পরশমণি -blog


...


পরশমণি
 


হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে ইলমে তাছাউফ শিক্ষা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করোনা, সে হচ্ছে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” আর নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বিরোধীরাই সন্ত্রাসবাদের সমর্থক; এদের ধরিয়ে দিন, গ্রেফতার করুন


মুসলমানদের মধ্যে বাতিল বাহাত্তর ফিরক্বা তথা ওহাবী, ছালাফি, তাবলীগী, দেওবন্দী, মওদুদীবাদী জামাতী ইত্যাদি ভ্রান্ত মতবাদের অনুসারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপনের বিরোধিতা করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! বাংলাদেশসহ বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের সাথে এসব ভ্রান্ত মতবাদের অনুসারীদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও সূর্যের আলোর মতোই পরিষ্কার। যেমন- বিশ্ব



ইতিহাস থেকে শিক্ষা: কোন পথে যাচ্ছে বাংলাদেশের মুসলমানরা?


মুসলমানরা যখন স্পেন শাসন করেছিল, তখন স্পেন ছিল ইউরোপের সর্বোচ্চ শক্তিশালী এবং ধনী দেশ। পৃথিবীর বুকে এমন কারো সাহস ছিল না যে, স্পেন আক্রমণ করে। এর মূল কারণ স্পেনের মুসলমানগণ ছিলেন অত্যন্ত আল্লাহ্ ভিরু, পবিত্র সুন্নত মুবারক অনুসরণকারী এবং পবিত্র ঈদে



বিজাতী-বিধর্মীদের পূজা-পার্বণের সময় এদের মানবতা কোথায় থাকে?


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগই হচ্ছে মুসলমান। এ কারণে এদেশের সংবিধানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতি সবমিলে রয়েছে মাত্র ২ ভাগ। ওদের যে কোনো কল্পিত ধর্মীয় উৎসবের সময় দেখা যায় সরকার স্বয়ং



পবিত্র আশূরা শরীফ উনার হাক্বীক্বী ফযীলত জানতে হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে আসুন


কতই না উত্তম একটা ফযীলতের দিন আমাদের সামনে তাশরীফ আনছেন; যে দিনটির উপমা ওই দিনই। আর তা হচ্ছে- পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ; যা আশূরা শরীফ নামে খ্যাত। জগদ্বিখ্যাত মুহাদ্দিছ হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি



আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল মহানুভবতা


সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র খিলাফতকাল। তখন ইরানের একটি প্রদেশের শাসক ছিলেন হযরত হরমুজান রহমতুল্লাহি আলাইহি (তিনি তখনো পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেননি)। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে হযরত হরমুজান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিকে যেমন অত্যাচারী, অপরদিকে ঘোর ইসলাম বিরোধী



‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা


একটি মহল কয়েক বছর যাবৎ অপপ্রচার করছে, পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়। নাউযুবিল্লাহ! তারা যানজট এড়াতে হাটগুলোকে ঢাকার বাইরে নিয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! প্রকৃতপক্ষে ‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। কারণ সারা বছর তো গরুর



অনুসরণীয় চার মাযহাব উনাদের ফতওয়া মুতাবিক সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ



সুমহান ১৪ই যিলক্বদ শরীফ: পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قل لا اسئلكم عليه اجرا الا الـمودة فى القربى অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতদেরকে বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান বা



সর্বপ্রকার নেক কাজে তিনিই ছিলেন অগ্রগামী


আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান-ছদকা করার জন্য নির্দেশ করলেন। সে সময় আমার পর্যাপ্ত সম্পদ ছিলো। তখন আমি ভাবলাম, হাদিয়ার



পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও হযরত আউলিয়ায় কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ উনাদের আলোকে পবিত্র ছলাত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا



উচ্চ শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে কাট্টা নাস্তিকের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা। এখনো কি এই কুফরী শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের সময় হলো না।


অনার্স প্রথমবর্ষের রশিদুল ইসলাম শেখ ও মাহবুবুর রহমানের লেখা ‘লোক প্রশাসন ও বাংলাদেশ’ বইয়ের ১৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়, “মাওসেতুং-এর যোগ্য নেতৃত্বের গুণে দুর্দশা পীড়িত চীন আজ মহাচীনে পরিণত হয়েছে।” এই লজ্জা আমরা কোথায় রাখি! এই নাস্তিক মাওসেতুং লংমার্চ করে উইঘুরিস্থানের