ধ্রুব তারা -blog


...


 


পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীর জন্য শুভ সংবাদ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আবু দ্বারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনার পর আর


কারবালার ঘটনার পর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখনই পানি দেখতেন, তখনই কারবালায় আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পিপাসার কথা মনে পড়তো ও তিনি এতে অত্যন্ত ব্যথিত হতেন। তিনি কোনো



যারা পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার বিরোধী তারা কি তাদের সন্তানের জন্মে খুশি প্রকাশ করে না?


আহ! বড়ই আফসুস লাগে যাঁর কারণে কুল-কায়িনাত সৃষ্টি হয়েছে। জান্নাত, জাহান্নাম, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, তরুলতা, আমি আপনিসহ ওই ঈদে মীলাদে হাবীবী বিরোধী পাপাত্মা কুলাঙ্গাররা সৃষ্টি হয়েছে সেই মহান রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক



দাড়ি কেটে বেদ্বীন-বদদ্বীনদের ছূরত ধারণ করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমাদেরকে যা আদেশ মুবারক করা হয়েছে তার উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ় থাকো।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক



প্রতিটি শ্রেণীতে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অন্তর্ভুক্ত চাই


“হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তারা যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে ‘ফযল ও রহমত’ পেয়েছে সে জন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয় তাদের এ খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয়ের থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ!



সর্বাবস্থায় সম্মানিত সুন্নতী পোশাক পরিধান করা ফরয


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا بَنِي آدَمَ قَدْ أَنزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا يُوَارِي سَوْآتِكُمْ وَرِيشًا ۖ وَلِبَاسُ التَّقْوَىٰ ذَٰلِكَ خَيْرٌ ۚ ذَٰلِكَ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ অর্থ: হে বনী আদম! আমি তোমাদের জন্য পোশাক নাযিল করেছি। যাতে তোমরা



আরবী মাসের তারিখ ঘোষণা নিয়ে সউদী সরকারের ষড়যন্ত্রের নেপথ্য কথা


ছোটবেলা পবিত্র রমদ্বান শরীফ উনার চাঁদ আর পবিত্র ঈদ উনার চাঁদ খোঁজার মধ্যে আনন্দই ছিল অন্যরকম। এখন প্রতি মাসেই চাঁদ খুঁজি তবে বর্তমানে আগ্রহের সাথে দায়িত্ব যুক্ত হয়েছে। কিন্তু সেই ছোটবেলা থেকেই জেনে এসেছি আকাশে খালি চোখে চাঁদ দেখে মাস শুরু



ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ



নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা মূর্খতা ছাড়া আর কি


সারাদেশে কত সংখ্যক কুরবানী হয়, কতটি স্থানে হয়, কিভাবে হয়, কত লোক এর সাথে জড়িত এসব সামগ্রিক হিসাব-নিকাশ করলে এটাই স্পষ্ট হয় নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে যারা বলে তারা মূলত চক্রান্ত কারী, ইসলামবিদ্বেষী, কুরবানী বিদ্বেষী। আর যারা এদের কথায় লাফালাফি করে



পবিত্র কুরবানীর পশু নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র বন্ধে তীব্র প্রতিবাদ করতে হবে


পবিত্র কুরবানী হলো মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হওয়ার বড় এক মাধ্যম। তবে কিছু সংবাদমাধ্যম ও কিছু ইসলাম বিদ্বেষী দুষ্টচক্র কুরবানী নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করে। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট থেকে মুসলমানদেরকে দূরে রাখতে চায় এবং ঈমানহীন করতে চায়। তারা মানুষকে



খুনাখুনি, কোপাকুপি, সংসারে বিশৃঙ্খলা রোধে পর্দা পালনের বিকল্প নেই


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে এবং দেখায় তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” কাজেই এই লা’নত থেকে বাঁচার জন্য এবং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



চাঁদ দেখা ও আরবী মাসের তারিখ ঘোষণা নিয়ে ষড়যন্ত্রের নেপথ্য কথা


পবিত্র হাদীছ শরীফ মুতাবিক প্রতি মাসেই ২৯তম দিন শেষে আকাশে খালি চোখে চাঁদ দেখে মাস শুরু করতে হয়। কিন্তু অনেক নামধারী মুসলিম দেশ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুসরণ না করে মনগড়াভাবে চাঁদের তারিখ ঘোষণা করছে। গভীরভাবে তলিয়ে দেখার পর জানা গেল-