Desh Premik -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


প্রস্রাবে এসিড আছে, ময়লা কাপড় ধুলে পরিষ্কার হলেও, সে কাপড় পাক হবে কী?


প্রস্রাবে বিভিন্ন ধরনের এসিড আছে যা ময়লা কাপড় অনায়াসে পরিষ্কার করতে পারে। তাই বলে প্রস্রাবে ধোয়া কাপড় পরে নামায পড়লে নামায হবে কী? উত্তর সবারই জানা, হবে না। কারণ কাপড় পাক হয়নি। নামাযের একটা শর্ত হচ্ছে কাপড় পাক হওয়া। অনুরূপ ধর্মের



“কেবলমাত্র যাকাতভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম”


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়।কথায় আছে “পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা”। পাত্রে ময়লা রেখে, ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা



মানুষ আজ আধুনিকতার কষাঘাতে সেই ধর্মকেই তুচ্ছ জ্ঞান করছে।


আধুনিকতা আজ সভ্যতাকে চোখ বেঁধে গহীন জঙ্গলে নিয়ে যাচ্ছে! এমনিভাবে মানবতা, সভ্যতা যখন ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছিল ঠিক তখনই যিনি খালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি যুগে যুগে মানব জাতির জন্য একজন নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাদের পাঠিয়ে ধ্বংস প্রায়



আরবের মরুভূমির মধ্যদিয়ে এক বিরাট কাফেলা যাচ্ছিল।


হঠাৎ উনাদের পানি শেষ হয়ে যায়। সেই কাফিলায় বড়,ছোট,বৃদ্ধ,যুবক মহিলা সবাই ছিল।তৃষ্ণার কারণে সবার অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছিল।অনেক দুর পর্যন্ত পানির কোন নাম নিশানা ছিল না। উনাদের কাছে এক ফোটা পানিও অবশিষ্ট ছিল না।পানি না পাওয়ার কারনে সবারই যেন মুমূর্ষ্ অবস্থা



মুশরিকরা জাতে মাতাল তালে বেঠিক- বলেই ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষে কমতি করেনা!


বিধর্মী বিজাতী ইহুদী মুশরিকরা কোন কালে কখনোই সভ্য মুসলমান উনাদের বন্ধু ছিলো না, বন্ধু হতে পারে না। এই বিষয়টি পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের মাঝে বিশদভাবে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় বলে দেয়া হয়েছে। তারপরও দ্বীন ইসলাম হতে বিমুখ হয়ে পড়া



ইসলাম বিদ্বেষী মুরতাদের মৃত্যুতে…


ওয়াশিকুর বাবু ও রাজিব হায়দার এর মত করে নাজমুদ্দিন সামাদ নামের এক উগ্র, বিকৃত মস্তিস্কের কোন নাস্তিক বা ইসলাম বিদ্বেষী মুরতাদকেও কে বা কারা কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। অবশ্য নিউজ মাধ্যমগুলো তাকে সাধারন মানুষ হিসেবে গন্য করছে কিন্তু



“মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বা তুই বলে সম্বোধন করা জায়েজ নয়”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেছেন- “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার শিয়ার বা নিদর্শন সমূহকে অসম্মান করো না।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- “তোমরা মানুষদেরকে সম্মান করো, তাদের



“সুন্নত মুবারক উনার ইত্তিবা বা অনুসরণ করা ফরয”


“ফরয পালনের নাম নেই, আবার সুন্নত নিয়ে টানাটানি”(নাউযুবিল্লাহ) কথাটি একটি বিয়াদবীমূলক কথা। ভাই, সহজ কথাটি কেন বুঝাতে পারিনা? সুন্নত বলে যা অবজ্ঞা, অবহেলা করছেন সে সুন্নত মুবারকের অনুসরন করা ফরয এবং সুন্নতের এহানত করা বা অবজ্ঞা করা কুফরী সেটা জানেন কি?



নাজাত পাব কি?


আমরা কি ভাবছি শুধুমাত্র আমাদের আমল দিয়েই ষোল আনা পূর্ণ হবে?আমল যা করছি এ জীবনে তা-ই আমাদেরকে নাযাত দিবে???? যদি এমনটাই মনে করে থাকি,তাহলে ইবলিশের কথাও মনে রাখা উচিত।তার ৬ লক্ষ বছরের আমল কিন্তু তার কোনো কাজেই আসেনি। আমাদের আমল ইবলিশের



” জুম্মাহ মোবারক / ঈদ মোবারক “


আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। বিসমিল্লাহ হির রাহমানির রাহিম, সমস্ত প্রশংসা খালিক্ব,মালিক,রব, সর্ব শক্তিমান,মহান আল্লাহর পাক উনার,আমি কেবল উনার কাছে সাহায্য চাই এবং উনার কাছেই ক্ষমার প্রত্যাশী।অসংখ্য দুরুদ ও সালাম নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ,নবীদের নবী,রাসূলদের রাসূল,হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



পিলখানার ট্রাজেডি!!!


কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত, কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোয় ত্রিপ্ত। কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য, নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ!! আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার, বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি



একুশে ফেব্রুয়ারি…..


ভাষা শহীদদের সাথে কাল্পনিক কথোপকথন…. ২১ শে ফেব্রুয়ারীতে ফুল দিতে যাচ্ছিলাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।হঠাৎ পথ আগলে দাড়ালো ওরা পাঁচ জন (রফিক.সালাম.বরকত.শফিউর ও জাব্বার) * রফিক – কই যাও? * আমি – জি, শহীদ মিনারে ফুল দিতে। * সালাম – কেন, ফুল