ওয়ালি -blog


Be a muslim.


 


সউদী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবির মাধ্যমে মুসলমানদের হজ্জ নষ্ট করছে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ২১৭নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “মসজিদে হারাম শরীফে প্রবেশে বাধা দেয়া, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনেক বড় অন্যায়।” পবিত্র হজ্জ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি। মুসলমানদেরকে পবিত্র হজ্জে



পবিত্র আযান মানুষকে সময় সচেতন করে, কর্মঘন্টা রক্ষা করে


বর্তমানে কিছু পরিবেশবাদী নাস্তিক বের হয়েছে, যারা বলে থাকে আযানে শব্দ দূষণ হয়। নাউযুবিল্লাহ! আমি তাদেকে চ্যালেঞ্জ করে বলবো! আযানে কখনো শব্দ দূষণ হয় না, বরং আযান আমাদের লাখ লাখ কর্মঘণ্টা ও শব্দ দূষণ মুক্ত করতে সহায়তা করে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম



সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার আযীমুশ শান সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ


উতবা যখন বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়া থেকে মাহরূম হয়ে যায়, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত ওহী মুবারক প্রেরণ করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখ অপসংস্কৃতি লালন-পালনের নেপথ্যে যারা


ইতিহাসের পাতা থেকে- ১৯৫১ সালে ওয়ারীর ৭নং হেয়ার স্ট্রিটে তথাকথিত লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক, অধ্যাপক, মিলে “লেখক শিল্পী মজলিস” নামে একটি সংগঠন করে রেলওয়ের মাহবুব আলী ইনস্টিটিউটে এদেশে প্রথম পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠান করে। তবে তার আগে এরাই কার্জন হলে নববর্ষ উপলক্ষে গানের



যে ব্যক্তি নিজেকে মুসলমান দাবি করবে আবার পূজার শুভেচ্ছাও দিবে সে কিন্তু মুশরিক হয়ে যাবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮) “তোমরা ছবি বা মুর্তির অপবিত্রতা বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথা বা (গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা, কাল্পনিক, মনগড়া-বানোয়াটি



হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী, কটাক্ষকারী, অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি প্রদান করা ওয়াজিব


অনুসরণীয় চার মাযহাব উনাদের ফতওয়া মুতাবিক সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী, কটাক্ষকারী, অবমাননাকারীদেরকে শরঈ শাস্তি প্রদান করা ওয়াজিব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন নতুন কোনো বিষয় নয়, বরং আজকের ঘোর বিরোধীদের পূর্বপুরুষেরাই এ দিবস পালনের ফযীলত বর্ণনা


আজ থেকে ১০০ বছর আগেও পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের সম্মানিত ইমাম-খতীবগণ উনারা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত জওক শওকের সাথে পালন করতেন এবং কেউ তার বিরুদ্ধে বললে তাকে



মহিলাদের জামায়াত বন্ধ করতে হবে


পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, ঈদাইন, তারাবীহসহ সর্বপ্রকার নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী। তা পবিত্র রমাদ্বান শরীফে হোক অথবা গাইরে রমাদ্বান শরীফে হোক। বিশিষ্ট ছাহাবী আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জিসম মুবারক উনার সবকিছু পবিত্র ও তা গ্রহণ করা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, উহুদের ময়দানে কিছু ছাহাবী নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাথা মুবারকের ক্ষতস্থান হতে নির্গত নূরুন নাজাত মুবারক অর্থাৎ রক্ত মুবারক যাতে যমীনে না পড়তে পারে সেজন্য উনারা তা চুষে চুষে



এক ঈদের ভেতর আরেক ঈদ পালন করো হে সকল মুরীদ ও মুরীদাহ


মুসলমানের খুশি প্রকাশের পর্ব বা অনুষ্ঠানের অন্ত নেই। মুসলমানের সবচেয়ে খুশি প্রকাশের বড় ও মহান দিন হলো কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর দিন- ১২ই



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাফের ইয়াজিদ ও তার বাহিনীর সামনে


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাফের ইয়াজিদ ও তার বাহিনীর সামনে আগমন এবং উনার সুমহান ক্বওল শরীফ সমূহ: ১. আমি হলাম জান্নাতের যুবকদের সাইয়্যিদ ২. যাঁকে রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুমু দিতেন



মহিলাদের নামাজের জন্য মসজিদে গমন নাজায়িয বা হারাম


মহিলাদের নামাজের জন্য মসজিদে গমন নাজায়িয , বরং হাদীস শরীফে আছে মহিলাদের নামাজের উত্তম জায়গা হচ্ছে নিজের ঘরের গোপন প্রকোষ্ঠ। অথচ এক শ্রেনীর অজ্ঞ লোক সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের ইজমা কে অবজ্ঞা করে মহিলা মসজিদে নামাজকে বৈধ বানানোর অপচেষ্টা চালিয়ে