পরশমণি -blog


...


পরশমণি
 


উচ্চ শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে কাট্টা নাস্তিকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা। এখনো কি এই কুফরী শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের সময় হলো না।


অনার্স প্রথমবর্ষের রশিদুল ইসলাম শেখ ও মাহবুবুর রহমানের লেখা ‘লোক প্রশাসন ও বাংলাদেশ’ বইয়ের ১৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়, “মাওসেতুং-এর যোগ্য নেতৃত্বের গুণে দুর্দশা পীড়িত চীন আজ মহাচীনে পরিণত হয়েছে।” এই লজ্জা আমরা কোথায় রাখি! এই নাস্তিক মাওসেতুং লংমার্চ করে উইঘুরিস্থানের



আধুনিক তুরস্কের কথিত প্রতিষ্ঠাতা কাট্টা কাফির ও নাস্তিক কামাল পাশা লা’নতুল্লাহি আলাইহি ছিলো ইহুদীদের গোলাম


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের শত্রু হিসেবে প্রথমত পাবে ইহুদীদের। অতঃপর মুশরিকদের।” অভিশপ্ত জাতি ইহুদীরা ক্বিয়ামত পর্যন্ত ছলেবলে কৌশলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি সাধন করার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে



পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদু ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু


একমাত্র খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা দায়িমীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ অর্থ: “নিশ্চয় খালিক্ব মালিক



মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক, বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্রবর্তিত দিবসসমূহ পালন করা হারাম। যে পালন করবে, সে মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে


সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি “আইয়্যামুল্লাহ” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত দিবসসমূহ পালন করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। বিপরতী পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বিজাতিদের প্রবর্তিত ও পালিত দিবসসমূহ পালন করতে নিষেধ



পবিত্র কুরবানী উনার চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার দ্বারা পরিচালিত ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’ মাদরাসা


মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উনার তাজদীদপূর্ণ বয়ানে বলেন, “বর্তমানে অধিকাংশ মাদ্রাসাগুলোই হচ্ছে জামাতী, ওহাবী, খারিজী মতাদর্শের তথা সন্ত্রাসী তৈরির কেন্দ্র। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে গণতান্ত্রিক



মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষণ অমূল্য সম্পদ


মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষণ মানুষের অমূল্য সম্পদ। এই অমূল্য সম্পদ লোকেরা কত নিকৃষ্টভাবে অবহেলা করে থাকে। খেলা-ধুলা, ক্রিড়া-কৌতুক, হাসি তামাশা ইত্যাদিতে। যে ক্ষণটি চলে গেল তা আর ফিরে পাবার নয়। জীবন থেকে যে



ভারতের বন্দনা বাদ দিয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম উনার ক্বওল শরীফ নির্দ্বিধায় মেনে নেয়া সরকারের জন্য ফরযে আইন


ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এই দেশে মুসলমানগণেরই ভোটে নির্বাচিত মহাজোট সরকারের এত হিন্দুপ্রীতি কেন? তারা তো হিন্দুদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতার মসনদে আরোহণ করেনি। নাকি সরকার মনে করছে- তাদের ভারতমাতা তাদেরকে ক্ষমতার মসনদে বসিয়েছে। বর্তমান সরকারকে মনে রাখতে হবে- ক্ষমতার দাম্ভিকতায় আস্ফালন



কুরবানী নিয়ে সরকারের নতুন নিয়ম চাপিয়ে দেয়া সংবিধান পরিপন্থী এবং আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তবে সরকারও হবে


  সরকারের একটি মহল অনেকটা জোর করেই কুরবানী সংক্রান্ত কিছু কালাকানুন জনগণের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। বলা হচ্ছে- এবার কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা গতবারের তুলনায় কমানো হবে, কিছু হাট রাজধানীর বাইরে স্থানান্তর করা হবে। আরো বলা হচ্ছে, যার যার স্বাধীন মতো কুরবানী



মোবাইলের ব্যাটারীর চার্জ ধরে রাখার ১০ টি কৌশল


স্মার্টফোনগুলো যেন একেকটি পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার। এমনকি সাধারণ কম্পিউটারের চেয়েও বাড়তি কিছু পাওয়া যায় স্মার্টফোনে। কিন্তু সব ব্যবহারকারীরই প্রায় এক অভিযোগ, ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না। আগের জমানার মোবাইল ফোনগুলোর তুলনায় স্মার্টফোনে কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি বলে ব্যাটারিও বেশি ব্যবহূত হচ্ছে।



শরীরে ওষুধ প্রয়োগ


আমাদের শরীরে নানাভাবে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। মুখে খাওয়ার ওষুধ আর চোখে দেওয়ার ওষুধ একই রকমভাবে শরীরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়বে না; কিংবা নাকের ওষুধ ও ফুসফুসে সরাসরি প্রয়োগ করা ওষুধ একইভাবে তৈরি হয় না। তা ছাড়া ত্বকে লাগানোর ওষুধ কিংবা জিহ্বার



খেজুরের ৫৩টি উপকারিতা


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রিয় ফল ছিল খেজুর। তিনি প্রতিদিন সকালে ৭টি খেজুর খেয়ে নাস্তা করতেন। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রমযানের রোযায় সকল মুমিন মুসলমানদেরকে খেজুর ও পানি দিয়ে



‘দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌম রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করতে হবে’ গণতান্ত্রিক শাসকদের ক্ষেত্রে এ নছীহত অকার্যকর


নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এম ফরিদ হাবিব এনডিসি, পিএসসি নৌবাহিনীর প্রতি এই বলে নছীহত করেছেন যে, ‘দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতে হবে।’ চলতি ২০১৩ সালের ১৩ জুন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর খুলনাস্থ বানৌজা তিতুমীর প্রশিক্ষণ ঘাঁটিতে কুচকাওয়াজ পরিদর্শনে প্রধান