মাসউদুর রহমান -blog


...


 


করোনা নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকা যা করছে, ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশ বাংলাদেশ তা কখনোই করতে পারে না। সরকারের এ কার্যক্রমে কোটি


আন্তর্জাতিক সমীক্ষা অনুসারে বাংলাদেশে ৬ কোটি কর্মক্ষম লোক রয়েছে যারা শ্রমিক, রিক্সাচালক ইত্যাদি বিভিন্ন পেশায় যাদেরকে মূলত ডেইলী লেবারের সংজ্ঞায় ফেলা যায়। সমীক্ষা অনুসারে, এদের হাতে খাবারের টাকা থাকে মাত্র ৩ দিনের। এরপর এদের না খাবার পালা। সরকার যেভাবে মসজিদে যেতে



বিধি-নিষেধ ও গুজবে দেশ ও জাতি করুন পরিণতির দিকে যাচ্ছে। দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের চরম দুর্দশায় ফেলা


অভিজ্ঞমহল মনে করেন, সরকার অঘোষিত লকডাউন দিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশ কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলছে। ঢাকাসহ সারাদেশে পরিবহণ খাতে- যারা বাস মিনিবাসের ড্রাইভার, সুপারভাইজার বা হেলপার হিসেবে কাজ করেন তারা মজুরি পান প্রতিদিনের ট্রিপ বা যাতায়তের উপর। যাত্রী ও যাতায়াত দুটিই কমে যাওয়ায়



ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে জাদু করার কারণে উনার দাসীকে ক্বতল বা মৃত্যুদণ্ড


ইমাম ত্ববারনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ جَارِيَةً لِحَفْصَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَحَرَتْهَا، فَاعْتَرَفَتْ بِهِ عَلَى نَفْسِهَا، فَأَمَرَتْ حَفْصَةُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بن زَيْدٍ، فَقَتَلَهَا অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে



ক্ষমতায় গেলে ইসলামবিরোধী কোনো আইন পাস করবে না’, কিন্তু এগুলো কি?


নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের একটি ইশতিহার ছিলো- “ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগ ইসলামবিরোধী কোনো আইন পাস করবে না”। অথচ এখন দেখা যাচ্ছে, ১) সংবিধান সংশোধন করে সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার উপর আস্থা ও বিশ্বাস কথাটি বাদ দেয়া হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! ২) বিজাতীয় ও



বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানদের সাথে বিরোধিতা!!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে



বিষাক্ত জিএম শস্য কেন নিষিদ্ধ হচ্ছে না, এ দেশের সরকার কি জিএম ফুড বিষয়ে অজ্ঞ?


বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশই বিষাক্ত বিকৃত জিন বা জিএম (জেনেটিক্যাল মডিফাইড) শস্য কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা করছে। ইউরোপের ২৬টি দেশের মধ্যে ১৯টি দেশে জিএম শস্য চাষ নিষিদ্ধ। ফিলিপাইনে গোল্ডেন রাইস ব্যা- করার জন্য সাধারণ জনগণ আন্দোলন পর্যন্ত করেছে। ভারতে প্রবল বিতর্ক এবং



নিয়ে উলামায়ে সূ’দের এবং ইফা’র বক্তব্য কুফরীমূলক, মনগড়া, দলীলবিহীন ও গুমরাহীমূলক হয়েছে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো তবে দলীল পেশ করো।” করোনা নিয়ে উলামায়ে সূ’দের এবং ইফা’র বক্তব্য কুফরীমূলক, মনগড়া, দলীলবিহীন ও গুমরাহীমূলক হয়েছে। তারা সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বিশ্বাস করে এবং মুছল্লীদেরকে মসজিদে ও জুমুয়ায় আসতে



বেশি বেশি মসজিদে যান, সকল রোগ-শোক থেকে সুস্থ ও নিরাপদ থাকুন


মুসলমান দ্বীন ইসলাম মানে এবং মানবে। পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ মানে এবং মানবে। শরীয়তের এই সীমার বাইরে কোন ডাক্তারি ফরমুলা, কোন বৈজ্ঞানিক থিওরি বা কোন প্রকা- আকৃতির ব্যক্তি বা মানুষকে দ্বীন ইসলাম স্বীকার করে না



উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মালানা কারা? কি তাদের পরিচয়?


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে যারা উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী তারাই সৃষ্টির নিকৃষ্টেরও নিকৃষ্ট।’ নাউযুবিল্লাহ! উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মালানা কারা? কি তাদের পরিচয়? এ সম্পর্কিত পবিত্র ইলম অর্জন করা



আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রের সার্বিক আনজাম যারা দিবেন উনাদেরকে বিশেষ ৪টি নিয়ামত দ্বারা সম্মানিত করা হবে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন – مَنْ حَفِظَ سُنَّتـِيْ اَكْرَمَهُ اللّٰهُ بِاَرْبَعِ خِصَالٍ اَلْمَحَبَّةُ ف۪ى قُلُوبِ الْبَرَرَةِ وَالْـهَيْبَةُ فِ۪ىْ قُلُوْبِ الْفَجَرَةِ وَالسَّعَةُ فِى الرِّزْقِ وَالثِّقَةُ فِى الدِّيْنِ .



রাস্তা-ঘাটের চেয়েও অনেক অনেক বেশি জরুরী পবিত্র মসজিদ অক্ষুণ্ন রাখা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার পাকড়াও বড় কঠিন।” তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শনসমূহকে অসম্মান করো না।” মহান আল্লাহ পাক উনার অন্যতম ও পবিত্রতম নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন পবিত্র মসজিদ।



কথিত ইসলামিক ফাউণ্ডেশন কি ‘শরয়ী’ ফায়সালা দেয়ার যোগ্যতা রাখে?


সম্মানিত মুসলমানদের আক্বীদা, আমল, আখলাক্ব, বক্তব্য, লিখনী সঠিক হিসেবে প্রমাণ করতে হলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দলীল- পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা’ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে প্রমাণ করতে হবে। যারটা উক্ত দলীল সমূহের দ্বারা প্রমাণিত হবে,