মাসউদুর রহমান -blog


...


 


আত-তাকউইমুশ্ শামসী সন অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে রহমত, বরকত ও সাকীনা


গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নামটি হয়েছে পোপ গ্রেগরির নামে। সোজা ভাষায়- গ্রেগরিকে মনে রাখার জন্যই তার নামে এই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। কিন্তু মনে রাখবো কেন? সে কি এই ক্যালেন্ডারের রচয়িতা? মোটেও না। সে কি জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সংশোধনকারী? না, তাও না। সে কি মহাকাশ বা



ইতিহাস পর্যালোচনা: এক সময় বিধর্মী, বিজাতীয়রা মুসলমানদের পোশাক-আশাকে সজ্জিত হয়ে গর্ববোধ করতো, কিন্তু এখন…?


ভারতের মুসলিম শাসনামলে বিধর্মীরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে অমুসলিম থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে বিধর্মীদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে যেহেতু তারা অন্তরের দিক দিয়ে বিধর্মীই থেকে যেত, সেহেতু তারা বাড়িতে



১৯৭১ সালে ভারতীয় বাহিনীর লুটপাট!!


১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের



হিন্দুয়ানী পোশাকে মুসলমানদের ঈদ পালন? নাউযুবিল্লাহ!!


আমাদের দেশে যতগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা হয় তার মধ্যে পবিত্র ঈদ হলো বিশেষ উল্লেখযোগ্য। অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে একমাত্র মুসলমানদের জন্যই। তাই এই বিশেষ দিনটি ইসলামী রীতিনীতিতে পালিত হবে এটাই স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু সারাদেশের শপিংমল আর কাপড়ের দোকানের হালচাল দেখলে মনে হয়



নাফরমানী ও গোলামী


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ



একটি ফ্লাইওভারের বাজেট দিয়ে একটি শহর তৈরি করা সম্ভব


যানজট নিরসনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে একের পর এক নির্মাণ করা হচ্ছে ফ্লাইওভার। কিন্তু এসব ফ্লাইওভার দিয়ে কি প্রকৃতপক্ষে যানজট কমেছে; নাকি বেড়েছে? জনগণের ভোগান্তি কমেছে, নাকি বেড়েছে? পরিবহন ভাড়া কমেছে, নাকি বেড়েছে? ফ্লাইওভার প্রকল্পের নির্মাণাধীন এলাকাগুলোতে পথচারী



অতিসত্বর সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরোধী আইন উঠিয়ে নেয়া হোক!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে নিহিত রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২১) এতদ্বসত্ত্বেও ব্রিটিশ কুচক্রীদের



সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র আযীমুশ শান নিসবাতুল আযীম মুবারক উনার বিষয়টি ছিল ইলহামী


কি শান, কি মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদ আ’যম, আওলাদে রসূল ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! একইভাবে বেমেছাল শান-শুয়ূনাত, মর্যাদা-মর্তবার অধিকারিণী উনার যিনি দেহ মুবারক উনার অংশ মুবারক, পরিপূর্ণ সাদৃশ্য, পরিপূর্ণ



‘শীর্ষ ধনীর একজন অর্থমন্ত্রী, উনি কি দুঃখ বুঝবেন?’


সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেছেন, নির্বাচনের হলফনামার তথ্যানুযায়ী, দেশের শীর্ষ ১০ ধনীর একজন আমাদের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। উনি কি আমাদের দুঃখ বুঝবেন? মাথাপিছু আয়ের হিসাব করার সময় উনি তো



আজ সুমহান ও বরকতময় ১৮ই শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এ মহান দিবসে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব, যে উম্মত আমার আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় ১৮ই শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এ



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নিসবত মুবারকই মুহব্বত-মা’রিফাত, কুরবত,


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّا اَعْطَيْنٰكَ الْكَوْثَرَ অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সম্মানিত কাউছার মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছি।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা কাওছার শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ১) এই সম্মানিত কাওছার মুবারক উনার লক্ষ-কোটি ব্যাখ্যা মুবারক। উনাদের মধ্যে একখানা ব্যাখ্যা



বিজাতীয় অপসংস্কৃতি: রাজধানীতে যোগাসনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও!


হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির অংশ যোগাসন তথা যোগব্যয়াম যাকে ইংরেজীতে বলে ‘ইয়োগা’ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দিতে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে ভারতীয় মোদি সরকার। বাংলাদেশেও রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে গতকাল জুমুয়াবার সকালে শুরু হয় পঞ্চম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই অনুষ্ঠান।