chader alo -blog


...


 


পহেলা মে: ইহুদী-নাছারাদের একটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা তোমাদের রব উনার হুকুম বা আদেশের প্রতি দৃঢ় থাকো। কোনো অবস্থাতেই গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না।’ ‘পহেলা মে’ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে এই ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।



কথিত মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস আদৌ শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করেনি বা করতে পারেনি এবং পারবেও না


পবিত্র দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে একমাত্র মনোনীত দ্বীন। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কখনো বিজাতীয় নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বার কোনোরূপ স্থান নেই। বিধায় মুসলমানগণ কখনো বিজাতীয় রীতিনীতি, তর্জ-তরীক্বায় ১লা মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস পালনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ



নারীজাতিরা আজ সমঅধিকারের নামে যে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে, সাইয়িদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র জানিয়ে দিচ্ছেন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা যদি নিয়ামত উনার শুকরিয়া কর তাহলে নিয়ামত উনাকে বৃদ্ধি করে দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ! আর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য অন্যতম মহান নিয়ামত হলেন



হাক্বীকি পর্দা করা ফরয, অথচ এসম্পর্কে মুসলিম জাতি বড়ই বেখবর।


অ‌নেক ম‌হিলা এমন আ‌ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প‌ড়ে রোযা রা‌খে এমন কি অ‌নেক নফল ইবাদত ক‌রে থা‌কে, কিন্তু পর্দা‌কে কোন গুরুত্ব ও দেয়না।এর ম‌ধ্যে অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়েনা অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়ে ও বোরকা না পড়ার সমান। কারন এই বোরকা‌তে তা‌দের ব‌ডির আকৃ‌তি



যেসব মুছল্লী দাঁড়িয়ে নামায পড়তে অক্ষম তারা কিভাবে নামায আদায় করবে? বসে বা দাঁড়িয়ে কোনভাবেই নামায পড়তে না পারলে


: অক্ষম ও অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে তা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহর কিতাবসমূহের মধ্যে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت عمران بن حصين رضى الله تعالى عنه قال كانت بى



যে ঘরে প্রানীর ছবি থাকে সেখানে নামাজ হবেনাঃ-


  হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-   ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺍﻧﻪ ﻛﺮﻩ ﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻓﻲ ﺍﻟﻜﻨﻴﺴﺔ ﺍﺫﺍ ﻛﺎﻥ ﻓﻴﺤﻬﺎ ﺗﺼﺎﻭﻳﺮ   অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু যে ঘরে প্রনীর ছবি থাকতো, সে ঘরে নামাজ পড়া মাকরুহ



সরকার সার্কুলার জারী করেছে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলশোভাযাত্রার নামে হিন্দুদের পূজার অনুষ্ঠান করতে, নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ!


৯৮ভাগমুসলমা‌নের এই দেশের সরকার সাহস পেল কি করে সরকার সার্কুলার জারী করেছে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলশোভাযাত্রার নামে হিন্দুদের পূজার অনুষ্ঠান করতে, নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! মুসলমানরা কি সবাই সরকা‌রের ম‌তো হিন্দু হ‌য়ে‌ গে‌ছে? হিন্দু‌দের খু‌শি‌তে সরকার খু‌শি। হিন্দুদের কা‌ছে সরকা‌রের বি‌বেক



মঙ্গল শোভাযাত্রাকে সার্বজনীন করার সুযোগ নেই: অধ্যাপক মাহবুব


সরকার শিক্ষা সিলেবাসে নাস্তিক্যবাদী চিন্তা চেতনার বাস্তবায়ন করতে না পেরে নাস্তিক্যাবাদীদের সন্তুষ্ট করতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রাসহ পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস যেমন এদেশের ইসলামপ্রিয় মুসলমান মেনে নেয় নি, তেমন মঙ্গলশোভা যাত্রার নির্দেশও তারা মানবে না। গতকাল আওয়ার



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ হলো মহান আল্লাহ পাক উনার মাসঃ


খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি এবং কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ঘোষণাকৃত চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস উনাদের মধ্যে একটি হলো পবিত্র



সমস্ত মুসলিমা নারীদের জন্য উম্মুল উমাম আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার মোবারক ছোহবত ইখতিয়ার করা অত্যবাশ্যক।


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য লাভ করার জন্য উসীলা তালাশ কর। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৫) এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায়



মহান আল্লাহ পাক উনার যারা ওলী উনাদের বিরোধিতাকারীরা মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত নয়


‘ওলীআল্লাহ’ অর্থ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু, অভিভাবক, প্রতিনিধি। যিনি প্রকৃত ওলীআল্লাহ তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী চলে থাকেন। সম্মানিত শরীয়ত ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাদের পরিপূর্ণ পাবন্দ। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত ও প্রিয়



সম্মানিত দ্বীন ইসলামই নারী জাতিকে দিয়েছেন একমাত্র সম্মান ও মর্যাদা


নারী ঘটিত বিভিন্ন ফিতনায় জর্জরিত ৯৮ ভাগ মুসলমানদের এই দেশ, প্রতিনিয়ত নারীটিজিং হতে শুরু করে এসিড নিক্ষেপ, সম্ভ্রমহরণ, এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে এই দেশের নারীদেরকে। কিন্তু কেন? এই বিষয়টি কি জানা আছে? মূলত তাহলো- পবিত্র দ্বীন ইসলাম যেভাবে নারীদের সম্মান