সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


সাইয়্যিদুনা খলীফাতুল উমাম, আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানে কিছু কথা!


৯ মাহে রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪০ চিন্তা-ফিকিরের ঊর্ধ্বে, বর্ণনার ঊর্ধ্বে, লিখার ঊর্ধ্বে, বলার ঊর্ধ্বে যাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বুযুর্গী রয়েছে, উনাদের প্রথম সারির, সর্বোচ্চ তবকার ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন- আল মানছূর হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত এমন যে, যা ফিকির করে



খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি


খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল খলীফাতুল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ এবং পূর্ববর্তী সম্মানিত আসমানী কিতাব মুবারক উনাদের মধ্যে বর্ণিত ১২ জন মহান খলীফা আলাইহিমুস সালাম



হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি আখাচ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।


হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ অত্যন্ত বেমেছাল রহমত, বরকত ও খুশি প্রকাশের কারণ। তাই সকলের উচিত- উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবরক প্রকাশ উপলক্ষে অত্যন্ত জওক-শওক ও শান-শওকতের সাথে খুশি প্রকাশ করে রহমত, বরকত,



বাইয়াত হওয়া ফরয। যারা বলে বাইয়াত হওয়া বিষয়ে শরীয়তে কোন নির্দেশনা নেই তারা অজ্ঞ ও গণ্ডমূর্খ!


মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: “তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হয়ে যাও।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৭৯) মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন: “যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে তবে তাদের দায়িত্ব ও



মুবারক সংখ্যা ৯ হল এমন এক সংখ্যা যার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার সমস্ত শান মুবারক উনার প্রকাশ ঘটান।


পৃথিবীর সকল সংখ্যাই এই মহাসম্মানিত ৯ সংখ্যা মুবারক উনার মধ্যে বিদ্যমান কিন্তু ৯ সংখ্যা মুবারক কারো মূখাপেক্ষী নন । যেমনঃ ১ x ৯ = ৯ ২ x ৯ = ১৮ এর একক ১ + ৮ = ৯ ৩ x ৯ =



যাকাত কি ও উনার ফযিলত!


** (যাকাত) زكوة শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে বরকত (বৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধি), পবিত্রতা, পরিশুদ্ধি, ইত্যাদি। ** আবার পবিত্র যাকাতকে কখনোصدقات (ছদাকাত) এবং কখনো انفاق (ইনফাক) শব্দ দ্বারাও উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র যাকাত উনার ফাযায়িল-ফযীলত : ————————————————————————————————– যারা পবিত্র যাকাত প্রদান করে না, আর



সৃষ্টির সেরা মানুষকে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে হবে!


সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষকে মহান আল্লাহ পাক যিনি খালিক্ব মালিক রব তিনি উত্তম অবয়ব দিয়েও সত্য মিথ্যা পরখ করার বুদ্ধি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। মানুষের মধ্যে আছে অভিনয় করার শক্তি। সে যা না তাই সে প্রকাশ করতে পারে। এমন কি অভিনয় করাকে



আযান শুনলে জিন শয়তান পালায় এবং পবিত্র মীলাদ-ক্বিয়াম শরীফ শুনলে মানুষ শয়তান পালায়!


আমরা জানি আযান হলে শয়তানের গায়ে আগুন ধরে যায় বিধায় আযান শুনলেই জিন শয়তান প্রাণপণে ছুটে পালায়। তদ্রƒপ যারা মানুষরূপ খন্নাস তথা শয়তান, তারা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতে, তা’যীমার্থে



ইচ্ছার স্বাধীনতা মানুষকে দেয়া হয়েছে, সেজন্য তার কর্মই তাকে বিচারের সম্মুখীন করবে!


আসমানে যমীনে জানা অজানা সকল বস্তু ও প্রাণী মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্রতা ঘোষণা ও প্রসংশায় ব্যস্ত। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ প্রাণী মানুষের মধ্যে অধিকাংশই মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানী করে থাকে। পবিত্র কুরআন মজিদে উনার মধ্যে প্রকাশিত উক্তি অনুযায়ী বালুকণাও মহান আল্লাহ



শুধু স্পেন কিংবা বাগদাদ থেকে নয়, ভারতবর্ষ থেকেও মুসলমানদের লাইব্রেরীর কিতাবাদি লুট করেছিল ব্রিটিশরা!


মুসলিম বিজ্ঞানীদের থিওরীগুলো খ্রিস্টানরা চুরি করে নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়েছে, এ সম্পর্কিত ইতিহাস পর্যালোচনা করতে গেলে প্রথমেই বাগদাদ কিংবা স্পেনের নাম আসে। বিশেষ করে স্পেনের পতনের আগে ইউরোপের ইতিহাসে কোনো খ্রিস্টান বিজ্ঞানীরই দেখা মেলে না। যাতে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, স্পেনে



মুক্তিযুদ্ধে অমুসলিম-বিধর্মী রাজাকারদের ভূমিকা!


আমাদের দেশে একশ্রেণী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী পৌত্তলিক পদলেহী গং প্রচার করে থাকে যে বিধর্মীমাত্রই অতি নিরাীহ (!!!) বিধর্মীমাত্রই মুক্তিযোদ্ধা(!!!)। এটা বলে তারা মাত্র ২% এর কম হয়েও ৯৮% মুসলমানদের উপরে যুলুম-অত্যাচার করে এবং বিভিন্ন দেশবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণ করে। অথচ এই কথিত “নিরীহ” (!!!)



২০ রাকা’আত তারাবীহ নামাযকে অস্বীকার করতে গিয়ে লা’মাযহাবীদের চরম জালিয়াতি ও প্রতারণা!


ওহাবী লা’মাযহাবী কথিত আহলে হাদীস নামধারীরা তাদের বইতে এবং বিভিন্ন আলোচনায় একটা মিথ্যাচার করছে- আমীরুল মু’মিনিন, খলীফাতুল মুসলিমিন, হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কাউকে ২০ রাকা’আত তারাবীহ উনার নামায পড়ার নির্দেশ দেননি। (বিশ রাকা’য়াত তারাবীর জাল দলীল, লেখক: আব্দুর রউফ,