মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


সর্বশ্রেষ্ঠ ও মহাসম্মানিত পিতা উনার পবিত্রতম বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস পালন করার ফযীলত


আমি আপনি আমরা সকলেই কমবেশি নিজেদের পিতা-মাতা উনাদের ইন্তেকাল দিবস পালন করি। এ উপলক্ষে বিশেষভাবে দান-সদকা ও দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করি। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি যিনি আমাদের ঈমান দান করেছেন, যে উসীলায় আমরা সৃষ্টি হয়েছি সেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



আমীরুল মু’মিনীন, কাতিবে ওহী, জামিউল কুরআন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল ফযীলত


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَن حَضْرَتْ ثُمامة بن حَزْنٍ الْقشيرِي رحمة الله عليه قَالَ شَهِدْتُ الدَّارَ حِينَ أَشْرَفَ عَلَيْهِمْ حَضْرَتْ عُثْمَانُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ أنْشدكُمْ بِاللَّه وَالْإِسْلَامَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ



‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ নাম মুবারক উনার খুছূছিয়াত মুবারক এবং সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও জাদ্দাতু


‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক উনার অর্থ মুবারক হচ্ছেন- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ অনুগত বান্দা, মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব’। সুবহানাল্লাহ! আরবী অভিধান ও নাহু-ছরফের বিশ্বখ্যাত ইমাম মুহম্মদ ইবনে ক্বাসিম ইবনে মুহম্মদ



আল আতকা, আল মুত্তাক্বী মাহবূবু রসূলিল্লাহ, মাহবুবুল্লাহ হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ


আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খালা সা’দাহ নাম্মী এক মহিলা তিনি হঠাৎ একদিন উনার বাড়িতে এসে উনাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম! আপনি জেনে রাখুন, আমাদের মাঝে যে নবী ও



সাইয়্যিদুল ক্বওনাইন, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আবূ রসূলিনা আলাইহিস সালাম উনার খুছুছিয়ত মুবারক


মাখলুকাত মাঝে মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক আখাছছুল খাছভাবে মনোনীত ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি অন্যতম। তিনি মহান বারী তায়ালা উনার সর্বাধিক প্রিয়পাত্র বলেই নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধারণ করার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ



কোন মুসলমান সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছেড়ে অন্য কোনো তর্জ-তরীক্বা বা নিয়ম-নীতি পালন করলে সে কশ্মিনকালেও মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছেড়ে অন্য কোনো ধর্ম বা মতবাদ ও নিয়ম-নীতি তালাশ করবে তার থেকে সেটা কবুল করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” কোন মুসলমান সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছেড়ে



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরুদ্ধে যারা ফতওয়া দেয়ার চেষ্টা করে তারা শুধু পথভ্রষ্টই নয়, বরং বদচরিত্রও


অনেক বাতিল ফিরক্বার দল বিশেষ করে কওমী-ওহাবীরা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বা পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের বিপক্ষে বলতে গিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ-পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দলিল না দিয়ে বরং পথভ্রষ্ট কওমীদের ‘জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া’ নামক প্রতিষ্ঠানের



আজ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানী উনার ঈদ।


নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘পাঁচ রাত্রে নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুল হয়। এক. পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার পহেলা রাত্র, দুই. পবিত্র বরাত উনার রাত্র, তিন. পবিত্র ক্বদর উনার রাত্র, চার ও পাঁচ. পবিত্র



পবিত্র ঈদ উনার রাতের ফযীলত ও গুরুত্ব


বছরের যে পাঁচ রাতে দোয়া বিশেষভাবে কবুল হয় তার মধ্যে পবিত্র দু’ঈদ উনার দু’রাত অন্তর্ভুক্ত। এ রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দিগী, পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, পবিত্র দুরূদ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ, তাসবীহ-তাহলীল পাঠ, যিকির-ফিকির ও দোয়া-মুনাজাতে অতিবাহিত করা অতি



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে টেলিভিশনে পবিত্র হজ্জ দেখানো ও দেখা উভয়টাই হারাম


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ছবি তুলনেওয়ালা ও তোলানেওয়ালা সকলেই জাহান্নামী।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য ফতওয়া মতে, টেলিভিশনে পবিত্র পবিত্র হজ্জ দেখানো ও দেখা উভয়টাই হারাম ও কবীরাহ গুনাহ। কারণ টেলিভিশনের মূলই হচ্ছে ‘ছবি’। আর



পবিত্র কুরবানী উনার প্রতিদিন শত শত পবিত্র কুরবানী করে মামদূহ তিনি কী শেখান?


যামানার লক্ষ্যস্থল আওলাদে রসূল, মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রঙে রঙিন। তাই সঙ্গত কারণেই তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ও



আক্বীদা বিশুদ্ধ না হলে তাদের দ্বারা পবিত্র কুরবানীর পশু জবাই করলে ও তাদেরকে চামড়া প্রদান করলে কুরবানী কবুল হবে


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি কাদিয়ানী, ওহাবীদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয়। কাদিয়ানীরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শেষ নবী ও রসূল হিসেবে