আরিফুর রহমান -blog


...


 


কে সন্ত্রাসী? মুসলমান নাকি কাফিররা??


আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা



“হাযা হাবীবুল্লাহ মাতা ফী হুব্বিল্লাহ”


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! নিশ্চয়ই যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা পেরেশানীও নেই।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬২) অর্থাৎ যাঁরা মহান আল্লাহ



তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব আর তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বতেই পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন


সুলত্বানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতি সানজিরী আজমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বিশুদ্ধ মতে- ৫৩৬ হিজরী সনের ১৪ রজব ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার)-এ বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার পিতা ছিলেন হযরত সাইয়্যিদ গিয়াস উদ্দিন হাসান রহমতুল্লাহি



হযরত সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতি সানজিরী আজমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফাযায়িল-ফযীলত ও বুযুর্গী


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে যে সমস্ত মহান ওলীআল্লাহ ও বুযুর্গ উনাদের নাম মুবারক স¦র্ণাক্ষরে আবহমানকাল ধরে জ্বল জ্বল করে জ্বলছে এবং অনন্তকাল ধরে জ্বলবে, সাথে সাথে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের



যিক্রুল্লাহ, খইরু খলক্বিল্লাহ, আস সিরাজুল মুনীর, ইমামুল মুত্তাক্বীন, মালিকুল জান্নাহ, আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ


সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল সৌন্দর্য মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি অতি বিস্ময়কর বেমেছাল সৌন্দর্য মুবারক উনার অধিকারী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, كان حَضْرَتْ عبد الله بن عبد المطلب عليهما السلام أحسن رجل رئي قط অর্থ:



পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে সমস্ত বিধর্মীরা বিভ্রান্ত এবং পথভ্রষ্ট। তাই বিধর্মীদের পহেল বৈশাখ পালন


আমরা মুসলমানরা প্রতিদিন বিতরসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযে কমপক্ষে ৩২বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করি এবং পবিত্র ঈসালে সওয়াবসহ আরো অনেক আমলে আমরা পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করি। এখন বুঝার এবং ফিকির করার বিষয় হচ্ছে- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে



প্রসঙ্গ: ১লা বৈশাখ- ক্ষমতা কিংবা সক্ষমতা থাকলেই সব করা উচিত নয়


পিতা-মাতা সন্তানের মালিক হওয়ার পরও কোনো পিতা কিংবা মাতা যদি সন্তানকে হত্যা করে, তাহলে হত্যাকারীকে গ্রেফতার করা হয়, জেল-জরিমানা করা হয়, মৃতুদ-ও হতে পারে। পুলিশের কাঁধে রিভলভার থাকলেই মন চাইলে গুলি ছুড়তে পারে না, ছুড়লে তাকে জবাবদিহি করতে হয়। একটা লোক



ইবনু রসূলিল্লাহ, আউওয়ালু আওলাদি রসূলিল্লাহ, র্কুরতু আইনি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, সাইয়্যিদুল বাশার, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আউওয়াল আলাইহিস


আযীমুশ শান নিকাহিল আযীম শরীফ: আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১৫ বছর পূর্বে ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি



‘হিজরী সন’-এর প্রতি বিদ্বেষ করেই এলাহী বা ফসলী সন চালু করা হয়েছে


ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষিপণ্যের খাজনা আদায় করতো। খাজনা আদায়ে নতুন প্রথা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর নতুন সনের প্রবর্তন করে। সম্রাটের আদেশ মতে জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি সৌর সন এবং আরবী হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে



কাফির-বেদ্বীনগুলা সব বিপদের কারণ


মেক্সিকোতে প্রলয়ঙ্করী ঝড়; ইথিওপিয়ায়, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, এল-সালভেদর, নিকারাগুয়া, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাসে খরা; ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণে ভুমিধস- এল নিনোর প্রভাবে এসব ঘটছে অহরহ। আর এসব বিপর্যয় ২০১৫ ঈসায়ী সালে ১০০ মিলিয়ন মানুষের খাবার কেড়ে নিয়েছে। এর অর্থ এসব দেশের কমপক্ষে দশ কোটি লোককে



‘শিক্ষানীতি’তে দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন নেই কেন !!


এটা সবারই জানা আছে, পড়ালেখা করুক আর না করুক- সবাই এই কথাটিকে আওড়িয়ে থাকে। ‘শিক্ষা জাতির মেরুদ-’। কিন্তু শিক্ষা নামক এই মেরুদন্ড নিয়ে এ দেশের মুসলমানদের কখনো কোনো চিন্তা-ভাবনা করে থাকে বলে মনে হয় না। কারণ আজ অনেক বছর থেকেই দেশের



এক নজরে ইবনু রসূলিল্লাহ, আশবাহুল খলক্বি বিরসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, আল মুবাশ্শির, আল আবাররু, আল আজওয়াদ সাইয়্যিদুনা হযরত


ইবনু রসূলিল্লাহ, আশবাহুল খলক্বি বিরসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন, তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, মহাসম্মানিত আবনা’ (ছেলে) আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ