মাসউদুর রহমান -blog


...


 


মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই হলেন ‘নিয়ামতে উজমা’


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদেরকে যে নিয়ামত মুবারক দেয়া হয়েছে, তোমরা সে নিয়ামত মুবারক উনাকে স্মরণ কর।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৩) এ পবিত্র আয়াত



স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই চরম অবমাননাকর ও


স্কুল কলেজগুলোর অধিকাংশ রচনা বা লেখনীগুলোর কোন অমুসলিম, কোনটা বিধর্মী, কোনটা নস্তিক, কোনটা ইসলামবিদ্বেষী লেখকদের লেখা। এছাড়া বাকি যে লেখাগুলো আছে তার লেখকরাও কি ধরনের মুসলমান সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ। কারন সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে



সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১৩ দিন বাকি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফদ্বল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ



সরকারের অনেক ভালো কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইসলামবিদ্বেষী পত্র-পত্রিকা, মিডিয়াগুলো


বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন নামক শরীয়ত বিরোধী কুফরী আইনটি নিয়ে খোজ-খবরটি নিয়ে জানা যায়- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশে ও মহিলা-শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের অভিমতে ১৮ বছরের নিচের মেয়েদের জন্য বিশেষ কারণে বিবাহ গ্রহণযোগ্য করার যৌক্তিকতা গ্রহণযোগ্য হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই অনুশাসনের



একটি ইতিহাস বিশ্লেষণ: মূর্তি দ্বারা মুসলিম উচ্ছেদই হলো বাবরি মসজিদের শাহাদাতের শিক্ষা, যা এখনও মুসলমানরা অনুধাবন করতে পারছে না


বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও তৎপরবর্তী যেসব ঘটনা, তার সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৪৯ সালের একটি রহস্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ঐ বছরের ডিসেম্বর মাসে কোনো এক মধ্যরাতে বাবরি মসজিদের মিহরাবের মধ্যে কল্পিত শিশু রামের একটি মূর্তি রেখে আসা হয়। সকালে রটিয়ে দেয়া হয় যে,



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রকার পবিত্র ইলম মুবারকসহই সৃষ্টি হয়েছেন এবং যমীনে তাশরীফ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমাকে সমস্ত পবিত্র ইলম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রকার পবিত্র ইলম মুবারকসহই সৃষ্টি হয়েছেন এবং যমীনে



চলমান ১৪৪২ হিজরী হিসেবে আগামী ২৬শে ছফর শরীফ, ১৬ই খমিস ১৩৮৮ শামসী, ১৪ই অক্টোবর ২০২০ খৃঃ, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনগুলো তাদেরকে অর্থাৎ ঈমানদার বান্দাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে ধৈর্যশীল, শোকরগোযার বান্দাদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! চলমান ১৪৪২ হিজরী হিসেবে আগামী



ঈমানদার হিসেবে দাবিকারী প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতিটি বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত অনুযায়ী আক্বীদা পোষণ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদাররা! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না। যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দৃষ্টিতে- যারা মুসলমান দাবি করেও পূজায় সাহায্য-সহযোগিতা করে, প্রসাদ খায়, শুভেচ্ছা


মূর্তিপূজা তথা শিরক করা যে কত কঠিন একটি গুনাহ, এ সম্পর্কে খালিক মালিক রব মহান আল্লাহপাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক তিনি শিরক-এর গুনাহ মাফ করবেন না। শিরক ছাড়া অন্য যত গুনাহ আছে সেগুলো যাকে ইচ্ছা মাফ করে দিবেন।’’



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘আমি মূর্তি


অনেকেই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অর্থকে যার যার মতো করে ব্যাখ্যা করে বুঝাতে চায়- ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক শুধুমাত্র পূজার জন্য যে মূর্তি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা হবে, সেটাই নাকি নিষিদ্ধ। আসলে এই ব্যাপারটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি



যে ব্যক্তি মসজিদ ভাঙ্গে বা উচ্ছেদ করে সে ব্যক্তি সবচেয়ে বড় যালিম


যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম কে আছে যে পবিত্র মসজিদে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির আযকার করতে বাধা প্রদান করে।” উল্লেখ্য যে, মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর।



যার তার পিছনে যেরূপ নামায পড়া জায়িয নেই; তদ্রপ যাকে তাকে যাকাত দেয়াও জায়িয নেই


যেই ব্যক্তির ঈমান-আক্বীদা ছহীহ-শুদ্ধ নয় এবং যে ব্যক্তির আমল-আখলাক্ব ছহীহ শুদ্ধ নয় অর্থাৎ যার আক্বীদা সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদার ন্যায় আক্বীদা নয় এবং যার আমল-আখলাক্ব সম্মানিত শরীয়ত ও সম্মানিত সুন্নত মুয়াফিক্ব নয় তথা যারা ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা