শাহ্‌ সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ (অপূর্ব) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


কেবলমাত্র ইবলিশ ও তার অনুচররাই নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনীতে খুশি প্রকাশ করার বদলে বিদ্বেষ ও


“ইয়েমেনের বাদশাহ্ আসআদ বিন র্কাব তুব্বা ইরাক ও সিরিয়া জয় করার উদ্দেশ্যে বের হলে পথিমধ্যে তিনি আমিয়া শহরে (যা বর্তমানে মদিনা শরীফ নামে পরিচিত) সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হয়ে সেটি দখল করে নেন এবং তার পুত্রকে সেখানকার অধিকর্তা নিয়োগ করে দেশে ফিরে যান,



পতিতা তো পতিতাই, পতিতাবৃত্তি বা পতিতালয় আবার হালাল হয় কি করে??? তাও আবার মুসলমানদের জন্য তৈরী হালাল পতিতালয়?


নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! পতিতা তো পতিতাই, পতিতাবৃত্তি বা পতিতালয় আবার হালাল হয় কি করে??? তাও আবার মুসলমানদের জন্য তৈরী হালাল পতিতালয়? মুসলিম ধর্মে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া আর কারও সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করা হারাম। এটি কোরআনের বিধান। কিন্তু ‘হালাল পতিতালয়’ কিভাবে সম্ভব? ইন্দোনেশীয়ার



হে ভারত! হে হিন্দুরাজ্য! একটু ফিরে তাকাবে কি?


অনেক আগের কথা। ভারতেবর্ষের শাসক তখন বাদশাহ আলমগীর আওরঙ্গজেব রাহমাতুল্লাহি আলাইহি । তিনি লালকেল্লার পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। প্রতি শুক্রবারে সেখানে তিনি নামজ পড়তেন নামাজের পর রাস্তার দু পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো মানুষদের লিখিত আবদার ও অভিযোগ পড়তেন। এবং অভিযোগ দূর



“ফারুকে আযম উনার খিলাফতের সময়ের একটি ঘটনা ও তা থেকে শিক্ষা “


ঘটনাটি ন্যায়বিচার ও ইসলামী ভ্রাতৃত্ব ফারুকে আযম, হযরত উমর ফারুক (আলাইহিস সালাম) উনার শাসন আমলের সময়। একদিন দু’জন লোক এক বালককে টেনে ধরে নিয়ে আসল ফারুকে আযম উনার দরবারে। হযরত উমর ফারুক (রাদিআল্লাহু তাআলা আনহু) তাদের কাছে জানতে চাইলেন যে, ‘ব্যাপার



” নবাব সিরাজউদ্দৌলা “


নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে রবার্ট ক্লাইভের যখন পলাশীর যুদ্ধ হয়, তখন রবার্ট ক্লাইভের সৈন্য ছিল মাত্র ২৬০০, তার মাঝে ইংরেজ ছিল মাত্র ৬০০ জন… বাকি ২০০০ জনই ছিল কোম্পানির সংগ্রহ করা ইন্ডিয়ান সেপাই। কামান ছিল মোট বারটা, তাও খুবই ছোট আকারের কামান



“সম্মানিত ক্বদর উনার রাত্রির ইবাদত হাজার মাসের ইবাদত থেকে উত্তম”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ اَلْفِ شَهْرٍ অর্থ:- সম্মানিত ক্বদরের রাত্রি হাজার মাস থেকেও উত্তম। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আল ক্বদর শরীফ) এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার শানে নুযূল সম্পর্কে বলা হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



” হাজরে আসওয়াদ বা কাল পাথর “


মূলতঃ ইহা কোন পাথর নয়, প্রকৃত পক্ষে হাজরে আসওয়াদ একজন ফেরেশতা আলাইহিস সালাম। তাই তো খালিছ নিয়তে চুম্বনকারী ব্যক্তির গুণাহ সমূহ হাজরে আসওয়াদ চুষে নেয় এবং কিয়ামত পর্যন্ত চুষতেই থাকবে।সুবহানাল্লাহ। হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে তাফসীরের কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক



“মৃত্যু নয়, দোযখের আযাবকে ভয় করা উচিত”


জন্ম মৃত্যু জীব জগতের একটি সাধারণ প্রক্রিয়া। পৃথিবীর মায়ায় জড়িয়ে আজ মানুষ এ জীবন ত্যাগ করতে মোটেই রাজি নয়। তা জীবন যতই অসহনীয় হোক না কেন। সবার ভাবনা- ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর এ ভূবনে।’ আসল জীবন ও তার উপকরণ সম্পর্কে



একবার কিছু লোক এসে হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করলো…


একবার কিছু লোক এসে হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করলো: আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটে এতো দোয়া ও মুনাজাত করে থাকি। অথচ আমাদের দোয়া কবুল হয় না। এর কারণ কি? তখন হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহি আলাইহি



” একজন গ্রাম্য লোকের শিক্ষনীয় ঘটনা “


মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি একটি ঘটনা লেখেন, বাগদাদের সন্নিকটে এক গ্রামে এক ব্যক্তি বাস করত। লোকটির একদিন সাদ জাগলো বাদশার দরবারে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাত করবে। বাদশাও তো আর এ যুগের বাদশাদের মত নয়, অর্ধ দুনিয়ার শাষক। তখনকার মানুষ বাদশার কাছে



যেদিকেই তাকাই শুধু মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন তথা রূপ দেখিতে পাই!!!


চারিদিকে তাকালে শুধু যিনি খালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত, কুদরত দেখতে পাই। দেখতে পাই মানে বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও কুদরত দ্বারা বেষ্টিত। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে,



তুমি অধম হলে, আমি উত্তম হবো না কেন?


তুমি অধম হলে, আমি উত্তম হবো না কেন? আর যদি উত্তম হতে না-ই হতে পারি তবে অধম কে অধম বলার কোন যৌক্তিকতাই নেই! আর অধম সেটা কুকুর-ই হোক না কেন…! মূলতঃ নিজেকে সবার থেকে বেশি গুনাহগার মনে করা হলে , আল্লাহপাক