মাসউদুর রহমান -blog


...


 


পেটে খাবার দিতে পারে না, পিঠে আঘাত করার অধিকার কে দিলো?


ঘরে বসে থাকলে খাবার দিবে কে? এটাই এখন দেশের কোটি কোটি মানুষের প্রশ্ন। অথচ সরকারী আমলা-কামলারা সরকারের কথিত আদেশ-নিষেধ বাস্তবায়নের নামে এইসকল মানুষদের উপরই জুলুম শুরু করেছে। রাস্তায় বের হয়েছে কেন, মাস্ক পরেনি কেন, দোকান খুলেছে কেন, রিকশা চালাচ্ছে কেন ইত্যাদি



করোনা ভাইরাস নিয়ে মুসলমানরা কেন এত আতঙ্কিত?


বর্তমানে “করোনা” নামক যে ভাইরাসটি কাফির-মুশরিকদের উপর গযব স্বরূপ নাযিল হয়েছে তা নিয়ে কাফিররা আতঙ্কিত থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটা নিয়ে মুসলমানদের এত মাথা ব্যথা কেন? কেন তারা এত আতঙ্কিত? এজন্য তারা স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত তো আছেই এমনকি মসজিদ-মাদ্রাসাগুলিও বন্ধ করে দিয়েছে।



ইহুদী, নাছারা, মজুসী, মুশরিকদের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্র থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আহলে কিতাব অর্থাৎ বিধর্মীরা চায় তোমরা পবিত্র ঈমান আনার পর তোমাদেরকে কাফির বানিয়ে দিতে।’ নাউযুবিল্লাহ! ইহুদী, নাছারা, মজুসী, মুশরিকরা সূক্ষ্মভাবে মুসলমানদের দ্বারা হারামকে হালাল, হালালকে হারাম বানিয়ে, ছোঁয়াচে বিশ্বাস করিয়ে এবং হারাম কাজে খুশি



১লা এপ্রিল তথা এপ্রিল ফুলের নির্মম ইতিহাস


‘এপ্রিল ফুল’ বাক্যটা মূলত ইংরেজি। অর্থ এপ্রিলের বোকা। এপ্রিল ফুল ইতিহাসের এক হৃদয় বিদারক ঘটনা। ৭১১ উমাইয়া শাসনামলে মুসলমানদের স্পেন জয়ে গড়ে উঠেছিলো গ্রানাডা ও কর্ডোভায় প্রায় ৮০০ বছরের আলোড়ন সৃষ্টিকারী সভ্যতা। কিন্তু মুসলিম শাসকরা যখন পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি উম্মতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ হাদিয়া


সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন, হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সলাম তিনি হচ্ছেন- বর্তমান যামানার সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, জামিউল আলক্বাব, মুহ্ইউস সুন্নাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পবিত্রা ও সম্মানিতা আযওয়াজে মুতহহরাত। তাহলে উনার মর্যাদা-মর্তবা কতখানি



ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ সংরক্ষণ


ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসম বা নাম মুবারক যে কারণে ইতিহাসের পাতায় ও মু’মিনদের মনে অত্যান্ত মর্যাদার সাথে লেখা হয়ে আছে তাহলো তিনি ছিলেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার



করোনা নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকা যা করছে, ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ তা কখনোই করতে পারে না। সরকারের এ কার্যক্রমে কোটি


আন্তর্জাতিক সমীক্ষা অনুসারে বাংলাদেশে ৬ কোটি কর্মক্ষম লোক রয়েছে যারা শ্রমিক, রিক্সাচালক ইত্যাদি বিভিন্ন পেশায় যাদেরকে মূলত ডেইলী লেবারের সংজ্ঞায় ফেলা যায়। সমীক্ষা অনুসারে, এদের হাতে খাবারের টাকা থাকে মাত্র ৩ দিনের। এরপর এদের না খাবার পালা। সরকার যেভাবে মসজিদে যেতে



বিধি-নিষেধ ও গুজবে দেশ ও জাতি করুন পরিণতির দিকে যাচ্ছে। দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের চরম দুর্দশায় ফেলা


অভিজ্ঞমহল মনে করেন, সরকার অঘোষিত লকডাউন দিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশ কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলছে। ঢাকাসহ সারাদেশে পরিবহণ খাতে- যারা বাস মিনিবাসের ড্রাইভার, সুপারভাইজার বা হেলপার হিসেবে কাজ করেন তারা মজুরি পান প্রতিদিনের ট্রিপ বা যাতায়তের উপর। যাত্রী ও যাতায়াত দুটিই কমে যাওয়ায়



ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে জাদু করার কারণে উনার দাসীকে ক্বতল বা মৃত্যুদণ্ড


ইমাম ত্ববারনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ جَارِيَةً لِحَفْصَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَحَرَتْهَا، فَاعْتَرَفَتْ بِهِ عَلَى نَفْسِهَا، فَأَمَرَتْ حَفْصَةُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بن زَيْدٍ، فَقَتَلَهَا অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে



ক্ষমতায় গেলে ইসলামবিরোধী কোনো আইন পাস করবে না’, কিন্তু এগুলো কি?


নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের একটি ইশতিহার ছিলো- “ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগ ইসলামবিরোধী কোনো আইন পাস করবে না”। অথচ এখন দেখা যাচ্ছে, ১) সংবিধান সংশোধন করে সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার উপর আস্থা ও বিশ্বাস কথাটি বাদ দেয়া হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! ২) বিজাতীয় ও



বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানদের সাথে বিরোধিতা!!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে



বিষাক্ত জিএম শস্য কেন নিষিদ্ধ হচ্ছে না, এ দেশের সরকার কি জিএম ফুড বিষয়ে অজ্ঞ?


বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশই বিষাক্ত বিকৃত জিন বা জিএম (জেনেটিক্যাল মডিফাইড) শস্য কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা করছে। ইউরোপের ২৬টি দেশের মধ্যে ১৯টি দেশে জিএম শস্য চাষ নিষিদ্ধ। ফিলিপাইনে গোল্ডেন রাইস ব্যা- করার জন্য সাধারণ জনগণ আন্দোলন পর্যন্ত করেছে। ভারতে প্রবল বিতর্ক এবং