সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


চুরির যত রহস্য!


চুরির যত রহস্য! বাংলাদেশে যত টাকা-পয়সা চুরি হয়, গায়েব হয় তার অনেকগুলো কারণ থাকলেও কয়েকটা উল্লেখযোগ্য কারণ রয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় সিনেমা, খেলাধুলা ও ব্যাপকহারে বিজাতী-বিধর্মী নিয়োগ অন্যতম। কারণ সমাজে যত অপকর্ম ছিনতাই, চুরি ডাকাতি, অপহরণ প্রত্যেকটা ঘটনা ঘটে সিনেমা ইস্টাইলে।



ভারতে মুসলিম নির্যাতনের রক্তাক্ত ইতিহাস, যার ধারাবাহিকতা এখনও চলমান!


ভারতে মুসলিম নির্যাতনের রক্তাক্ত ইতিহাস, যার ধারাবাহিকতা এখনও চলমান! বর্তমানে বাংলাদেশের একদল চিহ্নিত বুদ্ধিজীবী ও দালাল মিডিয়ার ট্রাম্পকার্ড হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’। যদিও আওয়ামী মদদে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে সংখ্যালঘুদের প্রাধান্য, তারপরও বাংলাদেশে নাকি হচ্ছে ব্যাপক সংখ্যালঘু নির্যাতন! পাঠকগণ আসুন দেখি, এসব ভারতে



মুসলমানদের থেকে ‘ট্যাক্স’ নিয়ে সে টাকা হারাম কাজে ব্যয় কেন?


মুসলমানদের থেকে ‘ট্যাক্স’ নিয়ে সে টাকা হারাম কাজে ব্যয় কেন? আমাদের দেশের সরকারী আমলা-কামলারা কি জনগণের ভালো চায়? কতটুকু চায়? তাদের কাজ কারবার দেখে কি মনে হয়? কারণ তিনি আমাদের মৌলিক যে ৬টি চাহিদা- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, বিবাহ, চিকিৎসার প্রতি



মুসলমানদের ক্ষতিসাধন করাই অমুসলিমদের প্রধান লক্ষ্য-উদ্দেশ্য!


ফিলিস্তিনে মুসলমানদের নৃশংস্যভাবে হত্যা করছে কারা? উত্তর: সন্ত্রাসী ইহুদীরা। ভারতের আসাম-গুজরাটের দাঙ্গায় মুসলমানদের নির্মমভাবে শহীদ করছে কারা? উত্তর: সন্ত্রাসী উগ্র হিন্দুরা। চীনের উইঘুরে মুসলমানদের নির্যাতন করছে কারা? উত্তর: সন্ত্রাসী কমিউনিস্ট বৌদ্ধরা। মায়ানমারে হাজার হাজার মুসলমানদেরকে হত্যা করছে কারা? উত্তর: সন্ত্রাসী বৌদ্ধ



দ্বীন ইসলাম পালন করতে মুসলমান লজ্জা পায়; অথচ বিধর্মীগুলো নেংটি পরতেও লজ্জা পায় না!


একটা বিধর্মী তার কথিত ধর্মে অসামাজিক ও অশোভনীয় বিষয় থাকার পরও সেগুলো ঠিকই গর্ব করে পালন করে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন- মুশরিকরা ধুতি পরে, যেটা কিনা এক প্রকার নেংটি, অর্ধউলঙ্গ একটি পোশাক। এরপরও এটা পরেই তারা দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়ায়। বিজাতী-বিধর্মীদের কথিত ধর্মে নানারকম



আক্বীদা শুদ্ধ হতে সময় লাগে মাত্র ১ সেকেন্ড!


আমরা মুসলমান, আমরা ঈমানদার। আমাদের পবিত্র ঈমান উনার যিনি মূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে পবিত্র ঈমান আনার কারণে, আক্বীদা শুদ্ধ রাখার কারণে আমরা মুসলমান। তাহলে



আমল কমবেশি হয়ে গেলেও কমপক্ষে আক্বীদা শুদ্ধ রাখতেই হবে!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- সমস্ত আদম সন্তানই গুণাহগার, তবে ওই ব্যক্তি উত্তম যে তওবা করে। আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- তোমরা যদি গুনাহ করে তওবা না করতে, তবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের স্থলে এমন একটি ক্বওম সৃষ্টি



যারা কাফির কেবল তারাই হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে তাদের মতো মানুষ বলে!


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যারা অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায় তারা মূলত আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ও পথভ্রষ্ট। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অন্যান্য মানুষের মতো মনে করা সুস্পষ্ট কুফরীর শামিল।



যিনি প্রকৃত ওলীআল্লাহ হবেন উনাকে ইবলিস শয়তান ধোঁকা দিতে পারে না!


বর্ণিত রয়েছে, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার রমাদ্বান শরীফ মাসে ইফতারের কিছুক্ষণ পূর্বে মনে মনে ভাবলেন, আজ যদি মহান আল্লাহ পাক তিনি দয়া করে আমার জন্য কোনো বেহেশতী খাবার পাঠাতেন, তাহলে আমি তা দিয়ে ইফতার



আমরা ব্যস্ত!? হাতে সময় নেই!?


আমরা ব্যস্ত!? হাতে সময় নেই!? তবু কিন্তু মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম তিনি চলে আসবেন। মৃত্যুর কাছে ব্যস্ততা বা সময়ের কোন মূল্য নেই। এরপরও এই চরম সত্যকে ভুলে থাকা কেনো!? মৃত্যুর পরের জীবনের শুরু কবর দিয়ে। যে কবর দেখলে



‘সুন্নতী বাল্যবিবাহ’ মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের স্বারাই স্বীকৃত ও প্রমাণিত!


বাল্যবিবাহ করতে বা দিতে হবে এরূপ বাধ্যবাধকতা সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে নেই। তবে বাল্যবিবাহ যেহেতু সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে জায়িয ও সুন্নত তাই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা যাবে না। বললে কুফরী হবে, ঈমান নষ্ট হবে। নাউযুবিল্লাহ! অনুরূপ উলামায়ে “সূ”দের এ কুফরীমূলক বক্তব্য



মুসলমানদের উচিত সব সময় বিনয় প্রকাশ করা!


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য বিনয়ী হবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন।’ সুবহানাল্লাহ! (মিশকাত শরীফ) বিনীত বিনম্র হওয়া হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস