সচেতন -blog


আমি সচেতন পাবলিক হওয়ার চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতা কাম্য।


 


এক নজরে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বৎসর


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ. অর্থ: “আর (আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার সম্মানিত যিকির মুবারক, সম্মানিত আলোচনা মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক বুলন্দ থেকে



আক্বীদা বিশুদ্ধ রাখার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা


আর ‘সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ উনার মধ্যে প্রবেশ করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছেন ‘সম্মানিত ঈমান’। সুবহানাল্লাহ! যখন কেউ সম্মানিত ঈমান আনেন, তখন তিনি সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করেন। আর সম্মানিত ঈমান সুসংঘঠিত হয়ে থাকেন সম্মানিত আক্বীদাহ মুবারক



কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে আছে বলেই কথিত জাতীয় সঙ্গীত বন্ধের দাবি করা হচ্ছে


পবিত্র কুরআন শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ যিনি সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ক্বওল, ফে’ল ও তাকরীর অর্থাৎ কথা মুবারক, কাজ মুবারক ও



স্কুল-কলেজের বইয়ে সরাসরি কুফরী শিখানো হচ্ছে!! পাঠ্যবইয়ে মহান আল্লাহপাক উনার সম্পর্কেই মারাত্মক কুফরী


৪র্থ শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইয়ের ‘বাংলাদেশের জনসংখ্যা’ অধ্যায়ে জনসংখ্যাকে সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করে ‘জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ’ হিসেবে কয়েকটি কারণের মধ্যে একটি কারণ বলা হয়েছে ‘ধর্মীয় কারণ’। সেখানে বলা হয়েছে- “অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন সৃষ্টিকর্তা যেহেতু আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাই



কায়িনাতের বুকে এক অভূতপূর্ব তাজদীদ মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল আছ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَاِنِّـىْ زَوَّجْتُهُ ابْنَتَـىْ فَذٰلِكَ سَمَّاهُ اللهُ عِنْدَ الْـمَلَائِكَةِ ذَا النُّوْرِ وَسَـمَّاهُ فِى الْـجِنَانِ ذَا النُّوْرَيْنِ فَمَنْ شَتَمَ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَدْ



হাদীয়ে যামান, ছহিবাতু ইলমে গইব, সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক


হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে মু’মিনদের জীবন গড়ে তোলা দায়িত্ব-কর্তব্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা তওবা শরীফ উনার ১২০নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, مَاكَانَ لِاَهْلِ الْمَدِيْنَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِنَ الْاَعْرَابِ اَنْ



সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল ফযীলত মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ اَوْحٰـى اِلَـىَّ اَنْ اُزَوِّجَ كَرِيـْمَتَـىَّ مِنْ حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ حَضْرَتْ رُقَيَّةَ



প্রসঙ্গ: কুরবানীর হাট বন্ধ করে কথিত ডিজিটাল হাট: মুসলমানদের ঐতিহ্য নষ্ট করা ও কুরবানী সম্পর্কে খারাপ ধারণা সৃষ্টি করাই


(১) পবিত্র কুরবানীর হাট নিয়ে নয়-ছয় কথা বলার শেষে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে- রাজধানীর ভেতর বসছে না পশুর হাট।’ অথচ গার্মেন্টস চলে, হাটবাজার চলে, মার্কেট চলে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু কুরবানীর কথা আসলে, ঈদের নামাযের কথা আসলে, মসজিদে জামায়াতে নামাযের



বাজেটে পবিত্র কুরবানীর বরাদ্দ কোথায়?


বর্তমান সরকার শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের সমর্থনে ক্ষমতায় এসেছে; তাই তাদেরকে মুসলমানদের সুবিধা-অসুবিধাগুলোকেই প্রাধান্য দিতে হবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের সাথে বলতে হয় যে, সরকার সর্বদাই তার বিপরীত করে যাচ্ছে। শতকরা ২%-এরও কম বিধর্মীদের বিভিন্ন উৎসবে ও পূজাম-পে আর্থিক অনুদান প্রদান করা



আজ বিশ্ব পর্দা দিবস; যা বরকতময় পবিত্র ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” অর্থাৎ অন্য কোন পুরুষ ও মহিলা কারো মতো নন। সুবহানাল্লাহ! আজ বিশ্ব পর্দা দিবস; যা বরকতময় পবিত্র ৮ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!



“মদীনা সনদ অনুযায়ী দেশ চলবে” -এ উক্তির বিপরীতটাই কেন বাস্তবে দেখা মিলছে?


সরকারের অনেকে প্রায়ই সম্মানিত মদীনা সনদ অনুযায়ী দেশ চালানোর কথা বলে। সরকার যদি সম্মানিত মদীনা সনদ অনুযায়ী দেশ-ই চালাতে চায় তাহলে – – নারী নেতৃত্ব কেন? – মানুষের তৈরি সংবিধান কেন? – গণতন্ত্র কেন? – বেপর্দা কেন? – খেলাধুলা কেন? –



বৃটিশ ও ভারতীয় বিধর্মীরা মিলেমিশে মুসলমানদের ক্ষতিসাধন করেছে


প্রশাসনের শীর্ষে বিধর্মী কর্মকর্তারা যে কতবড় সর্বনাশের কারণ হতে যাচ্ছে মুসলমানদের জন্য সেটা আজ এই বঙ্গবাসী মুসলমানেরা কল্পনাও করতে পারছে না। বাস্তব এটাই যে এই বিধর্মীরাই এই পাক ভারত উপমহাদেশে তিলে তিলে মুসলমানদের শোষণ করেছে। অথচ ইতিহাসের শিক্ষা এটাই যে মানুষ