সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


যে সকল শব্দ মুসলমানদের ব্যবহার করা উচিত নয় – ২


যে সকল শব্দ মুসলমানদের ব্যবহার করা উচিত নয় – ২ আমরা অনেক শব্দ ব্যবহার করি যেগুলো বিধর্মীদের ব্যবহৃত খাছ শব্দ। যেমন- জল শব্দটি যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের খাছ শব্দ। আবার অনেক শব্দ রয়েছে যে শব্দগুলো ব্যবহার মূলত ইসলামকে ইহানত করার শামিল।



একজন ধর্মব্যবসায়ী দলের কর্মীর সাথে কথোপকথন!


একজন ধর্মব্যবসায়ী দলের কর্মীর সাথে কথোপকথন! আল হিলাল দলের কর্মী: আপনি পীর ছাহেবের মুরীদ!!! আপনারা তো আবার মাযার পূজা করেন? ওরশ করেন- তাই না? আল হিলাল: পীর ছাহেবের মুরীদ হলেই মাযার পূজা করতে হবে বা করবে, ওরশ করতে হবে বা করবে-



দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সবকিছু বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য!


দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সবকিছু বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য! ভারতের মুসলিম শাসনামলে হিন্দুরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে হিন্দু থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে হিন্দুদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে



বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রীক সমাজ্যবাদ দীর্ঘস্থায়ী ও বিস্তৃতি লাভ করার পেছনের কারণ আমি বলেছিলাম- তারা দুইটি বিপরীত মতবাদের ব্লক বিশ্বজুড়ে


বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রীক সমাজ্যবাদ দীর্ঘস্থায়ী ও বিস্তৃতি লাভ করার পেছনের কারণ আমি বলেছিলাম- তারা দুইটি বিপরীত মতবাদের ব্লক বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে। একটি ডেমোক্র্যাট ব্লক, অন্যটি রিপাবলিকান ব্লক। রিপাবলিকানদের কাজ হলো – ডাইরেক্ট মুসলিম মারা। আর ডেমোক্র্যাটদের কাজ হলো- তারা উপর দিয়ে



সেক্যুলাররা মুসলমানকে মুসলমানের অস্তিত্ব বাচাতে দেয় না, মুসলমানকে দিয়ে সেক্যুলারিজমের অস্তিত্ব বাচায়।


ফেসবুকে দিল্লীতে মুসলিম নিধনের খবর পড়ছিলাম। খবরের নিচে বাংলাদেশী হিন্দু ও সেক্যুলারদের কমেন্টগুলো ছিলো দুই ধরনের- ১) বাংলাদেশী হিন্দু- আরে ভাই আপনারা দিল্লীর সংখ্যালঘু নিয়ে মাতছেন কেন ? বাংলাদেশে যে সংখ্যালঘু নির্যাতন হয় সেটা নিয়ে মাতেন। ২) সেক্যুলার- ক) আমরা একই



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরিচিতি মুবারকঃ


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরিচিতি মুবারকঃ মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন: ১. ইমামুল আউওয়াল আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ



মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুরীদের বৈশিষ্ট্য তুলনাবিহীন!


মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুরীদের বৈশিষ্ট্য তুলনাবিহীন! যামানার মহান মুজতাহিদ ও ইমাম, মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, আহলে বাইতে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার যারা মুরীদ-মু’তাকিদ উনাদের ইলিম-হিকমত, ঈমান-আক্বীদা, আমল-আখলাক্ব অন্যদের থেকে অনেক অনেক গুণে উন্নত। সুবহানাল্লাহ! বলার



” স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেয়ার প্রথা মুসলমানদের নয় “


” স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেয়ার প্রথা মুসলমানদের নয় ” ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ ইংরেজিতে বলা হয়- `Monument’. World book -এ লেখা হয়েছে- monument is a structure usually a building or statue built in memory of a person or an event. অর্থাৎ স্মৃতিস্তম্ভ হচ্ছে- একটি অবকাঠামো,



একজন তথাকথিত আধুনিক মুক্তমনার সাথে কথোপকথনঃ


একজন তথাকথিত আধুনিক মুক্তমনার সাথে কথোপকথনঃ মুক্তমনা: সেদিন হাইকোর্ট মাযার শরীফ-এ গিয়ে দেখি শুধু শিরক হচ্ছে। মানুষ সিজদা দিয়ে পড়ে আছে। লেখক: মাযার শরীফ-এ যদি কাউকে সিজদা দিয়ে পড়ে থাকতে দেখেন তবে তা অবশ্যই শিরক। কিন্তু আপনি ওখানে কেন গিয়েছিলেন? মুক্তমনা:



ইতিহাসে বলছে- যে সকল মুসলিম নামধারী শাসকরা বিধর্মীদের প্রাধান্য দিয়েছে তাদের হাত ধরেই পরাধীনতাগুলো এসেছে!


ইতিহাসে বলছে- যে সকল মুসলিম নামধারী শাসকরা বিধর্মীদের প্রাধান্য দিয়েছে তাদের হাত ধরেই পরাধীনতাগুলো এসেছে! ভারতবর্ষের হাজার বছরের মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক হচ্ছেন হযরত আওরঙ্গজেব আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি। বলা হয়, উনার বিছালী শান মুবারক গ্রহণের পরপরই ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের অবক্ষয়



একটি ইতিহাস পর্যালোচনা: দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধিতায় মূর্তিপূজারী পুরুষদের চেয়ে পূজারী নারীরা কোন অংশেই কম নয়!


একটি ইতিহাস পর্যালোচনা: দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধিতায় মূর্তিপূজারী পুরুষদের চেয়ে পূজারী নারীরা কোন অংশেই কম নয়! বাংলায় ২০০ বছরব্যাপী সুলতানী আমলের শ্রেষ্ঠ শাসক হযরত গিয়াসউদ্দীন আযমশাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি উনার অধীনস্থ এক বিশ্বাসঘাতক বিধর্মী কর্মচারী গণেশের চক্রান্তে শহীদ হয়েছিলেন। এই গণেশ



ব্রিটিশ গুপ্তচরের স্বীকারোক্তি এবং ওহাবী (সালাফী-লা’মাযহাবী-কথিত আহলে হাদীছ) মতবাদের নেপথ্যে ব্রিটিশ ভূমিকা – পর্ব-> ১


ব্রিটিশ গুপ্তচরের স্বীকারোক্তি এবং ওহাবী (সালাফী-লা’মাযহাবী-কথিত আহলে হাদীছ) মতবাদের নেপথ্যে ব্রিটিশ ভূমিকা – পর্ব-> ১ {শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিস্টানরা | মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের