সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


আমল কমবেশি হয়ে গেলেও কমপক্ষে আক্বীদা শুদ্ধ রাখতেই হবে!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- সমস্ত আদম সন্তানই গুণাহগার, তবে ওই ব্যক্তি উত্তম যে তওবা করে। আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- তোমরা যদি গুনাহ করে তওবা না করতে, তবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের স্থলে এমন একটি ক্বওম সৃষ্টি



যারা কাফির কেবল তারাই হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে তাদের মতো মানুষ বলে!


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যারা অন্যান্য মানুষের মতো বলতে চায় তারা মূলত আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ও পথভ্রষ্ট। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অন্যান্য মানুষের মতো মনে করা সুস্পষ্ট কুফরীর শামিল।



যিনি প্রকৃত ওলীআল্লাহ হবেন উনাকে ইবলিস শয়তান ধোঁকা দিতে পারে না!


বর্ণিত রয়েছে, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার রমাদ্বান শরীফ মাসে ইফতারের কিছুক্ষণ পূর্বে মনে মনে ভাবলেন, আজ যদি মহান আল্লাহ পাক তিনি দয়া করে আমার জন্য কোনো বেহেশতী খাবার পাঠাতেন, তাহলে আমি তা দিয়ে ইফতার



আমরা ব্যস্ত!? হাতে সময় নেই!?


আমরা ব্যস্ত!? হাতে সময় নেই!? তবু কিন্তু মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম তিনি চলে আসবেন। মৃত্যুর কাছে ব্যস্ততা বা সময়ের কোন মূল্য নেই। এরপরও এই চরম সত্যকে ভুলে থাকা কেনো!? মৃত্যুর পরের জীবনের শুরু কবর দিয়ে। যে কবর দেখলে



‘সুন্নতী বাল্যবিবাহ’ মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের স্বারাই স্বীকৃত ও প্রমাণিত!


বাল্যবিবাহ করতে বা দিতে হবে এরূপ বাধ্যবাধকতা সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে নেই। তবে বাল্যবিবাহ যেহেতু সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে জায়িয ও সুন্নত তাই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা যাবে না। বললে কুফরী হবে, ঈমান নষ্ট হবে। নাউযুবিল্লাহ! অনুরূপ উলামায়ে “সূ”দের এ কুফরীমূলক বক্তব্য



মুসলমানদের উচিত সব সময় বিনয় প্রকাশ করা!


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য বিনয়ী হবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন।’ সুবহানাল্লাহ! (মিশকাত শরীফ) বিনীত বিনম্র হওয়া হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস



মহিলাদের জন্য উত্তম আমল হলো ‘পর্দানশীন’ থাকা!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহিলারা পর্দার সাথে থাকবে। কেননা যখন তারা বের হয় তখন শয়তান উঁকিঝুঁকি দিতে থাকে।” অর্থাৎ তাদের দ্বারা কোনো পাপ কাজ সংঘটিত করানো যায় কিনা এ চেষ্টা করতে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার



অল্প বয়সে বিয়ে হলে অনেক অসুবিধা (!) কিন্তু সুবিধা কি?


অল্প বয়সে বিয়ে হলে নানান অসুবিধা হয় বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু অল্প বয়সে বিয়ে হলে যে অনেক সুবিধা হয়, সেটার ফিরিস্তি কিন্তু প্রচার করা হয় না। যেমন ধরুন- একটা ছেলে ও একটা মেয়ের অল্প বয়সে বিয়ে হলো। এতে তাদের সন্তানটি



ভেঙে যাচ্ছে সমাজ, ভেঙে যাচ্ছে পরিবার, নেপথ্যে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন


প্রচলিত সমাজের মতে, মানুষের মৌলিক চাহিদা হলো- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। কিন্তু দ্বীন ইসলামে আরও একটি মৌলিক চাহিদা আছে, সেটা হলো- বিবাহ। কিন্তু মানুষের অন্যতম এই মৌলিক চাহিদাকে বাদ দিয়েছে চক্রান্তকারী ইসলবিরোধীগোষ্ঠীরা। কারন তারা যেমন নিজেরাও ব্যভিচার ও বেহায়াপনার



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মধ্যে- পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠকের


হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার পবিত্র রওজা শরীফ উনার মাঝে একজন হযরত



ইখলাছ সম্পর্কে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সূরা জারিয়াত শরীফ উনার ৫৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে, وَمَاخَلَقْتُ الْجِنَّ وَ الْاِنْسَ الَّا لِيَعْبُدُوْنَ. অর্থ: “আমি জিন ও ইনসান (মানুষ) সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদত



বিশ্বের সবচাইতে বেশি নারী নির্যাতন এবং নারী অধিকার খর্ব করে যে সব দেশ


১. সম্ভ্রমহরণ ও শ্লীলতাহানি হয়রানি: যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে সম্ভ্রমহরণের শিকার হয় একজন নারী আর বছরে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৭ লাখে। (সূত্র: দি আগলি ট্রুথ, লেখক মাইকেল প্যারেন্টি)। আর ব্রিটেনে প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন নারী ধর্ষিত হয়। ২.