সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ বিন হামিদ ( অপূর্ব ) -blog


Only Ahle Sunnat Waal Jamaat Is The Right Way.....


 


শুধু পবিত্র কুরআন শরীফ মানলে জীবনযাপনের পদ্ধতি পাবে কোথায়? পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফও


মানুষ যুক্তি দ্বারা বিভ্রান্ত হয় না, বিভ্রান্ত হয় আবেগ দ্বারা। আবেগ সবসময়ই বুদ্ধি ও যুক্তিকে হার মানিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায়। বর্তমানে পবিত্র দ্বীন ইসলামে একটি নতুন ফিরক্বা-ফিতনা দেখা যায়। এরা হলো কুরআনিয়া ফিরক্বা। এরা শুধুই পবিত্র কুরআন শরীফ ভিত্তিক জীবনাদর্শের পক্ষপাত



সম্মানিত মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন সমস্ত মূর্তি, ভাস্কর্য, ছবি নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হয়!


عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ عَلَيْهِ السَّلَامُ زَمَنَ الْفَتْحِ وَهُوَ بِالْبَطْحَاءِ أَنْ يَأْتِيَ الْكَعْبَةَ فَيَمْحُوَ كُلَّ صُورَةٍ فِيهَا فَلَمْ يَدْخُلْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى مُحِيَتْ كُلُّ صُورَةٍ



জিহাদের ময়দানে মুসলমানদেরকে গায়েবী মদদ!


খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সুরা রুম উনার ৪৭ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেন, كَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِي “খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব হচ্ছে মু’মিনদেরকে সাহায্য করা।” অন্যত্র খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ



যে সমস্ত কারনে সম্মানিত পবিত্র রোযা ভাঙ্গে তার কারণসমূহ…


যে সমস্ত কারনে সম্মানিত পবিত্র রোযা ভাঙ্গে তার কারণসমূহঃ ১। স্ত্রী- সঙ্গমঃ স্ত্রী সঙ্গমের ফলে বীর্যপাত হোক, আর নাই হোক রোযা নষ্ট হয়ে যাবে। বলা বাহুল্য রোযা অবস্থায় যখনই রোজাদার স্ত্রী-মিলন করবে অর্থাৎ এ মিলন যদি রমাযানের দিনে সংঘটিত হয়; তাহলে



যেসব কারণে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হয় এবং ক্বাযা ও কাফফারা ওয়াজিব হয়!


পবিত্র রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, স্যালাইন, ইনহেলার, ইনসুলিন ইত্যাদি নেয়া পবিত্র রোযা ভঙ্গের কারণ। রাত আছে মনে করে ছুবহে ছাদিকের পর পানাহার করলে বা আহলিয়ার সাথে নির্জনবাস করলে পবিত্র রোযা ভঙ্গ হবে। পবিত্র রোযা অবস্থায় ওযূ বা গোসল করার সময় নাকে পানি



হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা যেখানে সাধারণ অপছন্দনীয় কাজ থেকে মুক্ত সেখানে উনাদের প্রতি ভুল-ত্রুটি ও গুনাহখতার প্রশ্ন আসে


হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ভুল কিংবা গুনাহ করা তো দূরের কথা, কোনো প্রকার অপছন্দনীয় কাজও উনারা করতেন না। বরং সর্বপ্রকার অপছন্দনীয় কাজ থেকেও বেঁচে থাকতেন বা পবিত্র থাকতেন। এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



পুরুষ ও মহিলাদের মাহরাম , যাদের সাথে পরস্পর দেখা-সাক্ষাত জায়িয!


পুরুষদের মাহরাম ১৪ জন : মায়ের মত ৫ জন — (১) মা, (২) খালা, (৩) ফুফু, (৪) শাশুড়ি, (৫) দুধ-মা বোনের মত ৫ জন — (১) বোন, (২) দাদি, (৩) নানি, (৪) নাতনি, (৫) দুধ-বোন মেয়ের মত ৪ জন — (১)



ওলীআল্লাহ্‌ কারা?


★ হাদীছ শরীফে ইরশাদ করেনঃ হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ ও ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম সহ অনেক সাহাবয়ে কেরাম বলেছেন- “`আউলিয়া আল্লাহিল্লাযিনা ইজা রুয়ুযা জুকিরাল্লাহ।“` অর্থঃ ” তারাই অলী আল্লাহ যাদের কে দেখলে খোদার কথা স্মরণ হয়।” ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ



বর্তমানে পিতা-মাতারা কী তাদের সন্তানদেরকে জাহান্নামের ইন্ধন হিসেবে তৈরি করছে না?


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদীদেরকে, অতঃপর মুশরিকদের।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) অন্যত্র আরো ইরশাদ মুবারক ফরমান, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী-নাছারাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো



কোন ইসলামবিদ্বেষী মুশরিকের লেখা বাংলাদেশের ‘জাতীয় সংগীত’ হতে পারে না!


মুশরিক-মূর্তিপূজারী জাতিমাত্রই উগ্র ও সাম্প্রদায়িক। এটা নিজস্ব কোনো মন্তব্য নয়; বরং তাদের ইতিহাসে এর অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে। বর্তমানেও ভারতে মুসলমানগণ সন্ত্রাসী মুশরিক (মূর্তিপূজারী)দের ধারালো অস্ত্রের মুখেই জীবনযাপন করছে। বাংলার ইতিহাসেও মুশরিক (মূর্তিপূজারী) জমিদাররা এদেশের মুসলমানদের উপর যে অমানবিক যুলুম নির্যাতন আর



সরকারের বিজাতীপ্রীতিঃ কার উপকার কার বিপদ?


সরকারের বিজাতীপ্রীতি বা তোষণের ফলে কে উপকৃত হচ্ছে, আর কে বিপদগ্রস্ত হচ্ছে তা কিঞ্চিৎ হলেও বিশ্লেষণ করা জরুরী। চরম সাম্প্রদায়িক ভারতের প্রতি আমাদের সরকারের নতজানুতার কারণে জাতি বঞ্চিত হচ্ছে নিজ উৎপাদিত খাদ্যশস্য থেকে শুরু করে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মেধাস্বত্ব,



জামাত-শিবির-হেফাজতের কাছে ইসলামের চেয়ে দলীয় নেতা বড়!


মওদুদীবাদী জামাতের যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বললে জামাত-শিবির সেটার তীব্র প্রতিবাদ জানায়, হরতাল ডাকে, এমনকি রাগে ক্ষোভে মানুষ খুন করতেও ছাড়ে না। তাদের দলীয় নেতার মানহানীকর কোনো কথা প্রচার হলে সেটা তাদের অনুভূতিতে আঘাত হানে। ঠিক একই ভাবে কট্টর