ধ্রুবতারা -blog


...


 


কোনো আরব বা মুসলিম অধিবাসীর দেশে মূর্তি-ভাস্কর্য আছে বলে কি- তা জায়িয হয়ে যাবে?


অনেকে ইরান, সউদী, ইরাক, সিরিয়া, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান-এর বিভিন্ন স্ট্যাচুর উদাহরণ দেয়। অথচ কোনো দেশ, কোনো ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দলীল নয়। মুসলমান উনাদের দলীল পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ। কোনো দেশ



ভাগে গরু/উট/মহিষ কুরবানী করা জায়িজ শুধু না সুন্নতও বটে। সুবহানাল্লাহ


হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، – وَاللَّفْظُ لَهُ – قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ نَحَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم



কাট্টা কাফির কাদিয়ানী সম্প্রদায় মুসলমানদের ক্ষতি করার এক ইহুদী হাতিয়ার!


ইহুদীরা বিভিন্ন কৌশলে মুসলমানদের ক্ষতি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। যার ভেতর জঘন্যতম হচ্ছে, মুসলিম ছদ্মবেশে ইহুদী তৈরি করে মুসলমানদের ভিতর ফিতনা সৃষ্টি করা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, কাফির খেতাবপ্রাপ্ত কাট্টা কাফির “কাদিয়ানী সম্প্রদায়”। কাদিয়ানী এমন একটি স¤প্রদায় যারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার



হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাুহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতে কিছু করলে তিনি যে সন্তষ্ট হন তার একটা বিরাট দলীল


حضرت ابو بكر بن محمد بن عمر سے روايت هے- انهون نے كها كه مين ايك روز حضرت ابو بكر بن مجاهد كى خدمت مين حاضر تها- حضرت شبلى اس مجلسمين تشريف لائے – تو ابو بكر بن مجاهد كهرے هونے



মুসলমান উনাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় সৌর বর্ষপঞ্জি হচ্ছে ‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি বানিয়েছেন সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় করে আর চাঁদকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে। অতঃপর নির্ধারণ করেছেন এর জন্য মঞ্জিলসমূহ যাতে তোমরা চিনতে পারো বছরগুলোর সংখ্যা



আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমান না কাফিররা?


১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং ১.৪-২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো



জান্নাতী মেহমান শাহ নাওয়াসী ছালিছা আলাইহাস সালাম


সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার নব আযীমুশ শান বিশেষ মুবারক শান, মামদূহী নূরানী কাননে নব জান্নাতী মেহমান শাহ নাওয়াসী ছালিছা আলাইহাস সালাম তিনি হলেন তাশরীফান। সুবহানাল্লাহ! মামদূহ ও আম্মাজী উনারা সর্বোচ্চ খুশি প্রকাশ করে নব জান্নাতী মেহমান উনাকে করেন গ্রহণ, সম্মানিত



যিলহাজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন ও ঈদুল আযহা-উনার ফযিলত


وَالْفَجْرِ، وَلَيَالٍ عَشْرٍ কসম ভোরবেলার। কসম দশ রাতের। (পবিত্র সূরা ফাজর : ১-২) আল্লাহ পাক তিনি সূরা ফাজর উনার ১ম আয়াত শারীফে ফজরের কসম বলতে যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ ঈদুল আদ্বহা বা কুরবানির ঈদের ফজরের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন। আর দ্বিতীয় আয়াত শারীফে ১০



সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে সাক্ষীর জন্য দুই জনই যথেষ্ট, অথচ কুখ্যাত খুনি রাজাকার সাঈদীর যুদ্ধাপরাধের ২৮ জন সাক্ষী দেয়ার পরেও


সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে দুইজন পুরুষ অথবা একজন পুরুষ দুইজন মহিলা হলে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট। কিন্তু কুখ্যাত রাজাকার সাঈদী ওরফে দেইল্যা রাজাকারের বিরুদ্ধে মোট ২৮ জন সাক্ষী হাজির হয়। এর মধ্যে ২০ জন সরাসরি ঘটনার সাক্ষী। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী ২০১৩ সালের ২৮



মুসলমান যদি শাফায়াত ও নাজাত চাও, তবে মুনাফিক সউদী ইহুদী ওহাবী মুনাফিক সরকারের বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়াও


কোনো উম্মতের পক্ষে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শাফায়াত, সুপারিশ, তায়াল্লুক, নিসবত ব্যতীত পরিত্রাণ লাভ করা কাস্মিনকালেও সম্ভব হবে না; তা কবরে, হাশরে, মীযানে, পুলছিরাতে, হাউজে কাওছারে যেখানেই হোক না



ছাহিবুল কাওছার, ছাহিবুল মাহশার, ছাহিবুল লিওয়ায়িল হামদ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা


সব প্রশংসা মুবারক যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত ছলাত শরীফ ও সালাম মুবারক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিইয়ীন,



সারাবিশ্বে যারা একই দিনে পবিত্র রোযা-ঈদসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করার কথা বলে- তাদের কথা সম্পূর্ণ ভুল; ভূগোলের সামান্যতম


সারাবিশ্বে যারা একদিনে রোযা রাখা এবং একদিনে ঈদ করার কথা বলে থাকে, সামান্যতম ভৌগোলিক জ্ঞানও তাদের নেই। কেননা, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের পার্থক্য হচ্ছে ১২ ঘণ্টা। পৃথিবীর এক প্রান্তে যখন দিন, তখন অন্য প্রান্তে রাত। কাজেই সেখানে তখন