মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


কেবলমাত্র যাকাতভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়। পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা। পাত্রে ময়লা রেখে ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা করা



সাইয়্যিদাতুন নিসা, হাবীবাতুল্লাহ, আফযালুল নিসা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার ছোহবতেই নারী জাতি পেতে পারে ইহকাল ও


অবুঝ শিশু যেমন না বুঝে আগুনে ঝাঁপ দেয়, আজ নারী সমাজও বাতিলের খপ্পরে পড়ে না বুঝে জাহান্নামের কঠিন আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছে। তারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আদর্শকে ছেড়ে নষ্ট করে দিচ্ছে তাদের ইজ্জত আবরুকে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম নারী জাতিকে যে মর্যাদা



মুবারক হো ১৯শে শাওওয়াল শরীফ! আযীমুশ্ শান বেমেছাল নিসবাতুল আযীম মুবারক উনার মাধ্যমে সমুজ্জ্বল সুন্নতী শান মুবারক


  পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসটি অনেক কারণে মর্যাদাম-িত ও ফযীলতপূর্ণ। পবিত্র ১লা শাওওয়াল শরীফ মুসলমানদের জন্য ঈদের দিন। এ দিনটিই আবার খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এক শ্রেষ্ঠতম মহান আশিকাহ, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আওলাদে রসূল



১৪ শাওওয়াল শরীফ: হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার স্মরণে রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সরকারের করণীয় কিছু


  আমাদের দেশে বর্তমানে ফাসিক-ফুজ্জার, বেহায়া-বেশরা, যবন মার্কা চিহ্নিত কোনো দালালের মরণ বার্ষিকী, পয়দা বার্ষিকী আসলে খোদ সরকারের তরফ থেকেই পালন করা হয়। আর ওই সমস্ত চরিত্রহীন বেহায়াদের জন্য জনগণের টাকা-পয়সা খরচ করে নানা রকম অনুষ্ঠান আয়োজনের নামে অপচয় করা হয়।



গোসল উনার ফরয


গোসল উনার ফরয তিনটি : ১. কুলি করা। ২. নাকে পানি দেয়া। ৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছানো। জ্ঞাতব্য বিষয় : গড়গড়ার সাথে কুলি করা আবশ্যক, তবে রোযাদার ব্যক্তিদের জন্য গড়গড়া করতে হবে না। নাকের ভিতরের উপরিস্থ শক্ত হাড্ডি পর্যন্ত পানি প্রবেশ



হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ


দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মুজাদ্দিদ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুবারক তাশরীফ আনয়নের ভবিষ্যদ্বাণী স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ব্যক্ত করেছেন। তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-



আদব সম্পর্কে


  আদব অর্থ স্বাভাবিকতা। অর্থাৎ যা স্বাভাবিক, তাই আদব। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে বলা হয় স্বাভাবিকাতার দ্বীন। অর্থাৎ অন্য ভাষায় ইসলাম আদব উনারই দ্বীন। অপর দিকে এ সম্পর্কে কিভাবে বলা হয়েছে যে, التصوف كله ادب অর্থ: তাছাউফ সম্পূর্ণই আদব উনার অন্তর্ভূক্ত।



যে সম্মানিত ইবাদত সমস্ত ইবাদত-বন্দেগীকে পূর্ণতা দান করে।


সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কুল-মাখলুকাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত। যে সম্মানিত ইবাদত উনার সাথে অন্য কোন ইবাদতের তুলনা চলবে না। এছাড়া অন্য সকল ইবাদতসমূহকে পূর্ণতা দানকারী ইবাদত হচ্ছেন সম্মানিত যাকাত। সম্মানিত যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করলে এবং হক্কস্থানে না পৌঁছালে অন্য ইবাদত-বন্দেগী কবুল



মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক, বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্রবর্তিত দিবসসমূহ পালন করা হারাম। যে পালন করবে, সে মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে


সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি “আইয়্যামুল্লাহ” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত দিবসসমূহ পালন করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। বিপরতী পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বিজাতিদের প্রবর্তিত ও পালিত দিবসসমূহ পালন করতে নিষেধ



মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার আনুগত্যের মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক তিনি বিশ্ববাসীকে হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকার তাওফীক দান করুন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কলামে পাকে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।” ইসলাম একটি ব্যাপক বিষয়ের নাম। যাকে দ্বীন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। আর এই দ্বীন



পবিত্র ১৯শে শাওওয়াল শরীফ সারা কায়িনাতবাসীর জন্য নিয়ে এলো বেশুমার রহমত, বরকত, সাকীনা ও অশেষ খুশি


অনেক অনেক দিন পূর্বের কথা। পবিত্র ভূমি আরব দেশের মদীনা শরীফ থেকে বাংলাদেশে আসেন অনেক হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। পরবর্তীতে আসেন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ



নিসবতে আযীমাহ তথা সম্মানিত বন্ধন মুবারক


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে খ¦ইরে কাছীর অর্থাৎ সমস্ত ভালাই বা কল্যাণ মুবারক হাদিয়া করেছেন। যার কারণে উনার সাথে যিনি বা যারা নিসবত বা সম্পর্কযুক্ত হয়েছেন