সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


মুসলমানরা যদি যাকাত ও উশর যথাযথ ও নিয়মিত দেয়, তাহলে আর বন্যা, তুফান, খরায় ফসল নষ্ট হবে না!


পত্রিকার পাতা খুললে সংবাদ দেখা যায়, “বন্যায় তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমি”। “খরায় ফসল নষ্ট।” “ভেসে গেছে মাছ”। ইত্যাদি ক্ষয় ক্ষতির বিবরণ। এর কারণ কি? পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যমীনে ও পানিতে যত মাল সম্পদ বিনষ্ট



স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল


বনী মুছত্বলিক্বের জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ মিথ্যা অপবাদ রটনা করে মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলূল (যার মূল



আলিমা, ফক্বীহাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম তিনি ‘ছিদ্দীক্বা’ লক্বব মুবারক উনার একক মালিকাহ!


সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতা উনার মূল নাম মুবারক হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম। উনার কুনিয়াত বা উপনাম মুবারক আবূ বকর। লক্বব বা উপাধি ছিদ্দীক্ব ও আতীকুল্লাহ। ইতিহাসে মূল নাম আব্দুল্লাহ নামে তিনি পরিচিত নন।



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস


উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দিক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عن انس رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم احب النساء الى حضرت عائشة عليها السلام ومن الرجال ابوها. অর্থ:



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল ও ফযীলত মুবারক!


সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت انس رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم احب النساء الى حضرت عائشة عليها السلام ومن



মাহে শাওওয়াল শরীফ উনার আইয়ামুল্লাহ শরীফ:


৫ মাহে শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪০ ১ শাওওয়াল শরীফ: ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম। এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর। ০৪ শাওওয়াল শরীফ: ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম। ১৪ শাওওয়াল শরীফ: ঈদে বিলাদতে হযরত মুজাদ্দিদে



সম্মানিত শায়েখ তথা ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ফরজ


এখন তো মহাসম্মানিত হাবীব মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি সরাসরি আমাদের মধ্যে নেই। তাই এখন উনার যিনি বা তারা ওয়ারিছ, নায়েবে নবী, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া, ওলীআল্লাহ উনারা যাঁরা আছেন উনাদেরকেই অনুসরন করতে হবে। মহান আল্লাহ



বাল্যবিবাহ নিয়ে নিজের মত পেশ করার আগে সতর্ক হোন!


নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিছবাতুল আযীমাহ মুবারক হয় স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশে। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক বিধর্মী ও কাফিরদের প্রশংসা করা নাজায়িজ!


ফাসিকদের প্রশংসা প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যখন কোন ফাসিক লোকের প্রশংসা করা হয় তখন মহান আল্লাহ পাক এতোটা অসন্তুষ্ট হন যে, পবিত্র আরশে আযীম উনার খুঁটিগুলো (ভয়ে) প্রকম্পিত হতে থাকে।” ফাসিক কাকে বলে? ফাসিক হচ্ছে ঐ



পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষাই হচ্ছে- তাক্বওয়া। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষাই হচ্ছে- তাক্বওয়া। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মাধ্যমে অর্জিত তাক্বওয়া



” খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল-ফযিলত মুবারক “


আনুষ্ঠানিকভাবে ওহী নাযিল মুবারক নাযিল হওয়া শুরু হলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রথম উম্মুল মু’মিনীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে অবহিত করেন। তিনিই সর্বপ্রথম পবিত্র ইসলাম গ্রহণ করেন। হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, উম্মুল মু’মিনীন



আপনাকেই বলছি! দুনিয়ার বাড়ি-ঘরতো করা হলো, আখিরাতের বাড়ি-ঘর করা হয়েছে কি?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন সম্মানিত মিরাজ শরীফে তাশরীফ মুবারক নেন তখন দেখলেন একটি মনোরম বালাখানা তৈরি হচ্ছে; কিন্তু হঠাৎ কাজ বন্ধ হয়ে গেল। তখন বিষয়টি উম্মতদেরকে অবহিত