মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


নিচের চিত্র অনেক কথাই বলে


তবে একটা কথা প্রমানিত। মূর্তি ও ভাষ্কর্য একই জিনিষ।



মিরাজ শরীফ রাতে ও দিনে কি আমল করবেন?


আজ দিবাগত রাতেই শবে মিরাজ। দোয়া কবুলের খাছ রাত্রি। সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, রজব মাসে এমন একটি দিন ও রাত আছে, যে ব্যক্তি ওই দিনে রোযা রাখবে এবং রাতে ইবাদত-বন্দেগী করবে, তাকে



পবিত্র মি’রাজ শরীফ বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। আর অস্বীকার ও অবজ্ঞা করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত


“পবিত্র মি’রাজ শরীফ হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অসংখ্য বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত উনাদের মধ্য হতে একটি বিশেষ ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক। যা বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলমান উনাদের জন্য ফরয। আর অস্বীকার ও অবজ্ঞা করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।” আখিরী



মূর্তি প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার আয়াত শরীফ


“তোমরা ছবি বা মুর্তির অপবিত্রতা বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথা বা (গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা, কাল্পনিক, মনগড়া-বানোয়াটি কাজ) থেকে বেঁচে থাকো।” (পবিত্র সূরা হজ্জ্ব শরীফঃ ৩০) এই আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেকে ছবি-মূর্তি এবং قَوْلَ الزُّورِ বা মিথ্যা বলা (গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা,



মি’রাজ শরীফ-এর পবিত্র রাতে কতিপয় পাপের শাস্তি অবলোকন


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, فمن يعمل مثقال ذرة خيرا يره ومن يعمل مثقال ذرة شرا يره. অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি এক জাররা পরিমাণ নেকী করবে তার বদলা সে পাবে। আবার এক জাররা পরিমাণ পাপ কাজ করবে তার শাস্তিও সে



বরকতময় পবিত্র শবে মি’রাজ শরীফ সরকারিভাবে তথা আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বব্যাপী পালন করা সমস্ত মুসলমান শাসকদের ঈমানী দায়িত্ব ও কর্তব্য


পবিত্র ২৭ রজবুল হারাম শরীফ উনার রাত্রিটি পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রজনী। চন্দ্র মাস অর্থাৎ আরবী তারিখ অনুযায়ী রাত্রি আগে গণনা করা হয় বিধায় ১৪৩৮ হিজরী সনের জন্য পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ হচ্ছেন- পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার ২৬ তারিখ দিবাগত



সম্মানিত রজব মাস উনার ২৭ তারিখ দিনটি হচ্ছে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিন


সম্মানিত রজব মাস উনার ২৭ তারিখ দিনটি হচ্ছে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিন। উক্ত ২৭ তারিখ সম্মানিত রাতটির ফযীলত যেমন বেমেছাল তেমনি সম্মানিত দিনটির ফযীলতও বেমেছাল। তাই রাতে যেরূপ দোয়া-মুনাজাত, তওবা-ইস্তিগফার, ইবাদত-বন্দেগী, ছলাত-সালাম, মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ করা ইত্যাদি অশেষ



গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত ॥ অবজ্ঞা করা কুফরী


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّـهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا إِنَّ اللَّـهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ. وَكُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّـهُ حَلَالًا طَيِّبًا وَاتَّقُوا اللَّـهَ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক তিনি



বাল্যবিবাহ এবং হক্ব-নাহক্ব পার্থক্য


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছেন উত্তম আদর্শ মুবারক”। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার ঘটনাকে কাফিরের মুখে শুনে বিশ্বাস করার কারণে ‘ছিদ্দীক্ব’ (চরম সত্যবাদী) উপাধি পেয়েছেন খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিক পবিত্র নুবুওওয়াত প্রকাশের এগারতম বৎসরে ২৭শে পবিত্র রজবুল হারাম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার রাত্রিতে পবিত্র মি’রাজ শরীফ হওয়ার পর তিনি সকালবেলা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার ঘটনা বর্ণনা করছিলেন।



কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে যাকাত দিলে কুফরী হবে এবং অভিশপ্ত হতে হবে


প্রতিবছর কুফরীতে পরিপুর্ন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কোটি কোটি টাকা যাকাত আদায় করে থাকে যা তারা সম্পুর্ন কাফিরদের পিছনে খরছ করে । যাকাত আল্লাহ পাক কতৃক মুসলমানদের জন্য এক নিয়ামত। যাকাত মুসলমানদের উপর ফরয ,কাফিরদের উপর নয়। তেমনি যাকাত গ্রহন ও মুসলমানের জন্য



মৃত্যু যেহেতু আছেই, তবে প্রকৃত ঈমানদার-মুসলমান হয়েই মৃত্যুবরণ করুন


মৃত্যু যে শ্বাশত সত্য- এটা মহান আল্লাহ পাক তিনিও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “প্রত্যেক নফসকে, প্রত্যেক মানুষকে তথা জিন-ইনসানসহ সমস্ত মাখলুকাতকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।” (পবিত্র সূরা আল