সৈয়দ আবেদ উল্লাহ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


সম্প্রতি ক্রাইস্টচার্চে ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্প্রতি ক্রাইস্টচার্চে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে


মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে আসতে চায়, তবে তাদের ‘টাইম-নলেজ-মানি’ এই তিনটি বিষয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। যতদিন এগুলো অমুসলিমদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ততদিন মুসলমানরা কিছুই করতে পারবে না, তাদেরকে অমুসলিমদের নিয়ন্ত্রণ স্বীকার করে নিতে হবে। যদি মুসলমানরা চায়, ফের



ঐতিহাসিক ইয়ারমূকের জিহাদ!


রোমান সৈন্যদের একদল কানাতীরের নেতৃত্বে লাজিকিয়ার পথ ধরে এগুতে আরম্ভ করলো। আরেকদল জার্জিরের নেতৃত্বে জাদাতুল উজমার ও সাওমীনের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল কাওরীনের নেতৃত্বে হালাব ও হামাতের পথ ধরে এগুতে থাকলো। আরেকদল দীরজানের নেতৃত্বে আওয়াসিমের পথ ধরে এগুতে থাকলো। মাহান



আপনি মুসলিম, নাকি মানুষ…?


অনেকেই এখন আধুনিক রং ঢংয়ে বলে থাকে- সে প্রথমে মানুষ, এরপর বাঙালি, এরপর সে মুসলমান।’ কিছু তথাকথিত, প্রগতিশীল, মুক্তমনা, নামধারী মুসলিমরাও এরকম বলে থাকে। মূলত, এই তত্ত্বটি(!) একটি বিবর্তনবাদী নাস্তিক্যবাদীদের বুলি। প্রকৃতপক্ষে তারা মুসলমানের খোলসে থাকলেও তারা আসলে মুসলমান নয়! তারা



রাজকীয় সউদী ওহাবী শাসক অবকাশ যাপনের জন্য বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে সুপরিচিত ইন্দোনেশিয়ায় গমন করে।


তার সম্মানে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ রাজধানী জাকার্তার রাস্তায় রাস্তায় স্থাপিত সকল প্রানীর মুর্তি ভাষ্কর্যগুলো লতাপাতা বিশিষ্ট গাছপালা বা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এই খবরের মধ্যে এও বলা হয়েছে, যেহেতু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে সকল প্রকার প্রানীর মুর্তি



যে যতবেশী তাকওয়াধারী সেই ততোবেশী মর্যাদা বা সন্মানের অধিকারী।


যে যতবেশী তাকওয়াধারী সেই ততোবেশী মর্যাদা বা সন্মানের অধিকারী। বংশ-গোত্র, ভাষা-জাতি, ধন-সম্পদ, রং-রূপ, সিরাত-সূরত প্রভৃতি কারণে মানুষ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হতে পারে না, শ্রেষ্ঠত্বের বা মর্যাদার সঠিক মাপকাঠি হলো খোদাভীতি। কারণ, মহান আল্লাহ পাক উনাকে যে যতবেশী ভয় করবে তার চারিত্রিক সৌন্দর্যও



হিন্দি সিরিয়ালের প্রযোজকরা যেসব সিরিয়াল তৈরি করে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো কথিত ঐতিহাসিক তথা মিথ্যা ইতিহাসে ভরপুর!


হিন্দি সিরিয়ালের প্রযোজকরা যেসব সিরিয়াল তৈরি করে, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো কথিত ঐতিহাসিক তথা মিথ্যা ইতিহাসে ভরপুর কিছু সাম্প্রদায়িক সাম্প্রদায়িকতাপূর্ণ নাটক। এ ভারতবর্ষে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সবচেয়ে বড়শত্রু ছিল পৃথ্বীরাজ, শিবাজী, মারাঠা, রাজপুতরা। তারা হলো হিন্দুদের নায়ক। তাদের নামানুসারে তারা



আমরা কি ভাবছি শুধুমাত্র আমাদের আমল দিয়েই ষোল আনা পূর্ণ হবে? আমল যা করছি এ জীবনে তা-ই আমাদেরকে নাযাত


যদি এমনটাই মনে করে থাকি,তাহলে ইবলিশের কথাও মনে রাখা উচিত।তার ৬ লক্ষ বছরের আমল কিন্তু তার কোনো কাজেই আসেনি। আমাদের আমল ইবলিশের চেয়ে বেশি না নিশ্চয়? এখন চিন্তা করা উচিত এত আমল করেও ইবলিশ যদি নাযাত না পায় তাহলে নাযাত কিসে



আসলে এটা শুধু একটি অমুসলিম জাতি নয়।


সকল প্রকার বিধর্মী বিজাতী কাফির মুশরিক গং তাদের ধর্ম পালনে, তাদের কালচার পালনে, তাদের সংস্কৃতি লালনে কোনপ্রকার কমতি বা গাফলতি করেনা। অর্থাৎ তারা এতই গুমরাহ পথভ্রষ্ট যে, তারা কখনোই সোজা সরল পথ পেলেও তাদের গুমরাহীতেই তারা নিমজ্জিত থাকবে। এ বিষয়টা আবারো



মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষণ অমূল্য সম্পদ!


মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষণ মানুষের অমূল্য সম্পদ। এই অমূল্য সম্পদ লোকেরা কত নিকৃষ্টভাবে অবহেলা করে থাকে। খেলা-ধুলা, ক্রিড়া-কৌতুক, হাসি তামাশা ইত্যাদিতে। যে ক্ষণটি চলে গেল তা আর ফিরে পাবার নয়। জীবন থেকে যে



“একখানা আয়াত শরীফ তাযীম বা সম্মান করার ফযিলত”


এক বুযুর্গ মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী নাম মুবারক ছিল হযরত বিশর হাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি।তিনি প্রথম জীবনে ছিলেন একজন শরাবখোর,সারাদিন শরাবখানায় মাতাল হয়ে থাকতেন,আজেবাজে কাজ করতেন।হযরত বিশর হাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন,হঠাৎ দেখলেন- মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম



” আমার দোস্ত কি দেখাইল! বিয়ে করল, চাকরি করল, মারা গেল। আমার দোস্ত কি দেখাইল…..”


কবি এখানে মানুষের হায়াতকে ইঙ্গিত করে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন। মানুষ শিশু থেকে যুবক হয়। দেখতে না দেখতেই তরুন হয়, তারপর বৃদ্ধ। এই সময়টুকুর মধ্যেই যে কোন সময় ঘটতে পারে মৃত্যু। তারপরের ফায়সালা কি? পরকালের জীবন শেষ হবে কি? এই অনন্তকালের জীবনের



“ধর্ম যার যার উৎসব সবার”


ইসলাম ধর্মের ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা যারা’ই এ কথাটি বলে থাকে ও বিশ্বাস করে, তাদের সবাইকে অর্থাৎ সকল ধর্মের লোকের প্রতি আমার প্রিয় ধর্ম ‘ইসলামের’ প্রতিদিনের নামাজ উৎসবে ও সকল ঈদ উৎসবগুলোতে শুভেচ্ছা ও দাওয়াত রইল, আপনারা অবশ্যই আসবেন এবং আমাদের