মাসউদুর রহমান -blog


...


 


পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ: ‘সর্বোচ্চ আর্থিক বরাদ্দ ও ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে’ -এটা মুসলমানদের অধিকার


এদেশের প্রতিটি খাত, প্রতিটি সেক্টর, প্রতিটি উন্নয়ন- প্রত্যেকটিই হলো দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের একক অবদান। এখানে অন্য কারো তুলনা আনা যায় না। যে দেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠিই মুসলমান, সেখানে ভিন্ন কোন কথা তারাই বলবে, যাদের মধ্যে ঈমানের ঘাটতি আছে, মুসলমানিত্বের ঘাটতি



যারা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে


দুনিয়াবী জিন্দেগীতে দেখা যায় কোনো নেতা-নেত্রী কিংবা কোনো বিশেষ ব্যক্তির জন্মদিন বা যেকোনো বিষয় নিয়ে কটূক্তি করলে সরকার তাদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করে। আবার দেখা যায় রাষ্ট্রের কোনো বিষয় নিয়ে বাজে মন্তব্য করলে দেশদ্রোহী হয়। নারী টিজিংয়ের জন্যও সরকার আইন



পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


সুওয়াল: আমাদের এলাকার এক মসজিদের ইমামের বক্তব্য হচ্ছে, পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস তা নাকি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত নয়। উক্ত ইমাম তার বক্তব্যের



পবিত্র হাদীছ শরীফ ব্যতীত ইসলামী শরীয়ত অনুধাবন করা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার একমাত্র মনোনীত, পছন্দনীয়, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত ও পরিপূর্ণ দ্বীন হচ্ছে ইসলাম। আর এই সুমহান দ্বীন ইসলাম উনার সকল বিষয়েরই সুন্দর ও সুষ্ঠু সমাধান দিয়েছেন এই পবিত্র হাদীছ শরীফ বা পবিত্র সুন্নাহ শরীফ। পবিত্র হাদীছ শরীফ বা পবিত্র



ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী


মা’শূক্বে মাওলা, ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে অসংখ্য অগণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মু’জিযা শরীফ প্রকাশিত হয়েছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করা কস্মিনকালেও



জুলুমতন্ত্র থেকে খালিছ ইস্তিগফার-তওবা করুন


গণতন্ত্রের কারণে সরকারের নীতি নির্ধারণকারী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে নিম্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী পর্যন্ত প্রায় সকলেই প্রতিযোগিতামূলকভাবে চুরি ডাকাতি, ছিনতাই, রাহজানী, খুনখারাবি ইত্যাদি অপরাধ অপকর্মে লিপ্ত। নাউযুবিল্লাহ! অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন, প্রশাসন ইত্যাদি কোন কাজই আসছে না। যাকে যে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে



আফসুস! নির্জীব মুসলমানদের জন্য!


কাফির-মুশরিকদের সুদূরপ্রসারী মহাপরিকল্পনার ফাঁদে আটকে মুসলমানগণ ঈমান হারিয়ে এখন আত্মাবিহীন মৃত মানুষে পরিণত হয়েছে। মৃতের লাশ ইচ্ছেমত কাটাছেঁড়া করা যায়। কারণ মৃত ব্যক্তির প্রতিবাদ করার শক্তি নাই। বর্তমান আখিরী যানামায় সারা বিশ্বের মুসলমানদের অবস্থাও মৃত ব্যক্তির মতোই। পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিনশ



বাংলাদেশ সরকারসহ সকল দেশের সরকার ও জনগণের জন্যই দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- করোনাসহ আযাব-গযব, বালা-মুছীবত তথা সর্বপ্রকার দুর্যোগ থেকে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার পবিত্র যিকির বা আলোচনা মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে পবিত্র ইজমা শরীফ হয়েছে যে, পবিত্র



রিযিকের সংকীর্ণতা দূর করতে সাধ্যমত দান করুন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لِيُنفِقْ ذُو سَعَةٍ مِّن سَعَتِهِ وَمَن قُدِرَ عَلَيْهِ رِزْقُهُ فَلْيُنفِقْ مِمَّا آتَاهُ اللَّهُ لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا مَا آتَاهَا سَيَجْعَلُ اللَّهُ بَعْدَ عُسْرٍ يُسْرًا অর্থ: বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে



বিশেষ ইন্তেজামে ৬৩ দিনব্যাপী মাহফিল : মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম মহাপবিত্র রবীউল আউয়াল শরীফ উনাদের


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফযল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক হিসেবে আপনাকে লাভ করার কারণে বিশ্ববাসী যেন খুশি মুবারক



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মান-মর্যাদা ও গুরুত্ব বুঝতে- চলো যাই রাজারবাগ দরবার শরীফ দলে দলে


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু



আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ২৬শে মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব, যে উম্মত আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ২৬শে মুহররমুল হারাম