মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


মুবারক হো সুমহান পবিত্র ২২শে শাওওয়াল শরীফ: উম্মু আবীহা, উম্মুল খইর সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র


নারায়ে তাকবীর- আল্লাহু আকবার শাহযাদী ঊলা- জিন্দাবাদ শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা- জিন্দাবাদ শাহ নাওয়াসী ক্বিবলা- জিন্দাবাদ আহলে বাইত শরীফ- জিন্দাবাদ সুমহান পবিত্র ২২শে শাওওয়াল শরীফ। উম্মু আবীহা, ফক্বীহাতুন নিসা, মাদারযাদ ওলী, ক্বায়িম-মাক্বামে সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল



সম্মানিত আযানের সুমধুর আওয়াজে ফুল ফুটে


আফ্রিকার জঙ্গলে মানুষ খেকো গাছের অভাব নাই। আবার বাংলাদেশের গ্রামে লজ্জাবতী গুল্ম দেখা যায়। মানুষ কিংবা অন্য প্রাণীর স্পর্শ পেলে সংকোচিত হয়। গাছপালার হেন অলৌকিক ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। রহস্যময় এই পৃথিবীতে অলৌকিকতার হিসাব অনেক বড়। অনেক অলৌকিক ঘটনা আমাদের চোখের



যেসব পত্রিকা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মুখালিফ সেগুলোকে বর্জন করুন


মুনাফিক লাদেন, আইএস, তালেবান, সউদী ওহাবী শাসক বা তার সমগোত্রীয়রা কি বলছে সে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বেশি বেশি লেখালেখি করে থাকে এক শ্রেণীর পত্রিকা। ইহুদী-নাছারা সর্বাবস্থায় চায় কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করা যায়। বর্তমান কালের মুসলমানদের ঈমানের জযবা, ঈমানী



হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার আগমনে পবিত্র দ্বীন ইসলাম, পবিত্র দ্বীন ইসলাম হিসেবে আছে


হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে- তিনি যদি ওই সময় না আসতেন অর্থাৎ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে না পাঠাতেন, তাহলে মুসলমানরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দিকে না যেয়ে গ্রিক দর্শনের



মওদূ’ ও দ্বয়ীফ বলে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আমলের প্রতি নিরুৎসাহিত করণের চক্রান্ত ৭২টি বাতিল ও জাহান্নামী ফিরক্বার লোকদের


প্রকাশ থাকে যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী মুবারক ব্যতীত নিজের থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না।” (পবিত্র সূরা নজম শরীফ



ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শান মুবারক নিয়ে উলামায়ে


কুখ্যাত উলামায়ে ‘সূ’ আবূল ফযল, ফৈজী, মুল্লা মুবারক গং তারা ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটি বক্তব্যের সঠিক ব্যাখ্যা না বুঝার কারণে উনার প্রতি মিথ্যা তোহমত দিয়েছিল যে, “হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী



সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মুজাদ্দিদ’ হিসেবে ঘোষণা


হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনারা সাধারণত যে বয়স মুবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবওওয়াতী শান মুবারক প্রকাশ করতেন, সেই বয়স মুবারকে অর্থাৎ চল্লিশ বছর বয়স মুবারকে সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মুজাদ্দিদ’ খিতাব মুবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভূষিত হন। সময়টি ছিল ১০১০



হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন- “মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন-উনার সীমাহীন দয়া এবং সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার বেশুমার ইহসানে আমরা সর্বযুগের কালজয়ী সর্বশ্রেষ্ঠ ওলীআল্লাহ-উনার সংস্পর্শ লাভ করেছি। যিনি শুধু ওলী আল্লাহ উনাদের মহান সুলত্বানই নন, বরং সর্বকালের



নকশবন্দিয়া-মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা উনার ইমাম আফযালুল আউলিয়া হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ১৪


নকশবন্দিয়া-মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা উনার ইমাম আফযালুল আউলিয়া হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন এবং পবিত্র ছফর মাস উনার পবিত্র ২৮ তারিখে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার



মুসলিম বালকদের খাতনা বন্ধ, মসজিদ ভেঙে মন্দির তৈরি, সম্মানিত ক্বিবলা উনার দিকে পা রেখে মুর্দাকে কবর দেয়ার আইন জারি


যার ফলে তারা সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনী মুবারক, উনার তাজদীদী কর্মকা-ের ব্যাপ্তি ও পরিধি সম্পর্কে অজ্ঞ ও অনুভূতিহীন হয়ে রয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যপুস্তক ও বইপত্রে একাদশ হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ শায়েখ আহমদ ফারূক্বী সিরহিন্দী সাইয়্যিদুনা



মুসলমানগণের এখনো হুশ হবেনা?


রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ২টি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলবে সরকার! বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় দুটি মসজিদকে ভেঙ্গে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকারের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)| মসজিদ দুটির নাম : মসজিদ-ই-আকসা (আশ্রাফাবাদ, কামরাঙ্গীরচর) এবং নূরজাহান জামে মসজিদ (আশ্রাফাবাদ, কামরাঙ্গীরচর)। মসজিদের জায়গা পাবলিকের ওয়াকফকৃত



সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি নারী জাতির তরে ইলাহী তোহফা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয়ই আমার আওলাদগণ উনারা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিশতীর ন্যায়। যে ব্যক্তি উহাতে প্রবেশ করবে, সে নাজাত পাবে।” (সিররুশ শাহাদাতাইন) সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলিয়ায়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদাহ মুহতারামা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম