মাসউদুর রহমান -blog


...


 


সংবিধানে মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল করতে হবে


সংবিধানের প্রজাতন্ত্র অধ্যায়ে ৭ (২) ধারায় সংবিধানের প্রাধান্য প্রসঙ্গে বিধান রয়েছে- ‘জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসমঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।’ তাহলে আইনের



ঈমানদার-মুসলমানদের বৈশিষ্ট্য


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا مَنْ يَرْتَدَّ مِنْكُمْ عَنْ دِينِهِ فَسَوْفَ يَأْتِي اللهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ أَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِينَ يُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللهِ وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ ذَلِكَ فَضْلُ اللهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ



নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়ত সম্মত নয়


মাসয়ালাটি শুনে নতুন মনে হতে পারে কিন্তু এটাই সত্য ও সঠিক মাসয়ালা যে, নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়ত সম্মত নয়। কেবল যাকাত-ফিতরার ক্ষেত্রেই নয় অনেক মাসয়ালাই মানুষ মনগড়াভাবে এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আমল করে থাকে। যেমন বাজার থেকে



যারা ছবি তুলে, তৈরি করে, অঙ্কন করে তারা খোদা দাবিকারী নমরূদ, ফিরআউনের উত্তরসূরি


সরাসরি রব দাবি করেছিল চির মালউন, জাহান্নামী নমরূদ ও ফিরআউন। আর পরোক্ষভাবে বর্তমানে খোদা তথা সৃষ্টিকর্তা দাবি করতেছে তারা, যারা ছবি তুলে, আঁকে, অঙ্কন করে ও তৈরি করে এবং যারা মূর্তি, ভাস্কর্য, ম্যানকিন, পুতুল ইত্যাদি তৈরি করে। কেননা পবিত্র দ্বীন ইসলাম



সুন্নত মুবারক উনার আমলের কোন মেছাল নেই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ



মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত করার বিশেষ প্রতিদানসমূহ


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী, পূত-পবিত্র আহলু বাইত শরীফ অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম



নিষিদ্ধ করতে হবে ইসলাম বিদ্বেষী সিনেমা ‘ন ডরাই’


ভারতীয় লেখক শ্যামল সেনগুপ্তের চিত্রনাট্যে নির্মিত চরম অশ্লীল চলচ্চিত্র ‘ন ডরাই’ মুসলিম বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছে গত ২৯ নভেম্বর। ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারপারসন মাহবুব রহমানের এই অশ্লীল চলচ্চিত্রটি পশ্চিমা নারী স্বাধীনতার কনসেপ্ট নিয়ে রচিত। ছবিটির বিভিন্ন দৃশ্য এতটাই অশ্লীল যে, পশ্চিমা ভোগবাদী



বোরকা কালো রংয়ের হওয়া উচিত


বোরকা’ কালো রংয়ের হওয়াই উত্তম। কেননা কালো রং ব্যতীত অন্যান্য রংয়ের মধ্যে আলাদাভাবে একটা সৌন্দর্য্য ফুটে উঠে। আর বোরকা পরিধান করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- খাছভাবে ছতর ঢেকে পর্দা করা ও সৌন্দর্য্যকে চুপিয়ে রাখা, যা কালো রংয়ের বোরকার মাধ্যমে সহজেই সম্ভব। কালো



এক নজরে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বা’দা উম্মিহী, হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু


কায়িনাতের বুকে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আইমান আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ



সংবিধানে ‘মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করা হোক


১৯৭৯ সালে সংবিধানে ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে ‘মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ বাক্য স্থাপন করা হয়। দুই যুগেরও বেশি সময় পর্যন্ত সংবিধানে এ বাক্যটি ছিল। এমনকি ১৯৯৬-২০০১ সময়ের আওয়ামী লীগ আমলেও। এরপর হঠাৎ একদিন দেশের ধর্মপ্রাণ



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদের জন্য শুভ সংবাদ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আবু দ্বারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত



মালিকুত তামাম, ক্বসিমুন নিয়াম, সাইয়্যিদুল আনাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- النَّبِيُّ أَوْلٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ أَنفُسِهِمْ অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মু’মিনগণ উনাদের নিকট সর্বাধিক প্রিয়।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬) মহান আল্লাহ পাক তিনি