মাসউদুর রহমান -blog


...


 


পবিত্র ১৯ শাওওয়াল শরীফ বিশেষ নিয়ামত লাভের বিশেষ দিন ॥ সকল মু’মিন-মু’মিনা, সালিক-সালিকার স্মরণীয় দিন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لايات لكل صبار شكور. অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উহার মধ্যে



চাঁদ দেখা ও আরবী মাসের তারিখ ঘোষণা নিয়ে ষড়যন্ত্রের নেপথ্য কথা


পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক প্রতি মাসেই ২৯তম দিন শেষে আকাশে খালি চোখে চাঁদ দেখে মাস শুরু করতে হয়। কিন্তু অনেক নামধারী মুসলিম দেশ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুসরণ না করে মনগড়াভাবে চাঁদের তারিখ ঘোষণা করছে। গভীরভাবে তলিয়ে দেখার পর জানা গেল-



কথিত আযহারী নামধারী মিজানের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড


কোনও আলেম উলামা বা ইসলামী আলোচক যখন আলোচনা করবে তখন খেয়াল করতে হবে তার আলোচনায় আমাদের প্রানপ্রিয় রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উনার মহাসম্মানিত পরিবারবর্গ উনাদের সম্পর্কে সে কিভাবে উক্তি করছে বা সম্মান রেখে কথা বলছে কিনা। এটুকু দেখেই বুঝে



কৃষিতে বাজেট বরাদ্দ ১২ শতাংশের ওপর রাখার পরামর্শ


কৃষিতে বাজেট বরাদ্দ ১২ শতাংশের ওপর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। এজন্য কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, কৃষকদের প্রণোদনা অব্যাহত রাখা, অতিরিক্ত খাদ্যশস্য সংরক্ষণের জন্য বাজেটে ব্যবস্থা রাখার কথা বলেছেন তারা। কৃষকদের বিনা সুদে কৃষি ঋণ দেয়া, সারের ওপর ভর্তুকি অব্যাহত রাখার সুপারিশও করেছেন অর্থনীতিবিদরা।



সম্রাজ্যবাদীদের আগ্রাসনঃ দেশীয় শিল্প ধ্বংস


চকবাজারে দেশী পণ্যের বিরুদ্ধে অভিজান করলেন, কিছু হলো না। ৫২ পণ্যের বিরুদ্ধে অভিজান করলেন, কিছু হলো না। নিউ মার্কেটের ফাস্ট ফুড দোকানগুলোতে অভিজান করলেন, কিছু হলো না গ্রিন লাইন বাস কাউন্টারের বিরুদ্ধে অভিজান করলেন, কিছু হলো না। কিন্তু যেই না, আড়ং



ব্রিটিশ পত্রিকার দাবী, সৌদি চাঁদ না দেখে চাঁদের ঘোষণা দিয়েছে।


ব্রিটিশ মহাকাশবিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন আরবদের ঈদের চাঁদে নাকি ভেজাল ছিল। গ্রীনউইচ রয়াল অবজারভেটোরির মহাকাশবিজ্ঞানের ডাটা অনুযায়ী ৩ রা জুন কেবল সৌদী আরব নয় পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দৃশ্যমান হয়নি। তাদের মতে আরবগন একদিন কম রোজা রেখেছেন। https://morningstaronline.co.uk/article/w/saudis-cause-controversy-in-the-muslim-world-for-celebrating-the-end-of-ramadan-a-day-earlier?fbclid=IwAR0jfNIUJMWWtoPXoendJ7tEmCdULP84vp6lL0HGKKBjhlptjx_XOneooa4



সম্মানিত খলীফা উনার কাছেই যাকাত, উশর, ফিতরা ইত্যাদি যাবতীয় ফরয ওয়াজিব দান-ছদক্বা পৌঁছাতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত যাকাত উনার বিধান নাযিল পূর্বক ইরশাদ মুবারক করেন- خُذْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيْهِم بِهَا وَصَلِّ عَلَيْهِمْ إِنَّ صَلَاتَكَ سَكَنٌ لَّهُمْ ۗ وَاللهُ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ অর্থ: (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)



শিশুরাও অপসংস্কৃতির আগ্রাসনের শিকার!


স্যাটেলাইট টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে বিজাতি-বিধর্মীদের অপসংস্কৃতি মহামারি রূপে ছড়িয়ে পড়ছে। এর দ্বারা মুসলিম তাহযীব-তামাদ্দুন আস্তে আস্তে ভুলে যাচ্ছে এদেশের জনসাধারণ। এই অপসংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি বদ-তাছীর করছে শিশুতোষ মেধা ও মননে। এ ব্যাপারে আমি একটি বাস্তব ঘটনা বর্ণনা করছি; আমি এক



বেমেছাল শান-মান ও মর্যাদা মুবারকে সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম উনারা অভিষিক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা উনার রহমতে খাছ দ্বারা পরিবেষ্টন করে নেন।’ অর্থাৎ মুরাদ বা বা মাহবুব তথা একান্ত আপন করে নেন। উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী



২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَنْ قَاَم رَمَضَانَ اِيْـمَـانًا وَّاِحْتِسَابًا غُفِرَ لَه مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه অর্থ: “যে ব্যক্তি রমাদ্বান মাসে ঈমান ও ইহসানের সাথে তারাবীহ নামায আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত গুনাহখতা



পবিত্র রমযান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে না কেন?


হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! মুসলমানদের জন্য রমযানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মুনাফিকদের জন্য রমযান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির



একই দিনেই বা একই সময়ে সারাবিশ্বে ঈদ করার কথা যারা বলে, তারা চরম জাহিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সর্ম্পকে যে একেবারে অজ্ঞ, গণ্ডমুর্খ তাকেই আরবী ভাষায় জাহিল বলে এবং জিহালতের মাত্রা যার মধ্যে বেশি পরিলক্ষিত হয় তাকে বলা হয় চরম জাহিল। উল্লেখ্য, চাঁদ ও সূর্যের সাথে সম্মানিত মুসলমান উনাদের ইবাদত বন্দেগীর বিষয়টি জড়িত। পবিত্র ঈদ কবে