শাহ্‌ সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ (অপূর্ব) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


“সম্মানিত ক্বদর উনার রাত্রির ইবাদত হাজার মাসের ইবাদত থেকে উত্তম”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ اَلْفِ شَهْرٍ অর্থ:- সম্মানিত ক্বদরের রাত্রি হাজার মাস থেকেও উত্তম। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আল ক্বদর শরীফ) এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার শানে নুযূল সম্পর্কে বলা হয়, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



” হাজরে আসওয়াদ বা কাল পাথর “


মূলতঃ ইহা কোন পাথর নয়, প্রকৃত পক্ষে হাজরে আসওয়াদ একজন ফেরেশতা আলাইহিস সালাম। তাই তো খালিছ নিয়তে চুম্বনকারী ব্যক্তির গুণাহ সমূহ হাজরে আসওয়াদ চুষে নেয় এবং কিয়ামত পর্যন্ত চুষতেই থাকবে।সুবহানাল্লাহ। হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে তাফসীরের কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক



“মৃত্যু নয়, দোযখের আযাবকে ভয় করা উচিত”


জন্ম মৃত্যু জীব জগতের একটি সাধারণ প্রক্রিয়া। পৃথিবীর মায়ায় জড়িয়ে আজ মানুষ এ জীবন ত্যাগ করতে মোটেই রাজি নয়। তা জীবন যতই অসহনীয় হোক না কেন। সবার ভাবনা- ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর এ ভূবনে।’ আসল জীবন ও তার উপকরণ সম্পর্কে



একবার কিছু লোক এসে হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করলো…


একবার কিছু লোক এসে হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করলো: আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটে এতো দোয়া ও মুনাজাত করে থাকি। অথচ আমাদের দোয়া কবুল হয় না। এর কারণ কি? তখন হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহমতুল্লাহি আলাইহি



” একজন গ্রাম্য লোকের শিক্ষনীয় ঘটনা “


মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি একটি ঘটনা লেখেন, বাগদাদের সন্নিকটে এক গ্রামে এক ব্যক্তি বাস করত। লোকটির একদিন সাদ জাগলো বাদশার দরবারে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাত করবে। বাদশাও তো আর এ যুগের বাদশাদের মত নয়, অর্ধ দুনিয়ার শাষক। তখনকার মানুষ বাদশার কাছে



যেদিকেই তাকাই শুধু মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন তথা রূপ দেখিতে পাই!!!


চারিদিকে তাকালে শুধু যিনি খালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত, কুদরত দেখতে পাই। দেখতে পাই মানে বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও কুদরত দ্বারা বেষ্টিত। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে,



তুমি অধম হলে, আমি উত্তম হবো না কেন?


তুমি অধম হলে, আমি উত্তম হবো না কেন? আর যদি উত্তম হতে না-ই হতে পারি তবে অধম কে অধম বলার কোন যৌক্তিকতাই নেই! আর অধম সেটা কুকুর-ই হোক না কেন…! মূলতঃ নিজেকে সবার থেকে বেশি গুনাহগার মনে করা হলে , আল্লাহপাক



নারী বলে আমি হলাম দুনিয়া, আমার মধ্য আছে শুধু চাকচিক্য মোহ আর লোভলালসা….


এক অপুর্ব সুন্দরী নারী এক কৃষক কে বলল আমি তোমাকে বিবাহ করিব। কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারী কে নিয়ে কাজী অফিস গিয়ে বলল তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দাও। কাজী নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল। কাজী



মক্কা শরীফ, মদিনা শরীফ, মজিদুল আক্বসা শরীফের ছবি সম্বলিত জায়নামাযে নামায পড়া প্রকৃতপক্ষে যায়েজ নেই।


ফিকির বা চিন্তার বিষয়!!! অনেকেই মক্কা শরীফ, মদিনা শরীফ, মজিদুল আক্বসা শরীফের ছবি সম্বলিত জায়নামাযে নামায পড়ে থাকেন যা প্রকৃতপক্ষে যায়েজ নেই। অনেকেই হয়ত বলবেন তুমি কি আলেম নাকি যে ফতুয়া দিচ্ছ? আমি উত্তরে বলব আমি আলেম নই ফতুয়াও দিচ্ছি না।



বিশ্বাসীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করবে না?


একটি কিডনীর ওয়েট কত? সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম। মেডিকেল সাইন্সের দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় দেড়শ লিটার ব্লাড এই যন্ত্র ডেইলি ফিলটার করে। কত টাকা দিতে হয় এর জন্য আমাদের? এক টাকাও না। একটি ডায়ালাইসিস মেশিনের ওয়েট কত? কমপক্ষে ১০০ কেজি। এই একই



” খোদার বক্ষে লাথি মারি “


ফেইসবুকে দেয়া আমার এই একটি স্ট্যাটাস নাকি অনেকের পিঠে চাবুক মেরেছে, এ নিয়ে ফেইসবুকে তোলপাড়, হৈচৈ! পরবর্তীতে স্ট্যাটাসটির ব্যাখ্যা দেই এইভাবে: আপনি আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত করে সারাদিন যতই স্ট্যাটাস দেন, পোষ্ট দেন না



” গভীর চিন্তায় সকল সৃষ্টির অলৌকিকত্ব পরিষ্কার “


অন্তরের বাণী যা রক্ত দিয়া লেখা, সেই কথাগুলি কালির রং রূপ নিলে মানুষ নানা নাম দেয়। কবিতা, প্রবন্ধ, উপদেশবাণী, প্রেম পত্র ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই লেখা-লেখিত আমার শিক্ষক হলেন- আমার প্রাণপ্রিয় মুজাদ্দিদগণের শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। একালে, সেকালে এবং