীন্দ্রপ্রেমী ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক। ওয়াহিদুল হক, সানজীদা হোসেন, শামসুন্নাহার রহমান, সুফিয়া কামাল এদের অন্যতম। (সূত্র- মুনতাসীর মামুন, ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী ২য় খন্ড) উল্লেখ্য, সুফিয়া



সম্মানিত ইছমিদ সুরমা মুবারক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হাশর শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَمَا اَتَاكُمُ الرَّسُوْلُ فَخُذُوْهُ وَمَا نَـهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوْا অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্য যা নিয়ে



অস্ত্রের পরিবর্তে ঢোল-তবলা, সশস্ত্রবাহিনীর এ কোন হাল!


প্রবাদ আছে, যার কাজ তাকেই সাজে। কামারের কাছে থাকবে লোহা-লক্কর, হাতুড়ি। মুচির কাছে সুই, সুতা, চামড়া। কসাইয়ের কাছে ছুরি, চাপাতি, ঘাটিয়া। কুলির কাছে টুকরি আর বিড়া। অঙ্কনকারীর কাছে রং, তুলি (ব্রাশ)। সর্বোপরি সশস্ত্র বাহিনীর নিকট থাকবে সর্বাধুনিক অস্ত্র, গোলা-বারুদ, ট্যাংক কামান



হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে ইলমে তাছাউফ শিক্ষা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করোনা, সে হচ্ছে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” আর নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বিরোধীরাই সন্ত্রাসবাদের সমর্থক; এদের ধরিয়ে দিন, গ্রেফতার করুন


মুসলমানদের মধ্যে বাতিল বাহাত্তর ফিরক্বা তথা ওহাবী, ছালাফি, তাবলীগী, দেওবন্দী, মওদুদীবাদী জামাতী ইত্যাদি ভ্রান্ত মতবাদের অনুসারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপনের বিরোধিতা করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! বাংলাদেশসহ বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের সাথে এসব ভ্রান্ত মতবাদের অনুসারীদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। যেমন- বিশ্ব



ইতিহাস থেকে শিক্ষা: কোন পথে যাচ্ছে বাংলাদেশের মুসলমানরা?


মুসলমানরা যখন স্পেন শাসন করেছিল, তখন স্পেন ছিল ইউরোপের সর্বোচ্চ শক্তিশালী এবং ধনী দেশ। পৃথিবীর বুকে এমন কারো সাহস ছিল না যে, স্পেন আক্রমণ করে। এর মূল কারণ স্পেনের মুসলমানগণ ছিলেন অত্যন্ত আল্লাহ্ ভিরু, পবিত্র সুন্নত মুবারক অনুসরণকারী এবং পবিত্র ঈদে