মাসউদুর রহমান -blog


...


 


নাফরমানী ও গোলামী


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ



একটি ফ্লাইওভারের বাজেট দিয়ে একটি শহর তৈরি করা সম্ভব


যানজট নিরসনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে একের পর এক নির্মাণ করা হচ্ছে ফ্লাইওভার। কিন্তু এসব ফ্লাইওভার দিয়ে কি প্রকৃতপক্ষে যানজট কমেছে; নাকি বেড়েছে? জনগণের ভোগান্তি কমেছে, নাকি বেড়েছে? পরিবহন ভাড়া কমেছে, নাকি বেড়েছে? ফ্লাইওভার প্রকল্পের নির্মাণাধীন এলাকাগুলোতে পথচারী



অতিসত্বর সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরোধী আইন উঠিয়ে নেয়া হোক!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে নিহিত রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২১) এতদ্বসত্ত্বেও ব্রিটিশ কুচক্রীদের



সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র আযীমুশ শান নিসবাতুল আযীম মুবারক উনার বিষয়টি ছিল ইলহামী


কি শান, কি মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদ আ’যম, আওলাদে রসূল ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! একইভাবে বেমেছাল শান-শুয়ূনাত, মর্যাদা-মর্তবার অধিকারিণী উনার যিনি দেহ মুবারক উনার অংশ মুবারক, পরিপূর্ণ সাদৃশ্য, পরিপূর্ণ



‘শীর্ষ ধনীর একজন অর্থমন্ত্রী, উনি কি দুঃখ বুঝবেন?’


সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেছেন, নির্বাচনের হলফনামার তথ্যানুযায়ী, দেশের শীর্ষ ১০ ধনীর একজন আমাদের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। উনি কি আমাদের দুঃখ বুঝবেন? মাথাপিছু আয়ের হিসাব করার সময় উনি তো



আজ সুমহান ও বরকতময় ১৮ই শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এ মহান দিবসে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব, যে উম্মত আমার আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় ১৮ই শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এ



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নিসবত মুবারকই মুহব্বত-মা’রিফাত, কুরবত,


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّا اَعْطَيْنٰكَ الْكَوْثَرَ অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সম্মানিত কাউছার মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছি।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা কাওছার শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ১) এই সম্মানিত কাওছার মুবারক উনার লক্ষ-কোটি ব্যাখ্যা মুবারক। উনাদের মধ্যে একখানা ব্যাখ্যা



বিজাতীয় অপসংস্কৃতি: রাজধানীতে যোগাসনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও!


হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির অংশ যোগাসন তথা যোগব্যয়াম যাকে ইংরেজীতে বলে ‘ইয়োগা’ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দিতে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে ভারতীয় মোদি সরকার। বাংলাদেশেও রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতীয় হাই কমিশনের আয়োজনে গতকাল জুমুয়াবার সকালে শুরু হয় পঞ্চম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই অনুষ্ঠান।



পবিত্র ১৯ শাওওয়াল শরীফ বিশেষ নিয়ামত লাভের বিশেষ দিন ॥ সকল মু’মিন-মু’মিনা, সালিক-সালিকার স্মরণীয় দিন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لايات لكل صبار شكور. অর্থ: “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনগুলির কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উহার মধ্যে



চাঁদ দেখা ও আরবী মাসের তারিখ ঘোষণা নিয়ে ষড়যন্ত্রের নেপথ্য কথা


পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক প্রতি মাসেই ২৯তম দিন শেষে আকাশে খালি চোখে চাঁদ দেখে মাস শুরু করতে হয়। কিন্তু অনেক নামধারী মুসলিম দেশ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুসরণ না করে মনগড়াভাবে চাঁদের তারিখ ঘোষণা করছে। গভীরভাবে তলিয়ে দেখার পর জানা গেল-



কথিত আযহারী নামধারী মিজানের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড


কোনও আলেম উলামা বা ইসলামী আলোচক যখন আলোচনা করবে তখন খেয়াল করতে হবে তার আলোচনায় আমাদের প্রানপ্রিয় রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং উনার মহাসম্মানিত পরিবারবর্গ উনাদের সম্পর্কে সে কিভাবে উক্তি করছে বা সম্মান রেখে কথা বলছে কিনা। এটুকু দেখেই বুঝে



কৃষিতে বাজেট বরাদ্দ ১২ শতাংশের ওপর রাখার পরামর্শ


কৃষিতে বাজেট বরাদ্দ ১২ শতাংশের ওপর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। এজন্য কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, কৃষকদের প্রণোদনা অব্যাহত রাখা, অতিরিক্ত খাদ্যশস্য সংরক্ষণের জন্য বাজেটে ব্যবস্থা রাখার কথা বলেছেন তারা। কৃষকদের বিনা সুদে কৃষি ঋণ দেয়া, সারের ওপর ভর্তুকি অব্যাহত রাখার সুপারিশও করেছেন অর্থনীতিবিদরা।