সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


যিকরুল্লাহ, যুলখলক্বিল আযীম, যুছছিরাত্বিল মুসতাক্বীম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক উচ্চারণ বা


لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم كدعاء بعضكم بعضا অর্থ: তোমরা একে অপরকে যেভাবে আহ্বান করে থাকো, সেভাবে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আহ্বান করো না। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩) উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার



পবিত্র ছহীহ্ হাদীছ শরীফ ও পবিত্র দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ উনাদের প্রসঙ্গে কিছু কথা!


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিায়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুমগণ উনাদের ও হযরত তাবিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কথা, কাজ ও মৌন সম্মতিকেই পবিত্র হাদীছ শরীফ বলে।



মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত নবী হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম উনার উপর পবিত্র ওহী মুবারক নাযিল করলেন,


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ



দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সবকিছু বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য!


ভারতের মুসলিম শাসনামলে হিন্দুরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে হিন্দু থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে হিন্দুদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে যেহেতু তারা অন্তরের দিক দিয়ে হিন্দুই থেকে যেত, সেহেতু তারা বাড়িতে



মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থ বজায় রেখে!


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো



কথিত ‘সংস্কৃতি চর্চা’ আরও বিপদ ডেকে আনছে!


শিক্ষার্থীদেরকে সন্ত্রাসবাদ বিমুখ করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (হারাম) সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে বাস্তবসম্মত নয়, বরং বাস্তবতার নীরিখে হওয়া উচিত ছিলো বিপরীত। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সর্বস্তরে সংস্কৃতির নামে হারাম কর্মকা- তুলে দিয়ে সঠিক



মৌলবাদ কি? মৌলবাদী কারা?


মৌল ও বাদ শব্দ দুটির সন্ধি হচ্ছে মৌলবাদ। সংসদ বাংলা অভিধানে মৌল শব্দের অর্থ হচ্ছে, মূল সম্বন্ধীয়, মূল হতে উৎপন্ন, আদিম। আর ‘বাদ’ শব্দের অর্থ হচ্ছে, মত (মতবাদ), তত্ত্ব ইত্যাদি। আভিধানিক অর্থে মৌলবাদ হচ্ছে, প্রাচীন ধর্মীয় শাস্ত্রবিধির প্রতি অন্ধ বিশ্বাস। মৌলবাদী



থিউরি অব ‘প্রপাগান্ডা এ্যান্ড ‘ইল্যুশন অফ ট্রুথ’: সুন্নতি বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে যেভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে এবং হচ্ছে!


ইহুদী-নাছারা নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রপাগান্ডা ও ইল্যুশন অফ ট্রুথ ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ সত্য-মিথ্যা যাচাই-বাছাই করতে পারছে না। মিথ্যার গোলক ধাঁধাঁয় সাধারণরা খাচ্ছে হাবুডুবু। এই লেখাটির মাধ্যমে আমরা ইহুদী-নাছারাদের ছড়ানো ‘প্রপাগান্ডা ও ইল্যুশন অফ ট্রুথ’ বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব।



রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থে পরিচালিত কার্যক্রমের কিছু নমুনা।


সাম্রাজ্যবাদীরা গণতন্ত্রের মত এক অর্থহীন- অচল- অকার্যকর পদ্ধতি বিশ্বে চাপিয়ে দিয়ে এবং তার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে সহায়ক শাসক শ্রেণী বসিয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। এইসব শাসক শ্রেণী কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সুবিধাটুকুই দেখে প্রকারান্তরে বঞ্চিত থাকে আপামর জনগোষ্ঠী।



চাঁদ দেখতে আধুনিক যন্ত্র কিনবে সরকার, এটি একটি লোক দেখানো বাগাড়ম্বরপূর্ণ সিদ্ধান্ত!


এবার ঈদুল ফিতরের আগে অর্থাৎ শাওওয়াল মাসের চাঁদ দেখা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় নাকি এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিগত বহু বছর ধরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখা কমিটি যে চাঁদের সিদ্ধান্ত দিয়ে আসছে তার অধিকাংশই সঠিক ছিল । বিচ্ছিন্ন যে কয়টি রিপোর্টে



ভালো মন্দের চূড়ান্ত মাপকাঠি -১


بسم الله الرحمن الرحيم সকল প্রশংসা আল্লাহর। অসংখ্য দরুদ নাযিল হোক তাঁর নবীর উপর বারবার। ১-এই কাজটা ভালো। এই কথার কি অর্থ ? উত্তর এলো, ভালো মানে হলো এটা একটি উত্তম কাজ। ২-উত্তম কাজ ! এর মানেই বা কি? উত্তর এলো,



সিরাজগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান সাহেব এক দিনে ৭টা বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেও তার স্ত্রীকে সে কেন ১৫ বছর বয়সে


সিরাজগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান সাহেব এক দিনে ৭টা বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেও তার স্ত্রীকে সে কেন ১৫ বছর বয়সে বিয়ে করছে তার কোন সদুত্তর সে দিতে পারে নাই। এবং না পারার এক পর্যায়ে সে তার ফেসবুক আইডি’র প্রোফাইলখানাও লক করে দিছে।