মাসউদুর রহমান -blog


...


 


শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি একজন খাছ আওলাদে রসূল। উনাকে সম্মান, মুহব্বত ও অনুসরণ


আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ان اولادى كسفينة نوح عليه السلام من دخلها نجا . অর্থ: “আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা হচ্ছেন হযরত নূহ আলাইহিস



নক্বশায়ে হায়দার, মিছদাক্বে বাবুল ইলম, ক্বায়িম-মাক্বামে ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল


হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার উৎস হচ্ছেন সম্মানিত ওহী মুবারক। আর হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ইলম মুবারক উনার উৎস হচ্ছেন ইলহাম-ইলক্বা বা ইলমে লাদুন্নী মুবারক। সম্মানিত ওহী বা ইলমে লাদুন্নী অর্জিত ইলম মুবারকের নাম নয়, বরং প্রদত্ত



নকশায় হায়দার, শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘যুন নূরীল মুজাদ্দিদীল আযীম’


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি যাঁকে ইচ্ছ উনাকেই উনার জন্য মনোনীত করেন। আর মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত করার বিষয় সম্পর্কে তিনিই সর্বাধিক জ্ঞাত। আমরা আমাদের যাহিরী দৃষ্টিতে দেখতে পাই- আমাদের সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এবং



ইমামুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার জান্নাতী বাগান মুবারক উনার অন্যতম সুবাসিত ফুল হচ্ছেন শাফিউল উমাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اطيعوا الله و اطيعوا الرسول و اولى الامر منكم- অর্থ: তোমরা খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল



পবিত্র ১৪ই যিলক্বদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে- সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার তোহফায় মামদূহজী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম


দুর্বল, অযোগ্য, অথর্ব, নির্জীব ও বারবার হোঁচট খাওয়া সালিকের প্রতি সীমাহীন রহমতী নজর মুবারক দিয়ে যিনি অনায়াসে মামদূহজী ক্বিবলা ও সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের কাছে সুপারিশ করে দুর্বল থেকে সবল, অযোগ্য থেকে যোগ্য, অথর্ব থেকে সচল, নির্জীব থেকে



পরম বিনয়ী, উসওয়াতুন হাসানাহ, খাছ ক্বায়িম মাক্বামে ইমামুল আউওয়াল ওয়া বাবুল ইলমি ওয়াল হিকাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস


নকশায়ে হায়দার, শাহদামাদ আউওয়াল ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি উনার অতুলনীয় শান-মান, মর্যাদা ও মাক্বাম উনাদের সমন্বয়ে মুবারক স্বভাব-সঞ্জাত আপন স্বকীয়তায় অনন্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত এবং সবকিছুই ইমামুল আউয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সাথে একদম হুবহু মিল



পনের শতক হিজরী সনে মুসলিমাকাশে উদিত হলো আরো একজন মহাবীর


ইহুদী-খ্রিস্টানদের কলিজার পানি শুকিয়ে যায়, শক্তি হারিয়ে ফেলে, বুতপরস্তির খবরদারী হলো নিস্তানাবুদ। ধুরন্দর ইহুদী গুপ্তচরদের চরম শিক্ষা হয়ে যায়। মুনাফিক দুনিয়ালোভী, স্বৈরাচারী মুসলিম নামধারী রাজা, আমীর জমিদারদের কুখ্যাত নফসী খাহেশকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়া হলো। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক



আত-তাকউইমুশ্ শামসী সন অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে রহমত, বরকত ও সাকীনা


গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নামটি হয়েছে পোপ গ্রেগরির নামে। সোজা ভাষায়- গ্রেগরিকে মনে রাখার জন্যই তার নামে এই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। কিন্তু মনে রাখবো কেন? সে কি এই ক্যালেন্ডারের রচয়িতা? মোটেও না। সে কি জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সংশোধনকারী? না, তাও না। সে কি মহাকাশ বা



ইতিহাস পর্যালোচনা: এক সময় বিধর্মী, বিজাতীয়রা মুসলমানদের পোশাক-আশাকে সজ্জিত হয়ে গর্ববোধ করতো, কিন্তু এখন…?


ভারতের মুসলিম শাসনামলে বিধর্মীরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে অমুসলিম থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে বিধর্মীদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে যেহেতু তারা অন্তরের দিক দিয়ে বিধর্মীই থেকে যেত, সেহেতু তারা বাড়িতে



১৯৭১ সালে ভারতীয় বাহিনীর লুটপাট!!


১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের



হিন্দুয়ানী পোশাকে মুসলমানদের ঈদ পালন? নাউযুবিল্লাহ!!


আমাদের দেশে যতগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা হয় তার মধ্যে পবিত্র ঈদ হলো বিশেষ উল্লেখযোগ্য। অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে একমাত্র মুসলমানদের জন্যই। তাই এই বিশেষ দিনটি ইসলামী রীতিনীতিতে পালিত হবে এটাই স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু সারাদেশের শপিংমল আর কাপড়ের দোকানের হালচাল দেখলে মনে হয়



নাফরমানী ও গোলামী


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ