মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


উট, মহিষ ও গরুর মধ্যে কয়টি নাম দেয়া যাবে?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضَرْتُ جَابِرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ البَقَرَةَ عَنْ سَبْعَةً والجزور عَنْ سَبْعَةً অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম



পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজে গাফলতি করা যাবে না বরং পরস্পরকে সহযোগিতা করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র কুরবানীর পশুকে সম্মান করার কথা ইরশাদ মুবারক করেছেন। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تُحِلُّواْ شَعَآئِرَ اللّهِ وَلاَ الشَّهْرَ الْحَرَامَ وَلاَ الْهَدْيَ



পবিত্র কুরবানীর টাকা কুরবানী না দিয়ে ‘দান’ করার কথা বলা জিহালতী


পবিত্র কুরবানী উনার টাকা অন্য কোনো খাতে দেয়া যাবে না। কারণ পবিত্র কুরবানী করার জন্য যে বরাদ্দ করা হয় তা অন্য সব খাতে ব্যয় করার চাইতে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে প্রিয়। এ বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণিত আছে, عَنْ



ইবনু রসূলিল্লাহ, আশবাহুল খলক্বি বিরসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, আল মুবাশ্শির, আল আবাররু, আল আজওয়াদ


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি ৮ম হিজরী সনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করে সমস্ত জিন-ইনসান ও তামাম কায়িনাতবাসীকে অফুরন্ত রহমত-বরকত,



পবিত্র কুরবানীর পশু এবং কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজকে সম্মান করতে হবে


পবিত্র কুরবানীর পশু হলো মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্রতম নিদর্শন। যেহেতু পশু কুরবানীর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল কারা যাবে। সেহেতু উক্ত পশু ও করবানী করার সংশ্লিষ্ট কাজগুলিও নিদর্শন মুবারকের অন্তর্ভূক্ত। এ প্রসঙ্গে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ



সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, বিদ‘আতুম মির রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রাবিয়া’হ


সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ উনার বিষয়ে বিভিন্ন দিকে থেকে প্রস্তাব মুবারক এবং এই বিষয়ে খোদায়ী ফায়ছালা মুবারক: বিভিন্ন কিতাবের বিভিন্ন বর্ণনা থেকে বিষয়টি স্পষ্ট যে, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবত মুবারক হাছিল করার লক্ষ্যে এবং



যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের সম্মানকারীর জন্য দশটি নিয়ামত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদমুবারক করেন, “পবিত্র যিলহজ্জ মাসেপ্রথম দশ দিনকে যে ব্যক্তি সম্মান তথা মর্যাদা দান করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে



গযবের তাপ থেকে নেই কোন মাফ


নজিরবিহীন তাপে পুড়ছে পুরো ইউরোপ, আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া, উত্তর কোরিয়া, জাপান, চীন, পর্তুগাল পাশ্ববর্তী মুশরেকগুলো অর্থাৎ কাফের-মুশরেকদের প্রায় সবগুলো দেশই গযবের তাপে পুড়ছে। তারা এটাকে অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গকারী গরম বলে অভিহিত করছে। গরমের তান্ডব দেখে তাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের এবারকার বিবৃতি হচ্ছে-



সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, লাসতুন্না কাআহাদিম মিনান নিসা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তা’রীফ ও তা’যীম


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিতা আযওয়াজ বা আহলিয়া আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই হচ্ছেন উম্মুল মু’মিনীন অর্থাৎ মু’মিনগণ উনাদের মা। উম্মুন শব্দটি একবচন, বহুবচন উম্মাহাতুন। অর্থ মা। আর মু’মিন শব্দটির বহুবচন



পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের প্রথম দশ রাত ও দিনের ফযীলত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ اَيَّامٍ اَحَبُّ اِلَى اللهِ اَنْ يَّتَعَبَّدَ لَهٗ فِيْهَا مِنْ عَشْرِ ذِى الْحِجَّةَ يَعْدِلُ صِيَامُ كُلِّ يَوْمِ مِّنْهَا



জিহাদ থেকেও বেশি ফযীলতপূর্ণ হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের খিদমত করা


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোনো প্রতিদান চাই না। আর তোমাদের পক্ষে তা দেয়াও সম্ভব নয়।



কুরবানীর বিরোধিতাকারীরা মুরতাদের অন্তর্ভুক্ত


সম্মানিত কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে ঘোষিত বিধান। হযরত আবুল বাশার আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে আখিরী নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার