মাসউদুর রহমান -blog


...


 


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মহান তাজদীদে পীরানে পীর, গউছুল আ’যম দস্তগীর হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি


মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা অসীম রহম করে, ইহসান করে মুসলিম উম্মাহ উনাদের পবিত্র ঈমান-আমল হিফাজতের জন্য, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাজদীদের জন্য প্রতি হিজরী শতকেই একজন মহান মুজাদ্দিদ



গউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী


পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম, আওলাদে রসূল হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনে তৎকালীন ইরানের পবিত্র জিলান নগরে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সম্মানিত পিতা-মাতা ও নসব মুবারক: উনার পিতা উনার নাম মুবারক



প্রসঙ্গ: মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। দীর্ঘসময় মাস্ক পড়লে মানুষ আক্রান্ত হবে ফুসফুস ক্যান্সার, হৃদরোগে, ক্রণিকে। মানুষের শরীরে ঢুকবে


দেশের নাগরিকদের করোনার অজুহাত তুলে মাস্ক ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে সরকার। দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ব্যবহারে বাধ্যবাধকতাটি আরোপ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে মন্ত্রণালয়। জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে- মসজিদে সব মুসল্লির মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে।



মূর্তি আর ভাস্কর্য নিয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারী ও দ্বীন ইসলাম বিকৃতকারীদের অপপ্রচারের দলীলভিত্তিক জবাব


সম্প্রতি একটি গোষ্ঠী মূর্তিকে ‘ভাস্কর্য’ আখ্যা দিয়ে নানারকম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে ও মনগড়া রেফারেন্স দিয়ে দাবি করতে চায়- ‘ইসলামে নাকি মূর্তি বৈধ!’। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এরা অত্যন্ত ঠা-া মাথায় দ্বীন ইসলাম উনাকে বিকৃত করে অপব্যাখ্যা করে যাচ্ছে। এরা বিভিন্ন ভ্রান্ত দলিল



আপনার সন্তানকে তিনটি বিষয় শিক্ষা দিন


যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুযাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একজন সন্তান তার জন্মের পর তার পিতা-মাতার দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো প্রথমেই তাকে তিনটি বিষয় শিক্ষা দেওয়া। প্রথম শিক্ষা হলো: ১। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ



বেপর্দা হলে কি করে সংসারে সুখ থাকবে?


বেপর্দার কারণে আজ সমাজে নানা অপরাধ সৃষ্টি হচ্ছে। মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি নছীহত মুবারক করে থাকেন এই বলে যে, শুধু বেপর্দার কারণে সমাজের বেশিরভাগগ অপরাধ সংঘটিত হয়। শুধু পর্দা করেই মহিলারা সমাজকে



এদেশের মানুষ সন্তানকে ভালোবাসে, কিন্তু সন্তানের শত্রুকে ঘৃণা করে না


আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত সন্তানবৎসল ও পরিবারের প্রতি আসক্ত। পরিবারের ভরণ-পোষণের জন্য এদেশের মানুষ দেশ ছেড়ে বিদেশে অমানবিক পরিশ্রমকেও মেনে নেয়। এদেশের মন্ত্রী-আমলা-ব্যবসায়ীরা তাদের দুর্নীতির টাকায় ফুলে উঠা ব্যাংক ব্যালেন্স রেখে যায় সন্তানদের কথা মাথায় রেখে। যদিও এই পরিবার তাকে



সাড়ে ৩ হাত দেহে দ্বীন ইসলাম নেই, তারাই বলে দ্বীন কায়িমের কথা!


আজকে কী বাংলাদেশ, কী পাকিস্তান, কী ভারত কিংবা অন্য অনেক অনেক মুসলিম অধ্যুষিত দেশে এমন অনেক অনেক ইসলামী দলের নেতা পাওয়া যায়, যারা সমাজে নিজেদের প্রাধান্য বিস্তার করার জন্য বলে থাকে, তারা সমাজে, দেশে কিংবা বিশ্বে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম কায়িম করার



হাফাদাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা মোট ৮ জন। উনাদের মধ্যে মহাসম্মানিত হযরত আবনা’ (ছেলে) আলাইহিমুস সালাম উনারা ৪ জন এবং মহাসম্মানিতা হযরত বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ৪ জন। সুবহানাল্লাহ!মহাসম্মানিত



এটা কোন ধরণের নীতি? কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানদের সাথে দুরত্ব!!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে



ব্যল্যবিবাহ নিষিদ্ধের কুফল: পরিত্যক্ত নবজাতক পাওয়ার সংখ্যা বাড়ছে


বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধের কুফল সমাজে ফলতে শুরু করেছে। রাস্তাঘাট, ঝোপঝাড় এমনকি ডাস্টবিনে পরিত্যক্ত অবস্থায় মাঝে মাঝেই মিলছে নবজাতক। কিন্তু কোন সূত্র না থাকায় একটি ঘটনারও কূলকিনারা করা যায়নি। পুলিশ বলছে, জাতীয়ভাবে ডিএনএ ব্যাংক করা গেলে সহজেই পরিচয় জানা যাবে। অল্প ক’দিন আগের



দলীয় নেতা-কর্মীদের কটূক্তিতে সরকার কঠোর, অথচ দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তিতে বোবা


দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি রাজনীতিতে সচেতন হয়েছে, আইন আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েছে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্মান দিতে শিখেছে। তাইতো এদেশে কোনো রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সমালোচনা হলে, কটূক্তি করা হলে প্রশাসন তাদের হন্যে হয়ে খুঁজে, তাদের জেল দেয়, জরিমানা দেয়। কেউ আদালত অবমাননা