মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


উযূবিহীন অবস্থার হুকুম ও গোসল উনার বর্ণনা


মাসয়ালা : বিনা উযূতে পবিত্র কুরআন শরীফ অথবা ছিপারা স্পর্শ করা মাকরূহ তাহরীমী। এরূপে পবিত্র কুরআন শরীফ অথবা ছিপারার কোনো পাতা এবং জিলদ স্পর্শ করাও মাকরূহ তাহরীমী। কিন্তু অন্য কোনো কিতাবের কোনো পাতায় যদি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার কোনো পবিত্র আয়াত



আফযালুল আউলিয়া, কাইয়্যুমে আউওয়াল, ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী


  মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত ও অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করার কথা খোদ কুরআন কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যেই রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার, সাইয়্যিদুল



মুত্তাক্বী যারা হতে চাই তাদের জন্য কিছু নছীহত মুবারক


আফদ্বালুল আউলিয়া, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ্ দ্বীন, ইমামে রব্বানী, গউছে ছামদানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার এক মুরীদকে নছীহত করতঃ চিঠি লিখলেন। সেই চিঠি মুবারকে অনেক নছীহত মুবারক করে শেষে লিখেছেন, জেনে রাখ, অনেক আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা



মুস্তাহাব গোসল


১. কাফির পাক শরীরে মুসলমান হলে গোসল করা। ২. বালক কিংবা বালিকা ১৫ বৎসর বয়সের মধ্যে বালেগ হওয়ার চিহ্ন না পাওয়া গেলেও গোসল করা। ৩. পাগলের সুস্থ হওয়ার পর গোসল করা। ৪. পীড়া অথবা আঘাতবশতঃ বেহুস হয়ে হুস ফেরার পর গোসল



ইমামুল উমাম হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর আলাইহাস সালাম উনাদের মুবারক নিসবাতুল আযীম


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন: “আমি তোমাদের নেককার পুরুষের জন্য নেককার আহলিয়া তৈরি করেছি।” এ পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রমাণিত হয় যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ



“নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বায়িম মাক্বাম”


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার মর্যাদা মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।” (পবিত্র সূরা ইনশিরাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪) সুবহানাল্লাহ! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক



আপনি কি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দোয়া মুবারক পেতে চান!! জেনে নিন তার


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, (ইয়া রসুলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদের ধন-সম্পদ থেকে (যাকাত) ও ছদকা গ্রহণ করুন, আপনার এই ছদকা (গ্রহণ করাটা) তাদের (বাতেন বা অন্তরকে) পরিশোভিত করে দিবে। আপনি তাদের জন্য দোয়া করুন। কেননা



হিন্দুদের স্বরসতী পূজায় টাকা দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে, জায়গার ব্যবস্থা করে দিয়ে ইত্যাদি ভাবে সহযোগিতা করলে; তার হাশর-নশর হিন্দুদের সাথে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন “মুসলমান উনাদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী ও মুশরিক (হিন্দু)।” আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “কাফিররা চায় কি করে মুসলমান উনাদের ঈমান আনার পর কাফির বানানো যায়।” অর্থাৎ কাফির গোষ্ঠিগুলি গোপনে-প্রকাশ্যে সর্বাবস্থায় চায় কি করে মুসলমান



পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ৬টি রোযার ফযীলত


প্রকাশ থাকে যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সুন্নত আমলের দ্বারা প্রতিটি ফরয আমলকে পূর্ণতা দান ও সৌন্দর্যম-িত করেছেন। পবিত্র মাহে রমাদ্বানুল মুবারকের ফরয রোযার ক্ষেত্রেও এই নিয়মই বলবৎ রয়েছে। যেমন পহেলা শাওওয়াল শরীফ বাদ দিয়ে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ



ক্বাইয়্যূমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কোনো আলোচনা মুবারক মুসলিম দেশের পাঠ্যপুস্তকে নেই কেন?


হিজরী বর্ষের দশম মাস পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস এলেই ইচ্ছা-অনিচ্ছায় যে মহান মুজাহিদ, রাহবার, মুজাদ্দিদ ও ইমাম উনার প্রসঙ্গ আনতেই হয় তিনি হলেন পাক-ভারত উপমহাদেশে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে জিন্দাকারী, কুফরী-শিরকী, বিদয়াতের মূলোৎপাটনকারী আফযালুল আউলিয়া, কাইয়্যুমে আউওয়াল হযরত শায়েখ আহমদ ফারূক্বী



পবিত্র শাওওয়াল শরীফ শব্দটির অর্থ ও ব্যাখ্যা


পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ উনার পরবর্তী মাস মাহে শাওয়াল شوال ‘শাওয়াল’ শব্দটি شول ‘শাওলুন’ শব্দমূল হতে এসেছে। এটি ইসমে মুশতাক্ব তথা ইসমে ফায়িল মুবালাগা-এর একবচনের রূপ। এর অর্থ হচ্ছে অধিক পরিমাণে বরদাশ্তকারী বা ধৈর্যধারণকারী। হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম



আইইয়ামে নহর বাপবিত্র কুরবানী উনার দিনে পবিত্র কুরবানী উনার পশু ব্যতীত অন্যান্য প্রাণী যবেহ করার বিধান


  উনাদের আইয়ামে নহর বা পবিত্র কুরবানী উনারদিনে মজূসী বা অগ্নি উপাসকরা তাদের ধর্মীয় বিধান মুতাবিক হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ করে থাকে। এখন যদি কোন মুসলমান তাদের সাথে মুশাবাহ বা সাদৃশ্য রেখে কুরবানী উনার দিন হাঁস-মুরগি ইত্যাদি যবেহ করে, তাহলে সেটা কুফরী