মাসউদুর রহমান -blog


...


 


আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক


সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক বেমেছাল। উনার কোনো মেছাল বা তুলনা নেই। উনার মেছাল শুধুমাত্র তিনি নিজেরাই। সুবহানাল্লাহ! তিনি বহু কারণে বা বিভিন্ন দিক থেকে বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা উনার অধিকারিণী। সাইয়্যিদাতুনা



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার অকাট্য প্রমাণ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ. وَإِن يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ . অর্থ: ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে। যদি তারা কোন নিদর্শন দেখে, তখন তারা ফিরে যায় এবং বলে এটা বিরাট জাদু।



রবীন্দ্রদের যে চেহারা প্রকাশ করা হয় তা ব্রিটিশের বানানো


বাঙালিরা আবেগপ্রবণ, তাই বলা হয়- হুজুগে বাঙালি। মুসলমানগণ কি সঙ্কীর্ণমনা হিন্দুত্ববাদী কবি-সাহিত্যিকদের আসল রূপ চিনে? সত্যি চিনতে পারলে তাদের নিয়ে হৈ চৈ করার বদলে একরাশ ঘৃণা প্রকাশ করতো। বঙ্গভঙ্গ রোধে ব্রিটিশ পাচাটা রবীন্দ্র নামক কথিত ‘কবি’ ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। বাংলা ভাগ



ভারতের উগ্র মূর্তিপূজারী-বিধর্মীদের আস্ফালনের কারণেই তারা অতিসত্বর নিশ্চিহ্ন হবে ইনশাআল্লাহ


ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক মূর্তিপূজারী-বিধর্মীরা নানাধরণের উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছে এবং নির্বাচনে মূর্তিপূজারী-বিধর্মীদের ভোট পাওয়ার লক্ষ্যে ভারতের মুসলমানদের উপর যুলুম-নির্যাতন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায়, বিশ্ব মূর্তিপূজারী-বিধর্মী পরিষদের নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া রাজকোটে একটি জনসভায় বলেছে, মূর্তিপূজারী-বিধর্মীপ্রধান এলাকা ছেড়ে মুসলমানদের চলে যেতে হবে।



বাংলাদেশের মুসলমানদের শুকর খাওয়াচ্ছে হিন্দুরা


গতকাল (৩রা আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানীর নিকটে ধামরাইয়ে একটি ভোজ্যতেল তৈরীর কারখানায় অভিজান চালিয়ে র‌্যাব ৩ হাজার মেট্রিক টন শুকরের মাংশ, হাড়, চর্বি জব্দ করে। ঐ প্রতিষ্ঠানটি শুকরের মাংশ দিয়ে ভোজ্য সয়াবিন তেল, মাছ-মুরগীর ফিড তৈরী করছিলো। প্রতিষ্ঠানটিতে অভিজান চালিয়ে ২ লাখ



মসজিদে সিসি ক্যামেরা!! উলামায়ে ছু’দের বদ আমলই কি এর জন্য দায়ী নয়?


কিছুদিন আগে ঢাকার একটি মসজিদে নামাযের জন্য যাওয়া হলো। মসজিদে প্রবেশ করতেই আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম। কিন্তু মসজিদে আসা যাওয়া করা বহু মানুষের কারো মধ্যেই সামান্যতম অস্বাভাবিকতা দেখলাম না। এমনকি মসজিদে দাঁড়ি টুপি এবং লম্বা জামা পরিধান করা লোকদেরও



যে কারনে বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় সংগীত পরিবর্তন হওয়া দরকার


১) বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় সংগীত ভারতীয় জাতীয় কবির লেখা। বাংলাদেশে কি জাতীয় কবি নেই? বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাংলাদেশের জাতীয় কবির লেখা হওয়া উচিত। ২) পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা সব সময় একটা কথা বলে, “দাও দুই বাংলা এক করে দাও”। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের বিশ্বাস অবশ্যই



নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা এবং বেপর্দাই এই সমাজকে ধ্বংস করছে


বর্তমানে সমাজের যে চিত্র ফুটে উঠছে তা ভয়ঙ্কর। সমাজবিদ যারা এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছে তাদের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ব্যাংকককে ছাড়িয়ে গেছে অনেক আগেদ। নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা হারাম বেপর্দার প্রতিফল আর কি হবে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা সাইবার আক্রমণের ফলে



পাঠ্যপুস্তকে বিজাতীয় শিক্ষার অনুপ্রবেশ সংবিধান বহির্ভূত যা রাষ্ট্রীয় আইনের সীমালংঘন


গণতান্ত্রিক সংবিধানে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় বিষয়ে অনধিকার চর্চা, অন্যের ধর্মের উপর হস্তক্ষেপ, জোরপূর্বক ভিন্নধর্ম শিক্ষা দেয়া ইত্যাদি অপরাধ হিসেবে উল্লেখিত আছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদে। এর ১নং অনুচ্ছেদের উপ-অনুচ্ছেদ নং (২)-এ বলা হয়েছে, ‘কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী



পর্দা পালন করা মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি ঈমানদার নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাজত করে। তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে। তবে চলাচলের কারণে



সবার রিযিকের মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি ॥ এটা সম্পূর্ণ কুদরতী বিষয়


وَمَا مِنْ دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى الله رِزْقُهَا অর্থ: “যমীনে যত প্রাণী আছে সবার রিযিকের মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি।” (পবিত্র সূরা হুদ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬ ) হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তিনি একবার বললেন, মহান আল্লাহ পাক আমি সমস্ত



যে ব্যক্তি আখেরী যামানায় ফিতনা ফাসাদের যুগে একটি সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে থাকবে সে ১ শত শহীদ উনাদের মর্যাদা


পবিত্র হাদীছ উনার মাঝে বর্ণিত আছে, “যে ব্যক্তি আখেরী যামানায় ফিতনা ফাসাদের যুগে একটি সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে থাকবে সে ১ শত শহীদ উনাদের মর্যাদা পাবে।” (মিশকাত শরীফ) চকি বা খাটতো আমরা সবাই ব্যবহার করি, কিন্তু চৌকির মাপটা ও ডিজাইনটা যদি