সচেতন -blog


আমি সচেতন পাবলিক হওয়ার চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতা কাম্য।


 


শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ‘নববর্ষ’ পালনকারীদের ভয়াবহ পরিণতি


আমরা মুসলমান। আমাদের দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম”। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯) আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ



পবিত্র কুরআন শরীফ উনার দৃষ্টিতে- বিধর্মীদের সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক যেরূপ


অনেক নামধারী মুসলমান অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিতে গিয়ে কাফির-মুশরিকদের ‘ভাই’ বলে কাছে টেনে নেয়, কাফির-মুশরিকদের পূজা, ক্রিসমাস, বৈসাবীতে অংশগ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফিরদের প্রতি কঠোর মনোভাব পেশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক



আহলান ওয়া সাহলান আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম 


  আরবী পঞ্চম মাস উনার নাম পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ। পবিত্র জুমাদাল ঊলা শরীফ মাস উনার অনেক ফাযায়িল-ফযীলতের মধ্যে একটি বিশেষ দিক হচ্ছে, এ মাসে জলীলুল ক্বদর ছাহাবী এবং হযরত খুলাফায়ে রাশিদা আলাইহিমুস সালাম উনাদের ৩য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূরাইন



মুসলমানদের ঈমানী বিশ্ববিদ্যালয় কোথায়, কোথায় ঈমানী একাডেমী, কোথায় ঈমানী গবেষণাকেন্দ্র?


এদেশে যবন হিন্দু মুশরিকদের নামে বিশ্ববিদ্যালয় হয়, একাডেমী হয়, গাঁজাখোর বাউল লালনের নামে একাডেমী করার দাবি তোলা হয়। অথচ আফসুস! যিনি মুসলমানদের নবী-রসূল, যিনি আমাদের ঈমান শিক্ষা দিয়েছেন, যিনি আমাদের মুসলমানিত্ব দান করেছেন- উনার নাম মুবারকে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়, উনাকে নিয়ে কোনো



সাইয়্যিদাতুন নিসা ‘আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরু বানাতি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا. অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক রয়েছে, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক দ্বারা আহ্বান মুবারক



সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী এক মিনিট ‘নিরবতা’ পালন কেবলি প্রহসন


আমাদের দেশে আজকাল কেউ ইন্তেকাল করলে তার স্মরণে সে মানুষটির কর্মস্থলে বা তার তৈরি কোনো প্রতিষ্ঠানে বা সংগঠনে এক মিনিট ‘নিরবতা’ পালন করা হয়। বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে- আজকাল মুসলমানদের জন্যেও পালিত হচ্ছে এসব বিজাতীয় অদ্ভুত অনুষ্ঠান। যারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে,



সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইবনু বিনতি


সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম ইবনে হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহমাস সালাম উনাদের হাবশায় সম্মানিত হিজরত মুবারক: আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশ পাওয়ার ৫ম সালের কথা। মুশরিকরা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জিসমানী তথা শারীরিক পবিত্রতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জিসিম মুবারক উনার মধ্যে এমন আখাছ্ছুল খাছ বিশেষত্ব মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন, যা অন্য কারো দেহে হাদিয়া করা হয়নি। সুবহানাল্লাহ! উনার সম্মানিত জিসিম মুবারক থেকে নির্গত



যে বা যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ করে, তাদেরকে অনুসরণ করা জায়িয নেই, তারা অনুসরণের অযোগ্য


আমরা প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে অনুসরণ করে থাকি। তবে বাজার দরে সবাইকে অনুসরণ করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্পূর্ণ খিলাফ ও গুনাহের কাজও বটে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কালাম পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক



জান্নাতী ইমাম সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুহব্বত মুবারক কায়িনাতের সকলের জন্য নাজাতের অন্যতম উসীলা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাই না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়। তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। আর দেয়ার চিন্তা করাটাও কুফরী। তবে তোমরা



মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- ছবি তোলা, আঁকা রাখা পরিহার করা।


“ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইরশাদ মুবারক করতে শুনেছি, তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ ব্যক্তিকে কঠিন শাস্তি দিবেন, যে



নিরীহ মুসলমানকে শহীদসহ মসজিদ মাদরাসা জ্বালিয়ে দিচ্ছে ওই কুখ্যাত মিয়ানমারের বৌদ্ধ প্রশাসন


হিংস্র বৌদ্ধরা মুসলিম হত্যায় মেতে উঠেছে। মুসলমান উনাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া, তাদের কাছে পুতুল খেলার ন্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মসজিদ, মাদরাসাগুলোকে নিশ্চিন্ন করে দিতে তারা বেপরওয়া। হাজার হাজার মুসজিদ, মাদরাসা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। লক্ষ লক্ষ মুসলমান পুরুষ মহিলাকে নির্বিচারে শহীদ