মাসউদুর রহমান -blog


...


 


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لقد كان فى قصصهم عبرة لاولى الالباب. অর্থ: ‘অবশ্যই উনাদের ওয়াকিয়া বা ঘটনাসমূহে জ্ঞানীগণের জন্য ইবরত-নসীহত রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনার মধ্যে হযরত ইউসুফ আলাইহিস



বর্তমান কুফরী শিক্ষানীতি পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক



শরীয়ত অনুযায়ী মূর্তি, ভাস্কর্য তৈরি করা, স্থাপন হারাম। সুতরাং সকল মূর্তি ভাস্কর্য অপসারণ করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা মূর্তি সমূহের অপবিত্রতা, নাপাকি থেকে বেঁচে থাকো।” (পবিত্র সূরা হজ্ব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩০) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে “যারা প্রাণীর মূর্তি তৈরি করবে ক্বিয়ামতের দিন তাদের কঠিন



শবে বরাত শরীফ উনার আ’মল


শবে বরাত হচ্ছে মুক্তি বা ভাগ্য অথবা নাজাতের রাত। অর্থাৎ বরাতের রাত্রিতে ইবাদত-বন্দেগী করে ও পরবর্তী দিনে রোযা রেখে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সন্তুষ্টি অর্জন করাই মূল উদ্দেশ্য। শবে বরাতে কোন্ কোন্ ইবাদত-বন্দেগী করতে



আরও ১০ কারণ: মুসলমান কিছুতেই পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারে না


(১) ‘এসো হে বৈশাখ’ বলা নিষেধ। কারণ এর দ্বারা মাখলুকের নিকট কল্যাণ কামনা করা হয়। অথচ কল্যাণের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি। (২) মূর্তি নিয়ে বড় বড় র‌্যালি বের করা যাকে অমঙ্গল যাত্রা বলা হয়, এটা নিরেট হিন্দুদের ধর্মীয় কাজ।



যাকাত কাদের উপর ফরয?


যারা মালিকে নিছাব বা ছাহিবে নিছাব, তাদের উপর যাকাত ফরয। আর মালিকে নিছাব বা ছাহিবে নিছাব বলতে বুঝায়, যে মুসলমান স্বাধীন, বালেগ বা বালেগার নিকট ‘হাওয়ায়েজে আছলিয়াহ (নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, মাল-সামানা) বাদ দিয়ে কর্জ ব্যতীত নিজ মালিকানাধীনে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা



মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُهۤٗ اُمَّهٰتُهُمْ. অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মু’মিন উনাদের নিকট উনাদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয়, উনাদের মহাসম্মানিত পিতা



নববর্ষ পালনকারীরা কাট্টা গুমরাহ


আমরা মুসলমান। আমাদের দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম”। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯) আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ



স্কুল-কলেজের এসব পাঠ্যবইতো মুসলমানদের জন্য নয়!!


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা, কবিতা



সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- পহেলা বৈশাখ পালন জঘন্যতম শিরক


যে বদ আমলের দ্বারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য ও সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করার পরিবর্তে পাপ অর্জিত হয় সে বদ আমলের মধ্যে শিরিক হচ্ছে সবচাইতে ভয়াবহ জঘন্যতম। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু



১৯৫৮ সালে শুরু হওয়া পহেলা বৈশাখ হাজার বছরের ঐতিহ্য হয় কি করে?


বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত বাংলা সন আদৌ বাঙালির কোনো সন নয়। বরং এটি শাষক আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এ অঞ্চলের ক্ষেত-খামারে উৎপাদিত ফসলের হিসাব-নিকাশ সহজবোধ্য করার জন্য একটি নতুন সন। যাকে ‘ফসলী সন’ বলা হয়। এটার সাথে এদেশবাসী কিংবা বাঙালি জাতির কোনো



১লা বৈশাখ ও অমঙ্গল যাত্রাকে ‘হালাল’ মনে করা কুফরী


দেশ-গ্রামে শুনা যায়- ছেলে-মেয়েরা আমগাছের দিকে গেলেই বলা হয়, পরব বা পর্ব না গেলে কাঁচা আম খাওয়া যাবে না। অর্থাৎ ১লা বৈশাখকে পর্ব বা উৎসব বলা হয়ে থাকে। বলে থাকে, ১লা বৈশাখের পূর্বে কাঁচা আম খেলে পেট থেকে রক্ত যাবে, এটা