মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গার সুক্ষ্ম ষড়যন্ত্র মুসলমান বরদাস্ত করবে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيدٌ অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার আযাব বড় কঠিন।”(সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ; সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৭) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ



পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্য


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম পাক উনার পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল শরীফ উনার ২৩ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের রব তায়ালা তিনি আদেশ মুবারক দিয়েছেন যে, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ব্যতীত কারো ইবাদত



পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্রিতে কি কি ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে


, * প্রথমতঃ বাজামায়াত পবিত্র ইশা উনার নামায আদায় করতঃ পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করে সংক্ষিপ্ত নছীহত করে তওবা-ইস্তিগফার করে দোয়া-মুনাজাত করবে। * অতঃপর দুই দুই রাকায়াত করে ৪ অথবা ৬ অথবা ৮ অথবা ১০ অথবা ১২ রাকায়াত



আজ দিবাগত রাতটিই পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার বরকতময় রাত।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন তোমরা লাইলাতুম মুবারকাহ বা লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ মশহুর পবিত্র বরাত শরীফ উনার রাত্র পাবে তখন সারারাত সজাগ থেকে ইবাদত করো এবং পরের দিন রোযা রাখো।”



সরকারের প্রতি- রমাদ্বান শরীফ উনার পবিত্রতা রক্ষার্থে হারাম খেলাধুলা, নাচ, গান-বাজনা, বন্ধ করা, দ্রব্যমূল্য হ্রাস করা, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের


মহান আল্লাহপাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন – يا ا يها الذين امنوا كتب عليكم االصيام كما كتب علي الذ ين من قبلكم لعلكم تتقون অর্থ: হে ঈমানদার বান্দা-বান্দীগণ! আপনাদের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মাসে পবিত্র ছিয়াম



‘সারা বছর ইবাদত-বন্দেগী না করে পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান, পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ পালন করে লাভ


যেখানেই ধর্মব্যবসায়ী আলেমদের ওয়াজ ও কথিত প্রগতিবাদীদের মিটিং-সমাবেশ হয়, সেখানেই চলে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রশংসা ও মুসলমানগণকে ঈমান ও আমল তথা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান থেকে দূরে রাখার



শ্রমিক অধিকার নয়, একটি ধোঁকার নাম ‘১লা মে’


কেন শ্রমিক দিবস পালন করবে? ১লা মে কী হয়েছিলো? ১লা মে শ্রমিকদের কী কোনো ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো? ১লা মে কী পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সমর্থিত শ্রমিক দিবস। না, কখনোই নয়। কারা আজ শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলছে? ছূরতান লোক দেখানো



সালাফীদের মূল মুরুব্বী ইবনে তাইমিয়া, আলবানী, উসাইমিন- এরা পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাতের ফযীলত ও আমল স্বীকার


বর্তমান সালাফী-ওহাবীরা লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ আসলে বিরোধিতায় মেতে উঠে। অথচ তাদের পূর্বসূরি মুরুব্বীরা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র তাফসীর শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত সলফে ছালিহীন উনাদের আমলে ব্যাপকতার কারণে অসীকার করার কোনো সাহসই



৯ প্রকার লোকের লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা সম্মানিত বরাত উনার রাতের ফযীলত নছীব হবে না


সীমাহীন রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত নাযিলের রাত লাইলাতুন নিছফি মিং শা’বান তথা শবে বরাত। এ মহিমান্বিত রাতে যারাই ক্ষমাপ্রার্থনা করবে সবাইকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। শুধু তাই নয়, এ মহিমান্বিত রাতে যে যা চাইবে তাকে তা দিয়ে দেয়া হবে। তবে ৯



সালাফীদের মূল মুরুব্বী ইবনে তাইমিয়া, আলবানী, উসাইমিন- এরা পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাতের ফযীলত ও আমল স্বীকার


বর্তমান সালাফী-ওহাবীরা লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ আসলে বিরোধিতায় মেতে উঠে। অথচ তাদের পূর্বসূরি মুরুব্বীরা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র তাফসীর শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত সলফে ছালিহীন উনাদের আমলে ব্যাপকতার কারণে অসীকার করার কোনো সাহসই



পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হওয়ার মাস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমি লাইলাতুম মুবারকাহ বা বরকতময় রজনীতে (মশহুর পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার মধ্যে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার



নামায, রোযা, বেহেশত, দোযখ, ফেরেশতা এ শব্দগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ-এ খুঁজলে যদি পাওয়া না যায়, তবে শবে বরাত কী


সম্প্রতি দেশের কিছু পত্র-পত্রিকা খুললে দেখা যায় যে, কিছু তথাকথিত মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’রা লিখে থাকে যে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের কোথাও শবে বরাত নেই। নাউযুবিল্লাহ! তথাকথিত এসব মালানা, মুফতী এরা চরম মূর্খ তথা উলামায়ে ‘সূ’। কারণ ‘শব’