মাসউদুর রহমান -blog


...


 


ব্রিটিশ পত্রিকার দাবী, সৌদি চাঁদ না দেখে চাঁদের ঘোষণা দিয়েছে।


ব্রিটিশ মহাকাশবিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন আরবদের ঈদের চাঁদে নাকি ভেজাল ছিল। গ্রীনউইচ রয়াল অবজারভেটোরির মহাকাশবিজ্ঞানের ডাটা অনুযায়ী ৩ রা জুন কেবল সৌদী আরব নয় পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দৃশ্যমান হয়নি। তাদের মতে আরবগন একদিন কম রোজা রেখেছেন। https://morningstaronline.co.uk/article/w/saudis-cause-controversy-in-the-muslim-world-for-celebrating-the-end-of-ramadan-a-day-earlier?fbclid=IwAR0jfNIUJMWWtoPXoendJ7tEmCdULP84vp6lL0HGKKBjhlptjx_XOneooa4



সম্মানিত খলীফা উনার কাছেই যাকাত, উশর, ফিতরা ইত্যাদি যাবতীয় ফরয ওয়াজিব দান-ছদক্বা পৌঁছাতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত যাকাত উনার বিধান নাযিল পূর্বক ইরশাদ মুবারক করেন- خُذْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيْهِم بِهَا وَصَلِّ عَلَيْهِمْ إِنَّ صَلَاتَكَ سَكَنٌ لَّهُمْ ۗ وَاللهُ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ অর্থ: (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)



শিশুরাও অপসংস্কৃতির আগ্রাসনের শিকার!


স্যাটেলাইট টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে বিজাতি-বিধর্মীদের অপসংস্কৃতি মহামারি রূপে ছড়িয়ে পড়ছে। এর দ্বারা মুসলিম তাহযীব-তামাদ্দুন আস্তে আস্তে ভুলে যাচ্ছে এদেশের জনসাধারণ। এই অপসংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি বদ-তাছীর করছে শিশুতোষ মেধা ও মননে। এ ব্যাপারে আমি একটি বাস্তব ঘটনা বর্ণনা করছি; আমি এক



বেমেছাল শান-মান ও মর্যাদা মুবারকে সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম উনারা অভিষিক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা উনার রহমতে খাছ দ্বারা পরিবেষ্টন করে নেন।’ অর্থাৎ মুরাদ বা বা মাহবুব তথা একান্ত আপন করে নেন। উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী



২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَنْ قَاَم رَمَضَانَ اِيْـمَـانًا وَّاِحْتِسَابًا غُفِرَ لَه مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه অর্থ: “যে ব্যক্তি রমাদ্বান মাসে ঈমান ও ইহসানের সাথে তারাবীহ নামায আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত গুনাহখতা



পবিত্র রমযান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে না কেন?


হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! মুসলমানদের জন্য রমযানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মুনাফিকদের জন্য রমযান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির



একই দিনেই বা একই সময়ে সারাবিশ্বে ঈদ করার কথা যারা বলে, তারা চরম জাহিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সর্ম্পকে যে একেবারে অজ্ঞ, গণ্ডমুর্খ তাকেই আরবী ভাষায় জাহিল বলে এবং জিহালতের মাত্রা যার মধ্যে বেশি পরিলক্ষিত হয় তাকে বলা হয় চরম জাহিল। উল্লেখ্য, চাঁদ ও সূর্যের সাথে সম্মানিত মুসলমান উনাদের ইবাদত বন্দেগীর বিষয়টি জড়িত। পবিত্র ঈদ কবে



কেবলমাত্র যাকাতভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়। পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা। পাত্রে ময়লা রেখে ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা করা



মুসলমানরা শিখে না, জানে না অতীত ইতিহাস; তাই তারা বারবার একই ভুল করে যাচ্ছে


আমাদের দেশের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ও বায়িং হাউজগুলোতে দেদারসে ভারতীয়দের নিয়োগ দেয় এদেশের শিল্পপতিরা। ভারতীয় কর্মীরা এদেশ থেকে ভারতে নিয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি ডলার। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সর্বোচ্চ রেমিটেন্স আয়কারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থানে রয়েছে। বিপরীতে ভারতের ক্ষেত্রে দেখা যায়,



যাকাত আর ইনকাম ট্যাক্স এক নয়


প্রিয় পাঠক! আপনারা একটু ফিকির করে দেখুন- ইনকাম ট্যাক্সের কারণে মানুষদের ফরয যাকাতের গুরুত্ব নষ্ট হচ্ছে। অথচ আমরা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার জীবনী মুবারক পড়লে জানতে পারি- যাকাতের কত গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত আব্বা ও আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্মানিত


এই ব্যাপারে দশম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আল খছায়িছুল কুবরা শরীফ, আল হাওই লিল ফাতাওই ফিল ফিক্বহি ওয়া ‘উলূমিত তাফসীরি ওয়াল হাদীছি ওয়াল উছুলি ওয়ান নাহওই ওয়াল ই’রাবি ওয়া সায়িরিল ফুনূন শরীফ,



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আলোচনা মুবারক করতে ও উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র


এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّا اَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَّمُبَشِّرًا وَّنَذِيْرًا لِتُؤْمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهٖ وَتُعَزِّرُوْهُ وَتُوَقِّرُوْهُ وَتُسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وَّأَصِيْلًا অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি স্বাক্ষিদাতা, অর্থাৎ হাজির হিসেবে, সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শনকারী হিসেবে। যাতে তোমরা মহান আল্লাহ