মাসউদুর রহমান -blog


...


 


আজ সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ।


সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ। যা কুল-কায়িনাতের সকল রাত ও দিনের চেয়েও লক্ষ-কোটিগুণ বেশি মর্যদাসম্পন্ন ও ফযীলতপূর্ণ রাত ও দিন মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ



বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনসীকে অভিবাদন


“ভারতের মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে”- এই কথাটা আওয়ামী সরকারের কেউ এখন পর্যন্ত ভারতে গিয়ে বলতে পারেনি। টিপু মুনসী সম্ভবত প্রথম। ২৪শে অক্টোবর, ২০১৯ তারিখে ভারতের যুগশঙ্ঘ পত্রিকায়, “বাংলাদেশে হিন্দুরা সুরক্ষিত, ভারতে মুসলিমরা নন! বিস্ফোরক হাসিনার মন্ত্রী” শিরোনামে খরব ছাপা হয়। খবরে প্রকাশ,



১১ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার আরবিয়ায়িল আখির বা শেষ বুধবারের সঠিক তারিখ প্রসঙ্গে


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ আমাদের কাছে অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ এবং বরকত, রহমত, সাকীনা হাছিলের দিন। হাদিয়া মুবারক দেয়া এবং দান-ছদক্বা করার দিন। ‘আখির’ অর্থ শেষ এবং ‘চাহার শোম্বাহ’ অর্থ ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)। হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ ইয়াওমুল



আজ পবিত্র আখেরী চাহার শোম্বাহ ! সমস্ত কুল কায়িনাতের কাছে এই সম্মানীত দিনটি একটি বিশেষ নিয়ামত প্রাপ্ত দিন।


‘আখির’ শব্দটি আরবী। এর অর্থ- শেষ। আর ‘চাহার শোম্বাহ’ হচ্ছে ফার্সী শব্দ। এর অর্থ- বুধবার। আরবী ও ফার্সী শব্দের সংমিশ্রণে ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ বলতে ছফর মাসের শেষ বুধবারকে বুঝানো হয়ে থাকে। মূলত, এ দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশেষ খুশির দিন।



জাতি খেলাধূলায় মশগুল, এদিকে চলছে মহা লুটপাট!


ছোটবেলায় অনেক চুরি-ডাকাতির ঘটনা শুনেছি। অধিকাংশ ঘটনার সাথেই একটা মিল পাওয়া গেছে। কোনো বাড়ির লোকজন যখন কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে বা কোনো পার্টিতে ফূর্তিতে মশগুল থাকে, কিংবা বাড়ির সবাই মিলে রাত জেগে হারাম টিভিতে কোনো প্রিয় প্রোগ্রাম (সিনেমা, বিশ্বকাপ খেলা ইত্যাদি) দেখায়



শিশুরাও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার


স্যাটেলাইট টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে বিজাতি-বিধর্মীদের অপসংস্কৃতি মহামারি রূপে ছড়িয়ে পড়ছে। এর দ্বারা মুসলিম তাহযীব-তামাদ্দুন আস্তে আস্তে ভুলে যাচ্ছে এদেশের জনসাধারণ। এই অপসংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি বদ-তাছীর করছে শিশুতোষ মেধা ও মননে। এ ব্যাপারে আমি একটি বাস্তব ঘটনা বর্ণনা করছি; আমি এক



ইংরেজরা মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে


ইংরেজদের প্রণীত শিক্ষানীতি সমাজে বিভক্তি ও শ্রেণীবৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ইসলামাবাদে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি শিক্ষার ব্যাপারে গুরুত্ব



সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কতিপয় মৌলিক আক্বীদা


عقيدة (আক্বীদা) অর্থ: দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মমত, দ্বীনিমত। হাক্বীক্বী মু’মিন, হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে আক্বীদা বিশুদ্ধ হওয়া আবশ্যক। কেননা উনার মুবারক শানে বিশুদ্ধ আক্বীদাই ঈমানের মূল।



মনের পর্দা বড় পর্দা নয়


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ৩৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে মু’মিনা মহিলাগণ! আপনারা আপনাদের ঘরে অবস্থান করবেন এবং আপনারা জাহিলী যুগের ন্যায় নিজেদেরকে প্রদর্শনার্থে বের হবেন না।” আরো ইরশাদ মুবারক



বিধর্মীপ্রীতি: কার উপকার কার বিপদ?


বিধর্মীপ্রীতি বা বিধর্মী তোষণের ফলে কে উপকৃত হচ্ছে, আর কে বিপদগ্রস্ত হচ্ছে তা কিঞ্চিৎ হলেও বিশ্লেষণ করা জরুরী। চরম সাম্প্রদায়িক ভারতের প্রতি আমাদের সরকারের নতজানুতার কারণে জাতি বঞ্চিত হচ্ছে নিজ উৎপাদিত খাদ্যশস্য থেকে শুরু করে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মেধাস্বত্ব,



সম্মানিত জিহাদ উনার ফযীলত: কাফিররা যতই মাল-সম্পদ খরচ করুক না কেন, তারা মুসলমানদের নিকট পরাস্ত ও পরাজিত হবেই হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ لِيَصُدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ فَسَيُنْفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً ثُمَّ يُغْلَبُونَ وَالَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ يُحْشَرُونَ. অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা কাফির তারা তাদের মাল-সম্পদ খরচ করে



লোডশেডিংয়ে জর্জরিত দেশ নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার! এ যেন ফকিরের ঘর থেকে সাহায্য প্রার্থনা


আসলেই অবাক করার বিষয়! বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিজ দেশের সক্ষমতা এবং পর্যাপ্ত উৎপাদন থাকার পরেও নেপালের মতো লোডশেডিংয়ে জর্জরিত দেশ থেকে কেন বিদ্যুৎ আমদানি করতে যাচ্ছে সরকার? যে দেশটিতে পানি সম্পদ ব্যবহার করে ৯০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভাবনা থাকলেও সেখানে