মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


মুসলমানদের উচিত কাফির-মুশরিকদের দালালদের কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া।


প্রতিবারের মত এবারো কুরবানীর হাট নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে প্রথম আলোর মত কিছু দালাল মিডিয়া যারা কাফির-মুশরিকদের টাকা খেয়ে মুসলমানদের পবিত্র কুরবানীর ঈদে সমস্যা সৃষ্টি করতে চায়।তারা বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে প্রশাসনকে পরামর্শ দেয় করবানীর হাটগুলো দুরে কোথাও স্থনান্তরের জন্য হয়তবা ভবিষ্যতে একসময়



ঈদের ঈ-কে ই করা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বটে!


ঈদের ঈ-কে ই করার কোনো মানে হয় না। চিরকালের ঈদের বানান বদলানোর প্রশ্ন তোলার আর সময় পাওয়া গেল না! আর কিছু না পারলে বানান বদলানো হয়। লিখিত ভাষা সম্পর্কে সচেতনতার অভাব থেকেই এমনটা করা হয় বলে দেখি। ঈদকে দীর্ঘ ‘ঈ’ দিয়ে



কাদেরকে যাকাত দিলে বেশি ফযীলত


  اِنّٰـمَا الصَّدَقٰتُ لِلْفُقَرَ‌اءِ وَالْمَسَاكِيْنَ وَالْعٰمِلِيْنَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةُ قُلُوْبُهُمْ وَفِي الرِّ‌قَابِ وَالْغٰرِ‌مِيْنَ وَفِي سَبِيْلِ اللهِ وَابْنِ السَّبِيْلِ ۖ فَرِ‌يْضَةً مِّنَ اللهِ ۗ وَاللهُ عَلِيمٌ حَكِيْمٌ. ৪ জোড়া- ৮টি খাত : যথা ১) ফক্বীর (যার এক বেলা খাবার আছে আরেক বেলা নেই)-মিসকীন



কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মানেই ভন্ডামী ও প্রতারনা। এখানে যাকাত প্রদান এবং কোন ধরনের অংশগ্রহন করাই বৈধ নয়।


মানসিকভাবে বিপন্ন মানুষদের ফাঁদে ফেলার এক মোক্ষম ফর্মুলা ‘কোয়ান্টাম মেথড’ তথা ‘Living of Science’। দলে দলে একশ্রেনীর নির্বোধ, সাধারণ শিক্ষিত, হতাশাগ্রস্ত, মানসিকভাবে বিপন্ন মানুষেরা তথাকথিত কোয়ান্টমের মহাজাতকের মহাপ্রতারণার ফাঁদে পা দেওয়া শুরু করল। আর মহাজাতকও অর্থ-সম্পদ বিত্ত-বৈভবের মালিক হতে লাগল। মহাজাতকের



মুসলমান মাত্রই প্রত্যেক মালেকে নেছাব ব্যক্তির উপর যাকাত আদায় করা ফরয


হাওয়ায়েজে আছলিয়া তথা নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, মাল-সামানা ইত্যাদি বাদ দিয়ে এবং কর্জ ব্যতীত নিজস্ব মালিকানাধীন সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা এক বছর কারো নিকট থাকলে তার উপর যাকাত ফরয। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা



খাসী, বলদ ইত্যাদি দ্বারা পবিত্র কুরবানী করা দুরস্ত ও শরীয়তসম্মত তো অবশ্যই বরং খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহ্র কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কোন প্রাণীর কোন এক অঙ্গ যেমন- কান, লেজ ইত্যাদির এক তৃতীয়াংশের বেশী নষ্ট হয়ে গেলে তা দ্বারাকুরবানী করা জায়িয নেই। কোন কোন ক্ষেত্রে যেমন দাঁত অর্ধেকের বেশী যদি থাকে, তাহলে



পবিত্র মাহে শাওওয়াল শরীফ উনার প্রাসঙ্গিক আলোচনা


পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ উনার পরবর্তী মাসটিই মাহে শাওওয়াল শরীফ। রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মধ্যে কি নেক কাজ করা হয়েছে, শাওওয়াল শরীফ মাসে সে সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত। হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, আমি একবার ঈদুল ফিতরের



পবিত্র পহেলা শাওওয়াল শরীফ-এ ঈদুল ফিতরসহ সমগ্র যমীনবাসী ও আসমানবাসী ধন্য


সমগ্র পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ যেমন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা ছিফতে পরিপূর্ণ। তেমনিভাবে উনার রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে গভীর ও নিবিড় সুসম্পর্ক এবং নিছবত; অনুরূপভাবে হযরত আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম,



সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النُّجُوْمُ اَمَانٌ لِّاَهْلِ السَّمَاءِ اِذَا ذَهَبَتِ النُّجُوْمُ ذَهَبَ اَهْلُ السَّمَاءِ وَاَهْلُ بَيْتِـىْ اَمَانٌ لِّاَهْلِ الْاَرْضِ فَاِذَا ذَهَبَ اَهْلُ بَيْـتِـىْ ذَهَبَ



পহেলা শাওওয়াল হচ্ছেন ‘নূরুন আলা নূর’


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হযরত আহলু বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমাকে মুহব্বত করার কারণে।” সুমহান পবিত্র বরকতময় পহেলা শাওওয়াল শরীফ- আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম



ঈদের নামায কখন পড়া সুন্নত?


সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হবার পর থেকে (অর্থাৎ মাকরূহ্ ওয়াক্ত শেষ হবার পর থেকে অথবা সূর্য উদয়ের শুরু থেকে ঘড়ির মিনিট অনুযায়ী ২৩মিঃ পর) ঈদের নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। আর যাহওয়াতুল কুবরা বা যাওয়াল অথবা শরয়ী অর্ধদিন বা দ্বিপ্রহর অর্থাৎ সূর্যের এস্তাওয়া



পবিত্র যাকাত উনার ফাযায়িল-ফযীলত


 যাকাত দ্বীন ইসলাম উনার বুনিয়াদ বা স্তম্ভ ৫টি স্তম্ভের ৩য় বা মধ্যবর্তী স্তম্ভ, যা ছাড়া দ্বীন ইসলাম নামক ঘর টিকবে না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّداً