মাসউদুর রহমান -blog


...


 


উলামায়ে ‘সূ’দেরকে দলীল-প্রমাণ যতোই দেয়া হোক তারা তা গ্রহণ করে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি হক্ব বা সত্যবাদী হওয়ার জন্য দলীল পেশ করতে বলেছেন অর্থাৎ মুসলমানদের জন্য মনগড়া আক্বীদা বা আমল করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পূর্ণাঙ্গ শরীয়ত তথা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম নাযিল করেছেন। মুসলমানদের মধ্যে



হাসপাতালে নারীর নিরাপত্তার গুরুত্ব এবং শরয়ী পর্দাভিত্তিক আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা


সম্প্রতি রাজধানীতে ইউনাইটেড হাসপাতাল নামক এক অভিজাত হাসপাতালে এক নারী রোগীর শ্লীলতাহানীর খবর ফাঁস হয়েছে। অপারেশনের পর রোগীকে অজ্ঞান অবস্থায় পেয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে হস্ত সঞ্চালন করে ওই হাসপাতালের সাইফুল নামের এক স্টাফ নার্স। স্পর্শকাতর জায়গায় অনুভূতি পেয়ে জ্ঞান ফিরে আসার পর



সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার প্রতি মুরীদের আক্বীদা: যিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর


খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুশ শরীয়াহ ওয়াত তরীক্বাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, গওছুল আ’যম, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম। যিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি



মুসলিম শাসনামলে বাংলায় এবং উত্তরভারতে দেশবিভাগের আগপর্যন্ত শিক্ষিত বিধর্মীদের সংস্কৃতি ছিল ‘মুসলমানী সংস্কৃতি’


মুসলিম শাসনের সময়ে বাংলাদেশে শিক্ষিত বিধর্মীদের সংস্কৃতি নিয়ে প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার রচিত ‘আত্মঘাতী বাঙালী’ গ্রন্থে মন্তব্য করেছে- “বাঙালি বিধর্মী পুরুষ ইংরেজ রাজত্বের আগে একমাত্র মুসলমান নবাবের কর্মচারী হইলে মুসলমানী পোষাক পরিত, উহা অন্দরে লইয়া যাওয়া হইত না। বাহিরে বৈঠকখানার



পুরুষদের সুন্নতী পোশাকসমূহ


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলাইহি তিনি যেসমস্ত পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করেছেন এবং পরিধান করতে বলেছেন তাই সুন্নতী পোশাক। সুন্নতী পোশাক-পরিচ্ছদগুলোর কতিপয় নিম্নে বর্ণনা করা হলো: ১। দায়িমী বা সার্বক্ষণিকভাবে মাথায় ইমামাহ বা



যে বা যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ করে, তাদেরকে অনুসরণ করা জায়িয নেই


আমরা প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে অনুসরণ করে থাকি। তবে বাজার দরে সবাইকে অনুসরণ করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্পূর্ণ খিলাফ ও গুনাহের কাজও বটে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কালাম পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক



মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষণ অমূল্য সম্পদ


মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষণ মানুষের অমূল্য সম্পদ। এই অমূল্য সম্পদ লোকেরা কত নিকৃষ্টভাবে অবহেলা করে থাকে। খেলা-ধুলা, ক্রিড়া-কৌতুক, হাসি তামাশা ইত্যাদিতে। যে ক্ষণটি চলে গেল তা আর ফিরে পাবার নয়। জীবন থেকে যে



হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিরোধিতাকারীরা জাহান্নামী


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ اَنَّ رَجُلًا صَفَّ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْـمَقَامِ فَصَلّٰى وَصَامَ ثُـمَّ لَقِىَ اللهَ وَهُوَ مُبْغِضٌ لِّاَهْلِ بَيْتِ



সংবিধানে মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল করতে হবে


সংবিধানের প্রজাতন্ত্র অধ্যায়ে ৭ (২) ধারায় সংবিধানের প্রাধান্য প্রসঙ্গে বিধান রয়েছে- ‘জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসমঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।’ তাহলে আইনের



ঈমানদার-মুসলমানদের বৈশিষ্ট্য


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا مَنْ يَرْتَدَّ مِنْكُمْ عَنْ دِينِهِ فَسَوْفَ يَأْتِي اللهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ أَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِينَ يُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللهِ وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ ذَلِكَ فَضْلُ اللهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ



নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়ত সম্মত নয়


মাসয়ালাটি শুনে নতুন মনে হতে পারে কিন্তু এটাই সত্য ও সঠিক মাসয়ালা যে, নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়ত সম্মত নয়। কেবল যাকাত-ফিতরার ক্ষেত্রেই নয় অনেক মাসয়ালাই মানুষ মনগড়াভাবে এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আমল করে থাকে। যেমন বাজার থেকে



যারা ছবি তুলে, তৈরি করে, অঙ্কন করে তারা খোদা দাবিকারী নমরূদ, ফিরআউনের উত্তরসূরি


সরাসরি রব দাবি করেছিল চির মালউন, জাহান্নামী নমরূদ ও ফিরআউন। আর পরোক্ষভাবে বর্তমানে খোদা তথা সৃষ্টিকর্তা দাবি করতেছে তারা, যারা ছবি তুলে, আঁকে, অঙ্কন করে ও তৈরি করে এবং যারা মূর্তি, ভাস্কর্য, ম্যানকিন, পুতুল ইত্যাদি তৈরি করে। কেননা পবিত্র দ্বীন ইসলাম