রাফসানযানী প্রিতম -blog


...


 


অতিসত্বর বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন উঠিয়ে নেয়া হোক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে নিহিত রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২১) এতদ্বসত্ত্বেও ব্রিটিশ কুচক্রীদের



প্রসঙ্গঃ ‘ভিটামিন-এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন: আপনার সিদ্ধান্ত কি? প্রাকৃতিক ভিটামিন খাওয়াবেন, নাকি কৃত্রিম ক্যাপসুল খাওয়াবেন?


অনেকেই ফ্রিতে ভিটামিন-এ খাওয়ানোর কথা সন্তানকে নিয়ে দৌড় দেন। দৌড় দেয়ার আগে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও যদি আপনার ভিটামিন-এ ক্যপসুলের ওই ফ্রি ক্যাপসুল সন্তানকে খাওয়াতে মন চায়, তাইলে সেটা আপনার ব্যাপার। পয়েন্ট-১: আপনার কি জানা আছে- ভিটামিন খাওয়ানোর এই



‘মৃত্যু’র কথা কি আপনার স্মরণে আছে?


ব্যস্ততা, ব্যস্ততা আর ব্যস্ততা। পরিবার, সন্তানাদি, বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েই কেটে যাচ্ছে প্রতিটি দিন। কখনো আনন্দ, কখনো দুঃখ নিয়ে আর চিন্তা-টেনশনতো আছেই। এসবের কারনে চলমান জীবনের এই চাকা যে কোনো একসময় বন্ধ হবে এবং বন্ধ হবার পর কি হবে -এই ভাবনা চিন্তা, ফিকিরটুকু



পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ কাকে বলে?


‘আখির’ অর্থ শেষ, আর চাহার শোম্বাহ অর্থ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। এক কথায় ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ অর্থ শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় পবিত্র ছফর মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়ায়া বা বুধবারকে ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ বলা হয়। সাইয়্যিদুল



বিধর্মী তোষণকারী শাসকগোষ্ঠী ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে কি?


যে জাতি তার ইতিহাস জানে না, সে জাতি উন্নত হতে পারে না। বিধর্মীদের প্রশ্রয় দেয়ায় বাংলার ইতিহাসে মুসলমানদের এর আগেও ভরাডুবি হয়েছিলো, এখনো হচ্ছে। এদেশের মুসলমান শাসকশ্রেণী সেই ইতিহাস ভুলে গেছে। অতীতে এদেশের মুসলমানদের খেয়ে পরে মোটা চর্বিযুক্ত দেহের অধিকারী হয়েছিল



দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না। দাইয়্যূছ কে? 


মানুষ মৃত্যুর পর হয়তো জান্নাতে যাবে নতুবা জাহান্নামে। দু’টির একটিতে অবশ্যই যেতেই হবে। তবে যারা দাইয়্যূছ তারা কখনো জান্নাতে যেতে পারবে না। কেননা জান্নাত উনার দরজায় লিখা রয়েছে- الَدَّيُّوْثُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّة অর্থ: “দাইয়্যূছ কখনো জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” অতএব যারা



হালাল-হারাম বিষয়ে সীমালঙ্গন করা যাবে না


আমরা মুসলমান। আমাদের দ্বীন হচ্ছেন পবিত্র দ্বীন ইসলাম। পবিত্র দ্বীন ইসলাম এমন একটি দ্বীন বা বিধান উনার মধ্যে রয়েছে জিন ইনসানের সকল বিষয়ের সঠিক সমাধান। জিন-ইনসান কি করবে, কি করবে না, কি খাবে কি খাবে না, কোন্ পোশাক পরবে, কোন্ পোশাক



পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কমে যাওয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের



খেলাধূলা, মূর্তিপূজাসহ নানা হারাম কাজে সরকার বহু টাকা ঢালে! কিন্তু পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে বাজেট কোথায়?


এ দেশের মূল জনগোষ্ঠী মুসলমান। তাদের করের টাকাতেই এ দেশ চলে। এই মুসলমানদেরই প্রশ্ন হলো- হারাম খেলাধূলা, শিরকী মূর্তি-পূজা উপলক্ষ্য করে যদি মুসলমানের থেকে অর্জিত কোটি কোটি টাকা বাজেট করা হয়ে থাকে, তাহলে মুসলমাদের পবিত্র ঈমান, মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ঈদ পবিত্র



রাষ্ট্র কর্তৃক মুসলমানদের বিয়ের বয়স নির্ধারন করে দেয়া দ্বীন ইসলাম অবমাননার শামিল


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধান অনুসারে একজন মুসলমান যে কোন বয়সে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন। বিবাহের জন্য নারী পুরুষের কোন সুনির্দিষ্ট বয়সকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে নির্ধারন করে দেয়া হয়নি। তার মানে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাকে যারা মেনে চলবেন উনারা



গোল্ডেন রাইসের অবতারণা


বাংলাদেশে ২০১৮ অর্থাৎ এ বছরই বাণিজ্যিকভাবে জেনেটিক্যালি মোডিফাইড ধান “গোল্ডেন রাইস” উৎপাদন শুরু হবে। এ নিয়ে দেশব্যাপী বিতর্কের শেষ নেই। সবাই একে প্রাণঘাতী, সর্বনাশা, ষড়যন্ত্রের ফসল ইত্যাদি নামে আখ্যা দিচ্ছেন। কিন্তু কিভাবে এই গোল্ডেন রাইসের উৎপত্তি হলো আর কিভাবে সেটা আমাদের



সাবধান! সাবধান! সাবধান! যারা মসজিদ ভাঙ্গছে তাদের সামনে কঠিন লাঞ্ছনা-গঞ্জনা এবং পরকালে তাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে জাহান্নামের আযাব-গযব ও


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُولَئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ অর্থ: “ওই ব্যক্তির চেয়ে