মাসউদুর রহমান -blog


...


 


পবিত্র কুরবানীর সময় বেশি ছুটি প্রদান দেশের অর্থনীতির জন্যও লাভজনক


আমাদের দেশে একটি রীতি একরকম প্রচলিত হয়ে গেছে যে, পবিত্র কুরবানীর সময় তিন দিন ছুটি দেয়া হয়। সম্ভবত ব্রিটিশ বেনিয়ারা এটা জারি করেছিল কিন্তু অদ্যাবধি তার কোনো সংস্কার করা হয়নি। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে এটার সংস্কার করার দরকার ছিল। কারণ,



সুস্থ মানুষকে সুস্থ মানুষ থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে ইফা’র ফতওয়া ও সরকারী নির্দেশনা সম্পূর্ণরূপে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র


১) করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশংকায় পবিত্র নামাযের কাতারে মুকতাদিদের ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়ানো। নাউযুবিল্লাহ! মসজিদ মহান আল্লাহপাক উনার ঘর মুবারক উনাতে নামাযের কাতারের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীল্লাহ হুযূর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের



ঢাকা শহরের মতো জনবহুল শহরে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা- এটা তো স্পষ্ট মূর্খতা


বাঙালি মুসলমানদের শত-সহস্র বছরের ঐতিহ্য হচ্ছে ‘ঘরে ঘরে কুরবানী’। কুরবানীর ঈদ বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে গরুর হাট, মুসল্লিদের তাকবীর ধ্বনি সম্বলিত পশু কুরবানী, গোশত ভাগাভাগি এবং বিতরণ, চামড়া সংগ্রহ, ঘরে ঘরে গোশত দিয়ে তৈরি হরেক রকম খাবারের সুবাস। এই ঐতিহ্যের



কুরবানীর পশুর হাট কমালে বা দূরে নিলে সমস্যা আরও বাড়বে


মহান আল্লাহ্ পাক উনার এবং উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্্ নাবিয়্যীন নূরে মুজাস্্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক আদেশে সৃষ্টির শুরু থেকে মুসলমানগণ পবিত্র কুরবানী মুবারক প্রতিটি ঘরে ঘরে, পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায় করে আসছেন। কিন্তু ৯৮



পবিত্র মসজিদ রহমত-বরকতের স্থান, রোগ-শোক থেকে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার স্থান


মুসলমান দ্বীন ইসলাম মানে এবং মানবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ মানে এবং মানবে। শরীয়তের এই সীমার বাইরে কোন ডাক্তারি ফরমুলা, কোন বৈজ্ঞানিক থিওরি বা কোন প্রকা- আকৃতির ব্যক্তি বা মানুষকে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে না



বাজারের কোন পণ্য হারাম আর কোনটা হালাল, সেটা চেনা ও জানা ফরজ-ওয়াজিব


হালাল বিষয়ের বিরোধিতা করা আর হারামের প্রচার করা কুফরী- এ বিষয়টিও প্রায় মানুষেরই জানা আছে। কিন্তু সমস্যা হয়ে থাকে- হালাল বিষয় আর হারাম বিষয় আলাদা করার মধ্যে। এ পর্যায়ে একটি উদাহরণ দিচ্ছি, যদিও তা আজকের আলোচ্য বিষয় নয়, তবু উপলব্ধির জন্যই



উপমহাদেশে ব্রিটিশদের রক্তাক্ত শাসনামলই ওদেরকে চেনার জন্য যথেষ্ট


১৭৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধে মীরজাফরদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে উপমহাদেশে মুসলিম স্বাধীনতা-সূর্য অস্তমিত হয়। আধিপত্যবাদী ইংরেজ বেনিয়ার চরম আক্রোশের শিকার হন মুসলমানগণ। মুসলমানরা রাজ্যশাসন, জমিদারী, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা-দীক্ষা, তাহযীব-তামাদ্দুন ইত্যাদি সব ব্যাপারে সীমাহীন যুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে থাকেন। আর সে সময় কাপুরুষ ও সুবিধাবাদী হিন্দুরা



শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা আলাইহিস সালাম একজন খাছ আওলাদে রসূল; উনাকে সম্মান, মুহব্বত ও অনুসরণ


আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ان اولادى كسفينة نوح عليه السلام من دخلها نجا . অর্থ: “আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা হচ্ছেন হযরত নূহ আলাইহিস



প্রসঙ্গঃ ‘নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা’- দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি বিদ্বেষ ও মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ থেকেই এ ধরণের উদ্ভট


(১). আবহমানকাল থেকে মুসলমানদের ঘরে ঘরে কুরবানীর পশু জবাই হয়ে আসা কোনো দেশ কিংবা সমাজ বা পরিবেশের ক্ষতির কথা কোন সুস্থ বিবেকবান মানুষ ভাবেনি বরং অনেকে কুরবানীর তাজা রক্ত হাতে কিংবা রোগে আক্রান্ত স্থানে রোগ আরোগের জন্য ব্যবহার করে আসছেন। যা



একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা: বিধর্মীদের ক্ষমতায়িত করার করুণ পরিণতি


উইলিয়াম হান্টার নামে বাংলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্রিটিশ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ১৮৭১ সালে লিখেছিল ‘দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস’ নামক তার ব্যাপক আলোচিত বইটি। বইটির একটি অধ্যায় রয়েছে ‘ব্রিটিশ শাসনে মুসলমানদের প্রতি অন্যায়’ শিরোনামে, যেখানে বিবৃত হয়েছে ব্রিটিশদের মদদে প্রশাসন ও বিচার বিভাগের প্রত্যেকটি ক্ষেত্র



বিধর্মীদের কুকীর্তিগুলো লিখিত রূপ দেয়নি কোনো লেখক, ফলে তাদের অপকীর্তিগুলো মুসলমানদের জানার আড়ালেই থেকে যাচ্ছে


ব্রিটিশ আমলে যখন বাঙালি হিন্দুরা ইংরেজদের সহায়তায় সাহিত্যক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই তারা শুরু করে মুসলমান উনাদের চরিত্রে অপবাদ দিয়ে অশ্লীল সাহিত্য ও নাটক রচনা। বুযূর্গ বাদশাহ হযরত আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে উনার কন্যা ও বোনদের নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র তার



কল্পনা প্রসূত পশ্চিমা বিজ্ঞানীদের থিওরী ভুল প্রমাণিত


পাশ্চাত্যের তথাকথিত বিজ্ঞানীরা যে ভুয়া এবং অনুমান নির্ভর তা বলার অপেক্ষাই রাখে না। হঠাৎ পৃথিবীর আবহাওয়া উষ্ণ হয়ে গেল আর শুরু হলো এ সব গণ্ডমূর্খদের নানা রকম নীতিমালা। পৃথিবীর আবহাওয়ার উষ্ণতা বেড়ে বরফ গলে যাবে, মহা-সাগরগুলির পানির উচ্চতা বেড়ে নিম্ন অঞ্চল