শাহ্‌ সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ (অপূর্ব) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


নারী বলে আমি হলাম দুনিয়া, আমার মধ্য আছে শুধু চাকচিক্য মোহ আর লোভলালসা….


এক অপুর্ব সুন্দরী নারী এক কৃষক কে বলল আমি তোমাকে বিবাহ করিব। কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারী কে নিয়ে কাজী অফিস গিয়ে বলল তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ দাও। কাজী নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল। কাজী



মক্কা শরীফ, মদিনা শরীফ, মজিদুল আক্বসা শরীফের ছবি সম্বলিত জায়নামাযে নামায পড়া প্রকৃতপক্ষে যায়েজ নেই।


ফিকির বা চিন্তার বিষয়!!! অনেকেই মক্কা শরীফ, মদিনা শরীফ, মজিদুল আক্বসা শরীফের ছবি সম্বলিত জায়নামাযে নামায পড়ে থাকেন যা প্রকৃতপক্ষে যায়েজ নেই। অনেকেই হয়ত বলবেন তুমি কি আলেম নাকি যে ফতুয়া দিচ্ছ? আমি উত্তরে বলব আমি আলেম নই ফতুয়াও দিচ্ছি না।



বিশ্বাসীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করবে না?


একটি কিডনীর ওয়েট কত? সর্বোচ্চ ২০০ গ্রাম। মেডিকেল সাইন্সের দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় দেড়শ লিটার ব্লাড এই যন্ত্র ডেইলি ফিলটার করে। কত টাকা দিতে হয় এর জন্য আমাদের? এক টাকাও না। একটি ডায়ালাইসিস মেশিনের ওয়েট কত? কমপক্ষে ১০০ কেজি। এই একই



” খোদার বক্ষে লাথি মারি “


ফেইসবুকে দেয়া আমার এই একটি স্ট্যাটাস নাকি অনেকের পিঠে চাবুক মেরেছে, এ নিয়ে ফেইসবুকে তোলপাড়, হৈচৈ! পরবর্তীতে স্ট্যাটাসটির ব্যাখ্যা দেই এইভাবে: আপনি আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত করে সারাদিন যতই স্ট্যাটাস দেন, পোষ্ট দেন না



” গভীর চিন্তায় সকল সৃষ্টির অলৌকিকত্ব পরিষ্কার “


অন্তরের বাণী যা রক্ত দিয়া লেখা, সেই কথাগুলি কালির রং রূপ নিলে মানুষ নানা নাম দেয়। কবিতা, প্রবন্ধ, উপদেশবাণী, প্রেম পত্র ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই লেখা-লেখিত আমার শিক্ষক হলেন- আমার প্রাণপ্রিয় মুজাদ্দিদগণের শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। একালে, সেকালে এবং



এক বৃদ্ধ বাবা ও তার সন্তান উটের পিঠে চড়ে এক কাফেলার সাথে হজ্জ পালনের উদ্দেশে রওনা দিলেন…


এক বৃদ্ধ বাবা ও তার সন্তান উটের পিঠে চড়ে এক কাফেলার সাথে হজ্জ পালনের উদ্দেশে রওনা দিলেন। মাঝ পথে হঠাৎ বাবা তার ছেলেকে বললেনঃ ”বাবা! তুমি কাফেলার সাথে চলে যাও, আমি আমার প্রয়োজন সেরেই তোমাদের সাথে আবার যোগ দিব, আমাকে নিয়ে



প্রস্রাবে এসিড আছে, ময়লা কাপড় ধুলে পরিষ্কার হলেও, সে কাপড় পাক হবে কী?


প্রস্রাবে বিভিন্ন ধরনের এসিড আছে যা ময়লা কাপড় অনায়াসে পরিষ্কার করতে পারে। তাই বলে প্রস্রাবে ধোয়া কাপড় পরে নামায পড়লে নামায হবে কী? উত্তর সবারই জানা, হবে না। কারণ কাপড় পাক হয়নি। নামাযের একটা শর্ত হচ্ছে কাপড় পাক হওয়া। অনুরূপ ধর্মের



“কেবলমাত্র যাকাতভিত্তিক অর্থনীতিই দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম”


সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী সুদ হচ্ছে হারাম। হারাম থেকে কখনো হালাল বা ভালো কিছু বের হয় না। হারাম থেকে হারামই বের হয়।কথায় আছে “পাত্রে আছে যা, ঢালিলে পড়িবে তা”। পাত্রে ময়লা রেখে, ঢাললে মধু পড়বে- এরূপ চিন্তা



মানুষ আজ আধুনিকতার কষাঘাতে সেই ধর্মকেই তুচ্ছ জ্ঞান করছে।


আধুনিকতা আজ সভ্যতাকে চোখ বেঁধে গহীন জঙ্গলে নিয়ে যাচ্ছে! এমনিভাবে মানবতা, সভ্যতা যখন ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছিল ঠিক তখনই যিনি খালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি যুগে যুগে মানব জাতির জন্য একজন নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাদের পাঠিয়ে ধ্বংস প্রায়



আরবের মরুভূমির মধ্যদিয়ে এক বিরাট কাফেলা যাচ্ছিল।


হঠাৎ উনাদের পানি শেষ হয়ে যায়। সেই কাফিলায় বড়,ছোট,বৃদ্ধ,যুবক মহিলা সবাই ছিল।তৃষ্ণার কারণে সবার অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছিল।অনেক দুর পর্যন্ত পানির কোন নাম নিশানা ছিল না। উনাদের কাছে এক ফোটা পানিও অবশিষ্ট ছিল না।পানি না পাওয়ার কারনে সবারই যেন মুমূর্ষ্ অবস্থা



মুশরিকরা জাতে মাতাল তালে বেঠিক- বলেই ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষে কমতি করেনা!


বিধর্মী বিজাতী ইহুদী মুশরিকরা কোন কালে কখনোই সভ্য মুসলমান উনাদের বন্ধু ছিলো না, বন্ধু হতে পারে না। এই বিষয়টি পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের মাঝে বিশদভাবে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় বলে দেয়া হয়েছে। তারপরও দ্বীন ইসলাম হতে বিমুখ হয়ে পড়া



ইসলাম বিদ্বেষী মুরতাদের মৃত্যুতে…


ওয়াশিকুর বাবু ও রাজিব হায়দার এর মত করে নাজমুদ্দিন সামাদ নামের এক উগ্র, বিকৃত মস্তিস্কের কোন নাস্তিক বা ইসলাম বিদ্বেষী মুরতাদকেও কে বা কারা কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। অবশ্য নিউজ মাধ্যমগুলো তাকে সাধারন মানুষ হিসেবে গন্য করছে কিন্তু