সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


শুধু পবিত্র কুরআন শরীফ মানলে জীবনযাপনের পদ্ধতি পাবে কোথায়? পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফও


মানুষ যুক্তি দ্বারা বিভ্রান্ত হয় না, বিভ্রান্ত হয় আবেগ দ্বারা। আবেগ সবসময়ই বুদ্ধি ও যুক্তিকে হার মানিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায়। বর্তমানে পবিত্র দ্বীন ইসলামে একটি নতুন ফিরক্বা-ফিতনা দেখা যায়। এরা হলো কুরআনিয়া ফিরক্বা। এরা শুধুই পবিত্র কুরআন শরীফ ভিত্তিক জীবনাদর্শের পক্ষপাত



যাকাত অনাদায়ী ব্যক্তিদের জন্য জাহান্নামের কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে, নাউযুবিল্লাহ!


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلا يُنْفِقُوْنَـهَا فِىْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْ‌هُم بِعَذَابٍ اَلِيْمٍ. يَوْمَ يُـحْمٰى عَلَيْهَا فِىْ نَارِ‌ جَهَنَّمَ فَتُكْوٰى بِـهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُـهُمْ وَظُهُوْرُ‌هُمْ ۖ هٰذَا مَا كَنَزْتُـمْ لاَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ. অর্থ



যাকাত আদায়কারীগণ পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসী বা খাঁটি ঈমানদার!


এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- اَلَّذِيْنَ يُقِيمُوْنَ الصَّلٰوةَ وَيُؤْتُوْنَ الزَّكٰوةَ وَهُمْ بِالاٰخِرَةِ هُمْ يُوْقِنُوْنَ. অর্থ : “যাঁরা সম্মানিত নামায কায়িম করেন ও সম্মানিত যাকাত আদায় করেন; আর উনারাই পরকালের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস করেন।” (পবিত্র সূরা নামল শরীফ



বদর জিহাদে হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের জযবাধারী বক্তব্য মুবারক!


মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সর্বপ্রথম এই জিহাদের ময়দানে যখন একদিকে ৩১৩/৩১৫ জন মুসলিম মুজাহিদ; বিপরীতে ১ হাজার কাফির সৈন্য। সেই উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যে বেমেছাল কুরবানীর পরিচয়



যে ব্যক্তি যাকাত আদায় করেনা, তার নামায কবুল হয়না!


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اُمِرْتُـمْ بِالصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ فَمَنْ لَّـمْ يُزَكِّ فَلَا صَلَاةَ لَهٗ. অর্থ : ফক্বীহুল উম্মত, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ



খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার ন্যায় বিচার!


একবার ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার অতি প্রিয় ও মূল্যবান লৌহ বর্ম হারিয়ে গেল। এরপর একদিন তিনি দেখলেন কুফার বাজারে এক ইহুদী সেই বর্মটি বিক্রি করতে নিয়ে এসেছে। কাছে গিয়ে তিনি বর্মটি ভালোভাবে পরখ করে বললেন, ‘বর্মটি



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক!


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَضَّرَ اللهُ امْرَءًا سَـمِعَ مِنَّا حَدِيْثًا



উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নসবনামাহ মুবারক!


উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পিতা হচ্ছেন আফদ্বলুন নাস বা’দা আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! তিনি উনার মহাসম্মানিত পিতা উনার দিক থেকে ৯ম মহাসম্মানিত পুরুষে যেয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



আসাদুল্লাহিল গালিব, বাবুল ইলিম ওয়াল হিকাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


(১) হঠাৎ করে একদিন এক অশ্বারোহীর অশ্বের পদাঘাতে মরুর বালু উড়ছিল। সে বাতাসের বেগে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার দিকে ছুটে আসছিল, আর চিৎকার দিয়ে বলতে লাগলো, হে মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত রসূল, কুরাইশরা চুক্তি ভঙ্গ করেছে। কুরাইশদের পক্ষ থেকে চুক্তি



পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় দিবস!


কুরাইশদের চুক্তি ভঙ্গ ও মক্কা শরীফ বিজয়ের সূচনা: হুদাইবিয়ার চুক্তিপত্রে যেসব শর্ত লিপিবদ্ধ করা হয়েছিলো, সেসব শর্তাবলী মুসলমানগণ যথাযথভাবে মেনে চলতেছিলেন। হুদায়বিয়ার শর্তের মধ্যে একটি শর্ত এই ছিলো যে, মুসলমান ও কুরাইশ এই দু’পক্ষের সাথে আরবের যেকোনো গোত্র বা দল মিত্রতা



বদরের জিহাদে সংঘটিত বিশেষ কয়েকটি ঘটনা!


* সেদিন জনৈক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মুশরিককে পিছনে জোরে ধাওয়া করছিলেন। এ সময় তিনি তার উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ ও অশ্বারোহীর আওয়াজ শুনতে পান। অশ্বারোহী বলছিলেন, “হে হায়যূম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সম্মুখে অগ্রসর হও।’ তখন তিনি



জিহাদের ময়দানে প্রকাশিত একটি বেমেছাল মু’জিযা শরীফ!


খণ্ডখণ্ড জিহাদ শেষে একযোগে তুমুল জিহাদ শুরু হওয়ার সময় স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক মুঠো বালু হাতে নিয়ে ‘শাহাতুল ওজুহ’ (চেহারা আচ্ছন্ন হয়ে যাক) বলে কাফিরদের দিকে ছুঁড়ে দেন। সাথে সাথে কাফির-মুশরিকগুলির কোনোটা অন্ধ, কোনোটা বোবা-বধির