শাহ্‌ সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ (অপূর্ব) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রিয়-পছন্দনীয় কতিপয় খাবার এবং তার


আজওয়া খেজুর সবচেয়ে প্রিয়-পছন্দনীয় রঈসুল মুফাসসিরীন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন- كان احب التمر الى رسول ا لله صلى الله عليه وسلم العجوة অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সর্বাধিক প্রিয়



” মগের মুলুক কেন বলা হয় জানেন কি? “


বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মগদের সাম্প্রতিক হত্যাযজ্ঞ তাদের পুরনো ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে! ‘মগের মুলুক’ বাংলাদেশে একটি সুপরিচিত বাগধারা। বাংলা একাডেমি এর অর্থ লিখেছে- (১). ব্রহ্মদেশ বা আরাকান রাজ্য। (২). অরাজক রাষ্ট্র, যে রাজ্যে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, যেখানে যথেচ্ছাচার হয়।বার্মিজরা ঐতিহাসিকভাবেই বর্বর,



পবিত্র কুরবানীতে সরকারি সাহায্য নেই, পূজাতে সরকারি সাহায্য! সরকার আসলে হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র কায়িম করতে চায় কিনা এবারের দুর্গাপূজাতেই তা


o গতবারের পবিত্র কুরবানীতে সরকারের অসহোগিতা ও অবহেলা ছিলো বহুল সমালোচিত একটি বিষয়। কুরবানীদাতাদের মুখে মুখে শোনা গেছে সরকারের অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও পশু সঙ্কট সৃষ্টির সমালোচনা। মানুষের সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ সঞ্চার করেছে কুরবানীর হাটে এই কৃত্রিমভাবে পশু সঙ্কট ও আকাশচুম্বী দাম।



আপনি জানেন কি “গাযওয়াতুল হিন্দ” কি? এর সম্পর্কে কে ভবিষ্যৎবানী করেছিলেন?


গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের যুদ্ধ হাদীস শরিফে বর্নিত আছে উগ্রবাদী, মৌলবাদী, হিন্দুদের ধ্বংসকারী গাযওয়াতুল হিন্দ অত্যাসন্ন ও অবশ্বাম্ভাবী। সারা পৃথিবীতে সবচে’ বড় জিহাদ যেটা হবে সেটা হবে হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে। এই জিহাদে যাঁরা শরীক থাকবেন, উপস্থিত থাকবেন, অংশ গ্রহণ



রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-২


(২). মুবারক পূর্বপূরুষ উনাদের পরিচিতি: আমাদের এ অঞ্চলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচারের জন্য কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা আসেননি। এসেছেন হযরত ওরাছাতুল আম্বিয়াগণ অর্থাৎ ওলীআল্লাহগণ উনারা। উনারাই এ অঞ্চল যথা: বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করেছেন, পথহারা



রাজারবাগ শরীফ উনার পরিচিতি-১


(১)রাজারবাগ শরীফ উনার সিলসিলা: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার উম্মত আমার শিক্ষাকে ৭৩টি দলে বিভক্ত করবে, তবে তার মাঝে একটি দল হবে হক।” সেই সঠিক আক্বীদাবিশিষ্ট দলকে



কাফির-মুশরিকরা ধ্বংস হবেই হবে। ইনশাআল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি তোমরা অর্থাৎ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত থাকো এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হও, তবে কাফির-মুশরিক অর্থাৎ বিধর্মীদের কোনো ষড়যন্ত্রই তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ সুবহানাল্লাহ! বর্তমানে মুসলমানগণ



যেভাবে মুসলমানদের ধোকায় ফেলানো হয়…!!!


ইহুদীবাদী মিডিয়া মনস্তাত্ত্বিক ভাবে মুসলমানদের বিরুদ্ধচারণ করে। এদের একটি বহুলব্যবহৃত কৌশল নিয়ে আজকে আমার স্ট্যাটাস- এ কৌশলে এরা নিজেরাই ইসলাম নিয়ে কোন থিউরী দাড় করায়। এরপর বহুল গ্রহণযোগ্য কোন বিষয়ের বিরুদ্ধে তা দাড় করিয়ে দেয়। এরপর গ্রহণযোগ্য বিষয়ের পক্ষে বলার নাম



” বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ী আর বিলাসিতা-ই সফলতা নয় “


বলখের ‘বাদশাহ’ এতো বিলাসবহুল জীবনযাপন করতো যে’ প্রতিদিন ঘুমানোর সময় পালঙ্কের চারপাশ কাচা ফুল দিয়ে সাজিয়ে দিতেন। কাচা ফুলের সুবাস ছাড়া বাদশাহ’র ঘুম হতো না। প্রতি দিনের ন্যায় পালঙ্ক সাজানোর পরেও একদিন বাদশাহ’র ঘুম হচ্ছিল না, বাদশাহ দাসী-বান্দিদের বললেন; নিশ্চই আমার



” সত্যিকার আলেম বা ওলীআল্লাহ উনার পরিচয় “


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই বান্দাদের মধ্য থেকে কেবল আলিমগণই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন।” পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে, যার ভিতরে যতোবেশি আল্লাহভীতি থাকবে তিনি ততবড় আলিম।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত



কেবলমাত্র ইবলিশ ও তার অনুচররাই নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনীতে খুশি প্রকাশ করার বদলে বিদ্বেষ ও


“ইয়েমেনের বাদশাহ্ আসআদ বিন র্কাব তুব্বা ইরাক ও সিরিয়া জয় করার উদ্দেশ্যে বের হলে পথিমধ্যে তিনি আমিয়া শহরে (যা বর্তমানে মদিনা শরীফ নামে পরিচিত) সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে সেটি দখল করে নেন এবং তার পুত্রকে সেখানকার অধিকর্তা নিয়োগ করে দেশে ফিরে যান,



পতিতা তো পতিতাই, পতিতাবৃত্তি বা পতিতালয় আবার হালাল হয় কি করে??? তাও আবার মুসলমানদের জন্য তৈরী হালাল পতিতালয়?


নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! পতিতা তো পতিতাই, পতিতাবৃত্তি বা পতিতালয় আবার হালাল হয় কি করে??? তাও আবার মুসলমানদের জন্য তৈরী হালাল পতিতালয়? মুসলিম ধর্মে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া আর কারও সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করা হারাম। এটি কোরআনের বিধান। কিন্তু ‘হালাল পতিতালয়’ কিভাবে সম্ভব? ইন্দোনেশীয়ার