মাসউদুর রহমান -blog


...


 


ইসলাম পালন করতে মুসলমান লজ্জা পায়; অথচ বিধর্মীগুলো নেংটি পরতেও লজ্জা পায় না


একটা বিধর্মী তার কথিত ধর্মে অসামাজিক ও অশোভনীয় বিষয় থাকার পরও সেগুলো ঠিকই গর্ব করে পালন করে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন- মুশরিকরা ধুতি পরে, যেটা কিনা এক প্রকার নেংটি, অর্ধউলঙ্গ একটি পোশাক। এরপরও এটা পরেই তারা দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ায়। বিজাতী-বিধর্মীদের কথিত ধর্মে নানারকম



টাইম বোমার মতোই সুপ্ত বিপদ- আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুবেশী বিধর্মী সম্প্রদায়


অন্যান্য দিনের মতোই ভারতের বোম্বের এক সকাল। এক বিধর্মী নাপিত তার দোকানের ঝাঁপ খুলে চুল কাটার জিনিসপত্র ঠিকঠাক করছে। এর মধ্যেই দোকানে এসে হাজির হলো এলাকার এক মুসলিম যুবক। পরিচিত সেই মুসলিম যুবকের সাথে বিধর্মী নাপিতটি খুব খোশগল্প ও হাসিঠাট্টা করতে



মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলে সম্বোধন করা জায়েয হবে না


এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يٰايُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تُحِلُّوْ ا شَعَائِرِ اللهِ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২) পবিত্র হাদীছ



সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে দ্বীনী ইলম উনাকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য দেয়া। অর্থাৎ ছহীহ আক্বীদা ও আমলের


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয।” সুবহানাল্লাহ! ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে দ্বীনী ইলম উনাকে



আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র আশূরা শরীফ। ১০ই মুহররম তথা ‘পবিত্র আশূরা শরীফ’ দিবসটি বিশ্বব্যাপী এক আলোচিত সুমহান দিন।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ঐতিহাসিক মহা পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনার সম্মানিত



কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনার সাথে সম্পৃক্তরা কঠিন খোদায়ী গযবে পতিত


সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম উনাকে কারবালায় শহীদ করার ব্যপারে হযরত উলামায়ে কিরামগণ উনারা ইজমা করেছেন যে, বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক, নির্মম, বেদনাদায়ক এবং হৃদয়বিদারক বিষয় হলো কারবালার ঘটনা। সাইয়্যিদুনা হযরত



পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উত্তম আমল হচ্ছেন পবিত্র আশুরা শরীফ উপলক্ষে রোযা রাখা


পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت أبي هريرة رضى الله تعالى عنه قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه و سلم فقال أي الصيام أفضل بعد شهر رمضان ؟ قال شهر الله الذي تدعونه المحرم অর্থ: হযরত আবূ



যারা পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গবে তাদের উপর মহান আল্লাহ পাক উনার গযব নাযিল হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফীল শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ . أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي تَضْلِيلٍ. وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ . تَرْمِيهِمْ بِحِجَارَةٍ مِنْ سِجِّيلٍ. فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَأْكُولٍ. অর্থ: আপনি কি



প্রতিবাদী না হলে কঠিন পরিণতি


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার



সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উপলক্ষে কমপক্ষে ৩ দিন ছুটি ঘোষণা করা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে তথা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনকে সম্মান করবে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক



“আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি যাই করেন না কেনো, কোনো কিছুই উনার ক্ষতি করতে পারবে


উনার নাম মুবারক উছমান। কুনিয়াত আবূ আমর। লক্বব মুবারক যুন্ নূরাইন। তিনি আমুল ফিলের ৬ বৎসর পর বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি আখিরী রসূল, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ৬ বছরের ছোট ছিলেন। তিনি অত্যন্ত



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা


আল্লামা হযরত ইবনে হাজার আস্ক্বালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, وروت ام المؤمنين سيدتنا حضرت الثامنة عليها السلام (سيدتنا حضرت جويرية عليها السلام) عن النبي صلّى اللَّه عليه وسلّم أحاديث. অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি অনেকগুলো মহাসম্মানিত