মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


পবিত্র ঈদ উনার রাতের ফযীলত ও গুরুত্ব


বছরের যে পাঁচ রাতে দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয় তার মধ্যে পবিত্র দু’ঈদ উনার দু’রাত অন্তর্ভুক্ত। এ রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দিগী, পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, পবিত্র দুরূদ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ, তাসবীহ-তাহলীল পাঠ, যিকির-ফিকির ও দোয়া-মুনাজাতে অতিবাহিত করা অতি



একনজরে হযরত ইমামুল খামিস মিন আহলে বাইতি রসুলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরিচিতি মুবারক


পবিত্র নাম মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত মুহম্মদ আলাইহিস সালাম। পবিত্র কুনিয়াত মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ জা’ফর আলাইহিস সালাম। বিশেষ পবিত্র লক্বব মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত বাকির আলাইহিস সালাম। মশহুর পবিত্র লক্বব মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খ¦মিস আলাইহিস সালাম। সম্মানিত পিতা ইমামুর রবি’ সাইয়্যিদুনা



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে টেলিভিশনে পবিত্র হজ্জ দেখানো ও দেখা উভয়টাই হারাম


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ছবি তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা সকলেই জাহান্নামী।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য ফতওয়া মতে, টেলিভিশনে পবিত্র পবিত্র হজ্জ দেখানো ও দেখা উভয়টাই হারাম ও কবীরাহ গুনাহ। কারণ টেলিভিশনের মূলই হচ্ছে ‘ছবি’। আর



পবিত্র কুরবানী উনার প্রতিদিন শত শত পবিত্র কুরবানী করে মামদূহ তিনি কী শেখান?


যামানার লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূল, মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রঙে রঙিন। তাই সঙ্গত কারণেই তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ও



আক্বীদা বিশুদ্ধ না হলে তাদের দ্বারা পবিত্র কুরবানীর পশু জবাই করলে ও তাদেরকে চামড়া প্রদান করলে কুরবানী কবুল হবে


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি কাদিয়ানী, ওহাবীদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয়। কাদিয়ানীরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শেষ নবী ও রসূল হিসেবে



যাদের উপর পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব হয়নি, এমন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি এক নামে পবিত্র কুরবানী করে তার ফযীলত হাছিলের


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সহজ। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের জন্য যা সহজ তিনি সেটাই চান। যারা এককভাবে পবিত্র কুরবানী দিতে সক্ষম নয়, তাদের জন্য সম্মানিত শরীয়ত একটি সহজ ও উত্তম তরীক্বা প্রদান করেছে। কিতাবে বলা হয়, যাদের উপর পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব



পবিত্র কুরবানীর পশু যবেহ করার ছহীহ তরীক্বা বা নিয়ম


পবিত্র কুরবানীর পশুর মাথা দক্ষিণ দিকে এবং পা পশ্চিম দিকে রেখে অর্থাৎ ক্বিবলামুখী করে শোয়ায়ে পূর্ব দিক থেকে চেপে ধরতে হবে, তারপর কুরবানী করতে হবে। আর পবিত্র কুরবানী করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, গলাতে চারটি রগ রয়েছে, তন্মধ্যে গলার সম্মুখভাগে



খাসীকৃত পশু কুরবানী করা খাছ সুন্নত মুবারক


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت جابر رضى الله تعال عنه قال ذبع النبى صلى الله عليه وسلم يوم الذبح كبشين اقرنين املحين موجوئين فلما وجههما قال انى وجهت وجهى الّذى فطر السموت والارض على ملة ابراهيم



উট, মহিষ ও গরুর মধ্যে কয়টি নাম দেয়া যাবে?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضَرْتُ جَابِرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ البَقَرَةَ عَنْ سَبْعَةً والجزور عَنْ سَبْعَةً অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম



যেসব দোষযুক্ত পশু কুরবানী করা নিষেধ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أنْ نَسْتَشْرِفَ الْعَيْنَ وَالْأُذُنَ وَلَا نُضَحِّي بِمُقَابَلَةٍ وَلَا مُدَابَرَةٍ وَلَا شَرْقَاءَ وَلَا خَرْقَاءَ অর্থ:- “হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার



পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নামায কখন আদায় করা খাছ সুন্নত?


ফজরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর ২৩ মিনিট পর্যন্ত মাকরূহ ওয়াক্ত এরপর পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং যুহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত থাকে। উল্লেখ্য, ফজরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর মাকরূহ ওয়াক্ত



পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজে গাফলতি করা যাবে না বরং পরস্পরকে সহযোগিতা করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র কুরবানীর পশুকে সম্মান করার কথা ইরশাদ মুবারক করেছেন। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُحِلُّواْ شَعَآئِرَ اللّهِ وَلاَ الشَّهْرَ الْحَرَامَ وَلاَ الْهَدْيَ