সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


বিতর্কিত “উম্মি” শব্দটির অর্থ কি নিরক্ষর? অশিক্ষিত?


আসুন এর সহিহ শুদ্ধ ব্যাখ্যা ও কুরআন সুন্নাহর দলিল সম্পর্কে অবগত হই, এবং গুমরাহী ও ব্যক্তিপূজা পরিত্যাগ করে তওবা করে ঈমান ঋনু করি। ভাড়াটিয়া ওয়াজি মিজানুর রহমান তার অজ্ঞতার কারণে রাসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে অশিক্ষিত, নিরক্ষর বলে প্রমানের ব্যর্থ



“মাজার যিয়ারত খাছ সুন্নত,বিরোধিতা কুফরী, পূজা হারাম, সিজদা শিরক”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, هَاتُوا بُرْهَانَكُمْ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ٥ অর্থ: “যদি তোমরা সত্যবাদী হও তাহলে দলিল পেশ কর।” (সম্মানিত সূরা বাক্বারা শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ১১১) মনে রাখা দরকার- “মাজারকে পূজা করা হয় না জিয়ারত করা হয়।”



#কারো_বিরুদ্ধে_নয়_কিছু_সত্য_প্রকাশ_করতে_চাই অর্থাৎ যারা মাজার শরিফ মানেন না


অলি আউলিয়া কেরামতকে কে মানেন না আপনাদেরকে বলি নিজের বিবেক দিয়ে একটু ভেবে দেখুন তো। মাজার নাই ফেরাউনের কিন্তু হযরত মুসা (আঃ) নবীর মাজার শরীফ আছে। মাজার নাই নমরূদের কিন্তু বাবা ইব্রাহিম নবীর (আঃ) মাজার শরীফ আছে। মাজার নাই আবু জাহেলের



মুনাফিক সউদী ওহাবীরা পবিত্র রওজা শরীফ ও পবিত্র মাজার শরীফ ভেঙ্গে ফেলার নিকৃষ্ট ইতিহাস! – ২


গত ২রা সেপ্টেম্বর ২০১৪ ঈসায়ী তারিখে যুক্তরাজ্যের দৈনিক পত্রিকা ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহা পবিত্র রওযা শরীফ সরিয়ে ফেলার সউদী ওহাবীইহুদী সরকারের ঘৃণ্য পরিকল্পনার কথা প্রকাশিত হয়। এখবর প্রকাশিত হওয়ার পরে সারা বিশ্বজুড়ে



সম্মানিত সুন্নত মুবারক অনুসরনের বেমেছাল প্রাপ্তি!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّـهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّـهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّـهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ অর্থ: “আপনি উম্মতগণকে জানিয়ে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও তাহলে আমার ইত্তিবা (অনুসরণ-অনুকরণ)



২০ রাকা’আত তারাবীহ নামাযকে অস্বীকার করতে গিয়ে লা’মাযহাবীদের চরম জালিয়াতি ও প্রতারণা!


ওহাবী লা’মাযহাবী কথিত আহলে হাদীস নামধারীরা তাদের বইতে এবং বিভিন্ন আলোচনায় একটা মিথ্যাচার করছে- আমীরুল মু’মিনিন, খলীফাতুল মুসলিমিন, হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি কাউকে ২০ রাকা’আত তারাবীহ উনার নামায পড়ার নির্দেশ দেননি। (বিশ রাকা’য়াত তারাবীর জাল দলীল, লেখক: আব্দুর রউফ,



আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো একটি নিয়ামত মুবারকেরও শুকরিয়া আদায় করেই শেষ করতে পারবো না।


আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার কোনো একটি নিয়ামত মুবারকেরও শুকরিয়া আদায় করেই শেষ করতে পারবো না। অথচ মহান দয়ালু আল্লাহ পাক আমাদেরকে কোনো যোগ্যতা ছাড়াই নিতান্ত মেহেরবান দয়ালু হয়ে উনার পরম প্রিয় হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



মুনাফিক সউদী ওহাবীরা পবিত্র রওজা শরীফ ও পবিত্র মাজার শরীফ ভেঙ্গে ফেলার নিকৃষ্ট ইতিহাস! – ১


পবিত্র মাজার শরীফ বিষয়ে বাতিলদের মূর্খতাসূচক বিতন্ডার দাঁতভাঙ্গা জবাব । মদিনা শরীফের জান্নাতুল বাকি’র একাংশ যেখানে পবিত্র মাজার শরীফ সমূহকে গম্বুজ দ্বারা আবৃত করা হয়েছিলো। প্রায় ১৩শ’ বছর মুবারক মাজার শরীফগুলো গম্বুজ দ্বারা পরিবেষ্টিত ছিলো। সকল সাহাবী তাবেয়ী,তাবে-তাবেয়ীন , ইমাম-মুজতাহিদ, আওলিয়া



ইসলাম কি কাফেরদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর অনুমতি দেয় কিনা।


যিনি সবার সৃষ্টিকর্তা, এমনকি কাফেরদেরও সৃষ্টিকর্তা সেই আল্লাহ তায়ালা কাফেরদের সম্পর্কে কি বলেছেন: ইহুদী-খ্রিস্টান-হিন্দু-বৌদ্ধরা সর্ব নিকৃষ্ট ও নাপাক: ১) “নিশ্চয়ই সমস্ত প্রাণীর মাঝে আল্লাহ তায়ালার নিকট কাফিরেরাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যারা ঈমান আনেনি।” (সূরা আনফাল- ৫৫) ২) নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক বা অপবিত্র।



বিধর্মী-কাফিরদের সাথে মুসলমানদের সম্পর্কের রূপ সম্পর্কিত আয়াত শরীফসমূহ!


অনেক নামধারী মুসলমান অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিতে গিয়ে কাফির-মুশরিকদের ‘ভাই’ বলে কাছে টেনে নেয়, কাফির-মুশরিকদের পূজা, ক্রিসমাস, বৈসাবীতে অংশগ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফিরদের প্রতি কঠোর মনোভাব পেশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক



অল্প বয়স মুবারকেই গাউছুল আযম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি সুসংবাদসমূহ!


মহান আল্লাহ পাক উনার মহান কুদরত উনার প্রকাশস্থল হচ্ছেন ওলীআল্লাহগণ উনারা। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়া থেকে পর্দা করার পর থেকে যুগে যুগে যত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা অতীত হয়েছেন সবার উপরই সেই মহান



সাহরী খাওয়ার সুন্নত মুবারকসমূহ!


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাহরী মুবারক খেয়েছেন এবং উম্মতগণকে সাহরী খাওয়ার তারগীব (উৎসাহ) দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- تَسَحَّرُوْا فَاِنَّ فِى السُّحُوْرِ بَرَكَةٌ অর্থ: “তোমরা সাহরী খাও। কেননা সাহরীর মধ্যে বরকত