মাসউদুর রহমান -blog


...


 


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উত্তম আমল হচ্ছেন পবিত্র আশুরা শরীফ উপলক্ষে রোযা রাখা


পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت أبي هريرة رضى الله تعالى عنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه و سلم فقال أي الصيام أفضل بعد شهر رمضان ؟ قال شهر الله الذي تدعونه المحرم অর্থ: হযরত আবূ



যারা পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গবে তাদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার গযব নাযিল হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফীল শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ . أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي تَضْلِيلٍ. وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ . تَرْمِيهِمْ بِحِجَارَةٍ مِنْ سِجِّيلٍ. فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَأْكُولٍ. অর্থ: আপনি কি



প্রতিবাদী না হলে কঠিন পরিণতি


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার



সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উপলক্ষে কমপক্ষে ৩ দিন ছুটি ঘোষণা করা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে তথা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনকে সম্মান করবে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক



“আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি যাই করেন না কেনো, কোনো কিছুই উনার ক্ষতি করতে পারবে


উনার নাম মুবারক উছমান। কুনিয়াত আবূ আমর। লক্বব মুবারক যুন্ নূরাইন। তিনি আমুল ফিলের ৬ বৎসর পর বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি আখিরী রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ৬ বছরের ছোট ছিলেন। তিনি অত্যন্ত



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা


আল্লামা হযরত ইবনে হাজার আস্ক্বালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, وروت ام المؤمنين سيدتنا حضرت الثامنة عليها السلام (سيدتنا حضرت جويرية عليها السلام) عن النبي صلّى اللَّه عليه وسلّم أحاديث. অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি অনেকগুলো মহাসম্মানিত



হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারক সমূহকে তা’যীম তাকরীম মুবারক করলেই রহমত বরকত নাযাত লাভ হয়,


সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, সম্মান করা। খাছভাবে যদি জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারক সমূহকে তা’যীম তাকরীম মুবারক করেন এবং উনাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহকে



আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার তাক্বওয়া মুবারক


একদা আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি শহরের অবস্থা দেখার জন্য বের হন। তিনি জনগণের অবস্থা স^চক্ষে দেখার জন্য মূলত প্রায় দিনই বের হতেন। জনৈক লোকের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি শুনতে পান লোকটি পবিত্র



আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল দানশীলতা


আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একদিন উনার সঙ্গীদের বললেন, আচ্ছা বলুন তো- আপনারা কে কি নেক আশা পোষণ করেন? একজন বললেন- আমার ইচ্ছা হয়, আমি যদি এই ঘর ভর্তি দিরহাম পেতাম, তাহলে সবই যিনি খালিক্ব



সৃষ্টির সূচনাতেই বেমেছাল অনন্য খুছূছিয়াত মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক


‘নুযহাতুল মাজালিস’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত ইমাম কিসায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিসহ আরো অনেকেই বর্ণনা করেন, সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সৃষ্টি মুবারক করার পর উনার বাম পাঁজরের



মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ সর্ব প্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা ও মতবাদ অনুসরন ও অনুকরন করা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম বা নিয়ম-নীতি তালাশ বা গ্রহণ করবে তার থেকে তা কবুল করা হবে না। আর সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ পবিত্র



বাংলাদেশবিদ্বেষী ও ইসলামবিদ্বেষীদেরকে বহিষ্কার করা জরুরী


প্রতিদিন মুসলমান মারা হচ্ছে ভারতে। এমনকি মূর্তিপূজারীদের মুসলিমবিদ্বেষিতা ও বাংলাদেশবিদ্বেষিতা এতোটা চরম যে, প্রতিদিনই মুসলমানদের হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত থেকে শুরু করে গোটা ভারত এখন মুসলমানদের জন্য উত্তপ্ত কড়াই। প্রতিটি পদে পদে, প্রতিটি ক্ষণে ক্ষণে সেখানে মুসলমানগণ উগ্রদের হামলার