চেরাগ -blog


...


 


১লা বৈশাখ ও অমঙ্গল যাত্রাকে ‘হালাল’ মনে করা কাট্টা কুফরী


দেশ-গ্রামে শুনা যায়- ছেলে-মেয়েরা আমগাছের দিকে গেলেই বলা হয়, পরব বা পর্ব না গেলে কাঁচা আম খাওয়া যাবে না। অর্থাৎ ১লা বৈশাখকে পর্ব বা উৎসব বলা হয়ে থাকে। বলে থাকে, ১লা বৈশাখের পূর্বে কাঁচা আম খেলে পেট থেকে রক্ত যাবে, এটা



বন্য পশু তথা বন্য গরু-মহিষের দ্বারা কুরবানী দেয়া নাজায়িয


বন্য পশু গরু হোক, মহিষ হোক তা দ্বারা কুরবানী করলে কুরবানী আদায় হবেনা। কারণ কুরবানী উনার জন্য গৃহপালিত পশু হওয়া শর্ত। উল্লেখ্য, পশুর নছব বা পরিচিতি হলো মায়ের দ্বারা। অর্থাৎ পশু গৃহপালিত বা জংলী তা চেনার জন্য সহজ পন্থা হলো- যে



বাংলাদেশের ন্যাশনাল এনথেম হিসাবে রবীন্দ্র ঠগের বন্দনা গীত সাংঘর্ষিক এবং বেমানান


বাংলাদেশ শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ এবং এদেশের শাসকরা পরিচয়ে মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও বহু-ঈশ্বরবাদী হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস-সঞ্জাত একটা সঙ্গীত কি করে ন্যাশনাল এনথেম হিসাবে স্বীকৃত হতে পারে- এটাই একটা আশ্চর্যের বিষয়। শুধু তাই নয়, উক্ত সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা .



মুসলিম দেশসমূহের উচিত জিএমটি কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল পরিহার করে “পবিত্র কা’বা শরীফ” কেন্দ্রিক সময় অঞ্চল চালু করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা অর্থ্যাৎ মুসলমানরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না”। ১৩০ বছর ধরে জিএমটি অর্থ্যাৎ “গ্রীনিচ মিন টাইম” কে ভিত্তি করে সারা বিশ্বে সময়ের হিসাব হয়ে আসছে। অথচ বর্তমানে তা ত্রুটিপূর্ণ হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে। ১৮৮৪



অশ্লীল বিলবোর্ড প্রসঙ্গে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি মু’মিন পুরুষদের বলে দিন তারা যেন তাদের চক্ষু অবনত রাখে। আরো ইরশাদ মুবারক করেন, মু’মিনা নারীদের বলে দিন তারাও যেন তাদের চক্ষু



উলামায়ে ‘সূ’ রাই টেলিভিশনে হজ্জ অনুষ্ঠান করে থাকে!!!


দেশের প্রায় জাতীয় দৈনিকে একটি বিজ্ঞাপন দেখে আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। বিজ্ঞাপনটি হচ্ছে- বৈশাখী টেলিভিশনের হজ্জ পালনের সঠিক নিয়ম জানার একটি অনুষ্ঠান প্রচারের সংবাদ। ফিক্বাহর কিতাবে রয়েছে, পাক-পবিত্র হওয়ার স্থান গোসলখানায় পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা মাকরূহ, অথচ গোসলখানা হচ্ছে



বিদেশে নারী কর্মী নয়; পুরুষ শ্রমিক পাঠান।


হায়রে দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ; শিক্ষিত/অর্ধ শিক্ষিত, অশিক্ষিত দক্ষ-অদক্ষ মিলিয়ে হাজার-হাজার, লক্ষলক্ষ বেকার পরিশ্রমী যুব সমাজ রয়েছে এই দেশে, যাদের কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা নেইসরকারী-বেসরকারী কোন প্রতিষ্ঠানে , আশ্চর্য হলেও সত্য  সেদেশের পদার্নশীল গৃহবধূ ও শিক্ষিত/অশিক্ষিত নারীদের বিদেশে পাঠিয়ে অর্থ উপার্জনের এক অনৈতিক



ইসলাম ও মুসলমানদের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে ভারতীয় মুসলমানদের ঈমানদীপ্ত শপথ আজ কোথায়?


পাঠক! আপনারা জানেন, ‘ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশীদের মিটিয়ে দিবে’ এই বক্তব্য দানকারী ভারতের সন্ত্রাসী পার্টি বিজেপির বিশ্ব সন্ত্রাসী নেতা লালকৃষ্ণ (লালকুত্তা) আদভানী ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ থেকে মাত্র দেড়শ মিটার দূরে রামকথা কুঞ্জে তার সন্ত্রাসী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে



হারাম খেলাধুলার প্রচার প্রসারে প্রধান দাগী আসামি হলো ওলামায়ে ‘সূ’ ধর্মব্যবসায়ীরা


‘দ্বীন ইসলামে সমস্ত প্রকার খেলাধুলাই হারাম।’ হাদীছ শরীফ-এর এই সুস্পষ্ট বাণীটি মুসলমানদের নিকট যে বা যাদের পৌঁছে দেয়ার কথা ছিলো সেই কথিত আলিম নামের জালেম সমাজ আজ কতটা বিভ্রান্ত, যালিম, কতটা উদ্ভ্রান্ত তা তাদের খেলাধুলার প্রতি, বিশেষ করে ক্রিকেট-ফুটবলের প্রতি অকৃত্রিম



তন্ত্র-মন্ত্রের ধোঁকায় আজ ধর্মব্যবসায়ী মাওলানারা হাবুডুবু খাচ্ছে ॥ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে তন্ত্র-মন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বেরিয়ে আসতে হবে


  স্বাধীনতা পরবর্তী এ যাবৎকাল কুফরী গণতান্ত্রিক রাজনীতির যে ধারা গণমানুষ দেখে আসছে সরকারদলীয় লোকদের সীমালঙ্ঘন, বেলাজ দৌরাত্ম্য ও দাপট, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আত্মসাৎ, হত্যা, জেল, যুলুম-নিপীড়ন, সন্ত্রাস-দুর্নীতিপরায়ণতা, দায়িত্ব পালনে গাফলতি ও অবহেলা, ওয়াদা করে ওয়াদা ভঙ্গ করা- এসব কর্মকা-ের কারণে



অত্যাচার নির্যাতন যুলুমের বদলা যালিমকে ভোগ করার সাথে সাথে সমর্থনকারীদেরকেও ভোগ করতে হবে; একটুও ছাড় দেয়া হবে না


পৃথিবীর এক প্রান্তে যদি কোনো গুনাহ বা অপরাধ সংগঠিত হয় আর পৃথিবীর অপর প্রান্ত হতে কেউ যদি তা সর্মথন করে বা বলে ভালো হয়েছে, তবে সর্মথনকারী অপরাধস্থলে উপস্থিত না থাকার পরও শুধুমাত্র সমর্থন করার কারণে সমান গুনাহে গুনাহগার হবে। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে



গুটিকয়েক চারুকলার ছাত্র নামধারী নববর্ষ পালনের নামে এদেশের ৯৭% মুসলমানদের মাঝে কুফরী শিরকীর বীজ বপন করতে পারে না


দৈনিক আল ইহসান শরীফ-এ গত ২২ এপ্রিল প্রকাশিত; “মুশরিকী উৎসব নববর্ষ পালনের রেওয়াজ মুসলমান ঈমানদারদের মাঝে বিরাজ করতে পারে না” শীর্ষক একটি মতামতে লিখা হয়েছিলো, আধুনিক নবর্বষ তথা পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে গিয়ে শরীয়ত বিরোধী সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট-র্কতৃক পহেলা বৈশাখের সূর্যোদয়ের