ছিদরাতুল মুনতাহা -blog


...


 


আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৪শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ রাত ও দিনগুলো তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৪শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন



সকল মহিলাদের উচিত হযরত আম্মাজী ক্বিবলা উনার ছোহবত ইখতিয়ারের মাধ্যমে হাক্বীক্বী দ্বীনি ইলম অর্জন করা।


প্রতিদিন ফিতনা-ফাসাদের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় হলো বেপর্দা নারী। কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মী বিজাতিদের মধ্যে যেমন নারীরা চরম অবহেলিত উপেক্ষিত, লাঞ্ছিত-বঞ্চিত, ঠিক তদ্রƒপ মুসলিমা নারীরাও তাদের সমাজের কাছে জাতির কাছে অপমানিত, লাঞ্ছিত, উপেক্ষিত হচ্ছে। এমন কোনো দিন নাই, যেই দিনটিতে শত শত



৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশের মুসলিম সরকার হিসেবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের জন্য সরকারের কোন উদ্যোগ আছে কি?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফদ্বল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’



দেশের মানুষ মুসলমান! সরকারী আমলারা মুসলমান!! কিন্তু কুফরী শিক্ষানীতি এখনও বহাল!!!


৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ এই আমাদের বাংলাদেশ। এদেশের ৯৮ ভাগ জনগণ চায় মুসলমান হিসেবে থাকতে। কিন্তু মুসলমান সরকার এবং সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিলো- “পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না।” যদি তাই হয়ে



উম্মুহাতুল মুমিনীন উনা‌দের সম্প‌র্কে জ্ঞান অর্জন করা সমস্ত মুসলমান‌দের জন্য ফরয ওয়া‌জিব


আমা‌দের প্রিয় নবী‌জি উনার সম্মা‌নিতা আজওয়াজুন মুতাহহারাতুন তথা সম্মা‌নিতা জীবন সঙ্গী‌নি উনারা হ‌লেন উম্মুহাতুল মু‌মিনীন তথা সমস্ত কা‌য়িনা‌তের মাতা। উনারা সমস্ত কা‌য়িনাতবাসীর জন্য উসওয়াতুন হাসনাহ তথা আর্দশ মুবারক। অথচ উনা‌দের সম্প‌র্কে কয়জন মুসলমান বা জা‌নে? উনা‌দের‌কে মহান আল্লাহপাক কত সম্মা‌নিত ক‌রে‌ছেন



পবিত্র না’ত শরীফ


  ইলাহী স্বয়ং ইরশাদ ফরমান, আপনারই জন্য কায়িনাত আলীশান আপনারই শান প্রকাশ করতে হয়েছি আমি স্বয়ং জাহির মুহব্বতে আপনার সৃষ্টি সবি দো’জাহানে যা সদা হাজির। আপনারই কারণে সৃষ্টি আসমান সৃষ্টি আরশ-কুরসী, লৌহ-কলম আপনারই কারণে জান্নাত-জাহান্নাম আপনিই সরকারে দো’আলম। ইলাহী পাক স্বয়ং



‌যিলহজ্জ মা‌সের প্রথম দশ‌দি‌নের ইবাদত অ‌শেষ ফযিলত লা‌ভের মহান উপলক্ষ।


‌যিলহজ্জ মা‌সের প্রথম দশ‌দি‌নের ইবাদত অ‌শেষ ফযিলত লা‌ভের মহান উপলক্ষ। ‌যিলহজ্জ শরীফ উনার প্রথম দশ‌দিন হ‌লো বান্দাবা‌ন্দির জন্য অ‌শেষ নিয়ামত তথা অজস্র রহমত, বরকত, সা‌কিনা লা‌ভের মহান এক উপলক্ষ। বান্দাবা‌ন্দি অনায়‌সে এ প‌বিত্র রাত‌সমুহকে যথাযথ মুল্যায়‌নের মাধ্য‌মে হা‌ছিল কর‌তে পার‌বে অসংখ্যা



পহেলা মে: ইহুদী-নাছারাদের একটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা তোমাদের রব উনার হুকুম বা আদেশের প্রতি দৃঢ় থাকো। কোনো অবস্থাতেই গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না।’ ‘পহেলা মে’ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে এই ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।



কথিত মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস আদৌ শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করেনি বা করতে পারেনি এবং পারবেও না


পবিত্র দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে একমাত্র মনোনীত দ্বীন। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কখনো বিজাতীয় নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বার কোনোরূপ স্থান নেই। বিধায় মুসলমানগণ কখনো বিজাতীয় রীতিনীতি, তর্জ-তরীক্বায় ১লা মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস পালনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ



নারীজাতিরা আজ সমঅধিকারের নামে যে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে, সাইয়িদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র জানিয়ে দিচ্ছেন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা যদি নিয়ামত উনার শুকরিয়া কর তাহলে নিয়ামত উনাকে বৃদ্ধি করে দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ! আর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য অন্যতম মহান নিয়ামত হলেন



হাক্বীকি পর্দা করা ফরয, অথচ এসম্পর্কে মুসলিম জাতি বড়ই বেখবর।


অ‌নেক ম‌হিলা এমন আ‌ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প‌ড়ে রোযা রা‌খে এমন কি অ‌নেক নফল ইবাদত ক‌রে থা‌কে, কিন্তু পর্দা‌কে কোন গুরুত্ব ও দেয়না।এর ম‌ধ্যে অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়েনা অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়ে ও বোরকা না পড়ার সমান। কারন এই বোরকা‌তে তা‌দের ব‌ডির আকৃ‌তি



যেসব মুছল্লী দাঁড়িয়ে নামায পড়তে অক্ষম তারা কিভাবে নামায আদায় করবে? বসে বা দাঁড়িয়ে কোনভাবেই নামায পড়তে না পারলে


: অক্ষম ও অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে তা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহর কিতাবসমূহের মধ্যে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت عمران بن حصين رضى الله تعالى عنه قال كانت بى