শাহ্‌ সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ (অপূর্ব) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


চেতনাজীবি জাফর ইকবালের রাজাকারনামা (১)


জাফর ইকবালকে অনেকে জানে সাহিত্যিক হিসেবে, অনেকে চিনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাজীবি হিসেবে। কিন্তু তার এই চেতনাবাজির আড়ালের রূপ তথা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালে তার অবস্থান, তার ভূমিকা কি ছিলো সেটা অনেকেরই অজানা ছিলো। কিন্তু সম্প্রতি তার অতি উৎসাহী তথা উতলে



বিদেশ থেকে নিম্নমানের ট্রেন কোচ কিনতে কোচপ্রতি ৭ কোটি টাকা খরচ হলেও দেশীয় প্রযুক্তিতে এই কোচ তৈরী সম্ভব মাত্র


সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি



বিদেশে গিয়ে নির্যাতন, নিপীড়ন ও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে নারী শ্রমিকরা। রেমিটেন্স বৃদ্ধির নামে দেশের নারীদের অশ্লীলতা ও লালসার পাত্র


সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সব সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



দ্বীন ইসলাম উনার খাতিরে করলে ‘অস্বাভাবিক অলৌকিক’, বিপরীতে দুনিয়ার খাতিরে করলে ‘বেজায় স্বাভাবিক’!


গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা হযরত মূসা জঙ্গী দোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কি প্রকার ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত ছিলেন একটি আপেল ফলের ঋণ শোধের জন্য, বিষয়টি সবাই জানেন। উনার সম্মানিত শ্বশুর হযরত আবদুল্লাহ সাওমাই রহমতুল্লাহি আলাইহি



বাংলা নামের উৎপত্তি !


হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার আমলে মহাপ্লাবন, কুরআন শরীফসহ সকল ধর্মগ্রন্থে স্বীকৃত। মহাপ্লাবনের পর হযরত নূহ আলাইহিস সালাম , উনার স্ত্রী, সন্তানসহ ৮০ জন নর-নারী আল্লাহপাক উনার হুকুমে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বংশ বৃদ্ধিতে নিয়োজিত থাকেন। হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার পরবর্তী



” দ্বীনি জ্ঞানশূন্য একজন চিকিৎসকের দ্বীনি বিষয়ে ফতওয়া দেয়া অনধিকার চর্চা, যা জিহালতির শামিল “


একজন সাধারণ ধার্মিক মুসলমান জানে যে, সাধারণত সূর্য উদয় থেকে অস্ত পর্যন্ত পানাহার ও নির্জনবাস থেকে বিরত থাকাকে ছিয়াম বা রোযা বলে। কেউ যদি মুখ গহ্বর ছাড়া অন্য পথে শরীরে খাদ্য, খাদ্য উপাদান বা পানীয় প্রবেশ করায় তাহলে তার রোযা ভঙ্গ



সবাই সুখী হতে চায়, কিন্তু জানে না সুখ কোথা রয়


মাত্র দুটি অক্ষর কিন্তু এর ব্যাপ্তি অনেক বেশি। এই পৃথিবীতে সবাই সুখী হতে চায় কিন্তু জানে না সুখের পায়রাটা কোথায়? সুখ হৃদয়ের একটি অনুভূতি। ছূফীরা যাকে বলে ‘তাতমাইনুল ক্বুলুব’- হৃদয়ের প্রশান্তি। মানুষের হৃদয় বেশি সময় এটা ধরে রাখতে পারে না। অশান্ত



“কেবলমাত্র যাকাতভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম”


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়।কথায় আছে “পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা”। পাত্রে ময়লা রেখে, ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা



“ইনসাফের ঝলক”


স্পেনের শাসনকর্তা একদিন রাজধানীর নিকটে একটি মনোরম স্থান দেখতে পেয়ে সেখানে তার প্রাসাদ নির্মাণ করতে চাইলেন। জমির মালিক ছিলেন একজন বৃদ্ধা । সে সেখানে একটি কুটিরে বাস করতো । সুলতান বৃদ্ধাকে উপযুক্ত মূল্য দিতে চাইলেন কিন্তু বৃদ্ধা তা গ্রহণ করতে চাইলেন



সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রিয়-পছন্দনীয় কতিপয় খাবার এবং তার


আজওয়া খেজুর সবচেয়ে প্রিয়-পছন্দনীয় রঈসুল মুফাসসিরীন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন- كان احب التمر الى رسول ا لله صلى الله عليه وسلم العجوة অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সর্বাধিক প্রিয়



” মগের মুলুক কেন বলা হয় জানেন কি? “


বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মগদের সাম্প্রতিক হত্যাযজ্ঞ তাদের পুরনো ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে! ‘মগের মুলুক’ বাংলাদেশে একটি সুপরিচিত বাগধারা। বাংলা একাডেমি এর অর্থ লিখেছে- (১). ব্রহ্মদেশ বা আরাকান রাজ্য। (২). অরাজক রাষ্ট্র, যে রাজ্যে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত নয়, যেখানে যথেচ্ছাচার হয়।বার্মিজরা ঐতিহাসিকভাবেই বর্বর,



পবিত্র কুরবানীতে সরকারি সাহায্য নেই, পূজাতে সরকারি সাহায্য! সরকার আসলে হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্র কায়িম করতে চায় কিনা এবারের দুর্গাপূজাতেই তা


o গতবারের পবিত্র কুরবানীতে সরকারের অসহোগিতা ও অবহেলা ছিলো বহুল সমালোচিত একটি বিষয়। কুরবানীদাতাদের মুখে মুখে শোনা গেছে সরকারের অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও পশু সঙ্কট সৃষ্টির সমালোচনা। মানুষের সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ সঞ্চার করেছে কুরবানীর হাটে এই কৃত্রিমভাবে পশু সঙ্কট ও আকাশচুম্বী দাম।