মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


পবিত্র যাকাত উনার ফাযায়িল-ফযীলত


 যাকাত দ্বীন ইসলাম উনার বুনিয়াদ বা স্তম্ভ ৫টি স্তম্ভের ৩য় বা মধ্যবর্তী স্তম্ভ, যা ছাড়া দ্বীন ইসলাম নামক ঘর টিকবে না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّداً



আল ওয়ালিইয়্যু ওয়ালিই ইয়ান ওয়ালাও কানা ছবিইইয়ান


সেইদিন ছিল ৪৭১ হিজরী উনার পবিত্র শা’বান শরীফ মাসের ২৯ তারিখ, যেদিন জিলান নগরের আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। চাঁদ দেখতে না পেয়ে সাবধানতাবশতঃ লোকেরা সাহরী খেয়ে পরদিন এক মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনার কাছে চাঁদ দেখা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জবাবে



পর্দানশীন ও তাক্বওয়াসম্পন্না মাতা উনার রেহেম শরীফ-এ আগমন ঘটে ষষ্ঠ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার


ষষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিতা মাতা ছিলেন অতি পর্দানশীন ও তাক্বওয়াসম্পন্না। উনার পবিত্র রেহেম শরীফ-এ এই মহান ওলী উনার আগমন ঘটে। তাহলে যিনি সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, যিনি সরাসরি ক্বায়িম-মাক্বামে রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মহান তাজদীদে পীরানে পীর, গাউছুল আ’যম দস্তগীর সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি


মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা অসীম রহম করে, ইহসান করে মুসলিম উম্মাহর পবিত্র ঈমান-আমল হিফাযতের জন্য, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাজদীদের জন্য প্রতি হিজরী শতকেই একজন মহান মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন।



এমন মহীয়সী, গরিয়সী আহলিয়া যার ঘরে আছে তিনি ইহকালেও পরকালে কামিয়াব


গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদ আবু ছালেহ মূসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একটি আপেল ফল ভক্ষণের কাফফারাস্বরূপ কয়েক বছর হযরত সাইয়্যিদ আব্দুল্লাহ সাওমায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গোলামী শেষে বিদায় বেলা উনার



সিলেবাস হিন্দুকরণে আবারো নাস্তিকদের হাতে দায়িত্ব ন্যাস্ত


গত ২৭ এপ্রিল ২০১৭ ইসলামবিদ্বেষী বামপন্থী নাস্তিক্যবাদী শিক্ষাবিদদের সাথে বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠ্যপুস্তক থেকে পুনরায় সম্মানিত ইসলামী চেতনা সম্বলিত গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হেফাজতের দোহাই দিয়ে এসব প্রবন্ধ বাদ দিতে বাংলা বইয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে



সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম উনারা হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার বা বিশেষ নিদর্শন মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ اللَّـهِ وَلَا الشَّهْرَ الْحَرَامَ وَلَا الْهَدْيَ وَلَا الْقَلَائِدَ وَلَا آمِّينَ الْبَيْتَ الْحَرَامَ يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّن رَّبِّهِمْ وَرِضْوَانًا অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার বা



হাসান মাহমুদ উরফে হামান মারদূদ


এই লোক তার বক্তব্য ও লেখনীতে নাস্তিক, মুনাফিক, মুরতাদ প্রমানিত হয়েছে বহুবার। তারপরও নির্লজ্জের মতো সে তার নাস্তিকি, মুনাফিকি ও মুরতাদি কর্মকা- থেকে তওবা ইস্তিগফার করার পরিবর্তে বেপরওয়া ও বেয়াদবি আচরণ প্রকাশ করেই চলেছে। তার অবস্থা হচ্ছে ঐসব কাফিরদের ন্যায়, গুমরাহীর



বাল্যবিবাহের যারা বিরোধিতা করছে তারা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনাকে অস্বীকার করছে। আর পবিত্র কুরআন শরীফ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ঐ সমস্ত মহিলাদের ইদ্দতের ব্যাপারে আপনার কি ফায়ছালা যারা এখনও মাজূর হননি অর্থাৎ নাবালেগা রয়ে



সাইয়্যিদাতাল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসী ক্বিবলাতাইন আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা প্রত্যেকের জন্য ফরয


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছ, عَنْ حَضْرَتْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰی عَنْهُ قَالَ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في حَضْرَتْ الحسن عَلَيْهِ السَّلَامُ و حَضْرَتْ الحسين عَلَيْهِ السَّلَامُ من أحبني فليحب هذين. অর্থঃ “হযরত



রাষ্ট্রদ্বীন ইসলামের দেশে পবিত্র রমযান শরীফে হারাম খেলাধুলা বন্ধ রাখতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি নভোম-ল, ভূ-ম-ল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। ক্বিয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব, পরম অবজ্ঞার সাথে ওদের খেলাধুলা উপেক্ষা করুন।” (পবিত্র সূরা হিজর শরীফ: পবিত্র আয়াত



৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে পবিত্র রমযান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না


  হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! মুসলমানদের জন্য রমযানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মুনাফিকদের জন্য রমযান মাসের চেয়ে অধিক