মাসউদুর রহমান -blog


...


 


সৃষ্টির সূচনাতেই বেমেছাল অনন্য খুছূছিয়াত মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক


‘নুযহাতুল মাজালিস’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত ইমাম কিসায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিসহ আরো অনেকেই বর্ণনা করেন, সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সৃষ্টি মুবারক করার পর উনার বাম পাঁজরের



মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ সর্ব প্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা ও মতবাদ অনুসরন ও অনুকরন করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম বা নিয়ম-নীতি তালাশ বা গ্রহণ করবে তার থেকে তা কবুল করা হবে না। আর সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ পবিত্র



বাংলাদেশবিদ্বেষী ও ইসলামবিদ্বেষীদেরকে বহিষ্কার করা জরুরী


প্রতিদিন মুসলমান মারা হচ্ছে ভারতে। এমনকি মূর্তিপূজারীদের মুসলিমবিদ্বেষিতা ও বাংলাদেশবিদ্বেষিতা এতোটা চরম যে, প্রতিদিনই মুসলমানদের হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত থেকে শুরু করে গোটা ভারত এখন মুসলমানদের জন্য উত্তপ্ত কড়াই। প্রতিটি পদে পদে, প্রতিটি ক্ষণে ক্ষণে সেখানে মুসলমানগণ উগ্রদের হামলার



পাগড়ী মুবারক পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক


পাগড়ী পরিধান করা দায়িমী সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা পাগড়ী মুবারক পরিধান করতেন। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের সময় উনার মাথা মুবারকে কালো রংয়ের পাগড়ী মুবারক ছিল। পাগড়ী মুবারক সম্পর্র্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



সামনে আর পাঁচ বছর


১১৪৫ হিজরী সালে কাফির-মুশরেকরা একজোট হয়ে ৩০০ বছরের একটা পরিকল্পনা এঁটেছিল। পরিকল্পনার লক্ষ ছিল মুসলমানদের যমীন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে তাদের দেশগুলোকে করায়ত্ব করা। তারা এই লক্ষমাত্রা অর্জনের পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশগুলোর উপরে



পবিত্র ‘উশর’ কি? এবং কিভাবে আদায় করতে হয়?


উশর: উশর শব্দটি এসেছে ‘আশরাতুন’ শব্দ থেকে। যার অর্থ হচ্ছে ১০ ভাগের ১ ভাগ। উশর হচ্ছে ফল-ফসলাদির যাকাত। সম্মানিত হানাফী মাযহাব মতে পবিত্র উশর উনার কোন নিছাব নেই। বিনা পরিশ্রমে যমীন থেকে উৎপাদিত ফল-ফসলাদির ১০ ভাগের ১ ভাগ বা তার মূল্য



মুসলমানদের বিয়ের বয়স নির্ধারন করে দেয়া রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম অবমাননার শামিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধান অনুসারে একজন মুসলমান যে কোন বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন। বিবাহের জন্য নারী পুরুষের কোন সুনির্দিষ্ট বয়সকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে নির্ধারন করে দেয়া হয়নি। তার মানে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাকে যারা মেনে চলবেন উনারা



বাল্যবিবাহ এবং হক্ব-নাহক্ব পার্থক্য


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছেন উত্তম আদর্শ মুবারক”। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



পবিত্র মসজিদ বনাম সরকারের দায়িত্ব


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মসজিদ হলো মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর, আর মাদরাসা হলো আমার ঘর।” সুবহানাল্লাহ! ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে মসজিদ ভেঙ্গে নাট্যশালা বানাবে। আরেক জায়গায় মসজিদ ভেঙ্গে কোয়াটার বানাবে। নাউযূবিল্লাহ!



আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক


সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক বেমেছাল। উনার কোনো মেছাল বা তুলনা নেই। উনার মেছাল শুধুমাত্র তিনি নিজেরাই। সুবহানাল্লাহ! তিনি বহু কারণে বা বিভিন্ন দিক থেকে বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা উনার অধিকারিণী। সাইয়্যিদাতুনা



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার অকাট্য প্রমাণ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ. وَإِن يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ . অর্থ: ক্বিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে। যদি তারা কোন নিদর্শন দেখে, তখন তারা ফিরে যায় এবং বলে এটা বিরাট জাদু।



রবীন্দ্রদের যে চেহারা প্রকাশ করা হয় তা ব্রিটিশের বানানো


বাঙালিরা আবেগপ্রবণ, তাই বলা হয়- হুজুগে বাঙালি। মুসলমানগণ কি সঙ্কীর্ণমনা হিন্দুত্ববাদী কবি-সাহিত্যিকদের আসল রূপ চিনে? সত্যি চিনতে পারলে তাদের নিয়ে হৈ চৈ করার বদলে একরাশ ঘৃণা প্রকাশ করতো। বঙ্গভঙ্গ রোধে ব্রিটিশ পাচাটা রবীন্দ্র নামক কথিত ‘কবি’ ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। বাংলা ভাগ