ধ্রুব তারা -blog


...


 


ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ



নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা মূর্খতা ছাড়া আর কি


সারাদেশে কত সংখ্যক কুরবানী হয়, কতটি স্থানে হয়, কিভাবে হয়, কত লোক এর সাথে জড়িত এসব সামগ্রিক হিসাব-নিকাশ করলে এটাই স্পষ্ট হয় নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে যারা বলে তারা মূলত চক্রান্ত কারী, ইসলামবিদ্বেষী, কুরবানী বিদ্বেষী। আর যারা এদের কথায় লাফালাফি করে



পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধে তীব্র প্রতিবাদ করতে হবে


পবিত্র কুরবানী হলো মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হওয়ার বড় এক মাধ্যম। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম ও কিছু ইসলাম বিদ্বেষী দুষ্টচক্র কুরবানী নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করে। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট থেকে মুসলমানদেরকে দূরে রাখতে চায় এবং ঈমানহীন করতে চায়। তারা মানুষকে



খুনাখুনি, কোপাকুপি, সংসারে বিশৃঙ্খলা রোধে পর্দা পালনের বিকল্প নেই


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে এবং দেখায় তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” কাজেই এই লা’নত থেকে বাঁচার জন্য এবং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



চাঁদ দেখা ও আরবী মাসের তারিখ ঘোষণা নিয়ে ষড়যন্ত্রের নেপথ্য কথা


পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক প্রতি মাসেই ২৯তম দিন শেষে আকাশে খালি চোখে চাঁদ দেখে মাস শুরু করতে হয়। কিন্তু অনেক নামধারী মুসলিম দেশ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুসরণ না করে মনগড়াভাবে চাঁদের তারিখ ঘোষণা করছে। গভীরভাবে তলিয়ে দেখার পর জানা গেল-



পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সর্বোচ্চ জাঁকজমকের সাথে উদযাপন করতে হবে


মানব জীবনে উৎসবের বিকল্প নেই। মানুষ নানা উৎসব পালন করে থাকে। আর যে কোনো উৎসব উদযাপনে খরচ হয় হাজার হাজার টাকা থেকে কোটি কোটি টাকা। কিন্তু মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব হলো পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ। কেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



হাতিরঝিলের মসজিদটি যারা ভেঙ্গে ফেলেছে তারা তওবা না করলে তাদেরকে আবরাহার চেয়ে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُولَئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ



রতের যে গ্রামের মেয়েদের প্রধান পেশা অনৈতিক কাজ; পরিবারের পুরুষরা তাদের দালাল!


ভারতে বসবাসরত মুসলিম নারীরা যালিম ও সন্ত্রাসী মুশরিকদের দ্বারা যেভাবে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। যারফলে খোদায়ী গযবে তারা নিজেরাই বর্তমানে কঠিনভাবে পর্যদুস্ত। রাজস্থান ভারতের একটি গ্রাম। রাজধানী দিল্লি থেকে এই গ্রামের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার। এই গ্রামের অধিকাংশ মেয়েই



নিজ ভাষায় পাঠ্যবই পড়লেই কি পার্বত্য উপজাতিরা অধিকার প্রাপ্ত হয়ে যাবে ?


সমস্যা অনেক । প্যাচ লাগানোর লোকের অভাব নাই, তবে খোলার লোকের অভাব আছে। গত কয়েক বছর যাবত পশ্চিমাপন্থী সংগঠনগুলো বাংলাদেশ সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে আসছিলো- পার্বত্য এলাকায় উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে নিজ নিজ মাতৃভাষায় পাঠ্যবই পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। সরকার পশ্চিমাগোষ্ঠীর



৯৮ ভাগ মুসলমানের পাঠ্যপুস্ত ইসলামী শিক্ষার বিপরীতে নাস্তিক্যবাদের শিক্ষায় পরিপূর্ণ!


বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। কারণ এদেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৯৮ ভাগ মুসলমান। এছাড়া আমাদের রাষ্ট্রধর্মও ইসলাম। আমাদের সংবিধানে ধর্ম হিসেবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে এবং সম্প্রদায় হিসেবে মুসলিম সম্প্রদায়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ এবং গণতন্ত্রে অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর



দেশে এখন ইসলামবিরোধিতা প্রকাশ্যেই হচ্ছে!! এর জন্য দায়ী কে?


  আজ থেকে কয়েক বছর আগেও যেটা এদেশে কল্পনা করা হয়নি- আজ সেটাই হচ্ছে। কিছুুদিন আগে একটি জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশ্যে আযানের বিরুদ্ধে কটূক্তি করেছে। এর আগেও একবার নাস্তিকদের কবি শামসুর সেও আযানকে কটাক্ষ করেছিলো। কিন্তু তখন তা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক



সউদীরা প্রকৃতপক্ষে ইহুদী তা আবারো প্রমাণিত


সউদী আরব বুঝতে পেরেছে ইসরাইল তার বন্ধু: নেতানিয়াহু ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছে, সউদী আরব এখন তেলআবিবকে ‘শত্রুর পরিবর্তে বন্ধু’ হিসেবে দেখে। সে আরো দাবি করেছে, এটি ফিলিস্তিন ইস্যুতে সউদী নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস। ড্যাভোসে গত জুমুয়াবার বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের