রংধনু -blog


...


 


কথিত ‘মুক্তমনা’ ও ‘মুক্তচিন্তা’ বিষয়টি বিধর্মীদের জন্যই খাছ!


কথিত ‘মুক্তমনা’ ও ‘মুক্তচিন্তা’ বিষয়টি বিধর্মীদের জন্যই খাছ দেশজুড়ে এখন বিশেষ একটি শব্দের ব্যবহার খুব শুনা যাচ্ছে। সেটি হলো- ‘মুক্তমনা’। শব্দটিকে একটু ব্যাখ্যা করলে মোটামুটি বুঝা যায় এরকম- মনের মাঝে যা আসে তাই করা বা বলা। অর্থাৎ মনের স্বাধীনতা। একইরকম আরেকটি



এক মহান ব্যক্তিত্ব মুবারক এলেন পবিত্র ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ-এ


পবিত্র ৯ই জুমাদাল ঊলা শরীফ তারিখে যিনি তাশরীফ নিলেন তিনি তো আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম। উনি একজন উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন মহাপুরুষ। মুজাদ্দিদে আ‘যম আলাইহিস সালাম উনার দামাদ হতে পারে এমন যোগ্যতা চেয়ে পাওয়া যায় না। এটা মহান আল্লাহ



সম্মানিত মুসলমানদের পালনীয় দিবসসমূহই “আইয়্যামুল্লাহ”


আরবী ইয়াওমুন শব্দের বহুবচন আইয়্যামুন। যার অর্থ দিন বা দিবসসমূহ। আর “আইয়্যামুন” শব্দ সম্মানিত “আল্লাহ” শব্দ মুবারক উনার সাথে যুক্ত হয়ে “আইয়্যামুল্লাহ” হয়েছে। ফলে উভয় শব্দদ্বয়ের অর্থ হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহ। উল্লেখ্য, যদিও সময়, দিন, মাস ও বছর সবই



‘ ন ডরাই ‘ সিনেমা সম্মানিত মুসলমান উনাদের অন্তরে আঘাত দিচ্ছে – হাইকোর্টের সেন্সর সার্টিফিকেট বাতিলে নির্দেশ


১) ‘ন ডরাই’–এর সেন্সর সার্টিফিকেট বাতিলে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্টের রুল। (প্রথম আলো, bit.ly/2E4540Y) ২) ‘ন ডরাই’ সিনেমা নিয়ে হাইকোর্টের রুল। (চ্যানেল আই অনলাইন, bit.ly/38ltnFo) ৩) ‘ন ডরাই’ নিয়ে হাইকোর্টের রুল। (সারা বাংলা, bit.ly/2YwdTdg) ৪) ‘ন ডরাই’ চলচ্চিত্রের সেন্সর সনদ বাতিলে



ইমামুল আউয়াল মিন আহলু বাইতি রসুলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার মুবারক শানের খিলাফের জবাব


মিজান আযহারী সহ যেসকল বাতিল ফির্কা এখানো আহলে বাইত শরীফের বিরোধিতা করে তিরমিযী শরীফের ঐ হাদীছ সামনে নিয়ে ভাবছো হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম মদ পান করেছিলেন। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক। তাদের জবাব আল্লাহ রব্বুল আলামীন কুরআন শরীফেই দিয়ে দিয়েছেন। يَا



‘এক পরিবার এক সন্তান’ এক ষড়যন্ত্রের ফাঁদ


সন্তান মহান আল্লাহ পাক উনার একটি বিশেষ নিয়ামত মুবারক। যাদের সন্তান নেই শুধু তারাই এই সত্যটি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারে। জনসংখ্যা কোনো দেশের জন্যই সমস্যা নয়। রিযিকের মালিক স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি। উনার কোনো অভাব নেই। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্বেই



পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ নিয়ে বাতিলপন্থীদের চু-চেরার দলীলভিত্তিক জওয়াব


সুওয়াল: নামায রোযা পালনের খবর নাই, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে টানাটানি। নাউযুবিল্লাহ! সুওয়াল: পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের আগে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ঠিকমত আদায় করতে হবে। কারণ কিয়ামতের ময়দানে এসবের হিসেব



আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র ১লা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক হযরত নবী আলাইহিস সালাম উনার জান্নাতে একজন বন্ধু থাকবেন। আর জান্নাতে আমার বন্ধু হবেন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র ১লা মুহররমুল



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত উম্মত উনাদের পক্ষ থেকে পবিত্র কুরবানী মুবারক করেছেন


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت عائشة صديقة عليها السلام ان رسول الله صلى الله عليه وسلم امر بكبشين اقرن يطآ فى سواد ويبرك فى سواد وينظر فى سواد فاتي به ليضحى به قال يا عائشة عليها



সরকারের প্রতি- পাঁচ ওয়াক্ত নামায যে মহা পবিত্রতম ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ-এ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে নাযিল হলেন সেই


মুসলিম উম্মাহ উনাদের সবচেয়ে বড় অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক রাত ও দিন হচ্ছে পবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ তথা মি’রাজ শরীফ উনার রাত ও দিন। গ্রহণযোগ্য ও বিশুদ্ধ বর্ণনা মতে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী পবিত্রতম



দেশপ্রেমের অভাবেই সংখ্যালঘুরা দেশান্তরি হয় এবং টাকা পাচার করে


বিজাতীয়-বিধর্মীরা বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার করে, সুযোগ পেলে নিজেরাই পাচার হয়। এটা কোনো নির্যাতনের ফল নয়, এটা হলো তাদের আড়াইশ বছর ধরে চলে আসা স্বভাব। যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি তখন তাদের বাপদাদারাও এদেশকে ঘৃণা করতো। বঙ্কিমচন্দ্র তার লেখাতে উল্লেখ করেছে “ঢাকাতে



চাকরিক্ষেত্রে ভারতীয়; এ কেমন দেশপ্রেম? 


এটা এখন ওপেন সিক্রেট খবর যে, বাংলাদেশে নামে-বেনামে, বৈধ-অবৈধভাবে লাখ লাখ ভারতীয় অবস্থান করছে। তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের দেশে প্রায় হাজার হাজার মিলিয়ন ডলার আমাদের দেশ থেকে পাচার করছে। ভারতের রেমিট্যান্স উৎসের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সংখ্যা শুধু সরকারি হিসাবে। কিন্তু