সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


পবিত্র ই’তিকাফ উনার বিধান!


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ১২৫ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ই’তিকাফ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “এবং আমি ওহী মুবারক করলাম হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও হযরত ইসমাইল



ভারতীয় গো-মূত্র মিশানো খাদ্য-পণ্য মুসলমানদের বর্জন করতে হবে!


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই যারা মুশরিক তারা (নাপাক) অপবিত্র। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) যারা নিজের হাতে বানানো মূর্তিকে পূজা করে তাদেরকে মহান আল্লাহ



দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জাহানে লা’নতগ্রস্থ বা অভিশপ্ত ও কঠিন যন্ত্রণায়দায়ক আযাবযোগ্য ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন – ان الذين يؤذون الله ورسوله لعنهم الله فى الدنيا والاخرة واعد لهم عذابا مهينا. অর্থ : “যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার রসূল নূরে



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে পার্থক্য:


এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেকে মনে করে থাকে যে, যিনি আওলাদে রসূল তিনিই আহলু বাইত শরীফ। আওলাদের রসূল এবং আহলু বাইত শরীফ উনাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। আবার অনেকে মনে করে থাকে যে, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের



আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার বিশুদ্ধ আক্বীদাহ মুবারক!


(ক) ‘সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ উনার মধ্যে প্রবেশ করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছেন ‘সম্মানিত ঈমান’। সুবহানাল্লাহ! যখন কেউ সম্মানিত ঈমান আনেন, তখন তিনি সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করেন। আর সম্মানিত ঈমান সুসংঘঠিত হয়ে থাকেন সম্মানিত আক্বীদাহ মুবারক



মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফির-মুশরিকদের চক্রান্ত এবং তা থেকে বাঁচার উপায়!


হক্ব এবং না-হক্বের দ্বন্দ্ব সৃষ্টির শুরু থেকেই। মুসলমানগণ উনারা যেহেতু হক্বপন্থী, তাই না-হক্বপন্থী ইবলিস শয়তান ও তার দোসর কাফির-মুশরিকরা সর্বদা মুসলমানদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুসলমানদের সবচেয়ে বড়



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরিচিতি মুবারক!


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন: ১. ইমামুল আউওয়াল আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম। ২. ইমামুছ ছানী সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম। ৩. ইমামুছ ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত



মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার পরিচিতি ও মর্যাদা মুবারক!


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের হিদায়েতের জন্য যেভাবে যুগে যুগে হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করেন ঠিক তেমনি সর্বশেষ নবী ও রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পরিচয় ও মর্যাদা মুবারক!


মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছুর খলিক্ব-মালিক, রব। তিনি একক, তিনি অনন্য, তিনি নিরপেক্ষ, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। সকলেই উনার মুখাপেক্ষী। তিনি চিরজাগরূগ, চির বিদ্যমান। তিনি কারো থেকে জন্মগ্রহণ করেননি এবং কাউকে জন্মও দেননি। উনার কেউ সমকক্ষ ও শরীক নেই। তিনি



“মাওলিদিন নাবীয়্যি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহা সম্মিানিত ও মহা পবিত্র মু’জিযা শরীফ”


যিনি নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি হাযির এবং নাযির ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি মুত্তালা আলাল গইব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যিনি শাহিদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই



নিয়ত করে মাযার শরীফ যিয়ারত করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তভূক্ত!


নিয়ত করে মাযার শরীফ বা কবর যিয়ারত করা খাছ সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। যা কিনা অসংখ্য হাদীস শরীফের দলীল দ্বারা প্রমানিত। অথচ কিছু বাতিল ফির্কা,ওহাবী,সালাফী ,দেওবন্দী, জামাতি এরা কবর যিয়ারতকে বিদয়াত, শিরিক বলে থাকে , শুধু তাই নয় তারা যিয়ারতকে কবর পূজা বলেও



বদর জিহাদে হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের জযবাধারী বক্তব্য মুবারক!


মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সর্বপ্রথম এই জিহাদের ময়দানে যখন একদিকে ৩১৩/৩১৫ জন মুসলিম মুজাহিদ; বিপরীতে ১ হাজার কাফির সৈন্য। সেই উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যে বেমেছাল কুরবানীর পরিচয়