মাসউদুর রহমান -blog


...


মাসউদুর রহমান
 


রবীন্দ্র ছিল নিপীড়ক, অত্যাচারী ও যালিম


(১). যালিম রবীন্দ্র সম্পর্কে তারই স্বজাতি অমিতাভ চৌধুরী লিখেছে- “রবীন্দ্র সামন্তবাদী প্রজাপীড়ক ছিল। তার দফায় দফায় খাজনা বৃদ্ধি এবং জোর-জবরদস্তি করে তা আদায়ের বিরুদ্ধে ইসমাইল মোল্লার নেতৃত্বে শিলাইদহে প্রজাবিদ্রোহ ঘটেছিল।” (তথ্যসূত্র- জমিদার রবীন্দ্রনাথ: অমিতাভ চৌধুরী; দেশ: শারদীয় সংখ্যা, কলকাতা ১৪৮২) (২).



সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অবশ্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!


বাতিল ফিরকার লোকেরা কোনো দলীল প্রমাণ ছাড়াই বলে থাকে যে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা নাজায়িয, বিদয়াত ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ! কেন? কারণ হচ্ছে, তারা বলে থাকে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



পবিত্র সুন্নত মুবারক জারী হওয়া মানেই বিদয়াত দূরীভূত হওয়া।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা



সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, সব অবস্থায় এবং সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই অনুসরণ করা


কোন মুসলমান সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছেড়ে অন্য কোনো তর্জ-তরীক্বা বা নিয়ম-নীতি পালন করলে সে কশ্মিনকালেও মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কাজেই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, সব অবস্থায় এবং সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই অনুসরণ করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র



ক্বলব ও রক্তকণিকা থেকে পাপের ছাপ উঠাবেন কিভাবে?


কাপড়ে দাগ পড়লে আমরা কতো না চেষ্টা করি সেই দাগ পরিষ্কার করতে। সাবান দিয়ে পরিষ্কার না করতে পারলে নানা মেডিসিনের ব্যবহার করি। চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকে না। কিন্তু পাপের দাগ যে মানুষের ক্বলবে ও রক্তকণিকায় পড়ে সে ব্যাপারে মানুষ উদাসীন কেন?



কুরবানীর টাকা দান করার কথা বলে কিন্তু অন্যান্য টাকা দান করার কথা কেন বলে না?


নাস্তিক, দালাল ও ইসলামবিদ্বেষী অন-লাইন নিউজ পোর্টাল ‘বিডিনিউজ’ একটি লিখা ছেপেছে- “মুসলিম ভাইবোনদের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি” শিরোনামে। যাতে মানুষরূপী পশুগুলো কুরবানীর বিরুদ্ধে বলেছে। তারা কুরবানীর টাকা পশুর পিছনে ব্যয় না করে দান করে দিতে বলেছে। নাউযুবিল্লাহ! সূত্র- http://goo.gl/UkNUXM দালাল নাস্তিক ও



এক নজরে সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বাজান আলাইহিস সালাম তিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ! উনার মুবারক উসীলায় সমস্ত জিন-ইনসান এবং তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক হাছিল করেছে, করছে এবং অনন্তকাল



সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক পাঠ করার, আলোচনা করার এবং উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করার


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, اِنَّ ذِكْرَ الصَّالِـحِيْنَ تَنْزِلُ الرَّحْـمَـَةُ. অর্থ: “নিশ্চয়ই ওলীআল্লাহগণ উনাদের আলোচনা মুবারক করলে সম্মানিত রহমত মুবারক নাযিল হয়।” সুবহানাল্লাহ্! (ইহ্ইয়াউ ‘উলূমিদ্দীন, ফাদ্বাইলে আশারাহ লিযামাখশারী, কাশফুল খফা) এখন বলার বিষয় যে, যদি ওলীআল্লাহ উনাদের আলোচনা



সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম মহাসম্মানিত আওলাদ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পৃথিবীর সমস্ত


কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, وَكَانَ سَيِّدُنَـا حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَبُو النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلَّمَا اَصْبَحَ وَذَهَبَ لِيَدْخُلَ عَلـٰى صَنَمِهِمُ الْاَكْبَرِ وَهُوَ اللَّاتُ وَالْعُزّٰى صَاحَ كَمَا تَصِيْحُ الْـهِرَّةُ وَنَطَقَ وَهُوَ يَقُوْلُ مَا لَنَا وَلَكَ اَيُّهَا الْـمُسْتَوْدِعُ ظَهْرُهٗ نُوْرُ سَيِّدِنَـا



আল ফাদ্গম, আল র্ফাদ, আল কামিল, আল মু’মিন, আল মা’ছূম, আল মু‘য়াল্লিম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পূত-পবিত্র


সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি স্বয়ং নিজে উনার, উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম উনার, উনার মহাসম্মানিত দাদাজান সাইয়্যিদুনা হযরত হাশিম আলাইহিস সালাম উনার এবং উনার সমস্ত পূর্বপুরুষ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সকলের সম্মানিত শান মুবারক-এ বেমেছাল প্রশংসামূলক



সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে কুল কায়িনাতের সকলেই চিনতো এবং বৃক্ষরাজী উনাকে সিজদা করতো


এই সম্পর্কে সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি নিজেই উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট বর্ণনা করেন, وَاِنّـِــىْ لَاَجْلِسُ فِـى الْـمَوْضِعِ فَاَسْـمَعُ فِيْهِ مِنْ تَـحْتِـىْ سَلَامٌ عَلَيْكَ اَيُّهَا الْـمُسْتَوْدِعُ ظَهْرُهٗ نُوْرُ سَيِّدِنَا مُـحَمَّدٍ صَلَّى



সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে একখানা কুদরতী নিদর্শন মুবারক


আল্লামা হুসাইন ইবনে মুহম্মদ ইবনে হাসান দিয়ার বাকরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ: ৯৬৬) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘তারীখুল খমীস শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন, وَكَانَ يَوْمَ وُلِدَ سَيِّـدُنَـا حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَلِمَ بِـمَوْلِدِهٖ جَمِيْعُ اَحْبَارِ الشَّامِ وَذٰلِكَ اَنَّهٗ كَانَتْ