মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেভাবে মহাসম্মানিত ‘ফালইয়াফরহূ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন


عِيْدُ مِيْلَادِ النَّبِىّ ِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (ঈদু মীলাদিন নাবিইয়ি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনার আভিধানিক অর্থ মুবারক হচ্ছে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বিলাদত শরীফ উনার দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা। আর পারিভাষিক



সাবধান ! আপনার শিশু আগামী ১ সপ্তাহ স্কুলে গিয়ে কি ঔষধ খাচ্ছে তার খবর নিন।


কারণ আগামীকাল থেকে ১ সপ্তাহ স্কুলগুলোতে কৃমিসপ্তাহ উপলক্ষে ৪ কোটি ৬ লক্ষ শিশুকে ফ্রি কৃমির ওষুধ খাওয়ানো হবে।(https://bit.ly/2E9DY5U) বিদেশী এনজিওদের দেয়া এসব ফ্রি ওষুধ যাচাই না করে ঠেলে দেয়া হচ্ছে আপনার বাচ্চার মুখে। উল্লেখ্য ২০১৬ সালে এই কৃমির ওষধ খেয়ে হাজার



যারা মুসলমান হবে তাদেরকে অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করো যদি তোমরা মু’মিন হয়ে থাকো।’ যারা মুসলমান হবে তাদেরকে



মুসলমানদের অসুস্থ বানার লক্ষেই জিএমও ফসল ফলার চিন্ত-ভাবনা। এখনই সময় জিএম ফসলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা।


আমরা বাংলাদেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান বাস করি। আমরা সুখে থাকি ও ভালো ভাবে জীবন যাপন করি এটা কাফির মুশরিকসহ কোন দেশই চায় না। এজন্য তারা বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আমাদের বংশ বৃদ্ধি, আমাদের সুস্থতা, আমাদের সচ্ছলতা কোনাটাই কিন্তু বহির্বিশ্বের বরদাস্ত



সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত মহাসম্মানিত ১২ খলীফা আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন


(১). খলীফায়ে আউওয়াল- ছিদ্দীক্বে আকবর সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম, (২). খলীফায়ে ছানী- ফারূক্বে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্ত্বাব আলাইহিস সালাম, (৩). খলীফায়ে ছালিছ- রফিকুল জান্নাত সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাঈন আলাইহিস সালাম, (৪). খলীফায়ে রাবি’- আসাদুল্লাহিল গালিব



ওহাবীরাই দাজ্জালের চেলা এ কারণে যে তাদের কথিত এক মুরুব্বী বলেছে ‘উম্মত’ বলা যাবে না ‘গোলাম’ বলতে হবে; মূলত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে عن حضرت ابى هريرة رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يكون فى اخر الزمان دجالون كذابون يأتونكم من الاحديث بما لم تسمعوا انتم ولا ابائكم فاياكم واياهم



সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইবনু খইরি


হাফাদাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং মহাসম্মানিতা সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘মাতৃভূমির মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।’ আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যে সকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য সম্মানিত শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র



পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর ও পবিত্র লাইলাতুল বরাত এবং অন্যান্য ফযীলতপূর্ণ রাত্রিগুলো সৃষ্টি হয়েছে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ উনার মুবারক


সম্মানিত হাম্বলী মাযহাব উনার ইমাম হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিলেন, “পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’’ উনার ফযীলত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর, পবিত্র লাইলাতুল বরাত এবং অন্যান্য ফযীলতপূর্ণ রাত্রি অপেক্ষা অনেক বেশি।” সুবহানাল্লাহ! তখন সমসাময়িক হযরত ইমাম ও



তবে কি বাংলাদেশে জিএমও ফুড আনা হচ্ছে কেমোথেরাপি ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য ?


ক্যান্সার কি আদৌ কোন অসুখ ? নাকি ঔষধ কোম্পানিগুলোর ব্যবসার ফাঁদ ?–এ প্রশ্নের উত্তর দিতে , বই লিখেছিলো জি. এডওয়ার্ড গ্রিফিন । তার বইয়ের নাম ‘ওয়ার্ল্ড উইদাউট ক্যান্সার’। বইটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া সত্ত্বেও বইটি অন্য ভাষায় অনুবাদ করতে দেওয়া হয়নি। কারণ



কোনটা করলে মুসলমান থাকে আর কোনটা করলে কাফির হয়- তা কি আজ মুসলমান জানে?


যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে- “সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমানগণ উনাদের শত্রু। তোমরা কখনোই তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না।” আজকে যারা কাফির-মুশরিকদের হারাম খেলাধুলাকে সমর্থন করছে, দেখছে, এবং



আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র কারামত শরীফ


(১) ইয়া সারিয়া! আল-জাবাল। ইয়া সারিয়া! আল জাবাল। পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার জুমুয়ার খুতবা মুবারক পাঠ করা অবস্থায় আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হঠাৎ করে এরূপ অপ্রাসঙ্গিক বাক্য মুবারক উচ্চারণ করায় উপস্থিত সবাই অবাক