মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মগদের সাম্প্রতিক হত্যাযজ্ঞ তাদের পুরনো ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে


‘মগের মুলুক’ বাংলাদেশে একটি সুপরিচিত বাগধারা। বাংলা একাডেমি এর অর্থ লিখেছে- (১). ব্রহ্মদেশ বা আরাকান রাজ্য। (২). অরাজক রাষ্ট্র, যে রাজ্যে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, যেখানে যথেচ্ছাচার হয়। বার্মিজরা ঐতিহাসিকভাবেই বর্বর, নিষ্ঠুর। মানুষের গলায় দড়ি বাঁধা, হত্যা, সম্ভ্রমহানি, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া



ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা থেকে বিরত থাকুন


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় ভিডিও, ক্যামেরা ছিলো না; কিন্তু সেই সময় চবি অঙ্কন করা হতো। ওগুলো থেকেই ইহুদী-খ্রিস্টান তারা মুসলমান উনাদের পবিত্র ঈমান-আক্বীদা ধ্বংস করার জন্যই মূলত এই ভিডিও ক্যামেরা তৈরি করেছে। ওই সময়ে



তাবলীগ জামাত ও এর নানা অসঙ্গতি


অনেকেই তাবলীগের বিরুদ্ধে কইলে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে। মানুষ মনে করে এরা ইসলাম উনার জন্য অনেক কিছু করতেছে। কিন্তু আসলে কিছুই করছে না । কারণ এর। যা করে তা যে কেউ করতে পারে। আহামরি কিছুই এরা করছে না। আমি কিছু দিক উল্লেখ



যুগে যুগে উলামায়ে ‘সূ’রা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চরম ক্ষতি করেছে


শের শাহ শূরীর নিকট পরাজিত সম্রাট আকবরের পিতা সম্রাট হুমায়ূন যখন সপরিবারে পলায়ন করছিল, তখন বর্তমান পাকিস্তানের অমরকোটে এক রাজপ্রাসাদে আকবরের জন্ম। প্রথম জীবনে লেখাপড়ার সুযোগ না পেলেও বৈরাম খাঁর নিকট যুদ্ধ বিদ্যায় হাতেখড়ি তার। অপরিণত বয়সেই তাকে সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে



যুগে যুগে উলামায়ে ‘সূ’রা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চরম ক্ষতি করেছে


শের শাহ শূরীর নিকট পরাজিত সম্রাট আকবরের পিতা সম্রাট হুমায়ূন যখন সপরিবারে পলায়ন করছিল, তখন বর্তমান পাকিস্তানের অমরকোটে এক রাজপ্রাসাদে আকবরের জন্ম। প্রথম জীবনে লেখাপড়ার সুযোগ না পেলেও বৈরাম খাঁর নিকট যুদ্ধ বিদ্যায় হাতেখড়ি তার। অপরিণত বয়সেই তাকে সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে



যারা বোমাবাজি করে অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করে তাদেরকে ‘জঙ্গি’ না বলে ‘সন্ত্রাসী’ বলতে হবে


ভালোদের জন্য ভালো আর মন্দদের জন্য মন্দ শব্দের ব্যবহার করা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারই নির্দেশ। পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ উনার ১০৪ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করা নিয়ে ইরশাদ মুবারক



এদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন হয় হিন্দুরা তার প্রমাণ দেখাক, নতুবা তারা এদেশে তাদের ‘সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যাচার বন্ধ করুক


ভারতের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাগুলোতে যেভাবে মুসলমান উনাদের উপর পাশবিকতা প্রদর্শন করা হয়, তা সারা বিশ্বেই নজিরবিহীন। হত্যা গণসম্ভ্রমহানি থেকে শুরু করে সন্তানসম্ভ্রাবা মুসলিম মহিলাদের পেট চিরে বাচ্চা বের করে ত্রিশূলের আগায় গেঁথে নিয়ে ভারতের হিন্দুরা পাশবিক নৃত্য করে থাকে। ভারতে মুসলমানদের কোনো



রবীন্দ্র ছিল নিপীড়ক, অত্যাচারী ও যালিম


(১). যালিম রবীন্দ্র সম্পর্কে তারই স্বজাতি অমিতাভ চৌধুরী লিখেছে- “রবীন্দ্র সামন্তবাদী প্রজাপীড়ক ছিল। তার দফায় দফায় খাজনা বৃদ্ধি এবং জোর-জবরদস্তি করে তা আদায়ের বিরুদ্ধে ইসমাইল মোল্লার নেতৃত্বে শিলাইদহে প্রজাবিদ্রোহ ঘটেছিল।” (তথ্যসূত্র- জমিদার রবীন্দ্রনাথ: অমিতাভ চৌধুরী; দেশ: শারদীয় সংখ্যা, কলকাতা ১৪৮২) (২).



সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অবশ্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!


বাতিল ফিরকার লোকেরা কোনো দলীল প্রমাণ ছাড়াই বলে থাকে যে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা নাজায়িয, বিদয়াত ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ! কেন? কারণ হচ্ছে, তারা বলে থাকে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



পবিত্র সুন্নত মুবারক জারী হওয়া মানেই বিদয়াত দূরীভূত হওয়া।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা



সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, সব অবস্থায় এবং সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই অনুসরণ করা


কোন মুসলমান সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছেড়ে অন্য কোনো তর্জ-তরীক্বা বা নিয়ম-নীতি পালন করলে সে কশ্মিনকালেও মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কাজেই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, সব অবস্থায় এবং সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই অনুসরণ করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র



ক্বলব ও রক্তকণিকা থেকে পাপের ছাপ উঠাবেন কিভাবে?


কাপড়ে দাগ পড়লে আমরা কতো না চেষ্টা করি সেই দাগ পরিষ্কার করতে। সাবান দিয়ে পরিষ্কার না করতে পারলে নানা মেডিসিনের ব্যবহার করি। চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকে না। কিন্তু পাপের দাগ যে মানুষের ক্বলবে ও রক্তকণিকায় পড়ে সে ব্যাপারে মানুষ উদাসীন কেন?