সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (হযরত ইমাম হাসান) আলাইহিস সালাম উনার ইলম


বাবুল ইলিম ওয়াল হিকাম ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন ইল্মের দরজা। আর উনার মহাসম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনিও উনার সম্মানিত পিতার কায়িম মাক্বাম হিসেবে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



ভারতীয় গো-মূত্র মিশানো খাদ্য-পণ্য মুসলমানদের বর্জন করতে হবে!


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই যারা মুশরিক তারা (নাপাক) অপবিত্র। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) যারা নিজের হাতে বানানো মূর্তিকে পূজা করে তাদেরকে মহান আল্লাহ



ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের ৩১৩ জন সাহাবী আলাইহিস সালাম উনাদের পবিত্র নাম মুবারক জানুন……….


মুহাজির সাহাবীঃ ১. হযরত আবু বকর ছিদ্দিক আলাইহিস সালাম ২. হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম ৩. হযরত উসমান যুননুরাইন আলাইহিস সালাম ৪. হযরত আলী মোর্তাজা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ৫. হযরত হামজা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ৬. হযরত যায়েদ বিন হারেছা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা



আজ ১৭ রমাদ্বান শরীফ। ঐতিহাসিক বদর দিবস!


আজ ঐতিহাসিক ১৭ রমাদ্বান শরীফ। অনেক কারনেই এই দিন গুরুত্বপূর্ন। ১) উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদীজাতুল ‍কুবরা আলাইহিসসালাম উনার বিছাল(বিদায়) শরীফ। ২) উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা আলাইহিসসালাম উনার বিছাল (বিদায়) শরীফ। ৩) হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাত



ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


খাদিমু রসূলিল্লাহ হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে অধিক সাদৃশ্যতা আর কারো ছিল



মুসলমানদের উচিত এই সময়ে কাফির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বেশি বেশি বদ্ দোয়া করা!


পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস- দোয়া কবুলের খাছ মাস: মুসলমানদের উচিত এই সময়ে কাফির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বেশি বেশি বদ্ দোয়া করা! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে একখানা পত্র মুবারকসহ এক ছাহাবীকে কিসরার (পারস্য সম্রাটের) কাছে



যে যাকাত আদায় করে না, হাক্বীক্বতে পরকালের প্রতি তার বিশ্বাস নেই!


সম্মানিত যাকাত উনার পরিমাণ ও যাবতীয় বিধি-বিধান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়েছে। সম্মানিত যাকাত পবিত্র ইসলাম উনার অন্যতম একটি মূল বুনিয়াদ। সম্মানিত যাকাত উনাকে অস্বীকার করা মানেই পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরই



মুসলমানরা এতোটাই অথর্ব যে, তারা যে কোনো বিষয়ে মুসলমানদের বদনাম করে, আর বিধর্মীদের প্রশংসা করে।


রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কিছু হলেই দেখা যায়, মুসলমানরা মুসলমানদের দোষারোপ করে আর বিধর্মীদের প্রশংসা করে। কিছু হলেই অমুক কাফির উত্তম, আর মুসলমানরা কিছু করতে পারে না। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মুসলমানরাই তো সবকিছু



কোনো স্থাপনা কিংবা এলাকার নামকরণের ক্ষেত্রে সংস্কৃত নামকরণের বদভ্যাস পরিহার করে আরবী-ফারসী নামকরণ করতে হবে!


আমাদের দেশে যেকোনো সরকারি স্থাপনা কিংবা এলাকার নামকরণের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ঘেঁষা শব্দকে প্রাধান্য দেয়া হয়। যদি শব্দটি সংস্কৃত না হয়, সেক্ষেত্রে তা হয় ইংরেজি কোনো শব্দ। যেমন গুলশান-বনানীর মতো এলাকায় দোকানপাট, এপার্টমেন্টের নামকরণে বেছে নেয়া হয় ইংরেজি শব্দ। বিশেষ করে ঢাকা



শুধু পবিত্র কুরআন শরীফ মানলে জীবনযাপনের পদ্ধতি পাবে কোথায়? পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফও


মানুষ যুক্তি দ্বারা বিভ্রান্ত হয় না, বিভ্রান্ত হয় আবেগ দ্বারা। আবেগ সবসময়ই বুদ্ধি ও যুক্তিকে হার মানিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায়। বর্তমানে পবিত্র দ্বীন ইসলামে একটি নতুন ফিরক্বা-ফিতনা দেখা যায়। এরা হলো কুরআনিয়া ফিরক্বা। এরা শুধুই পবিত্র কুরআন শরীফ ভিত্তিক জীবনাদর্শের পক্ষপাত



যাকাত অনাদায়ী ব্যক্তিদের জন্য জাহান্নামের কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে, নাউযুবিল্লাহ!


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلا يُنْفِقُوْنَـهَا فِىْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْ‌هُم بِعَذَابٍ اَلِيْمٍ. يَوْمَ يُـحْمٰى عَلَيْهَا فِىْ نَارِ‌ جَهَنَّمَ فَتُكْوٰى بِـهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُـهُمْ وَظُهُوْرُ‌هُمْ ۖ هٰذَا مَا كَنَزْتُـمْ لاَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ. অর্থ



যাকাত আদায়কারীগণ পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসী বা খাঁটি ঈমানদার!


এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- اَلَّذِيْنَ يُقِيمُوْنَ الصَّلٰوةَ وَيُؤْتُوْنَ الزَّكٰوةَ وَهُمْ بِالاٰخِرَةِ هُمْ يُوْقِنُوْنَ. অর্থ : “যাঁরা সম্মানিত নামায কায়িম করেন ও সম্মানিত যাকাত আদায় করেন; আর উনারাই পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস করেন।” (পবিত্র সূরা নামল শরীফ