মাসউদুর রহমান -blog


...


 


আজ দিবাগত রাতই সম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রাত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ. অর্থ: “(আমার মাহবূব হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আর নিশ্চয়ই আমি আপনার মহাসম্মানিত আলোচনা মুবারক, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক বুলন্দ থেকে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূর ইনশিরাহ শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র



ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই


অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- কোন রোগকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক মনে করা, বলা, প্রচার-প্রসার করা সবই কাট্টা কুফরী ও শিরকীর অন্তর্ভূক্ত। আর যে বা যারা কুফরী-শিরকী করবে,



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী মহা গযব করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে আযান পরিবর্তনকারীরা কাট্টা কাফির এবং


সম্প্রতি কুয়েত, কাতার, আরব আমিরাত এবং মক্কা শরীফে আযান পরিবর্তন করা হয়েছে।حى على الصلوة ‘(হাইয়্যা আলাছ ছলাহ্) তথা তোমরা নামায উনার উদ্দেশ্যে আসো।’ এর পরিবর্তে فِي رِحَالِكُمْ صَلُّوا বা صلوا فِي بُيُوتكُمْ (ছল্লূ ফী রিহালিকুম বা ছল্লূ ফী বুয়ূতিকুম) তথা তোমরা



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করলে দুনিয়ায় যাবতীয় অনিষ্টতা থেকে


মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে বেমেছাল মর্যাদা মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। যা কোনো বান্দা-বান্দি, উম্মতের পক্ষে বর্ণনা করা, উপলব্ধি করা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। উনাদের বেমেছাল মর্যাদা মুবারক উনার অন্যতম একখানা মর্যাদা মুবারক হলেন-



পবিত্র আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই হচ্ছেন সমস্ত কায়িনাতের নিরাপত্তা দানকারী। উনারা যখন থাকবেন না তখন কায়িনাত ধ্বংস


এ প্রসঙ্গে স্পষ্টভাবে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, عَنْ حضرة عَلِيّ كرم الله وجهه عليه السلام قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النُّجُومُ أَمَانٌ لأَهْلِ السَّمَاءِ، إِذَا ذَهَبَتِ النُّجُومُ ذَهَبَ أَهْلُ السَّمَاءِ، وَأَهْلُ بَيْتِي أَمَانٌ لأَهْلِ الأَرْضِ،



সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক পবিত্র ১৪ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়াহ ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক পবিত্র ১৪ই রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল



একটি ইতিহাস পর্যালোচনা: দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধিতায় মূর্তিপূজারী পুরুষদের চেয়ে পূজারী নারীরা কোন অংশেই কম নয়!


বাংলায় ২০০ বছরব্যাপী সুলতানী আমলের শ্রেষ্ঠ শাসক হযরত গিয়াসউদ্দীন আযমশাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি উনার অধীনস্থ এক বিশ্বাসঘাতক বিধর্মী কর্মচারী গণেশের চক্রান্তে শহীদ হয়েছিলেন। এই গণেশ পরবর্তীতে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতা হাতে পেয়ে মুসলিম ওলীআল্লাহ ও ছূফী-দরবেশগণ উনাদের শহীদ করতে শুরু করে। ফলশ্রুতিতে বাংলায়



অবশেষে গউছুল আ’যম উনার পিছনে নামায পড়ার সৌভাগ্য নছীব হলো। সুবহানাল্লাহ!


হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের লক্বব মুবারক সমূহের মধ্যে একটি বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছে গউছুল আ’যম। গউছুল আ’যম লক্বব মুবারক উনার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে মহান আশ্রয়দাতা, মহান পরিত্রাণ দানকারী ইত্যাদি। পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে, যার উসীলায় বা যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার



পবিত্র সামা’ শরীফ, ক্বাছীদা শরীফ উনার মাহফিল খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন মজীদ উনার পবিত্র সূরা শূয়ারা শরীফ উনার ২২৪নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বিভ্রান্ত, গুমরাহ কবি-সাহিত্যিকদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন- وَالشُّعَرَ‌اءُ يَتَّبِعُهُمُ الْغَاوُونَ অর্থ : “বিভ্রান্ত লোকেরাই (মিথ্যা, অশ্লীলতা, কুৎসা বর্ণনাকারী) কবিদের অনুসরণ করে।” এ পবিত্র



পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা বা উচ্ছেদের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করবে না তারা ঈমানদার ও উম্মত হিসেবে থাকতে পারবে না


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّـهِ অর্থ: মানুষদের মধ্যে তোমরা হচ্ছো শ্রেষ্ঠ উম্মত, তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে, এখন তোমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে,



গান বাজনার মাধ্যমে নিফাক্বী ব্যতীত আর কিছুই হাছিল হয় না


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি গান-বাজনা, বাদ্য-যন্ত্র ধ্বংস করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।” এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় বলা হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গান-বাজনা ধ্বংস



ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম- ক্বিয়ামত পর্যন্তই ‘প্রাণীর ছবি’ হারাম থাকবে…


যদি আপনি কাউকে বলেন- দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা হারাম; ব্যস, আপনাকে শুনতে হবে- সারাবিশ্ব জুড়েই চলছে, এমন কোনো মানুষ নেই যে এ কাজ করছে না, দেশের বড় বড় আলেমরা করছে, এটা না করলে নাগরিক সুবিধা পাওয়া